চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে থমাস টুখেলের অধীনে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা ইংল্যান্ড দল যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বজয়ের ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করতে পারে, তবে দেশবাসীকে একটি অতিরিক্ত সাধারণ সরকারি ছুটি উপহার দেওয়া হতে পারে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার স্বয়ং এমন একটি বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক পুরস্কারের জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছেন। বাংলাদেশ সময় আগামী রবিবার রাত ৩টায় কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে থ্রি লায়ন্সরা।
বিশ্বকাপের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় আগামী ২০ জুলাই রাত ১টায়। রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ফাইনালের ঠিক পরদিনই স্যার কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করবেন এবং তার স্থলাভিষিক্ত হবেন অ্যান্ডি বার্নহাম। তবে ইংল্যান্ড যদি ফাইনালে উঠতে সক্ষম হয়, তবে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার সশরীরে গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে খেলা দেখার পরিকল্পনা করছেন। সেক্ষেত্রে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াটি সাময়িকভাবে এক দিন পিছিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ইংল্যান্ডজুড়ে বাড়তি এক দিন সরকারি ছুটি দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্যার কিয়ার স্টারমার বেশ চাতুর্যের সঙ্গে উত্তর দেন। তিনি বলেন, “ব্যাংক হলিডের (সরকারি ছুটি) প্রশ্নে আমি শুধু এটুকুই বলবো— আমি এখনই আগাম কিছু বলে দলের ওপর কোনও কুদৃষ্টি বা ‘অপয়া’ প্রভাব ফেলতে চাই না। আমরা ফাইনালে পৌঁছালে আপনারা আমাকে এই প্রশ্নটি আবারও করবেন।” তবে ডাউনিং স্ট্রিটের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, ইংল্যান্ড যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে বিজয়ের ঠিক পরের শুক্রবার অর্থাৎ ২৪ জুলাই পুরো ইংল্যান্ডজুড়ে এই অতিরিক্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে।
অবশ্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই দারুণ উপহারের স্বাদ পেতে হলে হ্যারি কেইনদের সামনে এখনও কঠিন পথ বাকি। ২৪ জুলাইয়ের সেই কাঙ্ক্ষিত ছুটির দিনটি বাস্তবে রূপ দিতে হলে টুখেলের শিষ্যদের প্রথমে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে বধের পর সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে জয়ের মহাকাব্যিক সমীকরণ মেলাতে হবে।








