X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

দেশীয় ক্রেতাদের সন্তুষ্ট রেখেই বিশ্ববাজারে জায়গা করতে চায় সারা

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৪:২৪

দেশীয় পোশাকশিল্পে আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ড  ‘সারা’। পোশাকশিল্পে রফতানিমুখী ব্র্যান্ড ‘স্নোটেক্স’-এর সিস্টার কনসার্ন ‘সারা লাইফ স্টাইল লিমিটেড’। ২০১৮ সালের ১২ মে যাত্রা শুরু করে স্বল্প সময়েই দেশের পোশাকশিল্পে নির্ভরযোগ্য নাম ‘সারা’। নান্দনিক ও স্বল্পমূল্যে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য প্রতিষ্ঠানটিকে পৌঁছে দিয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। প্রতিষ্ঠানটির পথচলা, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চিন্তা নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে কথা বলেছেন পরিচালক শরীফুন্নেছা রেবা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করেছেন তিনি।  সাংবাদিকতা করেছেনও। পরবর্তীতে যুক্ত হন স্বামী স্নোটেক্সের প্রতিষ্ঠাতা এস.এম খালেদের ব্যবসায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সূবর্ণ আসসাইফ।

বাংলা ট্রিবিউন: স্নোটেক্স দেশের প্রথম সারির ও প্রতিষ্ঠিত একটি ব্র্যান্ড । তারপরও স্নোটেক্স থেকে কেন সারা লাইফ স্টাইল লিমিটেডের যাত্রা?

শরীফুন্নেছা রেবা: স্নোটেক্সের প্রোডাক্টগুলো আমরা দেশের বাইরের জন্যই তৈরি করি। আমরা যখন বাইরের দেশগুলোতে ঘুরতে যাই, ওখানকার মলগুলোতে যাই, দেখি আমাদেরই তৈরি জিনিস-মেড ইন বাংলাদেশ। সেগুলোর দামও অনেক বেশি। কিন্ত আমাদের দেশের সবাই তো দেশের বাইরে যায় না। আবার যারা যায়, সবাই এত দাম দিয়ে সবাই কিনতে পারে না। সেই জায়গা থেকেই আমরা এই চিন্তাটি করি। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষই যেহেতু মধ্যবিত্ত, মূল্য কম রাখলে সবাই কিনতে পারবে। যেগুলো এক্সপোর্ট করি সেগুলোর দাম অনেক বেশি হয়ে যায়, এই প্রোডাক্টগুলো যাতে মানুষের নাগালে থাকে। আবারা মানুষ যাতে বলতে না পারে ওয়ান টাইম জিনিস। এককথায় কম দামে ভালো জিনিস। এভাবেই স্নোটেক্স থেকে সারার যাত্রা।

বাংলা ট্রিবিউন: বর্তমানে পোষাকশিল্পের বাজারে সারা একটি নির্ভরযোগ্য নাম। এতো অল্প সময়ে এই অবস্থানে পৌঁছানো কিভাবে সম্ভব হলো?

শরীফুন্নেছা রেবা: সারা স্নোটেক্সের তুলনায় একেবারেই বাচ্চা। মাত্র ২ বছর। স্নোটেক্সের হাত ধরেই সারার যাত্রা শুরু। স্নোটেক্স ১৯৯৮ সালে বায়িং হাউজ হিসেবে যখন যাত্রা শুরু করে। সে সময় আমাদের সঙ্গে যারা কাজ করতেন তাদের প্রায় তিন-চারশ জন ২০-২২ বছর ধরে এখনও আছেন। তাদের অভিজ্ঞতাটাই আমরা কাজে লাগিয়েছি। এছাড়া সারা’র যাত্রা যেহেতু স্নোটেক্সে থেকে, স্নোটেক্সের অভিজ্ঞতাটাই আমরা কাজে লাগিয়েছি। এর বাইরেও আমাদের কিছু আইডিওলজি ছিল। আমাদের টার্গেটই হচ্ছে ভালো জিনিস একটু কম মূল্যে দেবো। অনেকেই বলেন, এত কম মূল্যে কিভাবে দিচ্ছি? কিন্তু আমরা তো জানি কম খরচে একটা ভালো জিনিস কিভাবে বানানো যায়। আমরা তো এটা নিয়েই আগে থেকে কাজ করে আসছি। মানুষ একটা ভালো জিনিসের পাশাপাশি দামের দিকটাও বিবেচনা করে। আমাদের কথা সবাই যেনো কিনতে পারে, অল্প প্রাইস কিন্তু ভালো জিনিস। আমার ধারণা অল্প সময়ে সারার অবস্থান করে নেওয়ার এটাই প্রধান কারণ। মানুষ প্রশাংসা করছে, কিনতে চাচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: সারার শুরুর গল্পটা শুনতে চাই

শরীফুন্নেছা রেবা: ২০১৮ সালে সারা লঞ্চ করা হয়। তার আগে ২০১৫ সাল থেকেই আমরা চিন্তা করে আসছিলাম, কিভাবে করবো। যেহেতু স্নোটেক্সের সিস্টার কনসার্ন সেই স্ট্যান্ডার্ডটাও ধরে রাখতে হবে। সবকিছু ভেবে, গবেষণা করে, গুছাতে কিছু সময় লেগেছে। তারপর ২০১৮ সালের ১২ মে মিরপুরে আমাদের প্রথম স্টোর শুরু করি। তারপর বসুন্ধরা, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, বারিধারাতে স্টোর হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: ঢাকার বাইরে কবে যাত্রা শুরু করবে?

শরীফুন্নেছা রেবা: ঢাকার বাইরে এখনই আমরা যেতে চাই না। ঢাকার ভেতরে আরও কিছু স্টোর করে তারপর ঢাকার বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা আমাদের। কিন্তু করোনার কারণে সবকিছুই তো আটকে গেছে। ঢাকাতে এ বছর আমাদের আরও ৭টি স্টোর নেওয়ার কথা ছিল। করোনার কারণে সম্ভব হয়নি। স্বপ্ন’র সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। স্বপ্ন’র রংপুর, বগুড়া, সিলেট, রাজশাহীসহ ঢাকার বাইরের শপগুলোতে সারা'র জ্যাকেট বিক্রি হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কি ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে?

শরীফুন্নেছা রেবা: চ্যালেঞ্জ বলতে আমাদের রিটেইল ব্র্যান্ডটা একেবারেই নতুন। তবে যেহেতু ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল, সেটা কাজে লেগেছে। অনেক প্লানিং-এর বিষয় ছিলে, এটা আসলেই করবো কি না, কিভাবে করবো, এমন কিছু বিষয়। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো কিভাবে কাজ করছে সেটা অনেক রিসার্চ করতে হয়েছে। আমাদের যে টিম বা সারা পরিবার সবাই এগুলো নিয়ে কাজ করছিলাম। খুব অল্প সময়েই সবাই সবার কাজটা বুঝে নিয়েছেন। স্নোটেক্সে সিনিয়র যারা ছিলেন তারাও যথেষ্ট হেল্প করেছেন। খুঁটিনাটি কিছু বিষয় ইন্টেরিয়র ডেকোরেটিং বলেন কিংবা কাপড় কিভাবে ভাজ করে রাখবো, এমন অনেক কিছুই প্ল্যানের বিষয় ছিল। ঠিক চ্যালেঞ্জ না, ভয় ভয় কাজ করেছিল। কিন্তু আমাদের সঙ্গে যারা ছিলেন তারা অল্প সময়েই কাজটা ধরে ফেলছেন। যেমন প্রথম দিকের তুলনায় ডিজাইনেও এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে। এক দিনে তো কিছু হয় না, স্নোটেক্সের এতো বছর লেগে গেলো আজকের অবস্থানে আসতে। আসলে শেখার তো শেষ নেই, আমরাও শিখছি। চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত কিভাবে পণ্যটি মানুষের জন্য সহজলভ্য করা যায়।

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্ববাজারে সারাকে প্রতিষ্ঠিত করতে কোনও পরিকল্পনা আছে?

শরীফুন্নেছা রেবা: অবশ্যই। আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন আমাদের ভবিষ্যৎ চিন্তা কি? তাহলে বলবো স্নোটেক্স যেমন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, সারাকেও সে অবস্থানে দেখতে চাই। তবে এখনই না,  আরও ৫-১০ বছর পর। দেশের বাইরে গেলে, বিশ্বের বড়-বড় মলগুলোতে সারার প্রোডাক্ট, স্টোর দেখতে চাই। স্বপ্ন দেখতে তো আর মানা নেই। স্নোটেক্সও সারার মতো এক সময় ছোটো ছিল। স্নোটেক্স যদি আন্তর্জাতিকভাবে জায়গা করে নিতে পারে, তাহলে সারাও পারবে।

সারা বাংলা ট্রিবিউন: আপনি সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী। সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করেছেন। এখন সম্পূর্ণ ভিন্নক্ষেত্রে আছেন। কোন জায়গাটা এখন বেশি উপভোগ্য মনে করেন, সাংবাদিকতা না ব্যবসা?

শরীফুন্নেছা রেবা: যদি মানুষের সিস্টেমে গোন্ডগোল হয়ে যায় তাহলে আগের পথে ফেরা কঠিন। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম তখনই কন্ট্রিবিউটিং করতাম। কিছু টাকা পেতাম, স্টুডেন্ট হিসেবে তখন সেটা অনেক টাকা মনে হতো। একটা আত্মতৃপ্তি হতো আয় করছি। সেটা খুব মজার ছিল। আয়ও করছি আবার শিখছিও। এরপর সাংবাদিকতায় ঢুকি। এই সময়টাতে অনেক কিছু শিখেছি যা এখন কাজে লাগছে। কনসেপ্টের পর আমি জব ছেড়ে দিই। এরপর বাচ্চা বড় হলো স্কুলে গেলো। তারপর ছেলে হলো, এভাবে একটা গ্যাপ তৈরি হয়ে গেলো। পরিকল্পনা ছিল সাংবাদিকতায় ফেরত যাওয়ার। কিন্তু এই গ্যাপ তৈরি হওয়ার পর সাংবাদিকতায় ফিরে মানিয়ে নিতে পারবো কিনা ভয় ছিল। কিন্তু বসে তো থাকা যায় না, তারপর সারার সঙ্গে যুক্ত হলাম। তবে সাংবাদিকতার সময়টা মিস করি। আমার কলিগরা এখনও সাংবাদিকতায় আছে। সাংবাদিক পরিচয় দিতেই আমার সাছন্দ্যবোধ হতো, সময়টা খুব মজার ছিল। তবে এখন ব্যবসাটাও উপভোগ করছি। ব্যবসায়ে শতভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি।

বাংলা ট্রিবিউন: তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবণতা এখব বাড়ছে, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?

শরীফুন্নেছা রেবা: করোনার মধ্যেও অনেকে অনলাইনে ব্যবসা নিয়ে আত্মপ্রকাশ করছে। এগুলো খুবই ভালো। আমি এমন অনেক মহিলাকে চিনি যাদের দেখে মনে হতো তারা কিছুই করতে পারবে না। পুরোদমে গৃহিনী, কিন্তু তারাও এখন অনেক ভালো ব্যবসা করছে। আমার পরামর্শ কোনও কাজকে, ব্যবসাকেই ছোটো মনে করা যাবে না। ছোটো থেকেই তো মানুষ বড় হয়। আমি এই কাজটা করবো না, এটা ছোট কাজ, এমন মনে করা যাবে না। শুরুতেই টার্গেট অনেক বড় রাখতে হবে এমন না। ছোট কাজ থেকে শুরু করে কাজের প্রতি যদি মনোনিবেশ থাকে, সৎ থাকা যায় , আমি এটা করবোই মানসিকতা থাকলে সফলতা আসবেই।

বাংলা ট্রিবিউন: একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মজীবী নারীদের কর্মক্ষেত্রে কেমন পরিবেশ পাওয়া উচিত বলে মনে করেন?

শরীফুন্নেছা রেবা: কর্মক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে সবার জন্যই অনুকূল পরিবেশ দরকার। আমি যখন জব করতাম তখন ভালো পরিবেশ পেয়েছি। আমাদের এখানে যারা কাজ করছে তারা তো অন্যদের সঙ্গে দুপুরের খাবার পাচ্ছে। পাশাপাশি গর্ভবতীদের জন্য স্পেশাল কেয়ারের ব্যবস্থা করি, সবার জন্য ন্যাপকিন সরবরাহ করি। বাচ্চাদের জন্য চাইল্ড কেয়ার আছে, ৩ মাসের বাচ্চারও খাবারের ব্যবস্থা করছি। এখন অনেক অফিসেই এ ধরণের ব্যবস্থা থাকছে। শুনেছি আপনাদের অফিসেও বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে অফিসে থাকে। আমি মনে করি আমাদের মতো বা অন্য যারা এ ধরণের সুবিধা দিচ্ছে, সকল কর্মক্ষেত্রেই এই সুযোগ-সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে হবে। এতে করে কর্মজীবী মহিলাদের কাজ করা সহজ হবে। তখন তারা নিশ্চিন্ত মনে কাজ করতে পারবে। কাজের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

বাংলা ট্রিবিউন: সারা লাইফ স্টাইল নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা কি?

শরীফুন্নেছা রেবা: সারা লাইফস্টাইল নিয়ে প্রত্যাশা হচ্ছে, আগামীতেও ক্রেতাদের সন্তুষ্টি ধরে রাখা। এখন যেমন ক্রেতারা আমাদের প্রোডাক্ট নিয়ে তৃপ্তি প্রকাশ করছেন। ক্রেতাদের খুশিটা ধরে রাখতেই পরিশ্রম করে যাচ্ছি। অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেন, কিছু বছর পর দাম বাড়িয়ে দেবো কি? কিন্তু আমাদের যেন এটা না করতে হয়, আমাদের ক্রেতারা এখন যেমন প্রশাংসা করেন, সবসময় এই প্রশাংসাটা পেতে চাই। ক্রেতারা যাতে সবসময় বলতে পারেন, সারা লাইফস্টাইল ভালো ব্র্যান্ড, ভালো প্রোডাক্ট কম দামে পাচ্ছি। তাহলে আমরা অনেক দূর যেতে পারবো। বিশ্ববাজারেও জায়াগা করে নিতে পারবো। আগে ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করতে হবে তাহলেই সামনে এগোতে পারবো। 

/আরআইজে/এফএএন/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

কলার মোচার যত গুণ

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:২০

বাঙালি রসনায় বৈচিত্র্যের অভাব নেই। আর এ তালিকায় আছে কলার মোচা। শুধু অনন্য স্বাদ নয়, এর আছে দারুণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারও। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই কলার মোচা জনপ্রিয় একটি খাবার। ইংরেজিতে বলে ব্যানানা ফ্লাওয়ার তথা কলার ফুল। এতে আছে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।

 

ডায়েটারি ফাইবার

দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের ফাইবার সমৃদ্ধ এটি। দ্রবণীয় ফাইবার পানিতে মিশে এক ধরনের জেল তৈরি করে যা আমাদের হজমের পথ দিয়ে সহজে যেতে পারে। যাদের আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম) সমস্যা আছে তাদের দ্রবণীয় ফাইবার খেতে হয় বেশি। ডায়েটে নিয়মিত এই কলার মোচা রাখলে তারা বেশ উপকার পাবেন। আবার এতে থাকা অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমাধানও করতে পারে।

 

ডায়াবেটিসেও উপকার

ডায়াবেটিসের সঙ্গে খাবারের পরীক্ষায় বাদ যায়নি কলার ফুল। সায়েন্স অব ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। কলার মোচায় থাকা ফেনোলিক অ্যাসিড ও অন্যান্য বায়োঅ্যাকটিভ পদার্থের কারণেই এমন উপকার পাওয়া যাচ্ছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণাতেও প্রমাণ হয়েছে বিষয়টি।

 

পিএমএস লক্ষণ

প্রি-মেনস্ট্রল এর লক্ষণগুলো কমাতেও খেতে পারেন কলার মোচা। পিএমএস সিম্পটমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পেট ফাঁপা, হজমে সমস্যা, মুড সুইং ও বিষণ্নতা।

 

অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্ট

কলার মোচায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রেশেন্টের কাজ করে।

 

ক্যান্সার, হৃদরোগ ও নিউরাল ডিজঅর্ডার

কলার মোচায় থাকা ফেনোলিক অ্যাসিড, ট্যানিন, ফ্লেভানয়েড ও নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি-র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। এতে ক্যান্সার প্রতিরোধের পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডও থাকে ঝুঁকিমুক্ত। পাশাপাশি আলঝেইমার্স ও পারকিনসনসের মতো রোগের আশঙ্কাও কমে।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৪

ফ্যাশনপ্রেমীরা এখন ঝুঁকছেন ট্রেন্ডি ফ্যাশনের দিকে। আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ তা দিচ্ছে পোশাকের ক্যানভাসে। ট্রেন্ডি, ক্যাজুয়াল, এক্সোটিক, ভাইব্রেন্ট, স্ট্রিট ও এলিগ্যান্ট রেডি টু ওয়্যার নতুন উইমেন কালেকশন এবারও আইকনিকের ঘরে। স্টোরে তাই চলতি ফ্যাশনের সবই থাকছে রঙ এবং প্যাটার্ন ভিন্নতায়। তবে এবার থাকছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এফ কমার্স উদ্যোক্তা ও ডিজাইনারদের নিয়ে চালু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এম গার্লস’। ইন্টার‌অ্যাকটিভ এই সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে থাকবে ১০০ নারী উদ্যোক্তার সর্বশেষ ফ্যাশন ট্রেন্ডের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির প্রয়াস।

আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, ‘ট্র্যাডিশনাল ও পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের অভিজাত লুকটাকে তুলে ধরতে উজ্জ্বল রঙের পোশাকের নতুন সংগ্রহ প্রতিমাসেই থাকছে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এ। মূলত পণ্যের ডিজিটাল উপস্থাপনা, প্রতি মাসে ফটোশ্যুট- এসব করা হবে।

নতুন নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের সুবিধাও থাকবে। উল্লেখ্য, আগামী ১ ও ২ অক্টোবর থেকে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ-এর যমুনা ফিউচার পার্ক স্টোরে চালু হবে এই আয়োজনের প্রথম কার্যক্রম। ডিজাইনার শোকেসিং, বিক্রির পাশাপাশি থাকবে বিউটি টিপস, স্টাইল গাইডলাইনসহ ফ্যাশন সংশ্লিষ্ট আয়োজন।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০০

একটি প্রাণবন্ত হাসিখুশি ত্বক আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। তবে প্রায়ই অযত্নের কারণে ত্বক হারিয়ে ফেলে সজীবতা। ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা সময় বের করে ত্বকের যত্ন নিতে গেলে নিচের কাজগুলো আপনাকে করতেই হবে।

 

ত্বক পরিষ্কার রাখুন

সঠিক পিএইচ-যুক্ত সাবান দিয়ে ত্বক প্রতিদিন পরিষ্কার করুন ও ত্বকে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বক যথেষ্ট পুষ্টি পাবে এবং স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও তৈলাক্ততা বজায় থাকবে। ত্বক থাকবে কোমল ও সুস্থ।

 

পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার

বলা হয়, আপনি যা খাবেন, সেটারই ছাপ দেখা যাবে ত্বকে। অর্থাৎ যতবেশি পুষ্টিকর খাবার খাবেন ত্বকও তত উজ্জ্বলতা ছড়াবে। দৈনন্দিন রুটিনে ফল এবং শাকসবজি বেশি রাখুন। ত্বকের স্বার্থে হলেও এড়িয়ে চলুন তেলজাতীয় খাবার।

 

পর্যাপ্ত পানি

ত্বকের সুস্থতার জন্য ত্বকের কোষে পানি থাকা চাই। আর এ জন্য পানি পানের বিকল্প নেই। পর্যাপ্ত পানি আমাদের শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। যা ত্বকেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে ব্রণ বা ত্বকে সংক্রমণও কম হয়।

 

হাসিখুশি থাকুন

আমাদের মানসিক অবস্থা সরাসরি শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। স্বাভাবিক হাসি ত্বকের রক্তচলাচল বাড়ায়। এতে ত্বক আরও বেশি অক্সিজেন ও পুষ্টি পায়। তাই ত্বকের সৌন্দর্যে হাসুন কারণে-অকারণে।

 

হালকা ব্যায়াম না করলেই নয়

যখন আমরা নড়াচড়া একটু বেশি করি তখন আমাদের শরীরে এনডোরফিন হরমোন উৎপন্ন হয় বেশি। এটি সুখের অনুভূতি দেয়। যার ছাপ পড়ে ত্বকেও। ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে তাই হালকা ব্যায়াম চালিয়ে যান।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০১

উপমহাদেশের কিছু রেসিপিতে নারিকেল তেল না হলে চলেই না। আমাদের দেশেও অনেক অঞ্চলে নারিকেলের মালাইকারির কদর অনেক। যদি নিজেই নারিকেল থেকে তেলটা বের করে নিতে পারেন, তবে তো কথাই নেই। আর রান্নায় যেহেতু চুলে মাখার তেল ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তাই নিরাপত্তার খাতিরে নিজেই বানিয়ে ফেলুন।

 

যেভাবে বানাবেন নারিকেল তেল

  • নারিকেল কোরানো ঝামেলার কাজ মনে হলে আছে বিকল্প। দুভাগ করা নারিকেলটাকে ওভেনে মিনিট পাঁচেক মাইক্রোওয়েভ করুন। এতে খোল থেকে নারিকেল আলাদা করাটা সহজ হয়ে যাবে।
  • নারিকেলগুলোকে ছোট টুকরো করে কাটুন। তারপর সামান্য পানি মিশিয়ে কয়েক ব্যাচে ব্লেন্ড করুন। প্রতিবারে অন্তত ২ মিনিট করে ব্লেন্ড করুন। এতে নারিকেল দুধ তৈরি হবে।
  • পাল্পটা ছেঁকে তরল অংশটুকু একটি পাত্রে নিন। অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন।
  • কিছুক্ষণ পর তরলের মধ্যে নারিকেলগুলো দলা পাকানো শুরু করবে। এটা স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে আরও দলা পাকিয়ে আসবে। অল্প আঁচে জ্বলতে থাকুক চুলা।
  • এক পর্যায়ে দেখবেন নারিকেল থেকে তেল আলাদা হতে শুরু করেছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর সম্পূর্ণ তেলটাই আলাদা হবে। এরপর চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হওয়ার পর সহজেই তেলটা ছেঁকে নিতে পারবেন।

 

নারিকেল তেলের স্বাস্থ্য উপকার

পরিমিত মাত্রায় নারিকেল তেল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শরীরে ভালো কোলেস্টেরলও বাড়ায় এটি। নারিকেল তেল হজমেও সহায়ক। আবার মুখগহ্বরের যত্নে নারিকেল মাউথওয়াশের কাজও করে।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৭

আসছে মটরশুঁটির মৌসুম। শীতের শস্য হিসেবে এর তুলনাই হয় না। আছে ভিটামিন এ, বি, সি, ই ও জিংক। ডায়াবেটিসসহ আরও অনেক রোগের জন্যই এটি উপকারী। এসব কারণে মৌসুম এলে মটরশুঁটি চলেও বেশ। আর সেটার সুযোগ নেয় অসাধুরা। তাই কারও কাছ থেকে বেশি পরিমাণে কেনার আগে কিংবা কেনার পর খাওয়ার আগে পরীক্ষা করে দেখে নিন, চকচকে সবুজ রঙটা প্রাকৃতিক নাকি রাসায়নিক?

 

যেভাবে পরীক্ষা করবেন

একটি স্বচ্ছ গ্লাসে পরিষ্কার পানি নিন। তাতে কিছু মটরশুঁটি রাখুন। অনেক নকল রঙ সঙ্গে সঙ্গে ঘষলেই কিন্তু বের হবে না। তাই অপেক্ষা করুন অন্তত আধা ঘণ্টা। রঙ নকল হলে দেখবেন পানি সবুজাভ হয়ে গেছে। আসল মটরশুঁটি হলে এমনটা কখনই হবে না।মটর

/এফএ/

সম্পর্কিত

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

কলার মোচার যত গুণ

কলার মোচার যত গুণ

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এম গার্লস’

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

ত্বকটাকে খুশি রাখতে চান?

নিজেই বানান নারিকেল তেল

নিজেই বানান নারিকেল তেল

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

মটরশুঁটি রঙ করা কিনা বুঝবেন কী করে?

তেল-চর্বি বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

তেল-চর্বি বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখার ৫ উপায়

খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখার ৫ উপায়

ঢাকা রিজেন্সিতে পর্যটন উৎসবে যত অফার

ঢাকা রিজেন্সিতে পর্যটন উৎসবে যত অফার

দুশ্চিন্তা কতভাবে শরীরের ক্ষতি করে?

দুশ্চিন্তা কতভাবে শরীরের ক্ষতি করে?

ভাতে আছে বিপদ, বিষমুক্ত করবেন যেভাবে

ভাতে আছে বিপদ, বিষমুক্ত করবেন যেভাবে

সর্বশেষ

পরিবহন ফি নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

পরিবহন ফি নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে অফিসার পদে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে অফিসার পদে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৮০ মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৮০ মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা

আরও মতবিনিময় ও সভার দিনক্ষণ জানালো বিএনপি

আরও মতবিনিময় ও সভার দিনক্ষণ জানালো বিএনপি

গণমানুষের সমর্থনের প্রতি বিশ্বাসই প্রধানমন্ত্রীর চালিকাশক্তি: স্পিকার

গণমানুষের সমর্থনের প্রতি বিশ্বাসই প্রধানমন্ত্রীর চালিকাশক্তি: স্পিকার

© 2021 Bangla Tribune