চাই ভালোবাসা চাই উদ্যোগ

Send
সালেক উদ্দিন
প্রকাশিত : ১৪:৪৫, আগস্ট ১৬, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৪৯, আগস্ট ১৬, ২০১৬

 

Salek Uddinআমার বাইশ বছরের যুবক ছেলেটা এখন গৃহবন্দি। বিদেশে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে লেখাপড়া করছে সে। একমাসের সেমিস্টার ব্রেকে দেশে এসেছে। বাসায় ঢোকার পর তার মা সেই যে তাকে আটকিয়েছে এখন পর্যন্ত একা বের হতে দেয়নি। বলছে, ‘দিনকাল ভালো না। কোথায় কোন রেস্টুরেন্ট আবার হলি আর্টিজান হয়ে যায় কে জানে! কোন ঘটনায় পুলিশ কোত্থেকে কাকে ধরে নেবে কে বলতে পারে’! ছেলেটি ফেন্সি দাড়ি রেখেছে। মা তার দাড়ির পিছে লেগেছে। প্রতিদিনই বলতে শুনছি, ক্লিন শেফ কর, দাড়ি দেখলে পুলিশ শিবির জামাত মনে করে। ছেলেটি একদিন যমুনা ফিচার পার্কে যেতে চেয়েছিল। তার মা যেতে দেয়নি। বলেছে যমুনা-বসুন্ধরা মার্কেটে আই এসের হুমিক আছে।
সেদিন আমি বাড়ি ছিলাম না। শুক্রবারে ছেলেটি জুম্মার নামাযে যেতে চাইলে মা তার চিন্তায় পড়ে গেল। শেষ পর্যন্ত  বলল, ‘নামায শেষে একমিনিটও দেরি করো না।’
ছেলেটির এই করুন অবস্থা দেখে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। সেদিন তাকে নিয়ে সিনেপ্ল্যাক্সে সিনেমা দেখার পরিকল্পনা করলাম। আমার স্ত্রী তো কোনওভাবেই যেতে দেবে না। সিনেপ্ল্যাক্স বসুন্ধরা সিটিতে। সেখানে আইএসের হুমকি আছে। আমিও নাছোড় বান্দা যাবই। শেষ পর্যন্ত আমার স্ত্রী এবং মেয়েও চলল আমাদের সাথে। বলল, ‘মরলে সবাই একসঙ্গেই মরব’।
না, আমার স্ত্রী একা নয়। এদেশের সব মায়েদেরই এখন একই অবস্থা। মেয়েটি ঢাকার নাম করা একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ে। আইএসের ভয়ে অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্কুল বন্ধ রয়েছে। কবে  খুলবে কেউ জানে না। আমরা সবাই যখন এমন একটি জটিল অবস্থায় দিনাপাত করছি তখন একটি জাতীয় দৈনিকের একটি খবর আমাকে দারুনভাবে আকৃষ্ট করলো।              
‘একটি অনাথ শিশুর জন্য অগাধ ভালোবাসা’ শিরোনামের  এই লেখায় একটি ছোট্ট ঘটনা বিবৃত হয়েছে। বহমান নদীর স্রোতে খড় কূটের মতো ভেসে যাওয়া প্রতিদিনের সহস্র ঘটনার মধ্যে বিশেষ করে বর্তমানের জঙ্গি বিষয়ক লোমহর্ষক নানা কাহিনীর মধ্যেও এমন তুচ্ছ বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ায় সম্পাদককে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছিনা। শুধু তাই না ধন্যবাদ না জানালে অন্যায় হবে বলে মনে করছি।
তার লেখা থেকে যা জানলাম তা হল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি মেয়ে শিশুকে জন্মগত ত্রুটির কারণে গতবছর তার মা বাবা ফেলে চলে যায়। নির্দয় মা বাবা ফেলে চলে গেলেও সেখানকার ডাক্তার নার্সরা তাকে ফেলে দেননি । ডাক্তার নার্সদের মায়ায় শিশুটি তাদেরকাছে আশ্রয়  পায়। গত বছর তার পিঠে অপারেশন হয়। এখন সে বসতে পারে। শুধু তাই নয় এই শিশুটি হয়ে গেছে এখন ডাক্তার নার্সদের সবার সন্তান। নাম তার সানজিদা জাহান আরাবি। এ বছর তার প্রথম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো। হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগ মেতে উঠল দারুন এক আনন্দে। ঘরসাজানো কেককাটা বেলুন ওড়ানো হাসপাতালে ভর্তি সব শিশুদের মধ্যে নতুন কাপড় বিলানোর মতো জমজমাট ছিল তার জন্মদিন।
এই ঘটনাটির বর্ণনা দিয়ে সম্পাদক সেই মানুষগুলোকে অভিবাদন জানিয়েছেন যারা এই শিশুটিকে জীবন্ত করে তুলে পথ দেখিয়েছেন। আমরাও তাদেরকে জানাই শত সহস্র শ্রদ্ধা।

 সবশেষে তিনি লেখেছেন মানুষের প্রতি মানুষের এই প্রেম মায়া মমতাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের সমাজে দিনকে দিন সহমর্মিতার জায়গা নিচ্ছে উদাসীনতা। ভালোবাসার অভাবে জুড়ে বসেছে হিংসা ও প্রতিযোগিতা।

কিন্তু এর থেকে বের হয়ে আসার উপায় কী তা তিনি বলেননি। সম্ভবত পাঠকদের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন।

 সানজিদা জাহান আরাবির এই কাহিনী পড়তে পড়তেই একটি গল্পের কথা মনে পড়ে গেল। ‘বার ঘাটের শেষ ঘাট’ গ্রন্থের সেই গল্পের নাম ‘উল্টোরথ’। 

গল্পে গীতিকার শরাফি ও কণ্ঠশিল্পী সজল মাহমুদ একদিন রিক্সাযোগে দিলকুশা থেকে শাহবাগ বেতারকেন্দ্রে যাচ্ছিল। জীবনবীমা টাওয়ার থেকে দৈনিক বাংলা মোড়ের মাঝামাঝি এলে তারা দেখল,  কুড়ি বাইশ বছরের একটি মেয়েকে ফুটপাতে চুলের মুঠি ধরে টেনেহেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদেহী মাস্তান ধরনের এক লোক। অফিস ফেরত মানুষগুলোও পাশাপাশি হাঁটছে। মেয়েটির বুকফাটা চিৎকার শুনেও কেউ এগিয়ে আসছেনা।

সজলকে উদ্দেশ্য করে শরাফি বলল, ‘বলতে পারো ঢাকা শহরের দেড় দুই কোটি মানুষের মধ্যে সন্ত্রাসীর সংখ্যা কত?  খোঁজ করলে জানতে পারবে এদের সংখ্যা পাঁচশ জনও হবে না। তারপরও তাদের হাতেই আমরা জিম্মি। যা খুশী তাই করে বহাল তবিয়তে তারা টিকে আছে। এর কারণ কী’? সজলকে নিশ্চুপ দেখে শরাফিই বলল, ‘যে পর্যন্ত আমাদের নিজেদের গায়ে সরাসরি আঘাত না লাগে সে পর্যন্ত আমরা অন্যের কষ্টে উহু শব্দটিও করিনা। অন্যায়ের প্রতিবাদ করি না। কৌশলে এড়িয়ে যাই। আর তাই ছোট্ট একটি গোষ্ঠী সন্ত্রাস করছে, টিকে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ সন্ত্রাসীর ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে’।

সজল একদম চুপ। একটি কথাও বলছে না। সে কী মেয়েটির পাশে হাঁটা অফিস ফেরত মানুষদের মতো বিবেকের তুষের আগুনে জ্বলছে! প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে জ্বলে উঠতে পারছে না! অথবা কিভাবে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠতে হয় তা সে জানে না! কিংবা জানলেও ভুলে গেছে!

 এবার শরাফিই চিৎকার করে উঠলো,‘এই রিক্সা ঘোরাও। মেয়েটির কাছে যাব’।

যথারীতি রিক্সা ঘোরানো হলো। মেয়েটির কাছে এলো তারা। মাস্তান লোকটি একই ভাবে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে তাকে। সাথে অফিস ফেরত মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে অনেক। মেয়েটি আরও জোরে চিৎকার করছে। কেউ বলছেনা কিছুই। শরাফি বলল, ‘এই ব্যাটা দাড়া’। লোকটির সাথে নির্বিকার মানুষগুলোও থমকে দাঁড়ালো। মনে হলো তারাও কিছু বলতে চাই। লোকটি শরাফির পা থেকে মাথা পর্যন্ত অবলোকন করল। শরাফির কথার সাথে সাথেই মেয়েটি এক ঝটকায় তার চুলের গোছা ছাড়িয়ে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। বলল, ‘আমি মইরা গেলেও আর ওই কাম করুম না। তুই আমারে বিয়া করতে চাইয়া বিয়া করস নাই। আমারে আটকাইয়া রাইখা ভাড়া খাটাছস। রাজী না হইলে জানোয়ারের মতো পিটাইছস। তর মাইরের ঘাউ এখনও শুকাইনাই’। বলেই একটানে তার কামিজের নিচের অংশ জাগিয়ে সবার সামনে তার শরীর তুলে ধরল। পুরোপিঠ জুড়ে দগদগে ঘা। এমন একটি যুবতি মেয়ের উদমশরীর দেখলে সাধারণত পুরুষ মানুষের জিবে পানি আসার কথা হলেও এ ক্ষেত্রে তা হল না। একজন তো বলেই ফেলল, ‘জালিম নমরুদ’।

শরাফির মনে হলো, পথচারীদের হৃদয় স্বক্রিয় হচ্ছে। আর একটু উপকরণ পেলেই তারা আর মস্তিস্ক দ্বারা চালিত হবে না। জ্বলে উঠবে। শরাফি মাস্তান লোকটির মাথার দিকে তাকাল। লোকটি তারচেয়ে আধাহাত লম্বা। এবার ফুটপাতের একটু উঁচু জায়গায় যেয়ে দাঁড়ালো সে। এখন শরাফি লোকটির চেয়ে আধাহাত লম্বা। সেখানে দাঁড়িয়ে শারীরিক ও মানসিক উত্তেজনা বাড়ে এমন একটি মোক্ষম শব্দ খোঁজ করলো শরাফি। তাৎক্ষণিক ভাবে শব্দটি পেয়েও গেল। চিৎকার করে বলল, ‘শুয়োরের বাচ্চা’। আর শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে লোকটির কান বরাবর একটি থাপ্পর কষে দিল। জটলার মানুষগুলোকে এখন আর অসহায় মনে হলো না। তাদের মধ্যে অনেকেই একই ধরনের শব্দ ব্যাবহার করতে শুরু করলো। সৃষ্টি হল হট্টগোল।

ফিরে এসে শরাফি রিক্সায় বসলো। শাহবাগ বেতারকেন্দ্রের দিকে রিক্সা চলতে শুরু করলো। অনেকক্ষণ পর সজল মুখ খুলল। বলল, ‘শরাফি ভাই আমি ভয় পাচ্ছি আর একটি কথা ভেবে তা হলো, এই যে লোকটিকে আপনি থাপ্পড় মারলেন, এতে কী হবে জানেন! মেয়েটির ওপর তার ক্রোধ আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে। আপনার এই থাপ্পরের রাগও মেয়েটির উপরে ঝাড়বে লোকটা। আগের অবস্থায় মেয়েটিকে হয়তো মারধোর করে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করতো। এবার আর এটুকুতেই ক্ষান্ত হবে না। জানে মেরে ফেলবে’।

শরাফি হেসে বলল, ‘তোমার ওই মাস্তানটির জান বাঁচলে তো ওকে জানে মারবে’।

 ততক্ষণে জটলার মধ্যে চলছিল তুমুল মারামারি। একসময় আধামরা অবস্থায় সেই মাস্তানটি কোন রকমে জটলা থেকে বের হয়ে উল্টোদিকে জীবনপণ করে দৌড়াতে শুরু করল। অফিস ফেরত মানুষগুলোও দৌড়াতে লাগলো তার পিছেপিছে। ধর ধর বলে চিৎকার করছে তারা। সেই চিৎকারে চারদিক থেকে আরও মানুষ দৌড়ে আসছে। বলছে, ধর ধর ধর ধর--------

 না, এটা শুধুই গল্পের জন্য লেখা একটি গল্প নয়। গল্পে বর্ণিত কাহিনীটি ছিল সত্য ঘটনা। ঘটনার গীতিকার শরাফির ভূমিকায় সেদিন আমি নিজেই ছিলাম। তখন তরতাজা এক যুবক ছিলাম আমি। আর সজল মাহমুদ এখন রংপুর বেতারের কণ্ঠশিল্পী। সেদিনের সেই ঘটনাটি লিখেছিলাম আমার উল্টোরথ নামের গল্পে।

 ঢাকার দৈনিক বাংলা মোড়ের সংগঠিত ঘটনাটির প্রায় তিনযুগ পরে ঘটলো চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালের আরাবির ঘটনাটি। দুটো ঘটনার মধ্যে চমৎকার যে মিল রয়েছে তাহল দুটোরই উৎপত্তিস্থল অমানবিকতা বরবরতা। আর ঘটনা নিস্পত্তি হয়েছে ভালোবাসাময় উদ্যোগ থেকে। শুধু ভালোবাসা দিয়ে আরাবি এমন সুন্দর জীবন পায়নি। তাকে বাঁচাবার জন্যে সবাই যে একসঙ্গে ঝাপিয়ে পরেছিল তাওনা। এরজন্যে কাউকে না কাউকে উদ্যোগী হতে হয়েছিল। আর সেই উদ্যোগ উৎপত্তিস্থল ‘ভালোবাসা’ ছিল বলেই ভূমিষ্ঠের পরই বাবা মার ফেলে দেওয়া আরাবির স্থান ডাস্টবিনে হয়নি, কাক আর নেড়িকুত্তার খাদ্য হয়নি সে। এতসহজেই পেয়েছে এমন একটি জীবন। একইভাবে উল্টোরথ গল্পের সেই মেয়েটির কষ্টে অফিস ফেরত মানুষগুলোও ব্যথিত ছিল। মেয়েটির প্রতি তাদের ভালোবাসার কমতি ছিল না। কিন্তু শুধুমাত্র উদ্যোগের অভাবে নির্যাতন মেয়েটির নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেখান থেকে উদ্ধারের জন্য অতি সাধারণ একজন মানুষের উদ্যোগই হলো যথেষ্ট।

 উদ্যোগ শব্দটি বলতেই নোবেল বিজয়ী ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন মহান উদ্যোগী মানুষের উদাহরণ সামনে এসে দাঁড়ায়। গ্রামের ভূমিহীন মানুষদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়ে ১৯৭৯সালে  ‘গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প’ প্রবর্তন করেন তিনি। পরে সেই প্রকল্পটিই গ্রামীণ ব্যাংককে রুপ নেই। শুরুর দিকে অল্প কজন কর্মী নিয়ে গঠিত সেই প্রকল্পের আমি নিজেও ছিলাম একজন কর্মী।তার অতি সান্নিধ্যে তিন চার বছর থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। এইস্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে অন্তত এই কথাটি জোরগলায় বলা যায় সমাজের তলানিতে পড়ে থাকা মানুষের আজ যে উত্তরণ ঘটেছে তা সম্ভব হয়েছে ডক্টর ইউনূসের সেই উদ্যোগের জন্যেই।  

 আবার যদি এই লেখার শুরুর কথায় ফিরে আসি তা হলে বলতেই হবে, এখন বড় দুর্দিন চলছে আমাদের। দেশজুড়ে লেগেছে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার এক দুঃসহ মড়ক। আর এই মড়কের মূল কারণই হচ্ছে ভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি ও পরমতসহিষ্ণুতার অভাব। উগ্রবাদ ধর্মান্ধতা ও মানবিক বিপর্যয়ের মত মারাত্নক সামাজিক ব্যাধি মহামারীর রুপ নেয়ই ভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি ও পরমতসহিষ্ণুতার অভাবের কারণে।আর এটা চলতে থাকলে অনেক বড় বিপর্যয়ে পড়বে জাতি।

 শিক্ষাবিদ মনোবিদ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রনেতাদের এখনই খুঁজে বের করতে হবে এর প্রতিকার। প্রতিশোধ নয় প্রতিহিংসা নয় চাই সমমর্মীতা ও মমত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত । চাই প্রেমময় কিছু উদ্যোগী মানুষ। কারণ ভালোবাসা এবং উদ্যোগ এই দুই এক হলেই আসে কল্যাণ।

লেখক: কথাসাহিত্যিক

আরও পড়ুন- নিহত জনক অ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ