বছরখানেক আগে ফেডারেশন কাপের লড়াইয়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী-মোহামেডান দারুণ খেলেছিল। কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে জম্পেশ সেই ম্যাচের স্মৃতি এখনও অনেক সমর্থকদের মনে জায়গা করে আছে। সেই কুমিল্লার মাঠে আবারও দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে এবার ফেডারেশন কাপ নয়, প্রিমিয়ার লিগের লড়াই। শনিবার দুপুরের ম্যাচটি ঘিরে যদিও উত্তেজনা আগের মতো নেই।
খেলার আগে উত্তেজনা সেভাবে না থাকলেও মাঠে যে কেউ কাউকে ছাড় দেবে না তা পরিষ্কার। অন্তত দুই দল যখন মুখোমুখি হয়, তখন মর্যাদার বিষয়টিও জড়িয়ে থাকে। তবে এবার মাঠে নামার আগে আবাহনী লিমিটেডের চেয়ে মোহামেডান স্পোর্টিং একদিক দিয়ে এগিয়ে।
মোহামেডান বিদেশিসহ পূর্ণশক্তির দল নিয়ে খেললেও আবাহনী যে খেলছে এবার বিদেশি ছাড়াই! অর্থাভাবে বিদেশি খেলোয়াড় নিতে পারেনি আকাশী-নীল জার্সিধারীরা। পট পরিবর্তনের পর কোনোমতে দল খেলছে। যদিও শুধু দেশিদের নিয়ে মৌসুম শুরুর তিন ম্যাচই জিতেছে আকাশী-নীলরা। দুটি প্রিমিয়ার লিগে, অন্যটি ফেডারেশন কাপে।
তাদের কোচ মারুফুল হক দলকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছেন। বিদেশি ছাড়া যে আবাহনী জিততে পারে তা আগের তিনটি ম্যাচে প্রমাণ হয়েছে। তাই কালকের ম্যাচও জেতার প্রত্যাশা।
আবাহনীর সামনে জয়ের ধারায় থাকার চ্যালেঞ্জ। জাতীয় দলে খেলা দলটির গোলকিপার মিতুল মারমা যেমন বলেছেন, ‘বিদেশি ছাড়া খেলা সবসময় কঠিন। সত্যি বলতে, আমরা অনেকটা পিছিয়ে থাকবো, তবে মাঠের খেলায় চেষ্টার কোনও কমতি রাখবো না। আমরা যে ছন্দে আছি সেটা ধরে রাখতে চাই। আশা করছি ভালো লড়াই হবে।’
আবাহনী বিদেশি ছাড়া লড়াই করে যাচ্ছে। মোহামেডান দিয়াবাতেদের নিয়ে এবার চ্যালেঞ্জ কাপে কিংসের কাছে হারলেও লিগে তারা আগের রাউন্ডে হারিয়ে দিয়েছে চ্যাম্পিয়নদের। তবে নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে ফেডারেশন কাপে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও সাদা-কালোরা হেরেছে রহমতগঞ্জের কাছে। তাতে আত্মবিশ্বাসেও খানিকটা চিড় ধরেছে।
যদিও তাদের কোচ সাবেক তারকা স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ আশাবাদী, ‘আমরা জয়ের জন্য মাঠে নামবো। জেতার জন্য সবাই আত্মবিশ্বাসী।’








