X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ভারতকে কানেকটিভিটি দিয়ে নতুন যুগের সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২১, ১৬:১৫

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সন্দেহাতীতভাবে এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ভারতকে কানেকটিভিটি দেওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন যুগের সৃষ্টি করেছে। আমরা এমন একটি অঞ্চলে আছি যেখানে কানেকটিভিটি চালুর বিষয়ে রক্ষণশীলতা ছিল এবং যেখানে সম্ভাবনার চেয়ে আন্ত-আঞ্চলিক বাণিজ্য অনেক কম। আমি বিশ্বাস করি, ব্যবসার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতাগুলো ভৌত বাধা হওয়া উচিত নয়।’

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুরে দুই প্রতিবেশী দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী এই সেতু উদ্বোধন করেন। দিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদি এবং ঢাকা থেকে শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিপ্লব কুমার দেবও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ছবি: ফোকাস বাংলা)

ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতুর বিষয়ে সম্ভাবনা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি এই সেতু আমাদের দুই দেশের মাঝে শুধু সেতুবন্ধনই রচনা করবে না, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে। শুধু চট্টগ্রাম পোর্ট নয়, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ত্রিপুরাবাসী ব্যবহার করতে পারবে। মৈত্রী সেতু শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, নেপাল- ভুটানের সঙ্গেও বাংলাদেশের বাণিজ্যকে আরও সহজ করবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১০ সালে ত্রিপুরার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ফেনী নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে হলে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের জন্য এই ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনুরোধটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করি। এরপর থেকে বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় পক্ষকে সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা করে আসছে। পণ্য পরিবহনের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ভারতকে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এই সেতুটি উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য একটি বাণিজ্যিক লাইফলাইন হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফেনী সেতু চালুর মধ্যে দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্বের ল্যান্ডলকড রাজ্যগুলো বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে পণ্য পরিবহন করতে পারে। আগে ১৬০০ কিলোমিটার দূরে আগরতলার নিকটতম সমুদ্রবন্দর ছিল কলকাতা। বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে আগরতলার নিকটতম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারেরও কম।’

বাংলাদেশ-ভারত আন্তসীমান্ত পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তসীমান্ত পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফেনী মৈত্রী সেতু ত্রিপুরা এবং আশপাশের ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি করবে বলে আশা করছি। আমরা আশা করি, মৈত্রী সেতু এর আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও অবদান রাখবে।’

সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থানের পাশাপাশি প্রবৃদ্ধির গতিপথ বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রতিবেশী করে তুলেছে। বৈশ্বিক টেক্সটাইল শিল্পের অন্যতম নেতা হিসেবে আমরা আমাদের জন্য একটি স্বতন্ত্র পথ তৈরি করেছি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে কানেকটিভিটির কেন্দ্র হিসেবে এর অবস্থানগত সুবিধা সর্বাধিক করতে প্রস্তুত।’

মৈত্রী সেতুর সফল পরিচালনা এবং ব্যবহার প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মৈত্রী সেতু এমন এক সময় উদ্বোধন করছি যখন আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশতম বর্ষ উদযাপন করছি। ৫০ বছর আগে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সংগ্রামকে সমর্থন জানিয়ে ভারত বাংলাদেশের জন্য তাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছিল, আজ আমরা একসঙ্গে সমৃদ্ধ অঞ্চল তৈরি করছি।’

ত্রিপুরাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভুলি নাই ১৯৭১ সালে কীভাবে আমার জনগণকে আপনারা আশ্রয় দিয়েছিলেন, সমর্থন দিয়েছিলেন, সহযোগিতা করেছিলেন এবং আমরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিলাম। কাজেই আজকের দিনে আমি সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রী আপনাকেও আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

/এমএইচবি/এফএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ভারত গরু না দিলে আমরাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত গরু না দিলে আমরাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজিবিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

বিজিবিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য এলো ত্রিপুরার ‘রানী আনারস’

এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য এলো ত্রিপুরার ‘রানী আনারস’

২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু খুলনাতে, ২৩ জন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে

২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু খুলনাতে, ২৩ জন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে

ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা আসছে সোমবার

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩৮

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় দেশে আসছে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা প্রতিরোধী আরও ২৫ লাখ ডোজ টিকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আগামীকাল সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে এই টিকার চালানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারসহ অন্যান্যরা বিমানবন্দরে উপস্থিতি থেকে এ টিকা গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে কোভ্যাক্স সুবিধায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং ২য় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ ফাইজারের ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। আগামীকাল আরও ২৫ লাখ ডোজ আসলে এ নিয়ে ফাইজারের মোট ৩৬ লাখ ৪ হাজার ৪৮০ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছাবে।

/জেএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

৬ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

৬ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

১৪ কোটি টাকার সিরিঞ্জ কিনবে সরকার

১৪ কোটি টাকার সিরিঞ্জ কিনবে সরকার

অক্টোবর থেকে টিকা রফতানি করবে ভারত

অক্টোবর থেকে টিকা রফতানি করবে ভারত

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ফের টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০০

দেশের পর্যটন খাত নিয়ে নেই সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। যে কারণে এ খাতে গুণগত পরিবর্তন আসছে না। আর তাই পর্যটন মাস্টারপ্ল্যান তথা মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইপিই গ্লোবাল লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল এ বছর জুনে। তবে মহামারির কারণে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বাংলাদেশ ত্যাগ করায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২০২২ সালের আগে তাই শেষ হচ্ছে না মাস্টারপ্ল্যানের কাজ।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর বাংলাদেশের পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্রয়সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন হয়। একই বছর ২৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীও অনুমোদন দেন। ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইপিই গ্লোবাল লিমিটেডের সঙ্গে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের চুক্তি হয়। ভ্যাট ও এআইটিসহ চুক্তিমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকায়।

লক্ষ্য ছিল মাস্টারপ্ল্যানটি তিনটি পর্যায়ে ১৮ মাসে শেষ হবে। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয়। তবে শুরুতেই থমকে যায় করোনার দাপটে।

২০২০ সালের মার্চ হতেই এতে যুক্ত বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ঢাকা ছেড়ে নিজ নিজ দেশে চলে যান। একপর্যায়ে কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নতুন কর্মপরিকল্পনা দেয়। যা কিছু সংশোধনীসহ ২০২০ সালের ১১ নভেম্বরে অনুমোদন পায়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আশা করছে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবে।

পর্যটন মন্ত্রণালয় বলছে, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের পর্যটন শিল্পের চিত্র বদলে যাবে। বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। এশিয়ায় বাংলাদেশ হবে অন্যতম পর্যটন গন্তব্য। জিডিপিতেও অবদানও বাড়বে। এখন দেশের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ২ শতাংশ; যা ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘এটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। পুরো দেশের পর্যটন চিত্র বদলাতে হলে পরিকল্পনার প্রয়োজন আছে, যা এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়ণের মাধ্যমে সম্ভব।’

জাবেদ আহমেদ আরও বলেন, ‘মহামারির কারণে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছি। তবে পুরোদমে কাজ চলছে। সকলের অংশগ্রহণে কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, তিনটি পর্যায়ে পর্যটন মহাপরিকল্পনার কাজ হবে। ১ম পর্যায়ে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেশের পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা, সম্ভাবনা, সংকট, দুর্বলতাসহ বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হবে। এ ছাড়া, বেসরকারি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে মতামত নেওয়া হবে প্রথম ধাপেই।

২য় পর্যায়ে দেশের পর্যটনের লক্ষ্য, পদক্ষেপ, কৌশলগত লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও যোগাযোগের ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হবে। পর্যটন উন্নয়ন, প্রমোশন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৩, ৫ এবং ১৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনাও থাকবে ২য় পর্যায়ে।

৩য় পর্যায়ে দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা করা হবে। পর্যটন পণ্যের উন্নয়ন, অর্থায়ন ও বিনিয়োগের কৌশল নিয়ে কর্মপরিকল্পনা থাকবে এ পর্যায়ে। বিপণন ও প্রচারের কৌশলও উঠে আসবে এ ধাপে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মহাপরিকল্পনা না ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড একটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক  প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।’

 

 

 
 
/এফএ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

৮ মাসেও চূড়ান্ত হয়নি নদী রক্ষা কমিশন আইনের সংশোধনী

৮ মাসেও চূড়ান্ত হয়নি নদী রক্ষা কমিশন আইনের সংশোধনী

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

১৯৭৩ সালের এদিন জাতীয় সংসদের শরৎকালীন অধিবেশনের শেষ দিনে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে জনগণের কল্যাণে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিল্পমন্ত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম। সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যেতে তিনি জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান। জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি বিধানে তিনি সরকারের সংকল্প এদিন পুনরুল্লেখ করেন।

সংসদে শিল্পমন্ত্রী সৈয়দ নজরুল সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, শান্তিপ্রিয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার দুষ্কৃতকারী সমাজবিরোধীদের নির্মূল করার জন্য সংকল্পবদ্ধ। তিনি পরিষ্কার জানান যে, অস্ত্রের ভাষায় ভ্রুকুটি সরকার কিছুতেই সহ্য করবে না। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার কিছুতেই এই ধরনের হুমকি সহ্য করতে পারে না। পরবর্তী নির্বাচনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সরকারের পরিবর্তন বর্তমান সরকার মেনে নেবে। কিন্তু অস্ত্রের মুখে নতি স্বীকার করবে না।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার আসবে সরকার যাবে। কিন্তু জাতিকে স্বাধীনভাবে টিকে থাকতে হবে। তিনি আশ্বাস দেন, সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করা হবে না।

দেশের নানাবিধ সমস্যার কথা উল্লেখ করে সৈয়দ নজরুল বলেন, সরকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করবে। এ প্রসঙ্গে তিনি ভৈরব ব্রিজ উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করেন।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

তিনি বলেন, ‘হয়তো কঠিন সময় উপস্থিত হবে এই দুই মাস। বরাবরই এই দেশের সংকটকাল। এই সময় বাংলাদেশে খাদ্য সংকট দেখা দেয়।’

 এ থেকে উত্তরণে সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, কালোবাজারি, মুনাফাখোর ও সমাজবিরোধী শক্তিকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। সংসদে সৈয়দ নজরুল ঘোষণা করেন, দুনিয়ার কোনও শক্তি দেশের স্বাধীনতা নস্যাৎ করতে সমর্থ হবে না। দেশমাতৃকাকে স্বাধীনতা কীভাবে রক্ষা করতে হয় বাংলাদেশের জনগণের তা জানা আছে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে বিরোধীদলের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। গণতান্ত্রিক বিরোধিতার অধিকার সবার আছে। কিন্তু অগণতান্ত্রিক অনিয়মতান্ত্রিক কার্যকলাপ চালাবার অধিকার কারও নেই।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, যদি কেউ অস্ত্রের ভাষায় সরকারের বিরোধিতা করতে চায় বা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চায় কিংবা তিন মাসের মধ্যে সরকারকে উৎখাত করতে চায় তাদের সম্পর্কে সরকার চোখ বুঁজে থাকতে পারে না।

দ্য অবজারভার, ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

বঙ্গবন্ধুর বাণী

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ভৈরব রেল সেতু পুনর্নির্মাণ করে নিয়মিত যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে সর্বাত্মক জাতীয় প্রকাশে গৌরবোজ্জ্বল পদক্ষেপ বলে অভিহীত করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভৈরব সেতু উন্মুক্ত করা উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি বলেন, এ সেতু পুনরায় চালু হলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে। যা জাতীয় অর্থনৈতিক জীবনে প্রেরণা যোগাবে এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের দ্রুত খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাঠানো সহজ হবে।

সেতুটি পুনর্নির্মাণে ভারত, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য বন্ধুদের প্রদত্ত সাহায্যের কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেতুটি এত সংক্ষিপ্ত সময়ে মেরামত ও পুনরায় চালু করার কাজে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সুযোগ্য পরিচালনায় ইঞ্জিনিয়ার, কারিগর, কর্মী ও শ্রমিকরা তাদের কর্তব্য সম্পাদন করেছে।

ভ্যাটিকান রাষ্ট্রদূত এডভার্ড কেনেডি এদিন জাতীয় সংসদের চেম্বারে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে একটি চেক প্রদান করেন।

এদিন সংসদের অধিবেশন সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। অধিবেশনের শেষ দিনে আরও চারটি বিল পাস হয়। এগুলো হলো- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বিল ১৯৭৩, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিল ১৯৭৩, বাংলাদেশ গার্লস গাইড সমিতি বিল ১৯৭৩, ওয়্যার হাউসিং করপোরেশন সংশোধনী বিল ১৯৭৩।

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

৮ মাসেও চূড়ান্ত হয়নি নদী রক্ষা কমিশন আইনের সংশোধনী

৮ মাসেও চূড়ান্ত হয়নি নদী রক্ষা কমিশন আইনের সংশোধনী

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নতুন বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে বইটি তুলে দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। নিউইয়র্কের লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে বইটি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

ড. মোমেন সম্পাদিত এ গ্রন্থে রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার গুণী ও বিদগ্ধজনের ৭৫টি লেখা স্থান পেয়েছে। এতে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও বহুমাতৃক নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। চন্দ্রাবতী একাডেমি প্রকাশিত এ বইয়ে প্রধানমন্ত্রী এক উজ্জ্বল, ত্যাগী, দূরদর্শী ও সৃষ্টিশীল নেতৃত্বের প্রতিভূ হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন।

ড. মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে ছয় বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। পেশাগত প্রয়োজনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন এবং বিচিত্র মানুষের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বইয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার লেখায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাদামাটা জীবনের একটা তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছেন ।

এ গ্রন্থ সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবন ও উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি দেশবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। শেখ হাসিনা কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী। লক্ষ্য অর্জনে কখনও পিছপা হননি তিনি। তার অক্লান্ত প্রয়াসে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এ দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি আজ বিশ্ববাসীর কাছে এক বিস্ময়।

বই এর কাভার পেজ (ছবি বাসস) ড. মোমেন বলেন, ২০২১ সালে ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী’ ও ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ আমরা এক সঙ্গে উদযাপন করছি। একই বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন। তিনটি বিষয়ই বাঙালি ও বাংলাদেশের জন্য গৌরব আর অহংকারের।

ড. মোমেন পেশাগত জীবনে দীর্ঘদিন অধ্যাপনায় নিযুক্ত ছিলেন। পেশাগত ব্যস্ততার মাঝে সময় পেলেই তিনি বই পড়েন ও লেখালেখি করেন। তার গ্রন্থিত ও সম্পাদিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘জাতির উদ্দেশে ভাষণ: শেখ হাসিনা’, ‘বাংলাদেশ- একুশ শতকের পররাষ্ট্রনীতি: উন্নয়ন ও নেতৃত্ব’, ‘বাংলাদেশ: রোড টু ডেভেলপমেন্ট’, ‘বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়’, ‘বাংলাদেশ মার্চিং ফরোয়ার্ড’, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, ‘বাংলাদেশ: উন্নয়ন ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা’, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সমগ্র ১৯৫৫-১৯৭৫’, ‘বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা ও কূটনীতি’, ‘টেকসই উন্নয়নের পথে অভিযাত্রা: বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’, ‘সাউথ সাউথ কো-অপারেশন: ফাইন্যান্সিং এসডিজি’, ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি অব এমপাওয়ারিং পিপল’, ‘বাংলাদেশ: ফোরটি ইয়ারস ইন দ্যা ইউএন’। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা গবেষণাগ্রন্থে তার প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা আড়াইশ’রও বেশি।

সূত্র : বাসস

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন ও উচ্চ পর্যায়ের পার্শ্ব-আলোচনায় যোগদান শেষে ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে নিউ ইয়র্ক থেকে রওনা হয়ে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১০টা ৩ মিনিটে ওয়াশিংটন পৌঁছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বাসসকে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানটি স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শহিদুল ইসলাম ওয়াশিংটন ডিসির ডালাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

এর আগে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে দুই দিনের যাত্রা বিরতির পর ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে পৌঁছান।

১৭ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীরা বিমানের একটি ফ্লাইটে করে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।  

নিউইয়র্কে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। তিনি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থানকালে তিনি বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের ও রুদ্ধ-দ্বার বৈঠকে যোগ দেন এবং বিভিন্ন সরকার, রাষ্ট্র ও সংগঠন প্রধানের সঙ্গে কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন।

প্রধানমন্ত্রী ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সম্মানে জাতিসংঘ সদর দফতরের নর্থ লনের ইউএন গার্ডেনে একটি চারাগাছ রোপণ করেন।

১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা প্রত্যাবর্তনের কথা।

সূত্র: বাসস

 

 /আইএ/

সম্পর্কিত

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

আসছে মাস্টারপ্ল্যান, বদলে যাবে পর্যটনের চিত্র

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সমাপনী ভাষণে যা বলেছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বই ‘শেখ হাসিনা: বিমুগ্ধ বিস্ময়’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভারত গরু না দিলে আমরাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত গরু না দিলে আমরাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিজিবিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

বিজিবিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য এলো ত্রিপুরার ‘রানী আনারস’

এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য এলো ত্রিপুরার ‘রানী আনারস’

২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু খুলনাতে, ২৩ জন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে

২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু খুলনাতে, ২৩ জন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে

লকডাউন দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না ১২ জেলার করোনার ঊর্ধ্বগতি

লকডাউন দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না ১২ জেলার করোনার ঊর্ধ্বগতি

আল্লামা শফী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক: তথ্যমন্ত্রী

আল্লামা শফী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক: তথ্যমন্ত্রী

পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

জল্পনার রাতে প্রার্থীদের ঘাম ঝরানো ব্যস্ততা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে সরঞ্জাম

জল্পনার রাতে প্রার্থীদের ঘাম ঝরানো ব্যস্ততা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে সরঞ্জাম

দ্বিতীয় দফার পৌর নির্বাচন: আ. লীগ ৪৫, বিএনপি ৪, স্বতন্ত্র ৮

দ্বিতীয় দফার পৌর নির্বাচন: আ. লীগ ৪৫, বিএনপি ৪, স্বতন্ত্র ৮

চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে অংশ নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে অংশ নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

সর্বশেষ

বিদেশি বিনিয়োগ পেলো ‘গো যায়ান’

বিদেশি বিনিয়োগ পেলো ‘গো যায়ান’

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতীষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতীষ্ঠ জীবন

আফগানিস্তানের দরজায় দুর্ভিক্ষ: জাতিসংঘ

আফগানিস্তানের দরজায় দুর্ভিক্ষ: জাতিসংঘ

৪ ঘণ্টা পর পাবনা-রাজশাহী রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

৪ ঘণ্টা পর পাবনা-রাজশাহী রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

© 2021 Bangla Tribune