জাতীয় ফুটবল দলে তিন জন গোলকিপার- মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবন ও সুজন হোসেন। এরপরও এই তিন জনের বাইরে কোচ হাভিয়ের কাবরেরা তরুণ গোলকিপার ইসহাক আকন্দকে প্রাথমিক দলের ক্যাম্পে ডেকে চমক সৃষ্টি করেছেন। ফিফা প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনাম ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে ব্রাদার্স ইউনিয়নের তেকাঠি সামলানো ইসহাককে অন্য তিন জনের সঙ্গেও মনে ধরেছে স্প্যানিশ কোচের। ৬ ফুট এক ইঞ্চি উচ্চতার গোলকিপারও ডাক পেয়ে বেজায় খুশি। একই ক্যাম্পে হামজা চৌধুরী-শমিত সোমদের সঙ্গে থেকে নতুন করে শেখার অপেক্ষায় ২১ বছর বয়সী ফুটবলার।
ইশহাকের ক্যারিয়ার শুরু সিরাজগঞ্জে কায়েস রেজার হাত ধরে। ঢাকায় এরপর পাইওনিয়ার লিগে খেলাঘর ক্রীড়া চক্রে খেলেছেন। সেবারই সুপার লিগে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলার পর প্রিমিয়ার লিগে নাম লেখান। তারই ধারাবাহিকতায় খেলেছেন পুলিশ এফসি, শেখ জামাল ও ফর্টিস এফসিতেও। এএফসি অনূর্ধ্ব ২০ দলেও গতবার খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে।
এবার ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে লিগ ও ফেডারেশন কাপে ৬ ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছেন। জাতীয় দলে ডাক পেয়ে ইসহাক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমি অনেক খুশি। সবারই স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলে খেলা... আমি ডাক পেয়েছি। অনেক ভালো লাগছে।’
জাতীয় দলে হামজা-শমিতদের সঙ্গে অনুশীলন করার জন্য উদগ্রীব ইশহাক, ‘হামজা-শমিত ভাইরা অনেক ভালো মানের ফুটবলার। তাদের সঙ্গে অনুশীলন করে অনেক কিছু শিখতে পারবো। বলতে পারেন তাদের সঙ্গে অনুশীলন করার জন্য তর আর সইছে না।’
তবে কাবরেরার চূড়ান্ত দলে জায়গা পাওয়া কঠিন। সেটা ইশহাকও মানছেন, ‘আমি জানি পথ কঠিন। তবে ভয় পাচ্ছি না। পরিশ্রম করে চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নেওয়াই লক্ষ্য।’








