X
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ৯ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

শামীম রেজার ‘পাথরচিত্রে নদীকথা’

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২১, ১৪:০০

যারা একই সময়ে বা কিছু আগে-পরে কবিতা লেখা শুরু করেছি তাদের প্রথম বইয়ের প্রতি কৌতূহলের একাধিক কারণ রয়েছে, এর মধ্যে অন্যতম কারণ কে কোন জায়গা থেকে কীভাবে শুরু করেছি তা কিছুটা খুঁজে দেখা। শামীম রেজার প্রথম বই পাথরচিত্রে নদীকথা রেরিয়েছিল অনন্য প্রকাশনী থেকে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে, তাঁর জন্মস্থান বরিশালের ঝালকাঠি জেলার বিষখালি নদীর কোলঘেঁষা জয়খালি গ্রামে, বইটির উৎসর্গপত্রে রয়েছে ‘একই নদী-জলের জোয়ার ভাটায় আমাদের সন্তরণ’-এখানে এভাবে বইকেন্দ্রিক এমন প্রাথমিক বিবরণ দেয়ার উদ্দেশ্য এটা দেখানো যে, এর তিনটি তথ্যেই রয়েছে নদীর প্রসঙ্গ, তাঁর ভাষায়, ‘নদীকথা’। ধাননদীখাল-এর বরিশালে জন্মগ্রহণকারী শামীম রেজা যে একদম শুরু থেকেই নিজের ভূখণ্ডকে চেতনায় ধারণ করে পরিকল্পনা-অনুয়ায়ী একুশ শতকের শুরুতেই তাঁর প্রথম বই প্রকাশ করেছেন সে-বিষয়ে কারও ভিন্নমত থাকবার কথা নয়। এ ক্ষেত্রে ‘পরিকল্পনা’ শব্দটি সবিশেষ উল্লেখযোগ্য, কারণ ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের আগে আরও নানা ধরনের কবিতা লিখেছেন শামীম, কিন্তু বই যখন প্রকাশ করেছেন তখন তার মধ্যে যাতে অখণ্ড ভাবের অন্তঃস্রোত বজায় থাকে সে বিষয়ে তাঁর নজর ছিল ষোলোআনা ।
বইয়ের ‘পরানী ও মথুরার মাঠ’ শিরোনামের প্রথম কবিতায়ও রয়েছে সেই নদীরই কথা : ‘কীভাবে ভেসে আছি নদীজলে, অবলা অনঘ’; তবে আমি নিজে এ কবিতার নদীভাবনায় যতটা আকৃষ্ট, তার চেয়ে অধিক আগ্রহী প্রথম স্তবকের সেই পঙ্ক্তিগুলোর প্রতি যেখানে বৈষ্ণব পদাবলিভুক্ত স্থান ও কালকে কবি কৃষ্ণভাবে বিস্রস্ত করেছেন :

ও পরানী মথুরার মাঠে বসে তুমি নির্জন
এ পাড়ায় আমি কাদা ছানি
যুবককুমার
রাধার মূর্তি গড়ে পেতেছি খেলা
একজন কবিই তো পূর্ববর্তী প্রচলিত পদধারা ভাঙবেন, স্থান ও কালকে ঘোলাটে করে তুলবেন-এখানেও স্তবকটি পড়ে মনে হয়, বৃন্দাবনের লীলা শেষ করে যখন মথুরায় পৌঁছে গেছে কৃষ্ণ, তখন তার পিছে পিছে রাধিকাও যেন গেছে এবং মথুরার মাঠে একলা অন্যমনা হয়ে বসে আছে! তবে পাত্রভেদে এ ভাঙনের যেন একটা যুক্তি দাঁড়িয়ে যায়, কেননা কৃষ্ণকবি এখানে পালপাড়ার কুমার, আবার দৃশ্যভেদে সাঁকোয় শরীর এলিয়ে দাঁড়ানো কলমি শাবকও। এরপর কবিতাটি একটি প্রশ্ন রেখে শেষ হয়েছে বলেই হয়তো সেখানেই সবকিছু শেষ হয়ে যায় না, পরবর্তী দুটি কবিতা পর্যন্ত ছড়িয়ে ভাব বিলম্বিতে গিয়ে পৌঁছায় এবং শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিক/আক্ষরিক অর্থে ত্রয়ী ভাবের কবিতায় পরিণত হয়।
ত্রয়ীর দ্বিতীয় কবিতার শিরোনাম ‘পরানী ও বধূসরা নদী’, আগের কবিতার মতোই ‘ও পরানী’ সম্বোধনটি এখানে গানের ধুয়াপদের মতোই উচ্চারিত, আছে মথুরার মাঠের উল্লেখও। তবে এ কবিতার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রতীক হলো ‘নকশীকাঁথা’, এবং তা এ কারণে উল্লেখযোগ্য যে, নকশা করা এ কাঁথাটি জসীমউদ্দীনের কাঁথা নয়, অব্যবহিত পূর্ববর্তী মোহাম্মদ সাদিকের বড় বোনের/ছোটপা’র স্নেহের উষ্ণতাজড়ানো নকশিকাঁথাও নয়, এমনকি গ্রিককন্যা ফিলোমেলোর কাহিনিজড়িত নকশিকাঁথাও নয়, এ হলো তাঁর পরানীর উৎসস্থল যেখান থেকে সে উঠে এলে পোড়াকাঠের মতো দগ্ধ হৃদয় ভিজবে, যার কান্নায় জন্ম নেবে বধূসরা নদী।
তৃতীয় কবিতাটিতেও রয়েছে কুমারপাড়া, নদী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ, তবে এটি নানা উপকরণ ও অনুষঙ্গের ঠাসবুননে জটিল।
অথচ তার পরবর্তী দুটি কবিতার পরেই রয়েছে ‘নদী ও আমরা’ শিরোনামের একটি প্রাঞ্জল সপ্তক, যেখানে একজন শিল্পীর আত্মজৈবনিক উপাদানের সঙ্গে কখনো কখনো সুন্দরভাবে মিশে গেছে এক পরমশিল্পীর ইশারাও। সপ্তকের ‘দিগন্তের সুমেরুনদী’ উপশিরোনামের কবিতাটি যেন কয়েকজন পথিক শিল্পীর যূথচারণার গল্প যারা ঈশ্বর পাটনীর খেয়ায় চড়ে অনন্তের পথে হাঁটতে শুরু করেছিল। কিন্তু পরে হঠাৎ কেউ একজন পথের মাঝখানে ঘুমিয়ে পড়ে আর তাকে দেখার জন্য সবাই যখন তাকায় তখন কবি উপলব্ধি করেন, একই জনস্রোত-বহনকারী অনেক চেনা-অচেনা নদী সমুদ্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে ঠিকই, কিন্তু স্বপ্নসমুদ্রের মনমোহনায় একটিমাত্র ধ্যানী নদীই পৌঁছাবে। বোঝা যায় এই ধ্যানী নদীই হচ্ছেন একজন শিল্পী।
আবার এ কথাও মিথ্যে নয় যে কবির এই ঈশ্বর পাটনীর খেয়া অন্য রকম বার্তা দিচ্ছে, আছে অনন্ত পথের কথাও, তাই এখানে গন্তব্য নির্দিষ্ট নয়, তিনি কি আর এমনি এমনি বলেছেন : ‘কালের আঁধাররেণু জমে জমে গোলকধাঁধার কৃষ্ণকুটির’। এ প্রসঙ্গে আমাদের মনে পড়তে পারে তাঁর ‘মরমী লাশ’ কবিতাটির কথা যেখানে তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন : ‘বুকের মধ্যে মরমী এক লাশের বসবাস/সমস্ত যুবক সময় কেটে কেছে তার ধ্যানে/দিনগুলি খসে গেছে বৃশ্চিক পালঙ্ক উদ্যানে/ভোগ দেই দেবীর শরীর, করি নীরব উপবাস।’ তারপরও বলব তাঁর কবিতায় নিরেট মরমি ভাবনাসুলভ নয়। সপ্তকের ‘পোড়োস্বপ্ন পোড়ানদী’ কবিতায়ও তিনি কিছুটা প্রশ্নশীল, কিছুটা সংশয়াচ্ছন্ন :

মৃত্তিকার দহন দিঘিতে বড়শি পেতে পেতে এখন কোনও
শিরি নতুন করে খোঁজ পাবে মিথ্যে ফরহাদ, কিংবা
ফরহাদ খুঁজে পাবে কি আসল শিরিরে?
হায়! শিবসা নদী শিবহীন আত্মপূজার জল
এখানে ঢেউ খেলে না স্রোতজলে...কতদিন কতটা বছর

তাঁর কবিতায় এসব মরমি ভাবনা নানাভাবে এসেছে। কখনো নিরেট প্রেমের কবিতার রূপে, কখনো দ্বান্দ্বিক উপাদান ধারণ করে, আবার কখনো ঠাট্টার মেজাজের হালকা আবরণে বিষণ্ন আবহ নিয়ে। বইয়ের ‘ইচ্ছামতি ও চালতাপাতা ভোর’ কবিতায় ঈর্ষাদি চরিত্রটি একইসঙ্গে ঈর্ষা ও ঠাট্টার যুগলরূপ যেন, যে কিনা পড়শিবাড়ির ঘাটে কবির নায়িকা ইচ্ছামতি সম্পর্কে ঠাট্টাসম্পর্কীয় আত্মীয়ার মতো বলেছিল ‘তোর সেই মেয়ে নাইয়র গেছে শবের আতরজলে...।’ আর কে না জানে পড়শিবাড়ি, নাইয়র, শবের আতরজল, এই সবই মৃত্যুরই অনুষঙ্গ এবং মরমি। এসব মাথায় রেখে এখন পড়ে নিতে পারি কবিতার দ্বিতীয় স্তবকটিও :

যোজন যোজন বছর পর দেখেছি, হয়তো দেখিনি! চালতাপাতা
ভোর, এই নগরীর একটি মেয়ের চোখের পর্দায় নেমেছিল যেই
ঘোর, সেই মেয়েটি ইচ্ছামতি দূরের পাড়ায় থাকে, ভেসেছিলো
নিমের ছায়ায় খেয়ালি এক রাতে, কণ্ঠে তার ছয়ঋতু, ঢেউয়ের
মুদ্রা জানা, শবের কায়ায় চিনবে সে-জন, যার-আপন মুদ্রা চেনা

এই স্তবকে আবারও ‘শবের কায়া’ না এলে মনে হতো নিরেট প্রেমেরই কবিতা। সে যা-ই হোক, আমাদের কাছে এ কবিতায় আকর্ষণের মূল জায়গা হলো নাগরিকার চোখের পর্দায় নেমে-আসা চালতাভোরের ঘোর, তার কণ্ঠের ছয়ঋতু, ঢেউয়ের মুদ্রা এবং যে কিনা শেষপর্যন্ত তার আপন মুদ্রা চেনে। এই বার্তাগুলো আসলে সেই কথাটিই মনে করিয়ে দেয়, তাঁর এই বইয়ের কবিতাগুলো যে বিষয়ই ধারণ করুক না কেন সেখানে একানকার ঋতু প্রকৃতি মাটি পুরাণ এবং নদীর কথাই থাকবে।
পাথরচিত্রে নদীকথা বইয়ের একটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো, একটি প্রধান শিরোনামের আওতায় উপশিরোনামে একাধিক কবিতাকে যুক্ত করে উপস্থাপন করা। এগুলোকে দীর্ঘকবিতা বা নাতিদীর্ঘ কবিতা বলা যাবে না, প্রত্যেকটিই আলাদা আলাদা কবিতা, কিন্তু তাতে ভাবগত ঐক্য বর্তমান। নব্বইয়ের দশকের অন্য কবিরাও এমনটি করেছেন, কিন্তু মনে রাখতে হবে এ বইয়ে এমন কবিতার সংখ্যা ৯; ‘চন্দ্রদীপের পান্থপুরাণ’ এবং ‘ওসালিয়া’কে আবার ‘ক’ ও ‘খ’ নামে আলাদা দুটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে; শুরুতে যে ‘পরিকল্পনা’র কথা বলেছি, এ ক্ষেত্রেও বিষয়টি উল্লেখ করার মতো। সব মিলিয়ে একজন প্রথম কাব্যগ্রন্থের স্রষ্টার এই পরিকল্পনাকে আমরা গুণ হিসেবে ধরে নিলে, এর সঙ্গে এ কথাও যুক্ত করতে হয় যে, এতে কোথাও কোথাও আয়োজনের/উপকরণের বাহুল্যের কারণে কথককে একটু বেশিই বলতে হয়েছে।
শামীম রেজা এরপর আরও দুই দশক পার হয়ে এসেছেন, এখন তিনি বলেন কম, কিন্তু তাতে ব্যঞ্জনা থাকে বেশি, বাক্ভঙ্গিতেও এসেছে নানা পরিবর্তন।
তবু যে কোনো কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থে অব্যবহিত পূর্ববর্তী সময়ের কাব্যচর্চার আবেগ এবং কঠোর নির্বাচনের ব্যাপারটি জড়িয়ে থাকে বলে খোদ কবি ও তার পাঠককে সেই কাব্যগ্রন্থের দিকে নানা কারণে বারবার ফিরে তাকাতে হয়। তাতে সীমাবদ্ধতা হয়তো থাকে, কিন্তু সম্ভাবনাও থাকে প্রচুর, এ ছাড়া তাতে এমন কিছু সহৃদয় সংবেদনও থাকে, পরবর্তী সময়ের পরিণতমনস্ক কবি সবসময় আর সেই স্তরে গিয়ে পৌঁছাতে পারেন না। তবে লক্ষ করছি, শামীম রেজা পরবর্তী সময়ে আরও যে এগিয়ে গেছেন তার বীজসূত্র প্রথম কাব্যগ্রন্থেই রয়ে গেছে। তিনি তো সদ্য দুই পঙ্ক্তির কবিতা যুক্ত করে একটি কাব্যপুস্তিকাও প্রকাশ করেছেন, লক্ষ করলে দেখব প্রথম বইয়েও তেমন উদাহরণ আছে। কিন্তু কালগত ব্যবধানের কারণে তাতেও এসেছে পরিবর্তন। এখানে শুরুতে প্রথম বইয়ের ‘চর্যাধুনিক’ শিরোনামের ‘ছয়’ ও ‘দশ’ সংখ্যক দ্বিপদী দুটি পড়ে দেখতে পারি :

রতিকর্মী নয় ও তো মায়ের চিবুক
জুইদণ্ডিতে বিক্রি হওয়া মুখ
রতিকর্মী নয় ওতো মায়ের চিবুক

উপনিবেশ
শিকারি চোখের নীল পড়তে পারি আজ
পরাধীন রৌদ্রে পুড়ে হারিয়েছি উড়ালের কারুকাজ

প্রথম দ্বিপদী তিনি কোন অভিঘাতে লিখেছিলেন জানি না, কিন্তু এটি দেখেই আমার মনে পড়েছে বাউলকবি হাসন রাজার যৌবন বয়সের উচ্ছৃঙ্খলতাকে ঘিরে গড়ে ওঠা একটি লোকশ্রুতির কথা। যুবক হাসনের আচরণে নারীরা প্রায়ই লাঞ্ছিত হচ্ছে দেখে তাঁর উদ্বিগ্ন মা নাকি একবার ঘোমটা পড়ে বজরায় না কোন এক জায়গায় গিয়ে বসেছিলেন, একসময় ছেলে কাছে গিয়ে অন্য নারী মনে করে ঘোমটা তুলে তো অবাক! এরপর নাকি বিলকুল সাউধ হয়ে গিয়েছিলেন হাসন।
দ্বিতীয় কবিতাটি ধারণ করে আছে দুশো বছর এবং পরে আরও বহুদিনব্যাপী জারি-থাকা বাস্তবতার সারকথা যা আমরা সকলেই মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি। হ্যাঁ আমরা একসময় ডানার কারুকাজ হারিয়েছি বটে, কিন্তু এখন আমরা পড়তে পারি এবং উড়তেও পারি।
দুই দশক আগে এসব দ্বিপদী লিখেছিলেন শামীম রেজা, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে অভিযান থেকে প্রকাশিত চর্যালোক-এর দ্বিপদীগুলো আরও গভীর ও ব্যঞ্জনাময় :

গোধূলি হতেও রাজি অস্তমিত সূর্য নয়
কিছু স্মৃতি গোধূলির মত, হৃদয়ে উহ্য রয়।

২০০১-এ প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ পাথরচিত্রে নদীকথাসহ পরবর্তী দুই দশকের কাব্যচর্চার যে নিদর্শন এখন আমাদের সামনে রয়েছে, তার নিবিড় পাঠ পাঠককে বহুভাবে আনন্দিত করবে বলে আমাদের ধারণা।

/জেডএস/

সম্পর্কিত

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

সর্বশেষ

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

বসন্তের লঘু হাওয়া

বসন্তের লঘু হাওয়া

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune