ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভাল মাঠে এই প্রথম কোনও কিউই ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি দেখলেন। এর আগে এই মাঠে তিনটি সেঞ্চুরি হলেও কোনোটাই স্বাগতিকদের ছিল না। টম ল্যাথাম সোমাবার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলেছেন। আর তাতেই রানের পাহাড়ে চড়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চের ভেন্যু এর আগে কখনোই স্বাগতিকদের দুই হাত ভরে দেয়নি।
টম ল্যাথামের সেঞ্চুরি : তাসকিন আহমেদের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন টম ল্যাথাম। এটা তার ক্যারিয়ানসেরা ইনিংসও। ল্যাথামের করা এই সেঞ্চুরিটি ক্রাইস্টাচার্চে প্রথম কোনও কিউই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি। ১০০ বলে ৫টি চার ও তিনটি ছক্কায় তিনি সেঞ্চুরির দেখা পান।
৪৮তম ওভারে মুস্তাফিজের বলে আউট হওয়ার আগে অবশ্য ক্যারিয়ারসেরা ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে ফেলেন বাঁহতি এই ওপেনার।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ : ক্রাইস্টাচার্চের এই মাঠে সর্বোচ্চ রান করেছেন স্কটল্যান্ডের কালাম ম্যাকলয়েড। ২০১৪ সালে কানাডার বিপক্ষে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন স্কটিশ এই ব্যাটসম্যান। সোমবার টম ল্যাথাম ১৩৭ রানের ইনিংস খেলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক বনে যান এই মাঠের।
কলিন মুনরোর ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস : কিউই এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এ দিন ক্রাইস্টাচার্চে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলেছেন। চার দিয়ে ইনিংস শুরু করা মুনরো তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ছক্কা মেরে। শেষ পর্যন্ত ১৩ রানের জন্য প্রথম সেঞ্চুরি মিস করলেও তার খেলা ৮৭ রানের ইনিংসটি ক্যারিয়ারসেরা হয়ে আছে। ধীরে ধীরে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠা কলিন মুনরোকে ফেরান সাকিব আল হাসান, তাসকিনের হাতে তালুবন্দি করে।
রেকর্ড জুটি : পঞ্চম উইকেটে ক্রাইস্টাচার্চে রেকর্ড গড়েছে নিউজিল্যান্ড। টম ল্যাথাম ও কলিন মুনরো মিলে পঞ্চম উইকেটে ১৫৮ রানের জুটি গড়েছেন। এই মাঠে যা রেকর্ড হয়ে আছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর : ২০১৪ সালে কানাডা ও স্কটল্যান্ড ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৪১ রান উঠেছিল। এখন পর্যন্ত এই ভেন্যুতে পাঁচবার তিন শ প্লাস রান উঠেছে। সোমবার রান উঠেছে ৭ উইকেটে ৩৪১।
/আরআই/কেআর/








