রাইট অর ‘রঙ’? 

শফিক আর. ভূঁইয়া
১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:০০আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৩৯

সমস্যার সমাধান না করে আমরা কি কেবল রঙ বদলাচ্ছি? বাংলাদেশে কোনও কিছু ঠিকঠাক কাজ না করলে আমরা কী করি? রঙ বদলে দিই। তারপর নতুন একটা নাম দিই। তারপর ‘শুভ উদ্বোধন’ করে ছবি তুলি। তারপর বলি, সংস্কার হয়ে গেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশের পোশাকের রঙ বদলানো হলো। র‍্যাবের পোশাকের রঙ বদলানোর কথাও উঠেছিল। রাজধানীর কিছু লোকাল বাসকে একসময় গোলাপি রঙে রাঙানো হয়েছিল। এখন নারীদের জন্য বিশেষ বাস এসেছে গোলাপি রঙে। দেখে মনে হতে পারে, আমাদের রাষ্ট্র ও নগর ব্যবস্থাপনার অনেক সমস্যার মূল কারণ বুঝি রঙ। রঙ বদলালে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, পুরোনো ভুল ভুলে সবকিছু নতুন হয়ে যাবে।

আমার গোলাপি রঙের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। গোলাপি সুন্দর রঙ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অনেকেই এই রঙ পছন্দ করেন। নারী যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট বাসকে দূর থেকে সহজে চেনানোর জন্য গোলাপি রঙ ব্যবহার করাও বেশ যুক্তিসঙ্গত। সমস্যা রঙে নয়। সমস্যা হলো, আমরা প্রায়ই সংস্কার আর রঙ করাকে এক জিনিস ভাবতে শুরু করি।

নারীদের জন্য আলাদা বাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। ঢাকার গণপরিবহনে নারীরা যে প্রতিদিন নানা ধরনের হয়রানি, অস্বস্তি, ধাক্কাধাক্কি, অনিরাপত্তা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হন, সেটা কারও অজানা নয়। একজন নারীকে কর্মস্থলে যেতে হয়, একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়—কিন্তু বাসে ওঠার সময়ই যদি তাকে যুদ্ধ করতে হয়, প্রায়ই শুনতে হয়, “লেডিস সিট নাই”—তাহলে সেই শহরকে আধুনিক নগর বলা কঠিন।

তাই নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক গণপরিবহন অবশ্যই দরকার। প্রশ্ন হলো, আমরা কি এবার সত্যিই নতুন কিছু করছি, নাকি পুরোনো সমস্যার ওপর নতুন রঙ লাগাচ্ছি? কারণ এই দেশে নারীদের জন্য আলাদা বাসের ইতিহাস বেশ পুরোনো।

১৯৯৮ সালে বিআরটিসি পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার রাস্তায় মহিলা বাস সার্ভিস চালু করেছিল। ২০০১ সালে সেটি ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন রুটে সম্প্রসারণ করা হয়। ২০০৯ সালে আবার পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৫ সালেও বিআরটিসির নারী বাস বহরে ১২টি সচল বাস ছিল। অর্থাৎ নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য আলাদা বাস চালানোর চিন্তা আমাদের নতুন নয়। আমরা এই ধারণা নিয়ে প্রায় তিন দশক ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি।

এর মধ্যে ২০১৮ সালে বেসরকারি উদ্যোগে এল ‘দোলনচাঁপা’। মিরপুর থেকে মতিঝিল ও আজিমপুর রুটে চলা এই বাস নারী যাত্রীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছিল। ২০১৯ সালের প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দেখা যায়, যাত্রীরা দোলনচাঁপাকে স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার জন্য পছন্দ করছিলেন। ধাক্কাধাক্কি কম, সিট পাওয়া যায়, ফ্যান চলে এবং সবচেয়ে বড় কথা, হয়রানির ভয় কম— এগুলোই ছিল যাত্রীদের সন্তুষ্টির কারণ। তখন চারটি বাস চলছিল, আর যাত্রীদের প্রধান দাবি ছিল— বাসের সংখ্যা বাড়ানো।

দোলনচাঁপা কর্তৃপক্ষও তখন জানিয়েছিল, চাহিদা বাড়লে বাসের সংখ্যা ১০টি পর্যন্ত করা হবে। কিন্তু সেই সার্ভিস শেষ পর্যন্ত টেকেনি। কেন টেকেনি, সেটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কারণ একটি সেবা কেন ব্যর্থ হলো, সেটা জানা থাকলে পরবর্তী উদ্যোগকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করা যায়। আর না জানলে আমরা একই জায়গায় আবার গিয়ে দাঁড়াই।

বিআরটিসির নারী বাস সার্ভিস নিয়েও আমাদের শেখার মতো অনেক কিছু আছে। ২০২৪ সালে বাংলা ট্রিবিউনের এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছিল, নারী বাস সার্ভিস থাকলেও অনেক নারী জানতেন না কোন রুটে কখন বাস চলে। কোথাও বাসের সময়সূচির সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই, কোথাও বাসের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম, কোথাও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, আবার কোথাও পুরুষ যাত্রী উঠে পড়ছেন। বাসের সংখ্যা, যাত্রী ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়েও ছিল নানা প্রশ্ন। অর্থাৎ সমস্যাটা নারী বাসের ধারণায় ছিল না; সমস্যা ছিল সেটিকে একটি নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন সেবা হিসেবে পরিচালনা করার সক্ষমতায়।

দোলনচাঁপা আর বিআরটিসির অভিজ্ঞতা তাহলে আমাদের কী শেখায়? খুব সোজা একটা কথা—নারীরা আলাদা বাস চান, কিন্তু শুধু আলাদা বাস চান না। তাঁরা চান বাসটি সময়মতো আসুক, পর্যাপ্ত সংখ্যায় থাকুক, ভেতরে জায়গা থাকুক, বাসটি পরিষ্কার ও আরামদায়ক হোক, চালক ও কর্মীরা ভালো আচরণ করুন এবং হয়রানি হলে ব্যবস্থা নেওয়ার নিশ্চয়তা থাকুক।

এবার এসেছে পিংক বাস। নারী চালক, নারী কন্ডাক্টর— এটিও নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। পরিবহন খাতে নারীর কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। নারী যাত্রীর কাছে হয়তো নারী কর্মী থাকলে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়বে। কিন্তু এখানেও প্রশ্নটা থেকেই যায়—বাসের চালক নারী হলেই কি গণপরিবহন ব্যবস্থা নারীবান্ধব হয়ে যায়? বাস যদি নিয়মিত না আসে, তাহলে কী হবে? ধরলাম, বাস নিয়মিত আসে; কিন্তু এত কম সংখ্যায় আসে যে প্রতিটি বাসে যাত্রী উপচে পড়ে। তখন? ধরা যাক, বাসে নারী যাত্রী ছাড়া কেউ উঠতে পারবেন না।

কিন্তু বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকা নারীটি যখন সন্ধ্যায় বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন, তখন আশপাশের পরিবেশ কতটা নিরাপদ? বাসে সিসিটিভি আছে, কিন্তু কোনও হয়রানির অভিযোগের বিচার হলো না। তখন?

আর ধরা যাক, বাসটি পুরোনো। সেটিকে সুন্দর করে গোলাপি রঙ করা হয়েছে। বাইরে থেকে দেখতে বেশ ঝকঝকে। কিন্তু ভেতরের সিট পুরোনো, সাসপেনশন দুর্বল, গরমে বাতাস নেই, দরজা ঠিকমতো বন্ধ হয় না। বাসের ৯৯ পারসেন্টই ভালো, শুধু মাঝে মাঝে ব্রেক ধরে না— তখন নারী যাত্রী কতটা ‘স্বাচ্ছন্দ্য’ পাবেন?

আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থার বড় সমস্যা এখানেই। আমরা প্রায়ই সেবার গুণগত মান উন্নত করার বদলে সেবাটিকে দেখতে কেমন লাগছে, সেটা নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ি।

কিছুদিন আগে পর্যন্ত ঢাকার অনেক লোকাল বাসকে বিভিন্ন রঙে রাঙানোর উদ্যোগও আমরা দেখেছি। একই বাস, একই চালক, একই সহকারী, একই রুট, একই বিশৃঙ্খলা—শুধু গায়ে নতুন রঙ।

বাসের রঙ বদলালেই কি চালকের আচরণ বদলায়? রঙ বদলালেই কি বাস নির্ধারিত স্টপেজে দাঁড়ায়? রঙ বদলালেই কি বাসের ফিটনেস ভালো হয়? রঙ বদলালেই কি যাত্রীকে ঠেলে উঠতে হয় না? হয় না। কারণ রঙ বদলানো, আর ব্যবস্থাপনা উন্নত করা—এক বিষয় না।

ঠিক একইভাবে, পুলিশের পোশাকের রঙ বদলানো একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হতে পারে, র‍্যাবের পোশাকের রঙ পরিবর্তনের প্রস্তাবও উঠতে পারে; কিন্তু পোশাক বদলালেই পুলিশিং বদলে যায় না। মানুষের সঙ্গে পুলিশের আচরণ, জবাবদিহি, প্রশিক্ষণ, তদন্তের মান, পেশাদারিত্ব—এসব বদলাতে হয়। পোশাক মানুষকে দূর থেকে চেনায়, কিন্তু প্রতিষ্ঠানকে বদলায় না।

গণপরিবহনেও ব্যাপারটা একই। গোলাপি বাস দূর থেকে নারী বাস হিসেবে চেনাবে। কিন্তু এটি নারীকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে কিনা, সেটা নির্ভর করবে রুট পরিকল্পনা, সময়সূচি, বাসের সংখ্যা, রক্ষণাবেক্ষণ, চালক-কর্মীদের প্রশিক্ষণ, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত তদারকির ওপর।

আমাদের সমস্যা হলো, দৃশ্যমান পরিবর্তন করতে আমরা খুব ভালোবাসি। কারণ দৃশ্যমান পরিবর্তনের ছবি তোলা যায়, উদ্বোধন করা যায়, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যায়, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা যায়।

কিন্তু গণপরিবহনের রুট রেশনালাইজ করা, চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, সময়সূচি ঠিক রাখা, বাসের ফিটনেস নিশ্চিত করা, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা, বাসস্টপ উন্নত করা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঠিক করা—এসবের ছবি তোলা কঠিন। এগুলো করতে সময় লাগে। প্রতিষ্ঠান লাগে। জবাবদিহি লাগে। আর সবচেয়ে বেশি লাগে ধারাবাহিকতা। আমরা ধারাবাহিকতায় একটু দুর্বল।

একটা উদ্যোগ শুরু করি। কিছুদিন পর সেটি ধুঁকতে থাকে। তারপর বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক বছর পর আবার একই ধরনের উদ্যোগ আসে। এবার নামটা একটু আলাদা, রঙটা একটু আলাদা, উদ্বোধনের ব্যানারটা নতুন। আমরা আবার আশাবাদী হই। দোলনচাঁপা কি আমাদের কোনও শিক্ষা দেয়নি? ১৯৯৮ থেকে বিআরটিসির নারী বাস সার্ভিসের ওঠানামা কি আমাদের কোনও শিক্ষা দেয়নি? ২০২৪ সালের অনুসন্ধানে যে সমস্যাগুলো উঠে এসেছিল, সেগুলোর সমাধান না করে ২০২৬ সালে আমরা নতুন করে পিংক বাস চালু করছি কিনা—সেটা জানা দরকার।

আমি বরং চাই, এবার পিংক বাসের সঙ্গে একটা ‘শিক্ষার হিসাব’ও প্রকাশ করা হোক। গতবার কী সমস্যা হয়েছিল? কোন রুটে যাত্রী বেশি ছিল? কোথায় বাস কম ছিল? কেন দোলনচাঁপা বন্ধ হলো? কেন সরকারি নারী বাস সার্ভিস অনেক নারীর কাছেই অজানা রয়ে গেল? কেন সময়সূচি ঠিক থাকল না? কোন কারণে পরিচালনা দুর্বল হলো? এবার সেগুলোর কোন কোন সমাধান করা হয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর থাকলে পিংক বাস সত্যিই নতুন উদ্যোগ হবে। না হলে এটি হবে আমাদের পুরনো অভ্যাসের আরেকটি সংস্করণ—সমস্যা সমাধান না করে সমস্যার রঙ বদলে দেওয়া।

আরেকটা বিষয়ও আমাদের মনে রাখা দরকার। নারীকে নিরাপদ রাখতে নারী বাস একটি প্রয়োজনীয় বিশেষ ব্যবস্থা হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আমরা কি এমন একটা শহর চাই, যেখানে নারীদের নিরাপদে চলাচলের জন্য আলাদা বাস দরকার হবে? নাকি এমন একটা গণপরিবহন ব্যবস্থা চাই, যেখানে সাধারণ বাসেই একজন নারী নিশ্চিন্তে উঠতে পারবেন? আমার মনে হয়, দ্বিতীয়টিই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।

পিংক বাস থাকুক। ভালোভাবেই থাকুক। নারী চালক ও কন্ডাক্টর আরও বেশি নিয়োগ করা হোক। চালক হিসেবে নারীরা বেশি নির্ভরযোগ্য। নারী যাত্রীদের জন্য নির্ভরযোগ্য রুট তৈরি হোক। বাসের সংখ্যা বাড়ানো হোক। বাসগুলো আরামদায়ক ও পরিচ্ছন্ন হোক। সময়সূচি মেনে চলুক। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যাত্রীদের জানানো হোক কোথায় কখন বাস পাওয়া যাবে। আর পুরো ব্যবস্থাটির কর্মদক্ষতা নিয়মিত প্রকাশ করা হোক।

কিন্তু একইসঙ্গে সাধারণ গণপরিবহনকেও ঠিক করতে হবে। কারণ ঢাকার নারী শুধু পিংক বাসে চলেন না। তিনি অফিসে যাওয়ার সময় যে বাসটি পান, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় যে বাসটি পান, সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় যে বাসটি পান—সেগুলোও তাঁরই বাস। সেই বাসের চালক, সহকারী, বাসস্টপ এবং পুরো ব্যবস্থাটিও তাঁর জন্য নিরাপদ হতে হবে। তাহলে হয়তো একদিন গোলাপি বাসের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে। কারণ তখন পুরো গণপরিবহন ব্যবস্থাই নারীসহ সবার জন্য নিরাপদ হয়ে উঠবে।

আমরা যদি শুধু বাস গোলাপি করি, তাহলে গোলাপি বাস পাবো। আমরা যদি গণপরিবহন ব্যবস্থা ঠিক করি, তাহলে পাবো নিরাপদ গণপরিবহন। দেখতে হয়তো দুটির পার্থক্য খুব বেশি নয়, কিন্তু নাগরিকের জীবনে পার্থক্যটা বিশাল।

তাই পিংক বাস নিয়ে আমার আপত্তি নেই। আমার ভয় অন্য জায়গায়— গোলাপি রঙ দেখে যেন আমরা মনে না করি, গণপরিবহনের সমস্যাটার সমাধান হয়ে গেছে। কারণ আমাদের সমস্যা বাসের রঙ নয়। সমস্যা হলো বাস, ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনা। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা—আমরা বারবার সেই সমস্যার সমাধান না করে শুধু রঙ পালটে দিই।

লেখক: কমিউনিকেশন, কালচার ও করপোরেট দায়িত্বশীলতা পেশায় নিয়োজিত

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
পিংক বাসকে ধাক্কা, সেই ‘বলাকাকে’ পাঠানো হলো ডাম্পিংয়ে
প্রথম দিনেই পিংক বাসকে বলাকার ধাক্কা
‘মাস্টার্স পাস করে গাড়ি চালাবো, এ নিয়ে কত প্রশ্ন!’
সর্বশেষ খবর
দীপু মনির ৪ দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন
দীপু মনির ৪ দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন
স্বার্থ থাকলে ভারতের সঙ্গে এগোবে না বাংলাদেশ: রিজভী
স্বার্থ থাকলে ভারতের সঙ্গে এগোবে না বাংলাদেশ: রিজভী
যেখানে ট্রেন থেমেছে, সেখানেই শুরু সাইকেলের পথ
যেখানে ট্রেন থেমেছে, সেখানেই শুরু সাইকেলের পথ
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু, ৪ জন একই পরিবারের 
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু, ৪ জন একই পরিবারের 
সর্বাধিক পঠিত
আস্ত খাসি না দেওয়ায় বর বললেন ‘তুই বিয়ে কর’, বিয়ে না দিয়ে বের করে দিলেন কনের বাবা
আস্ত খাসি না দেওয়ায় বর বললেন ‘তুই বিয়ে কর’, বিয়ে না দিয়ে বের করে দিলেন কনের বাবা
নাটোরের ডিসি প্রত্যাহার, এক উপজেলার ইউএনও বদলি
নাটোরের ডিসি প্রত্যাহার, এক উপজেলার ইউএনও বদলি
মহাসড়কে এআই ক্যামেরার অ্যাকশন শুরু, ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা
মহাসড়কে এআই ক্যামেরার অ্যাকশন শুরু, ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা
ছুটির দিনে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ধরে পিটিয়ে মেরে ফেললো একদল লোক
ছুটির দিনে ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ধরে পিটিয়ে মেরে ফেললো একদল লোক
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক