X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা ৫ বছরে

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৩৪

মানসম্মত পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে পাঁচবছরের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে। প্রয়োজনীয় পাটবীজ সংগ্রহে আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না। রোডম্যাপ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে ২০২১ সাল থেকে। ধাপে ধাপে তা আগামী পাঁচবছরে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যেই কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অণুবিভাগ রোডম্যাপটি চূড়ান্ত করেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ হেক্টর জমিতে দেশি, ও তোষা এই দুই জাতের পাট চাষ করা হয়। তবে কেনাফ ও মেসতা জাতের পাটও বাংলাদেশে চাষ করা হয়, যার মান ততটা উন্নত নয়। বাংলাদেশে সব মিলিয়ে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৭৫ লাখ বেল পাট উৎপাদন হয়। বাংলাদেশে এই পরিমাণ পাট উৎপাদনে পাটবীজের প্রয়োজন ৬ থেকে ৭ হাজার মেট্রিক টন। চাহিদার ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পাটবীজ আমদানি করা হয় ভারত থেকে। এর মধ্যে তোষাপাট উন্নত জাতের হওয়ায় এর চাহিদা ব্যাপক। যা জেআর-৫২৪ জাতের পাট নামে পরিচিত।

সূত্র আরও জানায়, ভারত থেকে যে পাটবীজ আমদানি করা হয় সেটি জেআরও-৫২৪ জাতের। এটিই তোষাপাট নামে পরিচিত। এর বিকল্প হিসেবে গত ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) তোষা -৮ (রবি-১) নামে পাটের একটি নতুন জাত অবমুক্ত করেছে। এটি ভারতীয় তোষা জাতের পাটের চেয়েও উন্নত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন জাত বলে কৃষকরা ভরসা রাখতে পারছে না দেশে উদ্ভাবিত নতুন তোষা-৮ জাতের পাট ও তার বীজের উপর। তারা আমদানিকৃত ভারতের জেআর-৫২৪ জাতের পাট চাষেই আগ্রহী বেশি। আমদানি নির্ভরতা কমাতে ভারতীয় জেআর-৫২৪ জাতের পাটের তুলনায় দেশে উদ্ভাবিত তোষা-৮ বা রবি-১ নামের পাটচাষে কৃষকদের লাভবান করতেই মূলত ৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাবনার চাটমোহর উপজেলার পাটচাষি মোহম্মদ শাহীন আহমেদ বলেন, নতুন বীজ রোপণ করে ঝুঁকি নিতে চাই না, যদি ফসল মার খায়? এ কারণেই ভারতীয় বীজের প্রতি আগ্রহ বেশি। আমরা তো ভারতীয় বীজের বিকল্প অন্য কোনও বীজ লাগাইনি। নতুন জাতের রবি-১ বীজটি এখনও সেভাবে কৃষকদের মাঝে পৌঁছাতে পারেনি সরকার। এই বীজের প্রতি আস্থা আসতে কিছুটা সময় লাগবে। যদি বাংলাদেশের উদ্ভাবিত তোষাপাট-৮ বা রবি-১ জাতের পাটবীজ ভালো হয় তাহলে আমরা তা ব্যবহার করবো। কারণ আমদানিকৃত বীজের দাম বেশি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অণুবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে এক সময় দেশি পাটের বীজ দেশের কৃষকরাই উৎপাদন করতো। সাধারণত কৃষক পাট ক্ষেতের একাংশ পাট বীজ উৎপাদনের জন্য রাখতো। এ পদ্ধতিতে বীজ সংগ্রহে সময় লাগে ১০ থেকে ১১ মাস। এই সমস্যা সমাধানে বিজেআরআই ‘নাবী পাট বীজ উৎপাদন প্রযুক্তির’ মাধ্যমে বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর— মাত্র এই চার মাসে উন্নত মানের বীজ উৎপাদনে সক্ষম। কিন্তু এই সময়ে মাঠে বেশি দামের রবিশস্য চাষ না করে পাটচাষে আগ্রহী হয় না কৃষক। ফলে চাহিদা বিবেচনায় তোষাপাট বীজ উৎপাদন বাড়েনি। এ কারণে বহুবছর ধরে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে পাটবীজ আমদানি করে চাহিদা মিটিয়েছে বাংলাদেশ। যদি কোনও কারণে পাটবীজ আমদানি বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে সারাবছরের জন্য অর্থকরী এই ফসলটির উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ে। যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ আশঙ্কা থেকে বেরিয়ে আসতেই অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করার উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। এর ফলেই তোষা-৮ বা রবি-১ নামের পাটের জাত উদ্ভাবন করেছে বিজেআরআই। বিজেআরআই বলেছে, এই জাতের পাট ১৫ থেকে ২০ ফুট লম্বা হয় বলে উৎপাদনের পরিমাণ বেশি। এতে কৃষকরাই লাভবান হবেন।

বিজেআরআই সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে তোষা পাট চাষের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ জমিতে আমদানি করা ভারতের জেআরও-৫২৪ জাতের পাট চাষ করা হয়। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিজেআরআই কর্তৃক উদ্ভাবিত পাটের নতুন জাত বিজেআরআই তোষাপাট-৮ (রবি-১) নামে অবমুক্ত করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এর ফলন হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ৩৩ থেকে ৩ দশমিক ৭২ টন পর্যন্ত। যা প্রচলিত উন্নত জাত অপেক্ষা চার থেকে ২৪ শতাংশ এবং ভারতের জেআরও-৫২৪ জাত অপেক্ষা ৫ থেকে ১১ শতাংশ বেশি। উচ্চ ফলনশীল বিজেআরআই রবি-১ জাতটি পাটচাষিদের মধ্যে জনপ্রিয় করণের লক্ষ্যে গত ২০২০ সালের পাট মৌসুমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এবং পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর তত্বাবধানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৩ হাজার ৪০০টি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন এবং পাটচাষিদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।  এসব কর্মসূচিতে কৃষকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে বলে নিজস্ব পাটের নতুন জাত রবি-১ (বিজেআরআই তোষা-৮) কে কার্যকরভাবে সম্প্রসারিত করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এ কারণেই ৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। 

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অণুবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পাট একটি নোটিফাইড শস্য। পাটবীজ উৎপাদনের মৌলিক ধাপ তিনটি। এগুলো হচ্ছে- ১. প্রজনন বীজ। ২. ভিত্তি বীজ ও ৩. প্রত্যায়িত বীজ।  বিস্তারিত বিবরণে বলা হয়েছে, ১. প্রজননবিদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত শতভাগ কৌলিত্বাত্তিক দিক থেকে বিশুদ্ধ বীজকেই প্রজনন বীজ নামে পরিচিত। ২. প্রজনন বীজকে বর্ধিত করে যে বীজ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ভিত্তি বীজ। সরাসরি বা গবেষণা খামারে গবেষক বা কৃষিতত্ত্ববিদ এবং বীজ প্রত্যায়ন এজেন্সির কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে এই বীজ উৎপাদন করা হয়। আর ৩. ভিত্তিবীজ বর্ধিত করে যে বীজ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় প্রত্যায়িত বীজ। এই বীজই কৃষকদের মাঝে চাষের জন্য বিতরণ করা হয়। বীজ প্রত্যায়ন এজেন্সি এই বীজের সনদ প্রদান করে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছর ৭ দশমিক ৫৮ লাখ হেক্টর জমিতে পাটচাষ করা হয়েছে। যা গত কয়েক বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ। সে হিসেব অনুযায়ী ২০১৭-১৮ সালের জমির পরিমাণকে ভিত্তি ধরে বীজ উৎপাদনের চাহিদা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি হিসাব করা হয়েছে। ভিত্তিবছর অনুযায়ী তোষাপাট বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য ৬ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে প্রয়োজন হবে চার হাজার ৩৯১ টন প্রত্যায়িত বীজের (প্রতি হেক্টরে ৬ দশমিক ৫ কেজি হিসেবে)। চার হাজার ৩৯১ মেট্রিকটন বীজের জন্য প্রয়োজন হবে ৫৮ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন ভিত্তি বীজের। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) এই পরিমাণ বীজ উৎপাদন করবে। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএজআরআই) এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে।

পাট বীজ উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অণুবিভাগ ৫ বছর মেয়াদি যে রোডম্যাপ তৈরি করেছে তাতে বলা হয়েছে—প্রথম বছর ২০ মেট্রিক টন ভিত্তিবীজ উৎপাদন করা হবে। এর জন্য পাট উৎপাদন এলাকায় ৩ হাজারটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রজনন বীজ বিজেআরআই সরবরাহ করবে।

দ্বিতীয় বছর ৪০ মেট্রিক টন ভিত্তিবীজ উৎপাদন করা হবে। এ দিয়ে ১ হাজার ৪৬৪ মেট্রিক টন প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হবে। একইভাবে এ ক্ষেত্রেও নিবিড় পাট উৎপাদন এলাকায় ৩ হাজারটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে এবং উৎপাদিত বীজ বিনামূল্যে পাটচাষিদের কাছে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রজনন বীজ বিজেআরআই সরবরাহ করবে।

তৃতীয় বছর বাড়িয়ে ৫৯ মেট্রিক টন ভিত্তিবীজ উৎপাদন করা হবে যা দিয়ে ২ হাজার ৯২৭ মেট্রিক টন প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হবে। একইভাবে ৩ হাজারটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে এবং উৎপাদিত বীজ একই পদ্ধতিতে পাটচাষিদের বিতরণ করা হবে। প্রজনন বীজ বিজেআরআই সরবরাহ করবে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী চতুর্থ বছর একইভাবে বিজেআরআই’র সরবরাহ করা প্রজনন বীজের মাধ্যমে ৫৯ মেট্রিক টন ভিত্তিবীজ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে শতভাগ অর্থাৎ প্রয়োজনীয় ৪ হাজার ৩৯১ মেট্রিক টন প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে সরকার। যা বিনামূল্যে নয়, ভর্তুকি মূল্যে প্রতিকেজি বীজের মূল্য ১০০ টাকা দরে পাটচাষিদের কাছে বিক্রি করা হবে। এ ক্ষেত্রেও ৩ হাজারটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে।  

রোডম্যাপ অনুযায়ী সর্বশেষ পঞ্চম বছর আরও ৫৯ মেট্রিক টন ভিত্তিবীজ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে শতভাগ অর্থাৎ প্রয়োজনীয় চার হাজার ৩৯১ মেট্রিক টন প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা হবে। এটিও ভর্তুকি মূল্যে ১০০ টাকা কেজি দরে পাটচাষিদের কাছে বিক্রি করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পাটবীজ এখনও আমদানি নির্ভর। যার পুরোটাই ভারত থেকে আসে। যে কারণে এই খাতের চ্যালেঞ্জ রয়েই যায় সব সময়। কোনও কারণে পাটবীজ আমদানি বাধাগ্রস্ত হলে পুরো অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত পাটের বিপর্যয় সুনিশ্চিত। তাই ঝুঁকিতে না থেকে পাটবীজ উৎপাদনে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী পাঁচবছরে বাংলাদেশ উন্নতমানের পাটবীজ উৎপাদনে সক্ষম হবে। আগামীতে পাটের সোনালী দিন অপেক্ষা করছে বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অণুবিভাগের মহাপরিচালক বলাই কৃষ্ণ হাজরা জানিয়েছেন, রোড ম্যাপ অনুযায়ী ৫ বছর নয় বর্তমান সরকারের এই মেয়াদেরে মধ্যেই অর্থাৎ আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত তোষাপাট-৮ জাতের উন্নত মানের বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হবে। রোডম্যাপ বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে এক কেজি পাটের বীজও আমদানি করার দরকার হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে বলাই কৃষ্ণ হাজরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ভারত থেকে পেঁয়াজের বীজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তবে পাট বীজ রফতানিতে ভারত সরকারের কোনও নেগেটিভ সিদ্ধান্ত নেই।

/এমআর/

সম্পর্কিত

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:০৯

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরত টাকা ফেরতের বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে গেছে। এটার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাদের টাকা আটকে আছে, জুলাই মাস থেকে সেগুলো যেন তাদের কাছে ফেরত যায়। এ বিষয়ে যেসব আইনি জটিলতা আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কথা বলেছি। ব্যবস্থা নিচ্ছি, একটু সময় লাগবে। জুলাই থেকে পেমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি জানান, গত ৩০ জুন এসক্রো সার্ভিসের নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ১ জুলাই থেকে যেসব ট্রানজেকশন হয়েছে, সে ট্রানজেকশনের বিপরীতে টাকাগুলো ব্লক করা আছে। যেটা ডেলিভারি হয়নি, সে টাকাটা পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে আছে। সুতরাং সেক্ষেত্রে কাস্টমার ও টাকার পরিমাণ আইডেন্টিফাইড। সেগুলো আমরা আইনি জটিলতা কাটিয়ে ফেরতের ব্যবস্থা করবো। যেটা এসক্রো অ্যাকাউন্টে আছে, সে টাকাটা দেওয়া হবে। যে টাকা ই-কমার্স কোম্পানি নিয়েছে, সেটা তো বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে নেই, সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক দিতে পারবে না।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির একচেঞ্জ হাউজ বন্ধের সুপারিশ

জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির একচেঞ্জ হাউজ বন্ধের সুপারিশ

সেবা খাতের আয় দেশে আনার পদ্ধতি আরও সহজ হলো

সেবা খাতের আয় দেশে আনার পদ্ধতি আরও সহজ হলো

২০ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

২০ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৮

নিবন্ধন না করলে ব্যবসা থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘আউট’ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আইসিটি বিভাগ থেকে সব ব্যবসায়ীকে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেওয়া হবে। যারা নিবন্ধন করবে না, তারা ব্যবসা থেকে ‘আউট’ হয়ে যাবে। এ নিবন্ধন করতে কোনও খরচ লাগবে না।’’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আইনগতভাবে চেক করার জন্য সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মের (সিএলটিপি) ব্যবস্থা করতে হবে। সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট কপ্লেইন সিস্টেম, কোথাও কারও অভিযোগ থাকলে, এখানে আসবে। আইসিটি বিভাগ আগামী তিন মাসের মধ্যে এসব করে দেবে। আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে তারা ফলোআপ দেবে।’

তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি ছাড়া অন্য যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে একটা নির্দেশনা এসেছে, বিশেষ করে ইভ্যালির ব্যাপারে। এটা একটা গাইডলাইন, এটা দিয়ে আমরা শুরু করতে পারি।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘যুবক’ ও ‘ডেসটিনি’র স্থাবর সম্পত্তি আছে, সে সম্পত্তি তারা নিয়ে যেতে পারেনি। কিছু ক্যাশ তারা নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় সে সম্পত্তি রিলিজ করা গেলে এবং সেটার দাম পাওয়া গেলে, আদালত নির্দেশ দিলে, দেওয়া যেতে পারে।’ তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক প্রপার্টি বেদখল হয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘বাণিজ্যমন্ত্রী না ব্যবসায়ী’

‘বাণিজ্যমন্ত্রী না ব্যবসায়ী’

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

মানুষ লোভ সামলাতে না পেরে ফাঁদে পা দিয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

মানুষ লোভ সামলাতে না পেরে ফাঁদে পা দিয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৭

সাত দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ শুরু হচ্ছে কাল মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর), চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ডিসিসিআই যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে ৩৮টি দেশের ৫৫২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এর মধ্যে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ২৮১টি এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান ২৭১টি। এতে ৪৫০টি বিটুবি (বিজনেস টু বিজনেস) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অবকাঠামো, আইটি, চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিউটিক্যালস, অ্যাগ্রো অ্যান্ড ফুড প্রসেসিং, প্লাস্টিক পণ্য, এফএমসিজি (ফার্স্ট মুভিং কনজিউমার গুডস) এবং জুট ও টেক্সটাইল পণ্য প্রদর্শিত হবে।

 

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৩৯

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও (২৫ অক্টোবর) দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ডিএসইতে সূচক কমেছে ১২০ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে ৪২৬ পয়েন্ট। যা গত ৬ মাস ২১ দিনের মধ্যে উভয় পুঁজিবাজারে  সূচকের সর্বোচ্চ পতন। এদিন দরপতনের প্রতিবাদে দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে এ মানববন্ধন করেন তারা।  এদিন ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব খাতের শেয়ারের দাম কমেছে।

দাম আরও কমবে এমন আতঙ্ক বিরাজ করছে পুঁজিবাজারে। বিনিয়োগকারীরা বলেছেন, সোমবার দিনের লেনদেনের শুরুতে প্রথমে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেন। এরপর তাদের দেখা-দেখি সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করেন।

তথ্য বলছে, সোমবার দিনভর অস্থিরতার মধ্যদিয়ে লেনদেন হয়েছে। এদিন সূচক পতনের মধ্যদিয়ে লেনদেনের শুরু হয়, যা অব্যাহত ছিল দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় আগের দিনের চেয়ে সূচক কমেছে ১৬৩ পয়েন্ট। তবে পরের ২ ঘণ্টা লেনদেন হয়েছে সূচক ওঠানামার মধ্যদিয়ে। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ১২০ পয়েন্ট, যা চলতি বছরের ৪ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ সূচক পতন। ওই দিন ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছিল ১৮১ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৬টি প্রতিষ্ঠানের ৩১ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ৭১২টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০৭টির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে ৪৭টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ২২টির।

অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান সূচকের পাশাপাশি অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ২২ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৬৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ৬৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭০ কোটি ৪৩ লাখ ১৯ হাজার টাকার শেয়ার। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪৭১ কোটি ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকার শেয়ার। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কিছুটা কমেছে।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪২৬ পয়েন্ট কমে ২০ হাজার ১৪৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪১টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৪৪টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির শেয়ারের দাম। এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ৬০ কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৫২৪ টাকার শেয়ার। এর আগের দিন লেনদনে হয়েছিল ৪৯ কোটি ৯৮ লাখ ৮১ হাজার ৭৭১ টাকার শেয়ার।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

শেয়ার বিক্রির চাপে বড় দরপতন  

শেয়ার বিক্রির চাপে বড় দরপতন  

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

শেয়ার বাজার নিয়ে আশা, নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক নিয়ে হতাশা

শেয়ার বাজারে সুদিন ফিরেছে

শেয়ার বাজারে সুদিন ফিরেছে

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৩

গত সপ্তাহের দরপতন, আর চলতি সপ্তাহের শুরুর দিন রবিবারের পর সোমবারও (২৫ অক্টোবর) দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের প্রতিবাদে দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দ্রুত দরপতন থেকে পুঁজিবাজারকে উত্থানে ফেরানোর দাবি জানান তারা।

একইসঙ্গে গত ১০ অক্টোবর থেকে চলা এ দরপতনের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার  দাবি জানান বিনিয়োগকারীরা।

প্রসঙ্গত, দুই বছর আগে এভাবেই রাস্তায় নামতেন বিনিয়োগকারীরা।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) শেয়ার বাজার সূচকের পতনের মাধ্যমে শুরু হয়। মাত্র সোয়া এক ঘণ্টার মাথায় ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্ট কমে যায়। সূচকের এ ধারা অব্যাহত ছিল দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত। তাতে লেনদেনের আড়াই ঘণ্টায় ডিএসই’র প্রধান সূচক কমে যায় ১৬৪ পয়েন্ট। এরপরই এ দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিলে বিক্ষোভে নামেন বিনিয়োগকারীরা।

তবে দুপুর ১টার পর থেকে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেট সাপোর্টের ফলে সূচক বাড়তে শুরু করে। তাতে দুপুর ২টা পর্যন্ত  দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ৩১১টির, আর ১৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

সর্বশেষ

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ৪ মৃত্যু

ডোবার পানিতে ঠাণ্ডা হতো মিষ্টির ছানা

ডোবার পানিতে ঠাণ্ডা হতো মিষ্টির ছানা

নয়া পল্টনে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

নয়া পল্টনে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

তবু আগ্রাসী ব্যাটিং ছাড়বে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

তবু আগ্রাসী ব্যাটিং ছাড়বে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আসছে অন-ডিমান্ড টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম ‘পড়াই’

নতুন স্টার্টআপআসছে অন-ডিমান্ড টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম ‘পড়াই’

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

আগের শর্তেই পরীমণিসহ তিন জনের জামিন

ছায়াপথের বাইরে প্রথম কোনও গ্রহের লক্ষণ দেখতে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছায়াপথের বাইরে প্রথম কোনও গ্রহের লক্ষণ দেখতে পেলেন বিজ্ঞানীরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

সাড়ে ৬ মাসে সর্বোচ্চ দরপতন পুঁজিবাজারে

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

© 2021 Bangla Tribune