পায়রায় কী হচ্ছে?

Send
আমীন আল রশীদ
প্রকাশিত : ১৬:৪০, জুন ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৪২, জুন ২৩, ২০১৯

আমীন আল রশীদপাখির নামে নদীর নাম—‘পায়রা’। বাংলাদেশের নদীগুলোর নাম যারা রেখেছেন, তাদের শিল্পবোধ ও চৈতন্য যে অতি উচ্চমার্গের ছিল, তার প্রমাণ রয়েছে সন্ধ্যা, সুগন্ধা, কীর্তনখোলা, ধানসিড়ি, চিত্রার মতো বাহারি নামে। চরিত্র আর ভয়াল রূপের কারণে কোনও কোনও নদী নাম আগুনমুখা, বিষখালিও বটে। একইসঙ্গেহ আছে কিছু অদ্ভুত নামের নদী। যেমন—পুরুষালি, ফকিরনী, ফটকা ইত্যাদি।
তবে এই লেখার প্রসঙ্গ নদীর নাম কিংবা তার সৌন্দর্য নয়। বরং এই নিবন্ধের ইস্যু পায়রা নামে এক সুন্দর নদীর নামে দক্ষিণের জেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র; যা মাঝেমধ্যেই সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে কিছু অসুন্দর ঘটনায়। বিশেষ করে এখানে কর্মরত বাংলাদেশ ও চীনের শ্রমিকদের সংঘর্ষ ও অসন্তোষের কারণে। সবশেষ ১৮ জুন এখানে দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যুর পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন চীনা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
প্রশ্ন হলো, কেন মাঝেমধ্যেই এই ঘটনা ঘটছে। দেশের অন্যান্য প্রকল্পে এ রকম ঘটনার খবর পাওয়া যায় না। তাহলে এখানে সমস্যাটা কোথায়, তার নির্মোহ বিশ্লেষণ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। মঙ্গলবারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে তিনটি তদন্ত কমিটিও। বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। দ্রুত এসব কমিটির তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হবে এবং দেশের মানুষ প্রকৃত ঘটনা জানবে—এটিই প্রত্যাশা।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমানে দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সরকারি খাতে ৭ হাজার ৯৯১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৯টি এবং বেসরকারি খাতে ৬ হাজার ২১১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন। অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২৩ সালের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে সরকার আশা করছে।

সরকারি খাতে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পটুয়াখালীর পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—যা বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের সিএমসি’র যৌথ মূলধনী কোম্পানি বিসিপিসিএল। কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট করে দু’টি ইউনিট থাকবে। আর এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।

দু’টি ইউনিটের মধ্যে প্রথমটির ৯০ ভাগ কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে। শিগগিরই প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসবে এবং এর তিন মাস পরেই দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে আসবে বলে সরকার আশাবাদী। এ দু’টি ইউনিট চালুর পরে দ্বিতীয় ফেইজ আরও একটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য চুক্তি হবে।

এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে স্থানীয় জনপদে সৃষ্টি হয়েছে কর্মচাঞ্চল্য। বছর চারেক আগেও যেটি ছিল অজপাড়াগাঁ, সেখানে এখন শহরের আবহ। স্থানীয়রা তো বটেই, দূর থেকেই অনেকে এখানে আসছেন নানারকম ব্যবসা করতে। গত ১৫ মে বাংলা ট্রিবিউনের একটি খবরে বলা হয়েছে, পায়রার এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কাজ করছেন প্রায় নয় হাজার শ্রমিক। এর মধ্যে তিন হাজার শ্রমিক চীনা। তাদের বসবাসও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে। ফলে তারা কেনাকাটা করেন স্থানীয় বাজার থেকেই। ফলে এই শ্রমিকদের কথা মাথা রেখেই এখানে গড়ে উঠেছে নানারকম ব্যবসা। এছাড়া এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে নিজেদের জীবন-মান আরও উন্নত হবে বলে আশাবাদী দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

কিন্তু এর আগেও যেসব কারণে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সংবাদ শিরোনাম হয়েছে তা দেশের আর কোনও রাষ্ট্রীয় প্রকল্পে দেখা যায়নি। ১৮ জুন বিকেলে বয়লারের ওপর থেকে পড়ে সবিন্দ্র দাস (৩২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিক মারা যান। গণমাধ্যমের খবর বলছে, তিনি পাওয়ার ব্লকের ৭৫ মিটার উচ্চতার বয়লারের ওপর কাজ করছিলেন। নিরাপত্তা বেল্ট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যান। তার লাশ গুম হওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়লে বাংলাদেশি শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকটি স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর চালায়। তারা চীনা শ্রমিকদের আবাসিক এলাকায়ও হামলা করে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয় চীনা নাগরিক এবং বাঙালি শ্রমিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। যাদের মধ্যে একজন চীনা শ্রমিক পরদিন বুধবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ঘটনার পর হেলিকপ্টারে এলাকা সফর করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। তার অনুরোধে কাজে যোগ দেন শ্রমিকরা। তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাঙালি শ্রমিকদের অভিযোগ, বয়লারের ওপর থেকে ওই বাংলাদেশি শ্রমিককে এক চীনা নাগরিক লাথি দিয়ে নিচে ফেলে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

এখন প্রশ্ন হলো—ওইদিন (১৮ জুন) বিকেলে একজন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হওয়ার পরে পরিস্থিতি যে খারাপ হবে সেটি তো প্রশাসনের জানার কথা। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সেখানে কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হলো না? কেন সন্ধ্যার মধ্যে পুরো প্রকল্প এলাকাটি কর্ডন করা হলো না? কেন এই কাজটি করতে রাত প্রায় ১২টা বাজলো? প্রশাসন কি বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেনি নাকি এখানে তাদের গাফিলতি ছিল? তদন্তে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে তো?

বিকেলে শ্রমিকের মৃত্যু এবং লাশ গুমের গুজবের পর মধ্যরাত পর্যন্ত সেখানে যে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে, সেখানে সবাই কি সাধারণ শ্রমিক ছিলেন? অনেকেই বলছেন, এই হামলা ও ভাঙচুরে কিছু বহিরাগতও ছিল যারা ঘর পোড়ার মধ্যে আলুপোড়া খাওয়ার ধান্দায় থাকে। তদন্তে এই বিষয়টি উঠে আসবে কি?

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে এটিই একমাত্র সমস্যা নয়। এখানে মোটা দাগে আরও কিছু সমস্যা রয়েছে যেগুলো শুরু থেকেই শক্তভাবে নজরদারির ভেতরে রাখা হলে দেশি-বিদেশি শ্রমিকদের সংঘর্ষ এড়ানো যেতো। যেমন:

১. এখানে যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন তাদের সবাই এক অর্থে দিনমজুর। তারা কাজের সময় প্রকল্প এলাকার ভেতরেই থাকেন, কিন্তু তারা মজুরি পান দিনের হিসাবে। তাদের নিয়োগ দেয় বেশ কিছু বেসরকারি ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠান। কিন্তু অনুসন্ধান বলছে, এখানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকাংশই সিলেট অঞ্চলের। ১৮ জুন যে শ্রমিক এখানে নিহত হয়েছেন, তার বাড়িও হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জয়নগর গ্রামে। অর্থাৎ পটুয়াখালী ও কলাপাড়া এলাকার মানুষদের অধিকার বেশি থাকলেও এই প্রকল্পে তাদের লোক খুবই কম। কারণ যেসব ম্যানপাওয়ার প্রতিষ্ঠান এখানে শ্রমিক সরবরাহ করে তারা সবাই অন্য এলাকার। এ নিয়ে স্থানীয় জনগণের মনে একধরনের অসন্তোষ বা ক্ষোভ আছে।

২. যারা এখানে শ্রমিক সরবরাহ করে তাদের সবার লাইসেন্স নেই। তারা মূলত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে লোক সরবরাহ করে। এ নিয়ে লাইসেন্সধারী এবং লাইসেন্সবিহীন বা ভুয়া লাইসেন্সধারী কোম্পানির মধ্যে বিরোধ আছে।

৩. শ্রমিকদের যে মজুরি দেওয়ার কথা, তা তারা পান না বলে অভিযোগ আছে। এখানে শ্রমিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য একাধিক মধ্যস্বত্বভোগী গ্রুপ এই টাকার ভাগ নেয়। এ কথা শ্রমিকরা জানেন এবং এ নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ আছে।

৪. প্রকল্প এলাকায় বালুসহ অন্যান্য কাঁচামাল সরবরাহে একাধিক মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠী জড়িত এবং কে এই মালামাল সরবরাহ করবে, তা নিয়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আছে। এ নিয়ে বিরোধের খবরও স্থানীয়দের অজানা নয়।

৫. প্রকল্প এলাকায় যেসব ভাঙ্গারি গার্মেন্টের ঝুটের মতো জিনিসপত্র তৈরি হয়, বিশেষ করে কাঠ ও লোকালক্কড়, তারও বাজার আছে। ফলে এসব জিনিসপত্রের বেচাবিক্রি নিয়েও স্থানীয় প্রভাবশালী ও মধ্যস্বত্বভোগীদের মধ্যে বিরোধ আছে।  

অর্থাৎ পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশি-বিদেশি শ্রমিকদের সংঘর্ষের পেছনে এই ব্যবসার ভাগবাটোয়ারা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যজনিত বিরোধ কতটা দায়ী, তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এছাড়া এ বছরই যেখানে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনে যাওয়ার কথা, সেখানে এরকম ঘটনার পেছনে কোনও ষড়যন্ত্র আছে কিনা, তারও নির্মোহ অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন। বিশেষ করে স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকাও পর্যালোচনা করা দরকার।

এর বাইরে এখানে আরও নানা দাবিতে বাঙালি শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন। পানি, বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকা, সাপ্তাহিক ছুটি না থাকা, বেতন-ভাতা না বাড়ানো এবং যথাসময়ে মজুরি না দেওয়ার অভিযোগে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধে। নির্দিষ্ট পোশাক বাবদ বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়াসহ বিভিন্ন বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগও আছে। মঙ্গলবারের ঘটনার পর একাধিক শ্রমিক গণমাধ্যমকে বলেছেন, তারা বাড়তি কাজ করলে ওভারটাইমের মজুরি তো দূরে থাক, নিয়মিত টাকাও পান না। একটু দেরি করে কাজে এলে তাদের ওপর নানারকম নির্যাতনও চলে। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানে কি কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? নিজের জন্মভূমিতে নিজের সরকারের প্রকল্পে কাজ করে তারা বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হবে অথচ বিদেশি শ্রমিকরা সুবিধা পাবে, এটি তারা কেন মানবে? এখানের অনেক শ্রমিক সাংবাদিকদের ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, তাদের সঙ্গে চীনা কর্তৃপক্ষের আচরণ মোটেও সম্মানজনক নয়। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর প্রকল্পে যেখানে বাংলাদেশ ও চীনের শ্রমিকরা কাজ করছেন, তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে উভয় দেশের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশি-বিদেশি শ্রমিকদের সম্পর্ক কী হবে, তাও এখানে পরিষ্কার নয়। আবার বাঙালি শ্রমিকদের ওপর চীনা শ্রমিকদের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতাও এখানে কাজ করে বলে শোনা যায়। কিন্তু এরকম পরিস্থিতি যেন না ঘটে, সেজন্য বাংলাদেশ ও চীন সরকারের পক্ষে  থেকেই কোনও ব্যবস্থা কি নেওয়া হয়েছিল?

দ্বিতীয় প্রশ্ন, এ রকম বড় প্রকল্পে বিদেশি শ্রমিক কেন প্রয়োজন হয়? বলা হয় স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনবল পাওয়া যায় না। কিন্তু যখন এরকম প্রকল্প নেওয়া হয়, তখনই তো এর জনবল কাঠামো নিয়ে পর্যালোচনা থাকা দরকার এবং কীভাবে স্থানীয় শ্রমিকদের দক্ষ করে এই প্রকল্পে কাজে লাগানো যায়, তার একটি সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা থাকার কথা। পায়রায় সেটি ছিল?

সুতরাং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলো, তা শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং অন্য যেসব প্রকল্পে এরকম দেশি-বিদেশি শ্রমিক কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে করবেন, সেখানে এর রেশ ছড়িয়ে পড়লে তা হবে অশনিসংকেত। ফলে যেসব কারণে পায়রায় বাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে বাংলাদেশ ও চীন সরকারকে যৌথভাবে কাজ শুরু করতে হবে; এর কোনও বিকল্প নেই। শুধু ঘটনার পরে কর্তাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন কিংবা তদন্ত কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে এর টেকসই সমাধান মিলবে না। একইসঙ্গে ১৮ জুনের ঘটনার পরে যেসব প্রশ্ন সামনে এসেছে তারও সুস্পষ্ট জবাব খোঁজা প্রয়োজন।

লেখক: বার্তা সম্পাদক, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

 

 তথ্য সহায়তা:

১. বাংলাদেশের নদীকোষ, ড. অশোক বিশ্বাস

২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৯

৩. সরকারি তথ্য বাতায়ন

৪. পটুয়াখালীর কয়েকজন সাংবাদিক

 

/এসএএস/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ