মেয়েদের ঘরোয়া ক্রিকেট নভেম্বরে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:১০, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৬, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০

মুশফিক-মুমিনুলদের স্কিল ক্যাম্প চলছে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ছেলেরা নিয়মিত ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন করলেও সেই সুযোগটা হচ্ছে না সালমা-রুমানাদের। শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত হওয়ার পর বিসিবি ঘরোয়া ক্রিকেট ফেরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এই অবস্থায় মেয়েদের কি অপেক্ষাতেই দিন কাটবে? বিসিবি পরিচালক ও উইমেন্স উইং প্রধান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে মেয়েদের খেলা শুরু হবে।

‘মেয়েদের ক্রিকেট কীভাবে শুরু করা যায়, বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। ঘরোয়া ক্রিকেটে মেয়েদের দুটি টুর্নামেন্ট- একটি প্রিমিয়ার লিগ, অন্যটি জাতীয় লিগ। আমরা কোনটি আয়োজন করবো, এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছি। আশা করি, দ্রুতই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে এতটুকু বলতে পারি, আগামী নভেম্বরে মেয়েদের ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করার ইচ্ছা আমাদের।’- বলেছেন নাদেল।

অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার পর থেকে মাঠের বাইরে বাংলাদেশের মেয়েরা। টানা মাঠের বাইরে থাকায় বিরক্তি চলে এসেছে তাদের মধ্যে। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমা খাতুনের কথাতেই সেটি স্পষ্ট। বাংলা ট্রিবিউনকে সালমা বলেছেন, ‘মাঠে ফিরতে চাই, কিন্তু আমরা চাইলেই তো হবে না। আমাদের মাঠে ফেরার সুযোগ করে দিতে হবে। আশা করছি, বিসিবি সবদিক বিবেচনা করে আমাদের জন্য ভালো সিদ্ধান্তটাই নেবে।’

সালমার মতো ওয়ানডে অধিনায়ক রুমানা আহমেদও মাঠে ফেরার অপেক্ষায়, ‘কতদিন আর খেলার বাইরে থাকবো। মাঠে ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি। জানি না কবে ফিরবো। অন্তত ঘরোয়া ক্রিকেট দিয়ে হলেও মাঠে ফিরতে পারলে ভালো লাগতো। অবশ্যই সবকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হতে হবে।’

রুমানা অবশ্য মাঠে ফেরার আগে স্কিল অনুশীলন করার পক্ষে, ‘ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করছি। কিন্তু সেটা করতেও আর ভালো লাগছে না। কতদিন আর একা একা অনুশীলন করবো। সবাই মিলে একসঙ্গে অনশীলনটা খুব মিস করছি। খেলা শুরুর আগে আমাদের স্কিল ক্যাম্পের অনুশীলনটা খুব জরুরি।’

এদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকেই প্রধান কোচ নেই মেয়েদের। সেপ্টেম্বরেই কোচ নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। এ প্রসঙ্গে নাদেল বলেছেন, ‘কোচ নিয়ে আমরা অনেকদিন ধরেই কাজ করছি। করোনাকালীন সময়ের কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো আমরা।’

অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রধান কোচ অঞ্জু জৈনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় বিসিবি। কোচিং স্টাফের বাকি সদস্যদের সঙ্গেও চুক্তির মেয়াদ বাড়ায়নি বোর্ড। প্রধান কোচ, সহকারী কোচ, ট্রেনার, ফিজিও সবাই ছিলেন ভারতীয়। নতুন করে এই জায়গাগুলোয় নিয়োগের ব্যাপারে বিসিবির এই পরিচালকের বক্তব্য, ‘প্রধান কোচের মতামতের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে কোচিং স্টাফের বাকি সদস্যদের। আমাদের পরিকল্পনা এমনই। আপতত আমরা প্রধান কোচ নিয়োগ দেবো, এরপর ধীরে ধীরে বাকিদের নিয়োগ দেওয়া হবে।’

/আরআই/কেআর/

লাইভ

টপ