X
মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

সেকশনস

ফুরফুরা শরিফের ‘ভাইজান’ কীভাবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটে আলোচনায়?

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১৬:৩০

আব্বাস সিদ্দিকী বড়জোর মধ্য তিরিশের এক তরুণ মুসলিম নেতা। ছিলেন ধর্মগুরু, এখন একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা। কয়েক মাস আগেও পশ্চিমবঙ্গে তাকে প্রায় কেউ চিনতেনই না, অথচ তিনি সহসাই এখন সে রাজ্যে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে! পশ্চিমবঙ্গের ভোটে তিনি কীভাবে আর কতটা প্রভাব ফেলবেন, সেই বিতর্কেও সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

হুগলি জেলার ফুরফুরা শরিফের এই পীরজাদা মাত্র মাস তিনেক আগেই নিজের রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) গঠন করেছেন। তারপর বামপন্থী ও কংগ্রেস জোটের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্যের গোটা তিরিশেক আসনে ভোটে লড়ছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড ময়দানের ঐতিহাসিক জনসভায় আব্বাস যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তারপর থেকেই তাকে নিয়ে হুলুস্থূল পড়ে গেছে। তার পক্ষে-বিপক্ষে কার্যত দুভাগ হয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল।

রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল আর তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জার বিজেপি, দুপক্ষেরই আক্রমণের নিশানায় এখন আব্বাস সিদ্দিকী। তিনি নিজে অবশ্য এসব নিয়ে মাথা না-ঘামিয়ে রাজ্যজুড়ে একের পর এক জনসভা, রোড শো করে যাচ্ছেন। বিশেষত মুসলিম প্রধান এলাকাগুলোতে। হাজার হাজার লোকের ভিড়ও হচ্ছে তাকে দেখতে, তার জ্বালাময়ী বক্তৃতা শুনতে।

‘আব্বাস সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ক্ষোভের প্রধান কারণ তিনি তাদের কোর সাপোর্ট বেস, অর্থাৎ মুসলিম ভোটব্যাংকে ভাগ বসিয়ে অনেক আসনে হারিয়ে দিতে পারেন। আবার বিজেপিও খোলাখুলি তাকে সাম্প্রদায়িক বলে নিশানা করছে। কারণ, তাতে তাদের হিন্দু ভোট পোলারাইজ বা মেরুকরণ করতে সুবিধা হবে।’ কেন আব্বাস সিদ্দিকী দুই দলেরই আক্রমণের লক্ষ্য, সেটা ব্যাখ্যা করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক কল্যাণ গোস্বামী।

আতরের ব্যবসায়ী বদরুদ্দিন আজমল আসামে মুসলিমদের জন্য এআইডিইউএফ নামে ১৬ বছর আগে আলাদা একটি রাজনৈতিক দল গড়েছিলেন। এখন সেই রাজ্যে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি। পশ্চিমবঙ্গে আব্বাস সিদ্দিকীর দল গড়ার মধ্যেও অনেকে সেটার ছায়া দেখতে পাচ্ছেন। যদিও আব্বাস নিজে বলেন, তার দলের নামেই সেকুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি আছে এবং তারা একাধিক হিন্দু দলিত বা আদিবাসীকেও ভোটে প্রার্থী করেছেন।

আব্বাসের বিতর্কিত মন্তব্য

দক্ষিণবঙ্গে মুসলিমদের পবিত্র তীর্থস্থান ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এ বছরের গোড়াতেও ছিলেন শুধুই একজন ধর্মগুরু। ওয়াজ মাহফিল বা সভা-সমাবেশে এই তরুণ নেতার বক্তৃতার সুবাদে তার জনপ্রিয়তা অবশ্য বাড়ছিল অনেক দিন ধরেই। অনুগামীদের কাছে তিনি তখন থেকেই ‘ভাইজান’ নামে পরিচিত। এখনও সে নামেই তাকে ডাকেন বেশিরভাগ লোক।

নানা ওয়াজ মাহফিলে দেওয়া তার পুরনো বক্তৃতার ভিডিও নতুন করে ভাইরাল হয়ে আব্বাস সিদ্দিকীকে আবার বিপাকেও ফেলেছে।

যেমন, তিনি করোনা মহামারির শুরুর দিকে কোনও এক জনসভায় বলেছিলেন, ‘ভারতে এত অন্যায় অবিচার হচ্ছে যে তার প্রতিকারেই আল্লাহ মারণ ভাইরাস পাঠিয়ে দেশের অন্তত ৫০ কোটি লোককে মেরে ফেলুক!’

টালিগঞ্জের জনপ্রিয় চিত্রতারকা ও তৃণমূলের এমপি নুসরাত জাহানকে সরাসরি ‘বেহায়া, নির্লজ্জা মেয়েছেলে’ বলে আক্রমণ করে বলেছিলেন, ‘যে দেহ বিক্রি করতে পারে, সে যে এমপি হয়ে দেশ বিক্রি করবে না তার গ্যারান্টি কোথায়?’

এসব চরম বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তিনি আজ পর্যন্ত সরাসরি ক্ষমা চাননি। কখনও প্রচ্ছন্নভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কখনও আবার দাবি করেছেন তাকে প্রসঙ্গ বহির্ভূতভাবে বা ‘আউট অব কনটেক্সট’ কোট করা হয়েছে। আজকাল অনেকে ভিডিও এডিট করে পুরনো জিনিস বাজারে ছেড়ে দেয়, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন।

ভাইজান থেকে নেতা

আব্বাস সিদ্দিকীর ক্যারিয়ারের দিকে যারা নজর রাখছেন, তারা জানাচ্ছেন বছর দেড়েক আগে পর্যন্ত নিজেকে ধর্মীয় সভা-সমাবেশের গণ্ডিতে আটকে রাখলেও ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দেশে যখন নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু হয়, তখন থেকেই তিনি রাজনীতির দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। তখন থেকেই তিনি মুসলিমদের অধিকার আদায়ের দাবিতে বিভিন্ন সভায় সরব হতে শুরু করেন। দক্ষিণবঙ্গের মুসলিমদের মধ্যে ফুরফুরা শরিফের অনুগামীর সংখ্যা বিরাট। তাদের রাজনৈতিকভাবে একজোট করার চেষ্টাও শুরু করেন।

নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য তিনি ফুরফুরা শরিফের আরেক পীরজাদা ও তার চাচা ত্বহা সিদ্দিকীর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতেও দ্বিধা করেননি। ত্বহা সিদ্দিকী বরাবরই তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। ভাতিজার ভিন্ন পথে যাওয়াটা তিনি মানতে পারেননি।

এদিকে আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে রফা আলোচনা করতে ফুরফুরা শরিফে এসে রাত কাটিয়ে গেছেন ভারতের আর এক ডাকসাইটে মুসলিম নেতা ও হায়দারাবাদের এমপি আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ওয়াইসির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত তার কোনও সমঝোতা সম্ভব হয়নি।

কোন স্বাধীনতার কথা বলছেন?

তবে আব্বাস সিদ্দিকীকে পশ্চিমবঙ্গের ঘরে ঘরে একটি পরিচিত নাম করে তুলেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার কলকাতায় ব্রিগেডের বিশাল জনসভা। সিপিএমসহ বামপন্থী দলগুলো ও তাদের জোটসঙ্গী কংগ্রেস ওই জনসভার ডাক দিলেও শেষ পর্যন্ত দেখা যায় সেখানে 'ভাইজান' আব্বাসই হয়ে ওঠেন প্রধান আকর্ষণ। তার দলের পতাকা, ফেস্টুন নিয়ে সেদিন লক্ষাধিক লোক সভায় জড়ো হয়েছিলেন। আবার তার বক্তৃতা শেষ হতেই মাঠ নিমেষে ফাঁকা হয়ে যায়।

জনতার তুমুল হাততালির মধ্যে আব্বাস সিদ্দিকী সেদিন তার বক্তৃতায় বলেন, "এই ব্রিগেডের জমিন থেকে আমার ভালোবাসার মানুষ প্রত্যেক বাঙালিকে বলবো, যেখানে যেখানে বাম শরিক দল প্রার্থী দেবে, আগামী নির্বাচনে মাতৃভূমিকে রক্ত দিয়ে হলেও স্বাধীন আমরা করবো।"

বিজেপি এই ‘স্বাধীনতার ডাক’কে তুলনা করছে দেশভাগের আগে মুসলিম লীগের পাকিস্তান গড়ার দাবির সঙ্গে। ছেচল্লিশ সালে কলকাতায় মুসলিম লীগ যেভাবে পাকিস্তান গড়ার আওয়াজ তুলেছিল, এই ডাকেও সেই ইঙ্গিত আছে বলে অভিযোগ করেছে তারা।

বিজেপির প্রবীণ নেতা এবং মেঘালয় ও ত্রিপুরার সাবেক রাজ্যপাল তথাগত রায় যেমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘আমাদের মাতৃভূমি তো সেই সাতচল্লিশ সাল থেকেই স্বাধীন। ফলে আব্বাস সিদ্দিকী কোন স্বাধীনতা চাইছেন সেটা পরিষ্কার করা দরকার!’

‘ইসলাম বলে, একটা হলো শান্তির দেশ বা দারুল ইসলাম। আর একটা হলো যুদ্ধবিগ্রহের দেশ বা দারুল হারব। কিন্তু কার্যত যে দেশগুলোর রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নয়, সেগুলোকেই দারুল হারব বলে চিহ্নিত করা হয়– যেমন ভারত। আব্বাস সিদ্দিকীর কথা শুনে মনে হচ্ছে, তিনি ভারতেও দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন’, বলছিলেন তথাগত রায়।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিও তার নির্বাচনি জনসভা থেকে আব্বাস সিদ্দিকীকে সরাসরি আক্রমণ করা শুরু করেছেন। এপ্রিলের গোড়াতেই হুগলিতে এক জনসভায় মমতা আব্বাসের নাম না-নিয়েও বলেন, ‘ফুরফুরা শরিফের একটা চ্যাংরা কোটি কোটি টাকা খরচ করছে আর সাম্প্রদায়িক স্লোগান দিচ্ছে। আর হিন্দু-মুসলমান ভাগ করার চেষ্টা করছে। ওদের একটা ভোটও দেবেন না। ওদের একটা ভোট দেওয়া মানেই বিজেপিকে ভোট দেওয়া!’

রাজ্যজুড়ে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যস্ত আব্বাস সিদ্দিকী অবশ্য এসব গায়ে মাখছেন, এমন কোনও খবর নেই। তিনি শুধু চাইছেন যত বেশি সম্ভব আসনে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টকে জিতিয়ে আনতে। আর রাজ্যে তৃণমূল বা বিজেপি কোনও দলই এককভাবে গরিষ্ঠতা না পেলে আব্বাস সিদ্দিকী পশ্চিমবঙ্গে ‘কিংমেকারে’র ভূমিকাতেও নামতে পারেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন।

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

'গাজা থেকে ছোড়া ফিলিস্তিনিদের রকেট প্রতিরোধের অংশ'

'গাজা থেকে ছোড়া ফিলিস্তিনিদের রকেট প্রতিরোধের অংশ'

১০ দিনে উত্তরাখণ্ডে করোনায় আক্রান্ত প্রায় এক হাজার শিশু

১০ দিনে উত্তরাখণ্ডে করোনায় আক্রান্ত প্রায় এক হাজার শিশু

প্রতিদিন গোমূত্র পান করি, তাই করোনা হয়নি: বিজেপি এমপি

প্রতিদিন গোমূত্র পান করি, তাই করোনা হয়নি: বিজেপি এমপি

গাছের ডালে মাচা বেঁধে আইসোলেশনে যুবক!

গাছের ডালে মাচা বেঁধে আইসোলেশনে যুবক!

বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মিস ইন্ডিয়ার হৃদয়স্পর্শী উত্তর

বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মিস ইন্ডিয়ার হৃদয়স্পর্শী উত্তর

গুজরাটে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তকতে, বন্ধ মুম্বাই বিমানবন্দর

গুজরাটে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তকতে, বন্ধ মুম্বাই বিমানবন্দর

মন্ত্রিসভার দুই সদস্য গ্রেফতার, ধর্নায় বসলেন মমতা

মন্ত্রিসভার দুই সদস্য গ্রেফতার, ধর্নায় বসলেন মমতা

সরকারের সমালোচনার পর পদত্যাগ করলেন ভারতের শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

সরকারের সমালোচনার পর পদত্যাগ করলেন ভারতের শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোকে কৃতজ্ঞতা নেতানিয়াহুর, তালিকায় নেই ভারত

ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোকে কৃতজ্ঞতা নেতানিয়াহুর, তালিকায় নেই ভারত

ফিলিস্তিনের সমর্থনে গ্রাফিতি এঁকে গ্রেফতার কাশ্মিরি শিল্পী

ফিলিস্তিনের সমর্থনে গ্রাফিতি এঁকে গ্রেফতার কাশ্মিরি শিল্পী

ভারতীয় ও ব্রিটিশ ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর কোভ্যাক্সিন

ভারতীয় ও ব্রিটিশ ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর কোভ্যাক্সিন

ফেসবুকে পরিচয়, জঙ্গলে নিয়ে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২৫ জনের

ফেসবুকে পরিচয়, জঙ্গলে নিয়ে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২৫ জনের

সর্বশেষ

মামলা নিয়ে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ যা বললেন

মামলা নিয়ে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ যা বললেন

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার পদায়ন

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার পদায়ন

রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবি আইন-সালিশ কেন্দ্রের

রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবি আইন-সালিশ কেন্দ্রের

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক জিহাদ কমান্ডার নিহত

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক জিহাদ কমান্ডার নিহত

এ কাজগুলো করলে মৃদু কোভিড হয়ে উঠবে সিরিয়াস!

এ কাজগুলো করলে মৃদু কোভিড হয়ে উঠবে সিরিয়াস!

কুষ্টিয়ার নেচে-গেয়ে কিশোরের লাশ দাফন, দেওয়া হয়নি জানাজাও

কুষ্টিয়ার নেচে-গেয়ে কিশোরের লাশ দাফন, দেওয়া হয়নি জানাজাও

রোজিনা ইসলামকে আটকের ঘটনায় জাতীয় পার্টির নিন্দা

রোজিনা ইসলামকে আটকের ঘটনায় জাতীয় পার্টির নিন্দা

মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে মিয়ানমারের সুন্দরীর প্রতিবাদ

মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে মিয়ানমারের সুন্দরীর প্রতিবাদ

করোনায় মৃত প্রতি লাশ দাফনে সিটি করপোরেশনের খরচ ১৮ হাজার টাকা

করোনায় মৃত প্রতি লাশ দাফনে সিটি করপোরেশনের খরচ ১৮ হাজার টাকা

গণমাধ্যমের অফিসে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জাতীয় প্রেসক্লাবের

গণমাধ্যমের অফিসে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জাতীয় প্রেসক্লাবের

নথি চুরির অভিযোগ: সাংবাদিক রোজিনাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হেনস্তার পর থানায় হস্তান্তর

নথি চুরির অভিযোগ: সাংবাদিক রোজিনাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হেনস্তার পর থানায় হস্তান্তর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

'গাজা থেকে ছোড়া ফিলিস্তিনিদের রকেট প্রতিরোধের অংশ'

'গাজা থেকে ছোড়া ফিলিস্তিনিদের রকেট প্রতিরোধের অংশ'

১০ দিনে উত্তরাখণ্ডে করোনায় আক্রান্ত প্রায় এক হাজার শিশু

১০ দিনে উত্তরাখণ্ডে করোনায় আক্রান্ত প্রায় এক হাজার শিশু

প্রতিদিন গোমূত্র পান করি, তাই করোনা হয়নি: বিজেপি এমপি

প্রতিদিন গোমূত্র পান করি, তাই করোনা হয়নি: বিজেপি এমপি

গাছের ডালে মাচা বেঁধে আইসোলেশনে যুবক!

গাছের ডালে মাচা বেঁধে আইসোলেশনে যুবক!

বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মিস ইন্ডিয়ার হৃদয়স্পর্শী উত্তর

বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় মিস ইন্ডিয়ার হৃদয়স্পর্শী উত্তর

গুজরাটে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তকতে, বন্ধ মুম্বাই বিমানবন্দর

গুজরাটে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় তকতে, বন্ধ মুম্বাই বিমানবন্দর

মন্ত্রিসভার দুই সদস্য গ্রেফতার, ধর্নায় বসলেন মমতা

মন্ত্রিসভার দুই সদস্য গ্রেফতার, ধর্নায় বসলেন মমতা

সরকারের সমালোচনার পর পদত্যাগ করলেন ভারতের শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

সরকারের সমালোচনার পর পদত্যাগ করলেন ভারতের শীর্ষ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোকে কৃতজ্ঞতা নেতানিয়াহুর, তালিকায় নেই ভারত

ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোকে কৃতজ্ঞতা নেতানিয়াহুর, তালিকায় নেই ভারত

ফিলিস্তিনের সমর্থনে গ্রাফিতি এঁকে গ্রেফতার কাশ্মিরি শিল্পী

ফিলিস্তিনের সমর্থনে গ্রাফিতি এঁকে গ্রেফতার কাশ্মিরি শিল্পী

© 2021 Bangla Tribune