behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

'প্রেস্টিজ নিয়ে টানাটানি'

গোলাম মোর্তোজা১২:৩০, জানুয়ারি ১৩, ২০১৬

বেশ কিছু দিন পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় জনসভায় বক্তব্য রাখলেন। অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। কথা বলেছেন তার নিজস্ব ধরনে। সব বিষয় নিয়ে নয়, শিক্ষা এবং শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে কথা বলেছেন, আজকের লেখা মূলত তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করব। শিক্ষকসহ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানো হয়েছে, প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে- এটা সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে কেন্দ্র করেই এক ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ব্যাংকার, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী-গবেষক, শিক্ষক সবাই ক্ষিপ্ত-ক্ষুব্ধ, এত বেতন বাড়ার পরও। প্রধানমন্ত্রী নিজেও প্রশ্ন করেছেন, কেন এই অসন্তোষ! সব ক্ষেত্রের অসন্তোষ নয়, শিক্ষকদের প্রসঙ্গ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন এবং শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে কিছু কথা।

গোলাম মোর্তোজা১. প্রথমে আসি শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে। শিক্ষকরা বেতন বৃদ্ধির জন্যে আন্দোলন করছেন না। আন্দোলন করছেন সম্মান এবং মর্যাদার জন্যে। বাড়তি কোনও সম্মান বা মর্যাদা চাচ্ছেন না, যা ছিল তা যেন থাকে- আন্দোলন সে কারণে। বেতন বাড়াতে গিয়ে শিক্ষকদের মর্যাদা দুই ধাপ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়ে বিস্তারিত লেখালেখি হয়েছে, এখানে আর উল্লেখ করছি না।
২. শিক্ষকরা বলছেন, তাদের পদমর্যাদা দুই ধাপ কমিয়ে অসম্মানজনক অবস্থা তৈরি করেছেন মূলত সচিবরা। ‘রুলস অন বিজনেস’ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেন মন্ত্রীরা, সচিবরা নয়। প্রায় আট মাস আগে যখন শিক্ষকরা আন্দোলন শুরু করেছেন তখন থেকেই বলে আসছেন, সচিবরা তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। শিক্ষকরা বলছেন, সিনিয়র মন্ত্রীরা তাদের দাবি (৩টি) মেনে নেয়ার সুস্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আমলারা দু’টি বিষয় বাদ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। শিক্ষকরা কেন এমন অভিযোগ করছেন, তা  বোধগম্য নয়। একজন আমলা কোনওভাবেই মন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেন না। এমনটা করার কোনও সুযোগ নেই।
যদি কোনও আমলা এমন কিছু করে থাকেন, তা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী এমন কিছু করে থাকলে, সেই আমলা বা আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কোনও আমলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি কোনও মন্ত্রী বলেনওনি যে, আমলারা তাদের নির্দেশনা অমান্য করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন।
আমলারা শিক্ষকদের অসম্মান করছেন, মন্ত্রী বা সরকার নয়- শিক্ষকদের এই দাবির স্বপক্ষে যুক্তি নেই। তারপরও শিক্ষকরা এই দাবি করে যাচ্ছেন। এতে ক্ষতি শিক্ষকদেরই হয়েছে। 'শিক্ষকরা নিজেদের সচিবের সঙ্গে তুলনা করছেন '-সরকারের এমন প্রপাগান্ডা চালানোর সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। 
৩. এবার আসি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-
ক. শিক্ষকরা সচিবদের সঙ্গে তুলনা করে নিজেদের ছোট করছেন, সম্মান নিজেদের ওপর নির্ভর করে।
খ. শিক্ষকদের বেতন মর্যাদা সচিবদের সমান করে দেওয়া হবে, যদি তারা ৯-৫টা অফিস করেন।
গ. শিক্ষকরা বাইরে ক্লাস নেওয়ার সুযোগ পান, সচিবরা পান না।
ঘ. পেটে যখন খাবারের টান থাকে, তখন খাবারের চিন্তা থাকে। খাবারের চিন্তা তো আমি দূর করে দিয়েছি। তবু এখন পেট চিপিয়ে যায়।
ঙ. মনে হয় একটু বেশিই বাড়িয়ে ফেলেছি বেতনটা। সে জন্যে এখন প্রেস্টিজ নিয়ে টানাটানি।
চ. যদি সচিবের মর্যাদাই লাগে, তাহলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেরা সচিব হয়ে যান বা পিএসসিতে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি নেন।
ছ. তাহলে শিক্ষকদের চাকরির বয়স আবার ৬৫ থেকে ৫৯ করে দেই?

৪. গত ১১ জানুয়ারির জনসভায় এবং তার আগে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের সম্পর্কে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে এমন অনেক কথা বলেছেন। পাকিস্তান আমলের কথা জানি না। স্বাধীন বাংলাদেশের কোনও সামরিক-বেসামরিক, নির্বাচিত-অনির্বাচিত সরকার প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিয়ে এমন ধরনের কথা বলেছেন, নিজে জানি না-শুনিনি, কোথাও পড়িওনি।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের সম্পর্কে বর্তমান সরকারের মনোভাব খুব পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে। এর চেয়ে স্বচ্ছ্বভাবে আর কথা বলা যায় বলে মনে হয় না। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেও যদি শিক্ষকরা মনে করে থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে আমলারা ষড়যন্ত্র করছেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয়- তবে কিছু বলার নেই। অবাক বা বিস্মিত হওয়া ছাড়া!
৫. শিক্ষকদের সম্পর্কে এমন বক্তব্যের তাৎপর্য কী? গণতন্ত্র বা জনগণের মতামত বা ভোটের অধিকার বিবেচ্য নয়, উন্নয়নই একমাত্র বিবেচ্য- বর্তমান সরকারের নীতি। এই নীতিতে ক্ষমতায় থাকার জন্যে সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্রের পরিপূর্ণ সমর্থন অপরিহার্য। প্রশাসনের সম্পূর্ণ সমর্থন তখনই পাওয়া যায়, যখন তাদেরকে খুশি রাখা যায়। প্রশাসনের ভেতরে অসন্তোষ বা ক্ষোভ জন্ম নিতে পারে, সরকার তেমন কিছু করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকে।
বর্তমানে সরকার ক্ষমতায় আছে প্রশাসনের সহায়তায়। প্রশাসনের কর্তারা মনে করেন, আমরাই সরকারকে ক্ষমতায় রেখেছি। যা একেবারে মিথ্যেও নয়। সরকারের ক্ষমতায় থাকার জন্যে, শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ নন। গুরুত্বপূর্ণ নন ব্যাংকার, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী ও গবেষকরাও।
আমলাতন্ত্র নিজেদেরকে সবার ওপরে রাখতে চান। তাদের সেই ইচ্ছের বাস্তবায়ন করছেন সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। যা বোঝার জন্য গবেষক বা রাষ্ট্র বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার হয় না।
৬. সরকারের কাছে শিক্ষকদের গুরুত্ব কী এতটাই কম?
বর্তমান পদ্ধতির সরকারের কাছে শিক্ষকদের গুরুত্ব আসলেই কম বা গুরুত্ব না দিলে কোনও ক্ষতি নেই। এটা একটি দিক।
আর একটি দিক, শিক্ষকরা নিজেরাই নিজেদেরকে গুরুত্বহীন করে ফেলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা রাজনীতি করতে গিয়ে নিজেদেরকে আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতা-কর্মীতে পরিণত করেছেন। আগে বুদ্ধি নেওয়ার জন্যে রাজনীতিবিদরা শিক্ষকদের কাছে আসতেন। এখন শিক্ষকরা সুবিধা পাওয়ার আশায় রাজনীতিবিদদের কাছে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকেন। যা দৃশ্যমান।
রাজনীতিবিদদের কাছে নিজেদের ‘সম্মানজনক ইমেজ’ হারিয়েছেন শিক্ষকরা। এ কথা কী সব শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? নিশ্চয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক এমন নন। বলছি মূলত শিক্ষক নেতৃবৃন্দের কথা। বলে রাখা ভালো, সাংবাদিকসহ অন্য পেশাজীবীদের চিত্রও একই রকম। 
৭. শিক্ষকরা কীভাবে নিজেদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করেছেন, নিজেদের দলীয় নেতা-কর্মীতে পরিণত করেছেন তার দু’একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক কৌশল। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন। শিক্ষক নেতৃবৃন্দের বেশ কিছু পরিচিত মুখ টেলিভিশনের টকশোতে ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের পক্ষে অনবরত সাফাই গেয়েছেন। সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য, এমনকি ৪০% ভোট পড়েছে তাও বলেছেন অনেক শিক্ষক নেতা। বিএনপি -জামায়াত সমর্থিত আরেক দল আবার সন্ত্রাস -সহিংসতার পক্ষেও ইনিয়ে -বিনিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে কু-যুক্তি দিতেও দেখা যায় তাদের অনেককে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন, এমন শিক্ষক ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে সংগঠিত ক্রসফায়ারের পক্ষে কথা বলেছেন। পুলিশি হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছেন। পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। কারচুপি-জালিয়াতির উপজেলা ও ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়েছে বলে সার্টিফিকেট দিয়েছেন অনেক শিক্ষক নেতা। সর্বশেষ এই পৌরসভা নির্বাচনেও এসব শিক্ষক নেতৃবৃন্দ জালিয়াতি-কারচুপি-অনিয়মের তেমন কিছু দেখেননি। যা দেশের প্রায় সব মানুষ দেখেছেন। প্রকাশ্যে, টেলিভিশনে সত্য আড়াল করে কথা বলেন শিক্ষক নেতারা।

ফলে আওয়ামী লীগ সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষকদের নিজেদের নেতা-কর্মী মনে করছেন, আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছেন না। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারের প্রতি, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পক্ষে -শিক্ষকদের অবস্থান অবশ্যই প্রত্যাশিত। তাই বলে দলদাসের ভূমিকায় নিয়ে যাবেন নিজেদের? 
বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের অবস্থাও এর চেয়ে ব্যতিক্রম নয়। প্রাসঙ্গিক না হওয়ায় তা আর উল্লেখ করছি না।
৮. বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সাধারণের কাছে আরও কিছু কারণে ইমেজ হারিয়েছেন। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের ওপর যখন পুলিশ ‘পিপার স্প্রে ’ নিক্ষেপ করেছে, গরম পানি নিক্ষেপ করেছে, পিটিয়েছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতৃবৃন্দ প্রায় কোনও কথা বলেননি। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ যখন শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেছে- তখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জোড়ালো কোনও প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি।
ছাত্রলীগের শেল্টারে বা তত্ত্বাবধানে ‘সিপি গ্যাং’ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার শহীদ মিনার দখল করে তাণ্ডব চালিয়েছে, শিক্ষকরা নীরব থেকেছেন।
গত পহেলা বৈশাখে টিএসসি এলাকার নারী নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষকদের প্রায় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা ও আচরণ বিষয়ে শিক্ষকরা প্রায় কোনও কথা বলেন নি। 
পিএসসি, এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নফাঁস একটি নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশ্নফাঁস এবং সরকারের অস্বীকার করার প্রবণতা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতৃবৃন্দ প্রায় নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করেছেন। এমন কী মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের দৃশ্যমান বিষয় নিয়েও তাদের জোরালো কোনও অবস্থান নিতে দেখা যায়নি।
বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে শিশুদের প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়ে, মৌখিক নির্দেশ দিয়ে শিক্ষকদের বাধ্য করে পাসের হার বৃদ্ধি করে, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে -জাতির বিবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ দলীয় আনুগত্যের কারণে কোনও কথা বলছেন না। 
অনেক পরিচয়ের মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন শিক্ষক। নোবেল বিজয়ী সারা বিশ্বের কাছে সম্মানিত এই মানুষটিকে ক্রমাগত অসম্মান করা হয়েছে, শিক্ষকরা কোনও কথা বলেননি। উল্টো অনেক শিক্ষক অসম্মানজনক অসত্য কথার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা কারোরই অজানা নয়। বহু আগে বা এরশাদ বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত যাওয়া দরকার নেই। বিগত সেনা শাসিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের শিক্ষকদের ভূমিকাও তো অবিশ্বাস্য রকমের সাহস এবং প্রশংসার। সেদিন রাজনীতিবিদদের পাশে এই শিক্ষকরাই দাঁড়িয়েছিলেন, কোনও আমলা নয়। সেই শিক্ষকরাই আজ এমন অসম্মান-অমর্যাদার শিকার হচ্ছেন। জাতির জন্যে যা চরম দুর্ভাগ্যজনক।

এই ঘটনা থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, ডাক্তারসহ পেশাজীবীদের আত্ম-উপলদ্ধি হওয়া দরকার, আবার তারা স্বতন্ত্র -সম্মানজনক ইমেজ প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হবেন, না আরও বেশি দলকানা -দলদাসের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন!

লেখক: সম্পাদক, সাপ্তাহিক

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ