চলতি বিশ্বকাপে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তুমুল জনপ্রিয় আর্লিং হাল্যান্ড। দুর্দান্ত ফর্ম, স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব আর রসিক সাক্ষাৎকারের কারণে প্রতিদিনই তাকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন মিম ও আলোচনা।
বিশ্বকাপে নরওয়ের স্বপ্নযাত্রার অন্যতম নায়ক ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন। তার জনপ্রিয়তাকে ঘিরেই সম্প্রতি ভিন্নধর্মী একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস।
আজ রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে জেনে নেওয়া যাক, কেমন হাল্যান্ডের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা।
হাল্যান্ডের খাদ্যতালিকা জানতে সিবিএসের এক প্রতিবেদক ছুটে যান ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে। লক্ষ্য—এক দিন হাল্যান্ডের মতো খাওয়া। নরওয়েজিয়ান তারকার প্রিয় কয়েকটি রেস্তোরাঁ ঘুরে তিনি চেষ্টা করেন হাল্যান্ডের প্রায় ৬ হাজার ক্যালরির দৈনিক খাদ্যতালিকা অনুসরণ করতে।
সিবিএসের ওই প্রতিবেদক বলেন, ‘এক দিনের জন্য আপনি কি একজন ভাইকিংয়ের মতো খেতে পারবেন?’ এরপর তিনি জানান, এই চ্যালেঞ্জ নিয়েই তারা এখন ম্যানচেস্টারে—যে শহরকে অনেকেই হাল্যান্ডের শহর বলে থাকেন। সেখানেই ঘুরে দেখা হচ্ছে নরওয়েজিয়ান তারকার প্রিয় খাবারের জায়গাগুলো।
তিনি আরও বলেন, ‘হাল্যান্ড প্রাকৃতিক ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে পছন্দ করেন। তবে তার খাদ্যতালিকার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো পরিমাণ—প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার ক্যালরি। আজ আমরাও সেটাই অনুসরণ করার চেষ্টা করব। আমাদের জন্য শুভকামনা করবেন।’
দিনের শুরুতেই ছিল চারটি স্ক্র্যাম্বলড এগ (ডিমের ঝুরি), দুটি সাওয়ারডো রুটি, সামান্য ম্যাপল সিরাপ মেশানো ব্ল্যাক কফি, এক বাটি দই এবং কাঁচা দুধ।
পরের গন্তব্য ছিল হাল্যান্ডের প্রিয় একটি ইতালিয়ান স্যান্ডউইচের দোকান। সেখানে তার নামেই বিক্রি হয় একটি বিশেষ স্যান্ডউইচ। সেটি খাওয়ার পর প্রতিবেদক বলেন, ‘দারুণ সুস্বাদু। তবে এতেই পেট একেবারে ভরে গেছে।’
দিনের শেষ খাবারে ছিল বিশাল আকৃতির টমাহক স্টেক ও হাড়ের মজ্জা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরো খাবার শেষ করতে পারেননি তিনি।
হাসতে হাসতেই তার স্বীকারোক্তি, ‘আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার মানতেই হয়েছে। স্টেক শেষ করতে সহকর্মীদের সাহায্য নিতে হয়েছে। ভাইকিংদের খাবার সত্যিই সুস্বাদু, তবে মোটেও সহজ নয়।’








