X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র

১০ ফুট বাই ৮ ফুট কক্ষে ১৫-২০ জন বন্দি, জায়গা হয় না মেঝেতেও

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২০, ১৮:০৯

 

শিশু ‍উন্নয়ন কেন্দ্র, টঙ্গী, গাজীপুর টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হচ্ছে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত নিবাসী। অবস্থা এমনই যে ১০ ফুট বাই ৮ ফুটের ছোট একটি কক্ষের ভেতরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে সর্বনিম্ন ১৫ জন বন্দি। কখনও এই সংখ্যা হয়েছে সর্বোচ্চ ২৮ জন! গাদাগাদি করে রাতযাপন, একই গোসলখানায় ৪/৫ জন একত্রে গোসল করা, অপরিচ্ছন্ন মেঝেতে থাকায় চুলকানিসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই কেন্দ্র থেকে সাজা খেটে বের হওয়া একাধিক কিশোরের কাছ থেকে। জায়গা সংকুলান হচ্ছে না এ কথা স্বীকার করেছে এই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষও। তবে চুলকানির মতো রোগের অস্তিত্ব স্বীকার করেননি তারা। কর্তৃপক্ষের দাবি, খুব শিগগিরই বন্দিদের স্থান সংকুলান হয়ে যাবে।

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ও কোনাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুটি উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বালক এবং কোনাবাড়ীতে বালিকাদের নিবাস।

মুক্তি পাওয়া নিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কিশোর উন্নয়ন নিবাসের নানা বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।

সদ্য মুক্তি পাওয়া আরমান (ছদ্মনাম) নামের এক কিশোর জানায়, বিছানাগুলো অপরিষ্কার ছিল। গাদাগাদি করে এক রুমে ১৫/২০ জন থাকতে হতো। ফ্লোরে তোষক, জাজিমের ওপর চাদর বিছিয়ে শুতে হতো। অনেকেরই গায়ে চুলকানি হতো। উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে যে ওষুধ দিতো তা দিয়ে ভালো হতো না। বাসা থেকে ওষুধ নিতে হতো। সিরিয়াল ধরে এক সঙ্গে ৪/৫ জন করে গোসল করতে গিয়ে অনেক সময় লেগে যেতো। তবে কখনও কোনও ধরনের মারামারি হতো না।

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক), টঙ্গী, গাজীপুর

স্থানীয় দু’পক্ষের কিশোরদের মধ্যে প্রেমঘটিত ঘটনা নিয়ে ঢাকার একটি এলাকায় গত বছর ঈদুল আজহার আগে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। আদালতের আদেশে ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন কিশোর অভিযুক্ত হলে তাদের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। সেখান থেকে জামিনে মুক্ত হয় রিদয় (১৬) ও সিরাত (১৭) নামের দুই কিশোর (ছদ্মনাম)।

রিদয় জানায়, শিক্ষা, খাদ্য, চিকিৎসা সুবিধা অনেকটাই সীমিত টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতি ফ্লোরে অনেক কক্ষ এবং প্রতিটি কক্ষে অনেকে বসবাস করে। কিন্তু, প্রতিটি ফ্লোরে একটি করে কেরাম বোর্ড দেওয়া আছে। ইচ্ছে করলেই সকলে একসঙ্গে খেলাধুলা করতে পারে না। অনেকে রয়েছে যারা প্রাথমিক শিক্ষা অনেক আগেই শেষ করেছে। কিন্তু তাদের জন্য কারিগরি শিক্ষা ছাড়া সাধারণ শিক্ষার সুযোগ নেই। কোন ঘটনা বা বিষয়গুলো অন্যায় সেগুলো পরামর্শক বা কাউন্সিলররা তাদের মাঝে মধ্যে জানিয়ে থাকেন।

রিদয় (১৬) জানায়, সে বর্তমানে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করছে। একটি কিশোর হত্যা মামলায় পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো হয়। ২০১৯ সালের  জুন থেকে ওই বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে ছিল। সে সময় সে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। কিন্তু, উন্নয়ন কেন্দ্রে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করানোর ফলে সে সেখানে জেএসসির প্রস্তুতি নিতে পারেনি।

কেন্দ্রে দুটি লাইব্রেরি, একটা কম্পিউটার রুম ও পাঁচটি ক্লাসরুম ছিল। কম্পিউটার রুমে একাধিক কম্পিউটার ছিল। সবাই কম্পিউটার ব্যবহার জানতো না। যারা জানতো তারাও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে ব্যবহার করতো না।

সে বলে, কঠোর নিয়ম কানুন মানতে হতো সকলকে। নিয়ম ভঙ্গ করলে বা ক্যাপ্টেনদের (সিনিয়র নিবাসী) কথা না মানলে কপালে জুটতো সাজা। সাজা হিসেবে কান ধরে ১শ’ ২শ’ বার উঠবোস করা, এক পায়ের ওপর ১৫ মিনিট, ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। রুটিন অনুযায়ী বাথরুম পরিষ্কারের দায়িত্ব থাকলেও ভুল বা আদেশ অমান্যের জন্য সপ্তাহব্যাপী সাজা হিসেবে বাথরুম পরিষ্কার করতে হতো। তবে কেউ মারধর করতো না। পরিচিত কেউ থাকলে বা একই মামলার কয়েকজন অভিযুক্ত থাকলে সকলকে একসঙ্গে থাকতে ও ঘুরতে দিতো না। এক রুমের নিবাসী অন্য রুমে যেতে পারতো না।

এই কিশোর জানায়, সারাদিন রুমেই বসে থাকতে হতো। দুপুরে খাবার দাবারের পর আধাঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে এক ঘণ্টার জন্য খেলার মাঠে বের হতে দিতো। আর সকালে এক ঘণ্টার মতো ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণ করতে হতো। অ্যাসেম্বলিতে ভালো থাকার শপথ করানো হতো।

টিভি দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে রিদয়। জানায়, একটি মাত্র টিভি রুম। লাইন ধরে বসে টিভি দেখতে হতো। এতে কারও ইচ্ছার প্রাধান্য ছিল না। হাউস ক্যাপ্টেন (বয়সে সিনিয়র নিবাসী) কোনও একটা ছবির চ্যানেল বা বাংলা ছায়াছবির ভিডিও ছেড়ে দিতো। তাই দেখতে হতো। দুপুরের খাবারের পর যে সময়টা খেলার জন্য দিতো সে সময়ে কেউ খেলতে না গেলে তারা টিভি দেখতো। মূলত হাউস ক্যাপ্টেনদের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করতো টিভি বিনোদন ও খেলাধুলার ইভেন্ট।

সবাই একসঙ্গে একদিনে খেলতে যেতে পারতো না। সপ্তাহে একদিন একটা ফ্লোরের নিবাসীরা খেলতে যেতে পারতো। রুটিন অনুযায়ী আবার এক সপ্তাহ পর মাঠে নেমে ভাগ্যে খেলার সুযোগ আসতো।

রিদয়ের থাকার সময় টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে ৯৮১ জন নিবাসী ছিল। মোট পাঁচটি ফ্লোরের প্রতিটি কক্ষে ২৩ থেকে ২৮ জন নিবাসীকে গাদাগাদি করে থাকতে হতো। নিবাসী কমে গেলেও ১৬/১৭ জন করে থাকতে হতো। থাকার কক্ষের আয়তন ছিল আনুমানিক দৈর্ঘ্য ১০ হাত এবং প্রস্থে ৮ হাত। ফ্লোরে তোষকের ওপর চাদর ও বালিশ রেখে একজন আরেকজনের গা ঘেঁষে থাকতে হতো। প্রথমদিকে রাতে ঘুম হতো না। ভীষণ অস্বস্তি হতো। ১৫/২০ দিন পর গায়ের সঙ্গে গা ঘেঁষা থাকলেও বাধ্য হয়েই ঘুমাতে হতো।

সকালে কোনোদিন আলু ভর্তা-ভাত, কোনোদিন ডাল-ভাত নাস্তা খেতে হতো। দুপুরে কোনোদিন ডিম, কোনোদিন মাছ এবং সপ্তাহে একদিন মুরগি বা গরুর মাংস খেতে পারতাম। শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে একজন আমাদের ওষুধ দিতো। প্রথম ১৫/২০ দিন চুলকানি, পেটের পীড়া দেখা দিতো। পরে সব ঠিক হয়ে যেতো।

অফিস কক্ষ দিয়ে এই পথে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের গেট। ভেতরে থাকে বন্দিরা।

রিদয় দু’দিন ফজরের নামাজ পড়তে পারেনি। প্রতিদিন ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে ঘুম থেকে উঠে নামাজ বাধ্যতামূলক ছিল। নামাজের বিষয়টি তার কাছে খুব ভালো লেগেছে। সে প্রতিদিন ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ পড়তে পেরেছে যা বাসায় থেকে একদিনও সে পারেনি। যে বিষয়টি খারাপ লাগতো তা হলো একসঙ্গে ৪/৫ জন একই বাথরুমে গোসল করা। তাও আবার লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল নিতে হতো। কখনও দুই ঘণ্টা, তিন ঘণ্টা সময় লেগে যেতো গোসলের সিরিয়াল পেতে। তাই ভোর ৬টা থেকেই গোসলের প্রস্তুতি নিতো।

একটি বাথরুমে ৪/৫ জন একসঙ্গে গোসল করতে হতো। প্রতি ফ্লোরে পাঁচটি করে বাথরুম। একটি বরাদ্দ থাকতো সিনিয়র নিবাসীদের জন্য। এসময় একজনের গায়ের পানি, সাবানের ছিঁটা আরেকজনের গায়ে গিয়ে পড়তো। এ নিয়ে অনেক সময় ঝগড়াঝাঁটি হতো। প্রথম দিকে সবই খারাপ লাগতো। পরে দেখা যেতো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে সবই মেনে নিতো নিবাসীরা।

সামাজিক কারণে উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাবা-মা আত্মীয়ের বাড়িতে দেড়মাস থাকতে বলে। দেড়মাস পর বাবা-মার কাছে চলে আসে সে। জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে গণিতে খারাপ করে। এখন আর লেখাপড়া তার ভালো লাগে না। এখন বাসার কাছে একটি কাপড়ের দোকানে মাসিক সাড়ে ৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ করে। প্রতিদিন খাবারের জন্য ১শ’ টাকা দেয়। উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর কেউ সেখান থেকে কোনোদিন তার খোঁজ কেউ নেয়নি। বরং সে নিজে এক উন্নয়ন কেন্দ্রের এক খালার (বুয়া) সঙ্গে কথা বলে তার খোঁজখবর রাখতো। খালা তাকে অনেক আদর করতো বলে জানায় সে।

টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান জানান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ২৫ হাজার ৩শ’ ১৪ জন নিবাসী সেবা পেয়েছে। এর মধ্যে মুক্তি পেয়েছে ২৪ হাজার ৭৮২ জন। প্রতি বুধবার গাজীপুরের সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে একজন এমবিবিএস চিকিৎসক রোগী থাকা পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। সার্বক্ষণিক একজন কম্পাউন্ডার থাকেন। নিবাসী ধারণক্ষমতা ৩শ’ জনের, কিন্তু অবস্থান করছে ৫৬১ জন। মাঝে মধ্যে এ সংখ্যা বহুগুণে বেড়ে যায়। ধারণক্ষমতার বেশি থাকার কারণে মাঝে মধ্যে গোসল ও থাকার সমস্যা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক আরও জানান, চুলকানি লেগে থাকার অভিযোগটি সঠিক নয়। নিয়মিত কেন্দ্র থেকে ওষুধ দেওয়া হয়। একেক ফ্লোরের নিবাসীদের একেকদিন খেলাধুলার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগটিও সঠিক নয়। নিয়মিত সকল নিবাসীদেরই খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া হয়। ইনডোরে লুডু, দাবা, কেরামবোর্ড খেলার সুযোগ রয়েছে। লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও গাজীপুরের ইতিহাস ঐতিহ্য বন্দিদের জানানো হয়। অক্ষরজ্ঞানহীন নিবাসীদের অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। নতুন ভবনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও আবেদন নিবেদন জানানো হয়নি। তবে যেসব ভবন ব্যবহার হয়নি সেগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে মেরামত কাজ শেষ হবে।

এই গেট দিয়ে ভেতরে যেতে হয় টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বন্দিদের।

গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা)-এর তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারী পরিচালক খোরশেদা আক্তার রোজী জানান, ওই কেন্দ্রে ১৫৪ আসনের বিপরীতে মোট নিবাসী রয়েছে ৮০ জন। তাদের পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সেলাই, এম্ব্রয়ডারির মতো কারিগরি শিক্ষাও দেওয়া হয়। গত এক মাস যাবত কম্পিউটার প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক। নিবাসীদের ইচ্ছানুযায়ী কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হয়। কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ২২ জন নিবাসী অংশগ্রহণ করছে।

তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য সার্বক্ষণিক একজন নার্স রয়েছেন। নিবাসীদের সাধারণ সমস্যাগুলো নার্স সমাধান করেন। জটিল ও গাইনি সংক্রান্ত সমস্যা হলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত চারদিনে পাঁচজন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে দুজন ছিল প্রেগন্যান্ট।

খাবার ও প্রসাধনী সামগ্রী বাবদ প্রতি নিবাসীর জন্য মাসিক সাড়ে তিন হাজার টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্য থেকেই খাবার-দাবার, প্রসাধনী ইত্যাদির সংকুলান করা হয়। সাপ্তাহিক রুটিন অনুযায়ী মোটামুটি ভালো মানের খাবারের মেন্যু তৈরি করা হয়।

নিবাসে ইউনিসেফের দুজনসহ মোট ৩২ জন স্টাফ রয়েছেন। মাসিক বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত দু’জন স্টাফ রয়েছেন। এছাড়াও সোশ্যাল ওয়ার্কার ও সমাজকর্মীরা রয়েছেন। তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে বিরত রাখার বিষয়ে কাউন্সেলিং করে থাকেন।

তিনি জানান, কালচারাল বিষয়ের জন্য কোনও শিক্ষক নেই। তবে সাধারণ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠের পাশাপাশি কালচারাল, শরীরচর্চা বিষয়ে পাঠদান ও উৎসাহ দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় অ্যাসেম্বলি আয়োজনের মাধ্যমে নিবাসীরা জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে থাকে। প্রত্যেক ফ্লোরে কেরাম বোর্ড রয়েছে। ইনডোর গেমের জন্য প্রতিটি কক্ষেই একটি করে লুডু ও দাবার বোর্ড রয়েছে।

প্রতি কক্ষের আকার অনেকটা ফাঁকা ফাঁকা বা মোটামুটি বড় আকৃতির। একটি কক্ষে চারজন নিবাসী থাকে। মশারি, বিছানাসহ রাত্রিশয্যার প্রয়োজনীয় সুযোগ ও উপকরণ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০০২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মোট নিবাসী ২ হাজার ৮শ’ ৮৮ জন। এর মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত ২ হাজার ৭শ’ ৪৮ জন। বর্তমানে ৮০ জন নিবাসীর মধ্যে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ৮ জন, চুরি মামলায় ২ জন, মাদক মামলায় ২ জন, নিরাপদ নিবাসী ১১ জন এবং বাকিরা মূলত ভিকটিম।

/টিএন/এমএমজে/

সম্পর্কিত

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২০:২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে (৩০) রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে সিদ্দিকুর রহমান নামের এক স্বামীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পিতা বশির উল্যাহ বলেন, ‘১২ বছর পূর্বে একই গ্রামের সামছুল হকের ছেলে মো. ছিদ্দিকুর রহমানের (৩৫) সঙ্গে আমার বড় মেয়ের বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের সংসারে একটি মেয়ে ও দুইটি ছেলে রয়েছে।’

ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘বিয়ের কয়েক বছর পর ভালোভাবে সংসার কাটলেও, গত ২/৩ বছর ধরে আমার স্বামী মো. ছিদ্দিকুর রহমান দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে আমাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে রশি দিয়ে বেঁধে বেপরোয়া মারধর করে মেরে ফেলার হুমকি দেন। আমার সন্তানদের রেখে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরবর্তী সময়ে নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হই। আমার পুরো শরীরে আঘাতের চিহ্ন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে চরজব্বার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।’

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শান্তির প্রস্তাব নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে কাদের মির্জা

শান্তির প্রস্তাব নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে কাদের মির্জা

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৫৬

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো চার থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের শরীরে যুক্ত হয়েছে ক্যামেরা। এর আগে ঢাকায় ট্রাফিক পুলিশ ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’র এ কার্যক্রম শুরু করলেও থানা পর্যায়ে এবারই প্রথম চালু হয়েছে।

শনিবার (২৪ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (পশ্চিম) উপ-কমিশনার মো. আব্দুল ওয়ারীশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় আপাতত সিএমপির চার বিভাগের চার থানায় এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। চার থানা হচ্ছে- ডবলমুরিং, কোতোয়ালী, পাঁচলাইশ এবং পতেঙ্গা। প্রত্যেক থানাকেই সাতটি করে ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১৬ থানায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এর আগে ঢাকায় ট্রাফিক পুলিশ এই কার্যক্রম শুরু করে। থানা পর্যায়ে দেশে প্রথমবারের মতো কার্যক্রমটি শুরু করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। এই ক্যামেরায় ছবি, অডিও, ভিডিও রেকর্ড হয়। জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনও স্থানে বসেই সবকিছু তদারকি করা যাবে।

এ সম্পর্কে জানতে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, এই উদ্যোগ ডিজিটালাইজেশনের পথে পুলিশকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এসব ক্যামেরা ভ্রাম্যমাণ সিসিটিভির কাজ করবে। যেকোনও ঘটনা আমাদের চোখ এড়িয়ে গেলেও এই ক্যামেরা সবকিছু রেকর্ড করে রাখবে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

শান্তির প্রস্তাব নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে কাদের মির্জা

শান্তির প্রস্তাব নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে কাদের মির্জা

জরিমানা পরিশোধ না করে পুলিশ পরিদর্শককে পেটানোর অভিযোগ

জরিমানা পরিশোধ না করে পুলিশ পরিদর্শককে পেটানোর অভিযোগ

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৬

সিলেটের জাফলংয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ইমরান আহমেদ (১৮) নামের এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ইমরান আহমেদ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার ফুলমালির চালা এলাকার ফরিদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় ফজরগঞ্জ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকালে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্টের ডাউকি নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিকালে জাফলংয়ের ডাউকি নদীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ইমরান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ জাফলং জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ। তিনি বলেন, শনিবার বিকালে জাফলংয়ের ডাউকি নদীর জিরো পয়েন্টে এলাকায় তার লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

/এএম/

সম্পর্কিত

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

সুনামগঞ্জে ৮ চিকিৎসক-নার্স করোনায় আক্রান্ত

সুনামগঞ্জে ৮ চিকিৎসক-নার্স করোনায় আক্রান্ত

সিলেটে ভোটগ্রহণ নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন

সিলেটে ভোটগ্রহণ নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৬

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ রুটে ফেরিগুলো পদ্মা সেতু এড়িয়ে চলতে পারে না। মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এই রুটে ফেরি চলতে গেলে পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে যেতে হবে।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়সাল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ছিল ফেরিঘাট। কিন্তু পদ্মা সেতু প্রকল্পের নদী শাসনের কাজের জন্য সেই ফেরিঘাট সরিয়ে নদীর আপস্ট্রিমে বাংলাবাজার স্থাপন করা হয়েছিল। কারণ, নদীর ডাউনস্ট্রিমে নদী শাসন কাজ করছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। কাজেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ রুটে সকল ফেরিকে পদ্মা সেতুর নিচ দিয়েই চলতে হবে। এছাড়া আর কোনও চ্যানেল নেই।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট থেকে ২৯টি যানবাহন নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে ফেরি শাহ জালালের ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় ফেরির ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, এতে কেউ আহত হননি। ঘটনার পর চালক আব্দুর রহমানকে বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনায় রাতে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের মাদারীপুরের শিবচর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে, এখনই এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধের ব্যাপারে কোনও সুপারিশ করবে না সেতু কর্তৃপক্ষ।

নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, আপাতত এই চ্যানেলে ফেরি চলাচল বন্ধ করতে সেতু কর্তৃপক্ষ কোনও নিষেধাজ্ঞা দেবে না।

জানা গেছে, শনিবারও এই রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে বিধিনিষেধের কারণে রুটের ১৯টি ফেরির মধ্যে আজ ছয়টি ফেরি চলেছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৫১

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি বাজার এলাকায় আনোয়ার গ্রুপের এ-ওয়ান পলিমার লিমিটেডের প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানা চালু রাখায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (২৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।

গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না রহমান জ্যোতি জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কারখানাটি খোলা রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করা হয়েছে।

এ সময় সব শ্রমিকদের বের করে কারখানাটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

/এফআর/

সম্পর্কিত

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়া ফেরিচালককে আটক করা হয়নি: পুলিশ

পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়া ফেরিচালককে আটক করা হয়নি: পুলিশ

সর্বশেষ

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ফতুল্লায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

পদ্মা সেতুর সেই পিলার পরিদর্শনে মন্ত্রণালয়ের টিম

পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়া ফেরিচালককে আটক করা হয়নি: পুলিশ

পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়া ফেরিচালককে আটক করা হয়নি: পুলিশ

জরিমানা পরিশোধ না করে পুলিশ পরিদর্শককে পেটানোর অভিযোগ

জরিমানা পরিশোধ না করে পুলিশ পরিদর্শককে পেটানোর অভিযোগ

পদ্মা সেতুর পিলারে বার বার ফেরির ধাক্কা কেন?

পদ্মা সেতুর পিলারে বার বার ফেরির ধাক্কা কেন?

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

© 2021 Bangla Tribune