X
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮
Bangla Tribune Eid

সেকশনস

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২১, ২০:০১

আজ বাংলা নববর্ষ ১৪২৮-এর প্রথম দিন। জীর্ণ-জরা, অসুন্দরকে পেছনে ফেলে সত্য-সুন্দর আর কল্যাণের পথে বাঙালির শপথ গ্রহণের দিন। এমনই দিনে আমাদের শোকসাগরে ভাসিয়ে করোনার হিংস্র থাবায় বিদায় নিলেন বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী, সংস্কৃতি-সাধক শামসুজ্জামান খান। এত শোক আমরা সইবো কী করে? স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একে একে বিদায় নিলেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, চিন্তাবিদ বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, ভাষাসংগ্রামী সাঈদ হায়দার, কথাসাহিত্যিক রশীদ হায়দারসহ অগণিত গুণী মানুষ। একে একে যেন নিবিছে দেউটি। চারদিকে নেমে আসছে ভয়াল অন্ধকার!

ব্যক্তিজীবনে শামসুজ্জামান খানের নিবিড় সান্নিধ্য লাভের সুযোগ আমার হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সবুজ পত্রে’র শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে তিনি প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন। বারবার বাংলা একাডেমির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলোচক ও প্রবন্ধ-পাঠক হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাকে সম্মানিত করেছেন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অমর একুশের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রবন্ধ পাঠের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে শেষ দেখা গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, স্টুডেন্ট ওয়েজ আয়োজিত আমার ‘আনিসুজ্জামান’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে।

তাঁর রচনাবলি তৃতীয় খণ্ড সম্পাদনার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিলেন। বইটি গত সপ্তাহে বের হয়েছে কিন্তু তিনি দেখে যেতে পারলেন না। এ কষ্ট আজীবন থাকবে আমার। তাঁর মতো বিনয়ী, অমায়িক এবং সহজিয়া মনের খাঁটি বাঙালি এ যুগে বিরল। প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির একজন একনিষ্ঠ সাধক।

অল্প বয়সেই তিনি লেখালেখি শুরু করেন এবং সেটা করেন গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শেষদিকে। গল্প ও কবিতা লিখে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করলেও থিতু হন প্রবন্ধ আর গবেষণায়। ১৯৫৭ সালে তাঁর প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক আজাদ’-এর মুকুলের মাহফিলে, তা ছিল ভাষাশহিদ রফিকের জীবনভিত্তিক ‘লাল শার্ট’ নামের একটি গল্প। অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, উদার মানবতাবাদ, ইহজাগতিকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং কুসংস্কার ও গোঁড়ামিমুক্ত আধুনিক জীবনবোধ শিরোধার্য করে তিনি সর্বদা লেখনী সঞ্চালন করেছেন। আজীবন ছিলেন মুক্তচিন্তার ধারক, বিজ্ঞানমনস্ক এবং আধুনিকতার মশালবাহী। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি, আকাশ-সংস্কৃতির সর্বগ্রাসী প্রভাব এবং বিশ্বায়নের দাপটে বাঙালি সংস্কৃতি যখন অস্তিত্ব-সঙ্কটে তখন শামসুজ্জামান খান ব্রতী হয়েছেন সেগুলোর অন্বেষণ-অনুসন্ধিৎসা এবং সংরক্ষণের কাজে। বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি, ফোকলোর, বাংলা সন, রসরচনা, শিশুসাহিত্য, জীবনী, ক্রীড়া বিষয়ক রচনা, ভ্রমণকাহিনি, ইতিহাস-ঐতিহ্য-মূল্যবোধ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ভাষা-আন্দোলন, স্বাধিকার-সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, মনিরুজ্জামান এসলামাবাদী, বঙ্গবন্ধুসহ বিবিধ বিষয়কে সাবলীল ভাষাভঙ্গিতে তুলে এনেছেন তিনি। এর বাইরে রাষ্ট্র-সমাজ-সংস্কৃতি এবং ধর্ম নিয়ে গভীর অনুসন্ধানধর্মী অনেক প্রবন্ধ লিখেছেন তিনি। তাঁর সাধনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো বাঙালি মুসলমানের চিন্তা-চেতনার রূপ ও রূপান্তর, সামাজিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক বিকাশ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, জসীমউদ্দীন কিংবা মীর মশাররফ হোসেনকে তিনি একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিক ও উদ্ভাবনাময় স্বাতন্ত্র্যে উপস্থাপন করেছেন।  

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাঙালি সংস্কৃতির যে অভিযাত্রা তার ব্যাপক রূপায়ণ ঘটেছে তাঁর গ্রন্থাবলিতে। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত শতাধিক গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো : ‘নানা প্রসঙ্গ’, ‘মাটি থেকে মহীরূহ’, ‘মীর মশাররফ হোসেন : নতুন তথ্যে নতুন ভাষ্যে’, ‘বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রচিন্তা ও বর্তমান বাংলাদেশ’, ‘মুক্তবুদ্ধি ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমকাল’, ‘বুদ্ধিজীবী ও রাষ্ট্র : পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ’, ‘তর্ক-তদন্তে পাওয়া রবীন্দ্রনাথ’, ‘রাষ্ট্র ধর্ম ও সংস্কৃতি’, ‘বাংলার গণসংগীত’, ‘আধুনিক ফোকলোর চিন্তা’, ‘সাম্প্রতিক ফোকলোর ভাবনা’, ‘বাংলা সন ও পঞ্জিকার ইতিহাসচর্চা এবং বৈজ্ঞানিক সংস্কার’, ‘ঢাকাইয়া রঙ্গরসিকতা’, ‘দুনিয়া মাতানো বিশ্বকাপ’, ‘মওলানা মনিরুজ্জামান এসলামাবাদী’, ‘বাংলার লোকঐতিহ্য (১ম ও ২য় খণ্ড), চন্দ্রকুমার দে অগ্রন্থিত রচনা (১ম ও ২য় খণ্ড), নির্বাচিত প্রবন্ধ’, ‘মুক্তবুদ্ধি ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমকাল’, ‘কালের ধুলোয় স্বর্ণরেণু’, ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : একটি গোলটেবিল আলোচনা’, ‘লেখক বঙ্গবন্ধু ও অন্যান্য’ প্রভৃতি।

শামসুজ্জামান খানের গবেষণাকর্ম আমাদের বিস্ময় ও সম্ভ্রম উদ্রেক করে। বাংলা ফোকলোরচর্চার সাবেকি ধরন পাল্টে দিয়ে তিনি বিশ্ব ফোকলোরচর্চার সাম্প্রতিক ধারার সঙ্গে যুক্ত করেন। শামসুজ্জামান খানকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে তাঁর শিক্ষক আনিসুজ্জামান বলেছেন : ‘বিশ্বের নামিদামি ফোকলোরিস্টের মুখে আমি তাঁর যে-প্রশংসা শুনেছি, তা আমাদের সকলের পক্ষেই শ্লাঘার যোগ্য। ...ইতিহাসে শামসুজ্জামানের আগ্রহ অকৃত্রিম। বাংলা সনের ইতিহাস-সম্পর্কিত তার রচনা কিংবা ভাষা আন্দোলনের শহিদদের জীবনকথা নিয়ে তার লেখা এ-প্রসঙ্গে স্মরণীয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা তাকে প্রণোদিত করেছে তার সম্পর্কে লিখতে এবং তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পাদনা করতে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সে যেভাবে ধারণ করে এসেছে এবং প্রকাশ করে এসেছে তা বিশেষ প্রশংসার যোগ্য।’ গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননা।

শামসুজ্জামান খানের জন্ম ১৯৪০ সালের ২৯ ডিসেম্বর। জন্মস্থান মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার চারিগ্রামে। উনিশ শতকের রেনেসাঁসের আলো ঠিকরে পড়া এক প্রাগ্রসর পরিবারে তাঁর জন্ম। প্রপিতামহ এলহাদাদ খান ছিলেন মীর মশাররফ হোসেনের বন্ধু, যিনি ফরিদপুরের ডেপুটি স্কুল ইন্সপেক্টর থাকাকালে পাক্ষিক ‘ফরিদপুর দর্পণ’ নামক পত্রিকা সম্পাদনা করেন। শুধু তাই নয়, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর পিতা ভগবান চন্দ্র বসুর সঙ্গে মিলে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলা স্কুল। প্রপিতামহের ভাই আদালত খান ছিলেন বহুভাষী পণ্ডিত, যিনি তুলসী দাসের ‘রামায়ণ’ এবং বিদ্যাসাগরের ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’র ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন। শামসুজ্জামান খানের পিতামহ আহমদ খান ছিলেন পোস্টাল সার্ভিসের বড়ো কর্তা। পিতা এম আর খান সরকারি দপ্তরে অনুবাদক ছিলেন। মাত্র দু-বছর বয়সে পিতৃহারা শামসুজ্জামান খান মা এবং দাদির কাছে লালিত-পালিত হন। মায়ের কাছে ‘বিষাদ-সিন্ধু’র পাঠ শুনে তাঁর শিশুমন বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির আকাশে প্রথম পাখা মেলে। মানিকগঞ্জের চারিগ্রামের পারিপার্শ্বিক পরিমণ্ডল থেকে পেয়েছেন লোকসংস্কৃতির বৃহত্তর পরিমণ্ডলে অবগাহনের সুযোগ। পরবর্তীকালে লেখাপড়া ও কর্মসূত্রে ঢাকার সাংস্কৃতিক জগতের পাদপ্রদীপের আলোয় নিজেকে বিকশিত করার সুযোগ পান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৬৩ সালে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬৪ সালে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। মুন্সীগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজ, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার জগন্নাথ কলেজে অধ্যাপনা করেন। পরবর্তীকালে বাংলা একাডেমিতে যোগ দেন এবং বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। জাতির শিল্প-সাধনা, লালন ও চর্চার প্রধান তিন প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি এবং জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক’। তিনি সেই সফল মানুষ, যিনি তিন তিনবার বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদে আসীন হয়েছেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অবস্থায় চিরবিদায় নিলেন।

শামসুজ্জামান খান স্কুলে পড়ার সময় ভাষা-আন্দোলনের মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। ভাষাশহিদ রফিকের আত্মত্যাগ তাঁর শিশুমনে গভীর প্রভাব ফেলে। তখন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মশাল হাতে জীবনের পথচলা শুরু করেন। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে স্বাধিকার-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি এবং সিরাজুল আলম খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ঢাকা হল ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগের প্যানেলে ভিপি প্রার্থী ছিলেন ১৯৬৩ সালে। বলা চলে, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সেরা সাংস্কৃতিক সংগঠক। মুক্তিযুদ্ধের সময় (১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বারোজন অধ্যাপক, কর্মচারী ও ছাত্রের বিরুদ্ধে পাকিস্তান-বিরোধিতার জন্য শাস্তির পরোয়ানা জারি করে ময়মনসিংহ বিগ্রেড হেড কোয়ার্টারের প্রধান লে. কর্নেল মোহাম্মদ খান, তার মধ্যে শামসুজ্জামান খানের নাম ছিলো। মুক্তিযুদ্ধের পর বাঙালি সংস্কৃতির রজ্জু শক্ত হাতে ধরেন। লেখালেখি, গবেষণা এবং সাংগঠনিক নানা কর্মকাণ্ড দ্বারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখেন। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বাঙালি জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ। আদর্শচ্যুত হননি কখনও। ইতিহাসের গভীর অনুসন্ধান দ্বারা ড. মুহম্মদ এনামুল হকের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বলেছেন, বঙ্গবন্ধু দু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। শুধু তাই নয়, এই মহান নেতার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বই আকারে প্রকাশের কাজে তিনি প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। এ কাজে সম্পৃক্ত থাকার সন্তুষ্টি প্রকাশ করে লিখেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর তিনটি বই সম্পাদনার আনন্দ আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম সম্পদ।’

শামসুজ্জামান খান চিরবিদায় নিলেও তাঁর চিন্তাশীল লেখা জাতিকে পথ দেখাবে। নিজের কর্ম ও সৃষ্টির মধ্যে তিনি অমর হয়ে থাকবেন। যতদিন বাঙালি জাতীয়তাদী চেতনার মশাল প্রজ্বলিত থাকবে ততদিন শামসুজ্জামান খানের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হবে।

/জেডএস/

সর্বশেষ

ঈদের দ্বিতীয় দিন: গান শোনাবেন তারা...

ঈদের দ্বিতীয় দিন: গান শোনাবেন তারা...

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

শনিবার সারপ্রাইজ: মুখোমুখি বসছেন তাহসান-মিথিলা!

শনিবার সারপ্রাইজ: মুখোমুখি বসছেন তাহসান-মিথিলা!

ইন্টারনেটের আওতায় মহেশখালীর ৫০ হাজার মানুষ

ডিজিটাল উপকূল-৫ইন্টারনেটের আওতায় মহেশখালীর ৫০ হাজার মানুষ

ঈদের দ্বিতীয় দিন: ভিন্ন আয়োজনে ‘ইত্যাদি’ ও অন্যান্য

ঈদের দ্বিতীয় দিন: ভিন্ন আয়োজনে ‘ইত্যাদি’ ও অন্যান্য

রংপুর মেডিক্যালে ঈদে রোগীদের চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ

রংপুর মেডিক্যালে ঈদে রোগীদের চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ

ঈদের দ্বিতীয় দিন: যত নাটক টেলিছবি ও স্বল্পদৈর্ঘ্য

ঈদের দ্বিতীয় দিন: যত নাটক টেলিছবি ও স্বল্পদৈর্ঘ্য

আসামের হিমন্তকে অভিনন্দনে শেখ হাসিনার কুশলী কূটনীতি

আসামের হিমন্তকে অভিনন্দনে শেখ হাসিনার কুশলী কূটনীতি

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা (ফটো স্টোরি)

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা (ফটো স্টোরি)

ঈদের দিনেও ঠায় দাঁড়িয়ে ডিউটিতে যারা

ঈদের দিনেও ঠায় দাঁড়িয়ে ডিউটিতে যারা

কর্মচারীদের গাফিলতিতে হাসপাতাল থেকে পালায় করোনা রোগীরা

কর্মচারীদের গাফিলতিতে হাসপাতাল থেকে পালায় করোনা রোগীরা

ঘরে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে রেখে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

ঘরে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে রেখে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বাংলা ট্রিবিউন ঈদসংখ্যা ২০২১

বাংলা ট্রিবিউন ঈদসংখ্যা ২০২১

নিজের স্বপ্নপুরুষের সঙ্গে কয়েক জন্মের তফাতে জুলেখার মিলন

নিজের স্বপ্নপুরুষের সঙ্গে কয়েক জন্মের তফাতে জুলেখার মিলন

অবিশ্বাস্য গল্প বলেছি বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে : রাশিদা সুলতানা

অবিশ্বাস্য গল্প বলেছি বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে : রাশিদা সুলতানা

নিঃসঙ্গ জীবনের গল্প

নিঃসঙ্গ জীবনের গল্প

লকডাউন
বাঁকা জলের খেলা

বাঁকা জলের খেলা

কারাগারে বঙ্গবন্ধুর ঈদ

কারাগারে বঙ্গবন্ধুর ঈদ

বড়সায়েব ঘোল খেলেন!

বড়সায়েব ঘোল খেলেন!

শহীদ কাদরীর সঙ্গে, মধ্যরাতের আলাপনে

শহীদ কাদরীর সঙ্গে, মধ্যরাতের আলাপনে

দাফন
© 2021 Bangla Tribune