ইন্টার মায়ামির হয়ে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচটি মোটেও সুখকর ছিল না লিওনেল মেসির। গোল করতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে দুই পয়েন্ট হারিয়েছে তার দল। ঘরের মাঠে হতাশার সেই ম্যাচের পর মেসিকে দেখা গেছে দৃশ্যত ক্ষুব্ধ। ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার জুনিয়র আলোনসোর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়েও জড়ান তিনি। পরিস্থিতি যাতে আর না বাড়ে সে জন্য পরে দুজনকে আলাদা করে দেন সতীর্থরা।
ম্যাচে দুইবার এগিয়ে গিয়েছিল ইন্টার মায়ামি। ক্যাসেমিরো ও লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে গেলেও আলমিরনের গোলে সমতায় ফেরে আটলান্টা। এরপর ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এমবোলোর গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আটলান্টা ইউনাইটেড। ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে এই ফল হতাশ করে মেসি ও তার সতীর্থদের।
গোল না পেলেও শেষ দিকে বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন মেসি। তার একটি চেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আরও কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। তবে জুনিয়র আলোনসো ও আটলান্টার রক্ষণভাগ শেষ পর্যন্ত মেসিকে গোলবঞ্চিত রাখে।
ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আর্জেন্টাইন তারকার মুখের সামনে দাঁড়িয়ে প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারকে বেশ আবেগপ্রবণভাবে রক্ষণাত্মক একটি নির্দেশ দিতে দেখা যায়। আটলান্টার সমতাসূচক গোল উদ্যাপনের সময়ও আলোনসোর উচ্ছ্বাস মেসিকে আরও ক্ষুব্ধ করে।
শেষ বাঁশির পর সেই উত্তেজনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে। আলোনসোর সঙ্গে সরাসরি বাক্যবিনিময়ে জড়ান মেসি। পরিস্থিতি যাতে বড় কোনো সংঘর্ষে রূপ না নেয়, সে জন্য ক্যাসেমিরো, ডি পলসহ সতীর্থরা দুজনের মাঝে এসে তাদের আলাদা করে দেন।
এ মৌসুমে এমএলএসে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মেসির জড়িয়ে পড়ার ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। কয়েক সপ্তাহ আগে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড় কুইন সুলিভানের সঙ্গেও তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল।









