কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কলম্বিয়ার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে তাদের। দুই দলের কেউই ৯০ মিনিটে গোল করতে পারেনি। ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
১ মিনিটে আর্জেন্টিনা সুযোগ তৈরি করেছিল। বাঁ প্রান্ত থেকে মন্তিয়েলের ক্রস বক্সের মধ্যে খুঁজে পায় আলভারেজকে। তার নেওয়া প্রথম শটে জোর ছিল না।
ফাঁকায় বল পেয়ে ষষ্ঠ মিনিটে লুইস দিয়াজ আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ভেদ করেন। কাছের পোস্ট থেকে নিচু শট নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আর্জেন্টাইন কিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ সেভ করেন সহজে।
পরের মিনিটে জেমসের চমৎকার বানিয়ে দেওয়া বলে কারদোবা অ্যাক্রোবেটিক শট নেন, যা পোস্টের বাইরে আঘাত করে। ১৩ মিনিটে কর্নার থেকে জেমসের উড়িয়ে মারা বলে কুয়েস্তা লক্ষ্যে হেড করেছিলেন। এবারও মার্টিনেজ বেশ ভালোভাবে ধাক্কা সামলে নেন। তিন মিনিট পর আবারও জেমস পরীক্ষা নেন আর্জেন্টাইন কিপারকে।
আর্জেন্টিনা ২০ মিনিটে কলম্বিয়ার ডিফেন্সে আতঙ্ক ছড়ায়। ডি মারিয়ার নিছু ক্রসে মেসি প্রথম শট নিলে তা ব্লক করেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার। সানচেজের সরাসরি পাসে কলম্বিয়ার কেউ পায়ে বল নিতে পারেননি, সরাসরি মার্টিনেজের হাতে চলে যায় বল।
কলম্বিয়া গোলের পরিষ্কার সুযোগ পায় ৩৩ মিনিটে। বেশ দূর থেকে লারমা লক্ষ্যে শট নেন। গোলমুখের সামনে ভেসে আসা বল ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আঙুলের ছোঁয়ায় লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন মার্টিনেজ।
কলম্বিয়া আর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো সুযোগ তৈরি করলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের কারণে জালের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ৬৬ মিনিটে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠের বাইরে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তার বদলি হন নিকো গনসালেস। ডাগআউটে বসে কাঁদতে দেখা যয় মেসিকে।
৭৮ মিনিটে জেমসের ফ্রি কিক ক্রিসে বল পান কার্লোস কুয়েতা। তার হেড লক্ষ্যে ছিল না।
৮৮ মিনিটে ডি মারিয়ার ক্রস থেকে নিকো গনসালেস গোলমুখের সামনে হেড করেন। আলভারেজকে শুধু বল ঠেলে দিলেই হতো, কিন্তু সময়মতো পা ছোঁয়াতে পারেননি।
ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে বক্সের মধ্যে ভালো অবস্থানে বল পেয়েছিলেন ডি মারিয়া। কিন্তু ভারসাম্য রাখতে না পেরে শট নিতে ব্যর্থ হন আর্জেন্টাইন প্লে মেকার।









