বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে সোমবার প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে জার্মানি। এই ম্যাচে জিততে পারলে শেষ ষোলোতে তাদের সামনে আরও বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। ফ্রান্স অথবা সুইডেনের বিপক্ষে খেলবে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল। আজ রাতের ম্যাচটা মাঠে গড়াবে আড়াইটায়।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল জার্মানি। যদিও তার আগেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল তারা। প্রথম দুই ম্যাচে আইভরি কোস্ট ও কুরাসাওকে হারিয়েছিল।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ‘ডি’ গ্রুপে তৃতীয় হয়েছে প্যারাগুয়ে। চার পয়েন্ট ও মাইনাস-২ গোল ব্যবধান নিয়ে সেরা আট তৃতীয় স্থানঅর্জনকারী দলের একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।
বিশ্বকাপে দুই দলের একমাত্র দেখায় ২০০২ আসরের শেষ ষোলোতে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল জার্মানি। ইকুয়েডরের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচটিতে বড় কোনো ভুল না করলেও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে নিজের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি। নিজের সেরা ফর্মে থাকলে ইকুয়েডরের প্রথম গোলটি ঠেকানো তার জন্য কঠিন হতো না, এমনকি দ্বিতীয় গোলটিও রুখে দেওয়ার সুযোগ ছিল। এছাড়া রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বারবার সমন্বয়ের ঘাটতি চোখে পড়েছে। যা নয়্যারকে ঘিরে রক্ষণভাগে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তবে ম্যাচ শেষে নয়্যারকে নিয়ে সমালোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন নাগেলসমান। যদিও নকআউট পর্বে জার্মানির ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করতে পারে এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সের ওপর। বিকল্প হিসেবে আলেকজান্ডার ন্যুবেল দারুণ একটি মৌসুম কাটিয়েছেন এবং দায়িত্ব পালনের সামর্থ্যও রাখেন। তবু আপাতত প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে নয়্যারের ওপরই আস্থা রাখছেন জার্মান কোচ।
তিন ম্যাচে ১০ গোল করা একটি দলকে নিয়ে এমন কথা কিছুটা বিস্ময়কর শোনালেও আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা চিন্তায় রয়েছে জার্মানি। ইকুয়েডরের রক্ষণভাগই ছিল এবারের বিশ্বকাপে তাদের প্রথম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।
এ অবস্থায় শুরু থেকেই ডেনিজ উন্দাভকে একাদশে রাখার কথা ভাবতে পারেন নাগেলসমান। আর ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলি হিসেবে কাই হাভার্টজকে নামানো হতে পারে, বিশেষ করে লিড ধরে রাখার প্রয়োজন হলে।
প্যারাগুয়েকে হারানোর মতো সামর্থ্য জার্মানির থাকলেও শেষ ষোলোতে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ফ্রান্স হলে তাদের আক্রমণভাগকে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।









