বিশ্বকাপ ফুটবলের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার জয় চেয়ে প্রকাশ্যেই প্রার্থনা ও সমর্থন জানিয়েছিলেন ইসরায়েলের বিতর্কিত উগ্র ডানপন্থি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি আলবিসেলেস্তেদের ফাইনালে দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন।
উগ্র জাতীয়তাবাদী অবস্থান ও বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য পরিচিত এই ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ তার প্রথম পোস্টে লিখেছিলেন, আর্জেন্টিনা দল যেন জয়ী হয়ে ফাইনালে পৌঁছায়, সেজন্য কেন আমি আমার পুরো অন্তর দিয়ে প্রার্থনা করছি, তা কি সত্যিই আপনাদের বুঝিয়ে বলার দরকার আছে?
ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম মহোৎসবের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতীকী সংশ্লিষ্টতার কারণে তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়।
পরবর্তীতে মাঠের নাটকীয় লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে পা রাখলে আবারও এক্সে উল্লাস প্রকাশ করেন বেন-গভির। দলটির পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে নিজের দ্বিতীয় পোস্টে তিনি লিখেন, ‘যারা যোগ্য, তাদের সম্মান দিন। এখন আমরা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং ট্রফিটা আর্জেন্টিনারই হবে।’
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার মাধ্যমে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলো আর্জেন্টিনা। এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল দলটি। এর আগে ১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং ২০২২ সালে তিনবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় পরেছে তারা; আর রানার্স-আপ হয়েছে তিনবার। বিশ্বমঞ্চে আর্জেন্টিনার এই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং ঐতিহাসিক খেলোয়াড়দের অবদান বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তকে সবসময়ই আলোড়িত করে। ২০২৬ সালের এই আসরে ফাইনালে পৌঁছানোয় ভক্তদের মাঝে আরও একটি শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।

যেখানে হবে বিশ্বকাপের মহারণ: জেনে নিন ফাইনালের ভেন্যুর অজানা গল্প







