গত সপ্তাহে ক্রিস্টাল প্যালেসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে চেলসির ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শুরু। শুক্রবার তারা ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে নামার আগে পেলো দুঃসংবাদ। ইনজুরিতে পড়া কোল পালমারকে পাচ্ছে না তারা। লন্ডন স্টেডিয়ামে নামার ৬ মিনিট যেতেই তাদের জাল কাঁপালো ওয়েস্ট হ্যাম। ওই এক গোল যেন তাঁতিয়ে দিলো চেলসিকে। ম্যাচটি তারা শেষ করলো ৫-১ গোলে জিতে।
হোয়াও পেদ্রো, পেদ্রো নেতো, এনজো ফের্নান্দেজ, মোয়াসেস কাইকেদো ও ট্রেভোহ চালোবাহর গোলে ব্লুরা বড় জয় পায়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পর প্রথমবার টেবিলের শীর্ষে ওঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
প্রায় চার বছর পর পাওয়া শীর্ষস্থানে হয়তো কয়েক ঘণ্টা থাকবে চেলসি, কারণ বাকি ১৮ দল কেবল এক ম্যাচ খেলেছে। তবুও টেবিলের চূড়ায় ওঠা তাদের জন্য আশা জাগানোর মতো ব্যাপার।
ষষ্ঠ মিনিটে লুকাস পাকেতার গোলে পিছিয়ে পড়ে চেলসি। তারপর ক্রস থেকে পাঁচ গোল করে ওয়েস্ট হ্যামের দুর্দশা বাড়ায় তারা। নেতোর কর্নারে মার্ক কুকুরেল্লার ফ্লিক থেকে নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথম প্রিমিয়ার লিগ গোল করেন পেদ্রো।
মিনিটখানেক পর ওয়েস্ট হ্যাম ভেবেছিল তারা লিড নিয়েছে। নিকলাস ফুলকুর্গের ওই গোল ভিএআরে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
২৩তম মিনিটে চেলসি এগিয়ে যায়। পেদ্রোর ভাসানো বলে দারুণ ভলিতে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল কাঁপান নেতো।
পালমারের অনুপস্থিতিতে একাদশে জায়গা পাওয়া এস্তেভাও কোনও বাধা ছাড়াই বল বাড়ান। ফের্নান্দেজ খালি জালে বল জড়ান। ৩৪তম মিনিটে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় চেলসি।
দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে চতুর্থ গোল করে ব্লুরা। হ্যামারদের নতুন গোলকিপার ম্যাডস হারমানসেন আবারও কর্নার বিপদমুক্ত করতে পারেননি। কাইকেদো সহজেই বল পাঠান জালে।
আবার হারমানসেনের অদক্ষতায় পঞ্চমবার ওয়েস্ট হ্যামের জালে বল ঢোকে। চালোবাহ হেড করে স্বাগতিকদের হতাশা বাড়ান।









