শেষ কবে আবাহনী লিমিটেড বিদেশি খেলোয়াড় ছাড়া লিগ খেলেছে তা বলা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে দলটা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে কেমন করে সেটা দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। আশার কথা সমর্থকপুষ্ট দলটি প্রথম ম্যাচে ভালোভাবেই উৎরে গেছে। ইয়ংমেন্স ফকিরেরপুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে আবাহনী। গোলদাতা ছিলেন এনামুল গাজী ও জাফর ইকবাল।
শনিবার গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে আবাহনীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলা চেষ্টা করেছে ইয়ংমেন্স। বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে একাধিকবার আক্রমণে গেলেও গোল পায়নি। মারুফুল হকের দলও কম দাপট দেখায়নি। যদিও আক্রমণগুলো বারের ওপর দিয়ে কিংবা পাশ দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।
প্রথমার্ধে গোল পায়নি কেউ। বিরতির পর দুটি গোল হয়েছে।৭১ মিনিটে প্রথম গোল পায় আবাহনী। কামরুল ইসলামের পাসে বক্সে ঢুকে এনামুল গাজী গোলকিপারকে পরাস্ত করে সমর্থকদের স্বস্তি এনে দেন। এনামুলই ছিলেন ম্যাচসেরা। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে বলেছেন,‘গোল করতে পেরে ভালো লেগেছে। দল জেতায় ভীষণ খুশি।’
আবাহনী ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে শেষ দিকে। তাদের একজনকে ট্যাকল করতে গিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন ইয়ংমেন্সের ডিফেন্ডার। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে সময় নেননি। জাফর ইকবাল গোলকিপারের ডান দিক দিয়ে সহজেই জাল খুঁজে নিয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে দিনের অন্য ম্যাচে রহমতগন্জ ৩-১ গোলে ফর্টিস এফসিকে হারিয়েছে। ম্যাচের সবগুলো গোল হয়েছে বিরতির পর। ৫৯ মিনিটে পুরোনো ঢাকার দলটি প্রথম গোল পায়। মাহমুদ ওশি লক্ষ্যভেদ করে দলকে এগিয়ে নেন। ৮ মিনিট পর কাহারবার পাসে তাজ উদ্দিন ব্যবধান দ্বিগুণ করেছেন। ৭০ মিনিটে ফেলিক্স তেতে তৃতীয় গোল করে ফর্টিস এফসিকে ব্যাকফুটে ফেলে দেন। পাসটি দিয়েছিলেন বোয়েটাং।
যদিও ৭৪ মিনিটে মঞ্জুরুর রহমান মানিক গোল করে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু তার দল সফল হতে পারেনি। ৩-১ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।








