গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে আজ একসঙ্গে মাঠে নামছে গ্রুপ ‘আই’-র চার দল। ইতোমধ্যে নকআউট নিশ্চিত করে ফেলা ফ্রান্স মুখোমুখি হবে নরওয়ের, আর শেষ ম্যাচে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণে নামছে সেনেগাল ও ইরাক।
ফ্রান্সের একাদশে চার পরিবর্তন
কোচ দিদিয়ের দেশম চারটি পরিবর্তন এনেছেন একাদশে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দেজিরে দুয়ে ফিরেছেন একাদশে। শেষ ৩২ দলের রাউন্ড আগেই নিশ্চিত করে ফেলা ফ্রান্সের জন্য আজকের ম্যাচটা তাই অনেকটাই নিশ্চিন্তে খেলার সুযোগ।
ফ্রান্স একাদশ: মাইক মাইনিয়ঁ; জুলস কুন্দে, ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া, দায়োত উপামেকানো, থিও হার্নান্দেজ, অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ইব্রাহিমা কোনাতে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, দেজিরে দুয়ে, কিলিয়ান এমবাপ্পে।
নরওয়ের একাদশে নেই হলান্ড, ওডেগার্ডও বাইরে
কোচ স্টালে সোলবাক্কেন স্পষ্টতই তাকিয়ে আছেন শেষ ৩২ রাউন্ডের দিকে। এই ম্যাচে তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডকে একাদশে রাখেননি তিনি— আগের দুই ম্যাচে চার গোল করা হলান্ডকে নকআউটের জন্য পূর্ণ ফিট রাখতে চান কোচ। মার্টিন ওডেগার্ডও নেই একাদশে। মোট দশটি পরিবর্তন আনা হয়েছে একাদশে— কার্যত পুরো একাদশই বদলে গেছে।
নরওয়ে একাদশ: এগিল সেলভিক; লিও স্কিরি অস্টিগার্ড, ফ্রেডরিক বিয়ারকোন, হেনরিক ফালখেনার, প্যাট্রিক বার্গ, ফ্রেডরিক অউরসনেস, ক্রিস্টিয়ান থর্সটভেট, থেলো আসগার্ড, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, অস্কার বব, ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন। সেনেগাল-ইরাকের বাঁচা-মরার লড়াই
অপরদিকে টরন্টোতে সেনেগাল ও ইরাকের জন্য আজকের ম্যাচটা একরকম বাঁচা-মরার লড়াই। দুই ম্যাচেই হেরে যাওয়া এই দুই দলের সামনে নকআউটে যাওয়ার আশা প্রায় ফুরিয়ে এসেছে— শেষ সুযোগ আজকের জয়েই। সেনেগাল ২০০২ সালে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচেই তখনকার চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল— সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তির আশায় আজ মাঠে নামবে তারা। আর ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ইরাকের জন্য এই ম্যাচটাই হতে পারে তাদের ঐতিহাসিক প্রথম জয়ের সুযোগ।









