এবারও মেসি ও তার সতীর্থরা বিশ্বকাপ ট্রফি জিতবে: বাংলাদেশ কোচ

তানজীম আহমেদ
১১ জুন ২০২৬, ১৩:৩০আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ১৩:৩০

বিশ্বকাপ ফুটবল আসলেই থমাস ডুলির মনে অন্যরকম আনন্দের শিহরণ ঘটে। বাবা-মায়ের সূত্রে ডুলি দুই দেশকে একসঙ্গে ধারণ করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিকে সমান পছন্দ তার। সমর্থনও করেন মন থেকে। তবে যতই সমর্থন করেন না কেন, বাংলাদেশের নতুন কোচ কিন্তু বাবা-মায়ের দেশ দুটিকে নিয়ে কোনোভাবেই আশাবাদী নন।তার বাজি লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা!

ডুলির বাবা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের আর মা ছিলেন জার্মানির নাগরিক। তার বাবা জার্মানিতে কর্মরত মার্কিন সেনাবাহিনীতে ছিলেন এবং সেখানেই তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তাই যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিকে তার সমান পছন্দ। এছাড়া ডুলি নিজেও খেলোয়াড়ি জীবনে বড় অংশজুড়ে খেলেছেন জার্মানির বুন্দেস লিগায়। আবার জাতীয় দল হিসেবে বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রকে। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে মাঠ মাতিয়েছেন। শেষটিতে তো ছিলেন অধিনায়ক।

৬৫ বছর বয়সী কোচকে সান মারিনো ম্যাচের পর বিশ্বকাপ নিয়ে ফোনে ধরা হলে বাংলা ট্রিবিউনকে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি দুই দলকেই সমর্থন

ডুলি শুরুতে আগেই বলে রেখেছেন দুটি দেশ তার পছন্দ। তার কথা, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি দুই দলকেই সমর্থন করি। দুটিই আমার দেশ। দুই দেশের ফুটবল দলের জন্য শুভকামনা। কখনও যদি দুই দেশ মুখোমুখি হয়, তাহলে আমার সমর্থন দুই দেশের প্রতিই থাকবে। সেটা এমন, যে কেউ জিতুক আমি খুশি।’

তবে পছন্দ হলে কী হবে। তার বাবা ও মায়ের দেশ নিয়ে বড় বেশি প্রত্যাশা নেই তার। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি, দুটোর কেউ সেমিফাইনালে যেতে পারবে না। দুটি দেশই শেষ চারের আগে ঝরে পড়বে। কারণ বিশ্বকাপ জেতার মতো অবস্থায় কোনও দলই নেই।’

ডুলির বাজি মেসির আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনার খেলা দারুণ পছন্দ করেন তিনি। বিশেষ করে লিওনেল মেসির ভক্ত। তাই এবারও বিশ্বকাপের ট্রফি দেখতে পাচ্ছেন মেসির হাতেই। থমাস ডুলি ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, ‘আমার বাজি মেসি ও তার সতীর্থদের নিয়েই। তাদের হাতেই উঠতে পারে বিশ্বকাপ ট্রফি। এটা আমার ধারণা। আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকবে খেলার ধরন, দলীয় ঐক্য এবং মেসির উপস্থিতি ও নেতৃত্বের কারণে। তাদের কৌশলগত ভারসাম্য এবং জয়ের মানসিকতা রয়েছে, যা শিরোপা জয়ের জন্য যোগ্য করে তোলে। আর ফ্রান্স দলকে আমি পছন্দ করি না। তবে তারাও দাবিদার।’

বিশ্বকাপে ৪৮টি দল নিয়ে

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে এবার প্রথম সর্বোচ্চ ৪৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে। পরিসর আরও বড় হয়েছে। ডুলি তা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, ‘সত্যি বললে, আমি আরও বেশি দেশের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পক্ষে। এতে ফুটবল বিশ্বব্যাপী আরও বিস্তৃত হবে এবং অনেক নতুন গল্প তৈরি হবে। তবে দলসংখ্যা বাড়ায় প্রতিযোগিতার ভারসাম্য ও টুর্নামেন্টের কাঠামোয় কিছু পরিবর্তন আসবে। গ্রুপ পর্বের কিছু ম্যাচের গুরুত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। তারপরও আমার দেশে একটি ঐতিহাসিক ও উচ্চাভিলাষী বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আশা করছি আজীবন মনে রাখার মতো কিছু হবে।’

/এফআইআর/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলার ধরন নিয়ে জার্মান কিংবদন্তি, ‘ওটা ফুটবলই নয়’
এবার মার্কিন কংগ্রেসে তদন্তের মুখে ফিফা-ইনফান্তিনো
মেসির সঙ্গে বাগযুদ্ধ, মুখ খুললেন পর্তুগালের সেই রেফারি
সর্বশেষ খবর
জিয়াউল আহসানের মিরপুর ডিওএইচএসের ফ্ল্যাট জব্দে দুদকের অভিযান
আদালত প্রাঙ্গণকে ধূমপানমুক্ত ঘোষণা চেয়ে আইনি নোটিশ
নেতানিয়াহুর হাতে হাতকড়া পরাতে চায় অর্ধেক আমেরিকান: জরিপ
একটু লাল, একটু গোলাপি: ঠোঁটের রঙে আজ উৎসব
সর্বাধিক পঠিত
২৩ বছর ধরে বন্ধ কারখানা এখন রফতানিমুখী, চাকরি পেলো ৩৫০০ মানুষ
মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ: তিন খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, অবশেষে ধরা পড়লো প্রতারক
নাসীরুদ্দীন-সারজিসের ওপর হামলা কেন, যা বলছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার আট প্রকল্প অনুমোদন