শেষ ৩২ এ জাপানের বিপক্ষে আনচেলত্তির মাস্টার ক্লাস কাজে দিয়েছিল। কিন্তু আগের চার দেখায় যে নরওয়েকে ব্রাজিল হারাতে পারেনি। সেই দলটির কাছে আরও একবার পরাভূত পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তাতে শেষ ষোলোতেই ব্রাজিলের কাঙ্ক্ষিত হেক্সা মিশনের ইতি ঘটেছে। নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে তাদের ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে। যারা প্রথমবার জায়গা করে নিয়েছে শেষ আটে।
১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে শক্তিশালী ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল নরওয়ে। দীর্ঘ ২৮ বছরের বিরতির পর নরওয়ে প্রত্যাবর্তনটা হলো আরও রাজকীয়ভাবে। এবার তো সেলেসাওদের হারালো শেষ ষোলোতে। দুটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। আর জোড়া গোল করেছেন আর্লিং হাল্যান্ড।
ম্যাচের ৭৯ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের বাঁ প্রান্ত থেকে ভেসে আসা ক্রসে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন আর্লিং হাল্যান্ড। এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিটের শেষ মুহূর্তে জোরালো নিচু শটে জোড়া গোল পূরণ করার পাশাপাশি নরওয়ের জয়ও নিশ্চিত করেন তিনি।
নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের মাশুল-ই দিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল। ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ক্রিস্তোফার আয়ের বক্সের ভেতর মাতেউস কুনহাকে ফাউল করেছেন। এরপর পেনাল্টি পেলেও স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গুইমারেস।
দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়েও আরেকটি পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। এবার স্পটকিক থেকে জাল খুঁজে নেন নেইমার। তবে সেটি আসে খুব দেরিতে। ফলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হার এড়ানোর জন্য সেই গোল যথেষ্ট ছিল না।







