ওয়েলিংটন দুই হাত ভরে দিল সাকিবকে। বিশ্বের ১৪তম অলরাউন্ডার হিসেবে শুক্রবার ৩ হাজার রান ও ১৫০ উইকেট শিকার করেছেন বাংলাদেশের সেরা এই ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ডের বৈচিত্র্যময় এই মাঠকে ‘লাকি ভেন্যু’ বানিয়ে ফেললেন সাকিব। এবার যে সেঞ্চুরিও পূরণ করলেন এই অলরাউন্ডার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১০ সালে হ্যামিল্টনে সর্বোচ্চ ১০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
শুক্রবার হ্যামিল্টনের স্মৃতি ওয়েলিংটনে ফিরিয়ে আনলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। কিউইদের বিপেক্ষ সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে ফেলেন তিনি। স্বাগতিকদের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হলেও সাকিবের ক্যারিয়ারের এটা চতুর্থ সেঞ্চুরি।
শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে ব্যক্তিগত ৫ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব। যদিও আগের দিন ভাগ্যগুণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত ৪ রানে নাইল ওয়াগনারের বলে স্কয়ার লেগে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার মিচেল স্যান্টনার সাকিবের সহজ ক্যাচটি ফেলে দেন।
অবশ্য পুরো ইনিংসে ওই একটাই বাজে শট খেলেছিলেন সাকিব। এরপর দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকে কিউই বোলারদের বিপক্ষে খেলেন অসাধারণ এক ইনিংস।
সাউদির বলে চার মেরে ৮৬ বলে ৮ চারে ৫০ রানের মাইলফলকে পৌঁছান সাকিব। ব্যক্তিগত ৬৬ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যান সাকিব।
বিরতি থেকে ফিরে খানিকটা আক্রমণাত্মক হলেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পেতে খুব বেশি সময় নিলেন না। বাকি ৫০ করতে বল খেলেছেন ৬৪টি।
নাইল ওয়াগনারের বলে সিঙ্গেলস নিয়ে কিউইদের বিপক্ষে দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পূরণ করেন সাকিব। সবমিলিয়ে ১৫০ বলে ১৩ বাউন্ডারির সাহায্যে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে আগের সর্বোচ্চ রানকে টপকে যান তিনি।
কিউইদের বিপক্ষে সাকিবের আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ১০০। ২০১০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে সেঞ্চুরি পান বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। হ্যামিল্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ঠিকই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন সাকিব।
/আরআই/কেআর/








