থাইল্যান্ড থেকে এসে দুটি রেকর্ড অলিম্পিয়ান রাফির

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১০ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৫১আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৫৭

মিরপুর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সুইমিং কমপ্লেক্সের সব দর্শক তাকিয়ে ছিলেন সামিউল ইসলাম রাফির দিকে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই সাঁতারু পুরুষ বিভাগে ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে রেকর্ড গড়বেন কিনা সেটাই ছিল সবার কৌতুহলের কেন্দ্রে। 

রাফি শেষ পর্যন্ত এই ইভেন্টে সোনা জিতলেও রেকর্ড গড়তে পারেননি।

মিরপুরে চলমান ৩৩তম ম্যাক্স গ্রুপ জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় অবশ্য আগের দুটি ইভেন্টে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন এই সাঁতারু।

দ্বিতীয় দিনে রাফি নিজে দুটি ইভেন্টে রেকর্ড গড়েছেন। এর মধ্যে সকালে ২০০ মিটার ব্যক্তিগত মিডলেতে রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন। তিনি সময় নেন ২ মিনিট ০৯ দশমিক ৯৯ সেকেন্ড। গত বছর কাজল মিয়ার গড়া রেকর্ড ভাঙেন তিনি।

এরপর ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে দুপরে গড়েন নতুন জাতীয় রেকর্ড। তিনি এই ইভেন্টে সময় নেন ২ মিনিট ১০ দশমিক ৮৭ সেকেন্ড। 

এর বাইরে রবিবার আরেকটি ইভেন্টে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন রোমানা আক্তার। মেয়েদের ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে সকালে রেকর্ড গড়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই সাঁতারু। তিনি সময় নেন ২ মিনিট ৫১ দশমিক ৩৫ সেকেন্ড। নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছেন তিনি।

রবিবার সব মিলিয়ে রেকর্ড হয়েছে ৩টি ইভেন্টে। দুই দিনে এ পর্যন্ত রেকর্ড হলো ৭টি ইভেন্টে।

বিশ্ব সাঁতার সংস্থার (ফিনা) বৃত্তি নিয়ে রাফি গত বছর গেছেন থাইল্যান্ডে। সেখানে ফুকেটের থানিয়াপুরা স্পোর্টস অ্যান্ড হেলথ রিসোর্টে রাশিয়ান কোচ আলেকজান্ডার তিখনভের অধীনে অনুশীলন করেন। 

মিরপুর সুইমিং পুলে দাঁড়িয়ে রাফি বলেছেন, ‘অবশ্যই আমার টাইমিংয়ের উন্নতি হয়েছে। ফ্রান্স অলিম্পিক থেকে এসে দেশে বেশ কিছু দিন ছিলাম। ওই সময়ে প্র্যাকটিসের অভাবে পিছিয়ে পড়ি। এরপর আবারও থাইল্যান্ড গিয়ে তাদের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। এক মাস হতাশায় ভুগেছিলাম। এরপর যখন জাতীয় সাঁতারের তারিখ দেওয়া হয় তখন আরও চিন্তায় পড়ি। তবে কোচ বললেন সমস্যা নেই।’

পুরোটা সময় রাফি তখন অনুশীলন করেছেন বলে জানালেন, ‘আমাকে কোচ দুই মাস কঠোর ট্রেনিং করিয়েছেন। দিনে প্রায় ১৬-১৭ হাজার মিটার সুইমিং করতে হয়েছে। সঙ্গে এক্সারসাইজ, জিম, ড্রাই ল্যান্ডে ট্রেনিং। গত দুই মাস আমার ওপর দিয়ে অনেক ঝড় গেছে। এই পরিশ্রমের ফল পাচ্ছি। আমি খুব খুশি।’

/টিএ/এফএইচএম/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী