২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতই জাতীয় অ্যাথলেটিকসের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সোনা জিতে আসছেন মেজবাহ আহমেদ। সবশেষ সামার অ্যাথলেটিকসে অবশ্য ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রতিযোগিতাটির ৪২তম আসরে মেজবাহর চ্যালেঞ্জ ছিল এই ইভেন্টের পদক ফিরে পাওয়ার। কিন্তু নিজ সংস্থা নৌবাহিনীর হয়ে হিটে পিছিয়ে থাকায় তার জাতীয় আসরের ১০০ মিটারেই নামা হচ্ছে না!
জাতীয় ও সামার মিলিয়ে সাতবার দ্রুততম মানবের খেতাব জেতা মেজবাহ ট্রায়ালে হয়েছেন তৃতীয়। তাকে টপকে মোহাম্মদ ইসমাইল ও রাকিবুল ইসলাম ১০০ মিটার স্প্রিন্টে লড়বেন। এ নিয়ে অবশ্য মেজবাহর খুব একটা আক্ষেপ নেই। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘সবারই তো সময় থাকে। আমি আমার সময়ে স্প্রিন্টে সেরা ছিলাম। এবার আমাকে ছাড়িয়ে গেছে নতুন দুজন। তাদেরকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ১০০ মিটারে স্প্রিন্টে আমি নেই। নতুনদের শুভকামনা জানাচ্ছি। আশা করছি ওরা ভালো করতে পারবে।’
গত বছর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটারে জিতে সাতবারের মতো দ্রুততম মানবের খেতাব জিতেছিলেন মেজবাহ। সেবারই সাবেক স্প্রিন্টার মোশাররফ হোসেন শামীমকে ছুঁয়েছিলেন তিনি। গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত সামার মিটে সুযোগ পেয়েছিলেন শামীমকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। যদিও পারেননি। মেজবাহ বলেছেন, ‘শামীম ভাইয়ের পর আমি টানা সপ্তমবার সেরা ছিলাম। লক্ষ্য ছিল তাকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ব, তা হয়নি। ভবিষ্যতে যদি সুযোগ আসে তাহলে আবারও ১০০ মিটারে লড়তে পারি।’
নৌবাহিনীর কোচ রফিকুল ইসলামও নতুনরা ভালো করায় খুশি, ‘সাধারণত স্প্রিন্টে দীর্ঘ দিন ভালো করা যায় না। কিন্তু মেজবাহ সাতবার সেরা হয়ে নিজেকে ভালো স্প্রিন্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবার ট্রায়ালেও যে ওর টাইমিং খারাপ ছিল তা নয়। তবে অন্য দুজন ওর চেয়েও ভালো করেছে। যে কারণে মেজবাহ নেই।’
১০০ মিটার স্প্রিন্টে বাদ পড়লেও মেজবাহ খেলবেন ট্রিপল জাম্প এবং রিলে ইভেন্টে।







