X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৮ বছর আজ

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০১

আজ ২৪ এপ্রিল। দেশের পোশাক শিল্পের ইতিহাসে এক শোকাবহ দিন। ২০১৩ সালের এই দিনে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১১৩৬ জন শ্রমিকের করুণ মৃত্যু হয়। আহত হন আরও কয়েক হাজার শ্রমিক। এ দিনটিতে নানা শ্রমিক সংগঠন আয়োজন করেছে নানা কর্মসূচি।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে অবস্থিত রানা প্লাজায় তিনটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা প্রতিদিনের মতো ওইদিন সকাল ৮টায় হাজির হন কর্মস্থলে। উৎপাদনও শুরু করেন নির্ধারিত সময়ে। হঠাৎ সাড়ে ৯টার দিকে বিকট শব্দ। আশপাশে উড়তে থাকে ধুলো-বালি। ধসে পড়ে রানা প্লাজা। শুরু হয় আহত শ্রমিকদের আহাজারি। উদ্ধারে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। পরে তাদের সঙ্গে যুক্ত হন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। চলে বিরতিহীন উদ্ধার অভিযান।

যা ছিল ভবনটিতে

রানা প্লাজার প্রথম তলায় ছিল বিভিন্ন দোকান। দ্বিতীয় তলায়ও ছিল দোকান আর বাংক। তৃতীয় তলার নিউ ওয়েভ বটমস লিমিটেড, চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় নিউ ওয়েভ স্টাইল লিমিটেডে এবং ফ্যানটম ট্যাক লিমিটেড, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় ইথারটেক্স লিমিটেড গার্মেন্টস।

হতাহতের সংখ্যা

রানা প্লাজা ধসে ১১৩৬ জন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধার কর্মীরা। আর ২৪৩৮ শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহতদের মধ্যে অনেকেই পঙ্গু হয়ে গেছেন। অনেকে আবার মানসিক রোগী হয়ে আছে।

তৈরি হয়েছে শহীদ বেদি

নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রানা প্লাজা ধসের পর ২০১৩ সালের ২৪ মে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের সামনে নির্মাণ করেন একটি শহীদ বেদি। অস্থায়ী শহীদ বেদিটির নামকরণ করা হয় ‘প্রতিবাদ-প্রতিরোধ’। এ শহীদ বেদিটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন চালিয়ে আসছে নানা আন্দোলনের কর্মসূচি।

বর্তমান রানা প্লাজার চিত্র

অধিকাংশ ধ্বংসস্তূপই সরিয়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে বংশাই নদীর পাড়ে। এখনও কংক্রিটের সুরকি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে রানা প্লাজার ১৮ শতাংশ জমির উপর। চারপাশটা কাটাতার ও টিনের বেড়া দিয়ে রেখেছিল জেলা প্রশাসক। তাও আজ মিশে গেছে। সামনেই বিভিন্ন সংগঠন তৈরি করেছে শহীদ বেদি। প্রায় প্রতিদিনই রানা প্লাজায় আহত, নিহত আর নিখোঁজ স্বজনের আনাগোনা চোখে পড়তো। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন নানা দাবিতে ধসে পড়া রানা প্লাজার সামনে আন্দোলন করেছে।

সোহেল রানার সব ভূমি সরকারের দখলে

সোহেল রানার মালিকানাধীন রানা প্লাজার ভূমি, রানা টাওয়ারের ভূমি ও ধামরাইয়ের রানা ব্রিকসের ভূমি সরকার দখলে নিয়েছে। আদালতের নির্দেশে রানার মালিকানাধীন সব ভূমি বাজেয়াপ্ত করে ঢাকা জেলা প্রশাসন দখল বুঝে নিয়েছে।

কালের সাক্ষী অধরচন্দ্র স্কুল মাঠ

বেদনার সাক্ষী হয়ে আছে সাভারের অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। ঘটনার দিন থেকে টানা ১৭ দিন ওই বিদ্যালয়ের মাঠে নিহতদের নিয়ে রাখা হতো। আর সেখান থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হতো। প্রিয় মানুষটির সন্ধান পেতে সে সময় স্বজনরা দিগ্বিদিগ ছুটাছুটি করতেন। রানা প্লাজা থেকে বিদ্যালয়ের মাঠ দেড় কিলোমিটার জুড়ে সে সময় অ্যাম্বুলেন্সের মুহুর্মুহু শব্দ সবাইকে জাগিয়ে তুলতো। আর অপেক্ষারত স্বজনরা হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। এই বুঝি এলো নিখোঁজ মানুষটি। আজও সেই মাঠটি আছে, তবে নেই সেই চিত্র। তবে মাঠটি যেন আগের মতো আর হাসে না। প্রাণচঞ্চলতা যেন হারিয়ে ফেলেছে।

অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ফরিদ জানান, আগে সকাল-দুপুর-রাত এমন কোনও সময় নেই যে মাঠে না আসতাম, কোনও ভয় ছিল না। তবে রানা প্লাজার ধসে পড়ার পর মৃত লাশগুলো সারি সারি করে রাখা হয়েছিল। এর পর থেকে আর সাহস পাই না।

শ্রমিক নেতাদের দাবি

রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর প্রায় প্রতিটি শ্রমিক সংগঠনই নড়েচড়ে বসে। শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশ নিরাপদ রাখতে আন্দোলন শুরু করে। নিহত ও আহতদের লস অব আর্নিং-এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও করেন তারা। ২৪ এপ্রিলকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করার জোর দাবি তোলেন তারা।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানার সভাপতি মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘রানা প্লাজার এখনও অনেক শ্রমিক রয়েছে যারা ক্ষতিপূরণ পায়নি। দ্রুত ওই সব শ্রমিকদের লস অব আর্নিং-এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।’ এ ছাড়া সরকার সোহেল রানার যে সব সম্পত্তি জব্দ করেছে সেসব সম্পতি নিহত ও আহত পরিবারের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এমনটি নাও হতে পারতো

এ ঘটনার জন্য সে সময় স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতিকেই দায়ী করছিলেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও আহত শ্রমিকরা। তারা দাবি ছিল, ভবনটি ধসের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগেই ফাটল দেখা দিয়েছিল চার ও পাঁচ তলার কয়েকটি পিলারে। যা দেখে শ্রমিকরা কর্মস্থল থেকে নেমে আসেন মহাসড়কে। এমন সংবাদের পর সেখানে ছুটে যান স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। তবে সংবাদকর্মীদের ওই স্থানে প্রবেশ করতে দেয়নি মালিক কর্তৃপক্ষ। এ সময় সংবাদকর্মীরা যোগাযোগ করেন স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে। সংবাদ প্রচার হয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। পরে ওইদিন বিকালেই ভবনের ফাটল দেখতে আসেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার। তিনি এসে ভবনটির কয়েকজন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘এ ফাটলে তেমন কোনও সমস্যা নেই, বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই। সামান্য প্লাস্টার উঠে গেছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।’ এই বলে তিনি চলে যান।

তার এ বক্তব্যের ২৪ ঘণ্টা না পেরুতেই এ ভবনটিতেই ঘটলো দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভবন ধসের ঘটনা। নিভে গেলো হাজার প্রাণের জীবনদীপ। সে সময় পদক্ষেপ নিলে এমন হতাহত নাও হতে পারতো। অবশ্য এ ঘটনায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদারকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

করোনা রোগীদের তথ্য গণমাধ্যমকে না দেওয়ার নির্দেশ

করোনা রোগীদের তথ্য গণমাধ্যমকে না দেওয়ার নির্দেশ

'আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে'

'আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে'

ভালো নেই গার্মেন্ট শ্রমিকরা

ভালো নেই গার্মেন্ট শ্রমিকরা

তপ্ত ঢাকা, শিগগিরই বৃষ্টির আশা নেই

তপ্ত ঢাকা, শিগগিরই বৃষ্টির আশা নেই

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৩০

‘পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এতে ফেরির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনাও ছিল। এ নিয়েই আমরা উদ্বিগ্ন। এতে পিলারের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। যেটুকু হয়েছে তা কোনওভাবেই আশঙ্কাজনক নয়। এ ধরনের কয়েকগুণ শক্তিশালী ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা প্রতিটি পিলারেরই রয়েছে। সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে এ সেতুর প্রতিটি পিলার’—বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এত বড় নদীতে পানির স্রোত খুব বেশি। তাই হয়তো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এতে ফেরিটির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। ফেরিটি ডুবেও যেতে পারতো। এতে বহু মানুষের প্রাণহানিও ঘটতে পারতো। সম্পদের ক্ষতি হতে পারতো। এ বিষয়টি নিয়েই আমরা বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ যে ধাক্কা লেগেছে, তা সহ্য করার কয়েকগুণ ক্ষমতা সেতুর প্রতিটি পিলারের রয়েছে। তবে ফেরিসহ নৌযানগুলোকে আরও সাবধানতা অবলম্বন করে সেতু এলাকা অতিক্রম করার অনুরোধ থাকবে চালকদের প্রতি।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর পিলারে বার বার ফেরির ধাক্কা কেন?

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা, থানায় জিডি

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত টিম। পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে নৌ সচিব বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাধারণ চোখে বড় কোনও ক্ষতি নজরে পড়েনি। সেতু কর্তৃপক্ষও এমন কোনও অভিযোগ করেনি। ফেরির ধাক্কায় সেতুর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কোনও আলাপ বা কথাবার্তা হয়নি।

তিনি জানিয়েছেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের ক্ষতি কতোটুকু গভীর তা সেতু কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। পরিদর্শনে গিয়ে আমরা যে বিষয়টি দেখেছি, সেটি হলো ফেরির সঙ্গে পিলারের ধাক্কা লাগার ঘটনাটিতে চালকের খামখেয়ালিপনা কতটুকু? প্রাথমিকভাবে তাতে আমাদের মনে হয়েছে—নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই আসলে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এটি অনিচ্ছাকৃত। আমরা চালকদেরকে আরও সতর্ক হয়ে ফেরি চালানোর পরামর্শ দিয়েছি। যদিও সংশ্লিষ্ট চালককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিআইডব্লিউটিএ। 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব জানিয়েছেন, সেতু এলাকা অতিক্রমকালে অন্যান্য নৌযান চালকদের পিলারের কাছাকাছি নির্দিষ্ট সীমানা ছেড়ে জাহাজ, ফেরি বা নৌযান চালাতে হবে কিনা তা সেতু কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট করবে। যদি করে তাহলে নৌ-যানের চালকরা তা অবশ্যই মানবেন। চালকদেরকে আরও সতর্কতার সঙ্গে ফেরি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট থেকে ২৯টি যানবাহন নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে বিআইডব্লিউটিএ’র রো রো ফেরি শাহ জালাল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে আঘাত করে। এর মাত্র তিন দিন আগেও গত মঙ্গলবার রো রো ফেরি শাহ মখদুমও পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।

শুক্রবার পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে  ফেরি ‘শাহজালাল’র ধাক্কার ঘটনায় মাদারীপুরের শিবচর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জিডিটি করেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোহম্মদ আব্দুল কাদের।

জিডিতে বলা হয়েছে, ফেরি শাহজালাল’র ধাক্কায় পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপের ওপরের ভাগ ও সাইড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগেও একাধিকবার বিআইডব্লিউটিসির ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত হেনেছে। বিআইডব্লিউটিসিকে মৌখিক ও লিখিতভাবে সাবধানতার সঙ্গে ফেরি চালানোর অনুরোধ করেছিল সেতু কর্তৃপক্ষ।  ফেরিটির ফিটনেস ও চালকের যোগ্যতা বা দক্ষতা ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করা হয়।

পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শুক্রবার রো রো ফেরি শাহ্ জালালের ধাক্কার ঘটনায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শনিবার সকাল ১০টায় রো রো ফেরি শাহ্ পরানে চড়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী।

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক ও বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক শাহীনুর রহমান ভূঁইয়া, বিআইডব্লিউটিসির এজিএম আহমেদ আলী, এজিএম রুবেলুজ্জামান ও পদ্মা সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা ‘অসতর্কতা’ বলেই মনে করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটি বলছে, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের টানে অনেক সময় ফেরি নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এছাড়া এই রুটে অনেক পুরনো ফেরি চলছে যেগুলোর অনেক যন্ত্রাংশই বিভিন্ন সময় বিকল হয়ে পড়ে। এতে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এদিকে, পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিউটিসি। তদন্ত কমিটির সদস্য বিআইডব্লিউটিসির এজিএম (মেরিন) আহম্মেদ আলী জানান, অসতর্কতা ও স্রোতের কারণে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিতে পারে। তবে অধিকতর তদন্ত করলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের কোনও ক্ষতি হয়নি।

/এমআর/

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৪১

বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীরা। এছাড়া খাদ্য সামগ্রীর বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে ব্যবসায়ীদের।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আয়োজিত ইমপোর্ট গুড ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। সেখানে তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, হস্তশিল্প যেমন‑ পিতলের পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পুতুল ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শনিবার (২৪ জুলাই) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় আমদানিকারকরা বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য সম্পর্কে গভীর আগ্রহ দেখান। এছাড়া, অর্গানিক খাদ্য সামগ্রী, যেমন- মিশ্রিত বাদাম, মধু, মরিঙ্গা চা ও ঘি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

মেলার উদ্বোধনের পরে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম কোরিয়ান ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রদূতগণকে বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পণ্য উপহার প্রদান করেন।

এ রকম মেলায় অংশগ্রহণ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে মনে করে দূতাবাস।

/এসএসজেড/এমএস/

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩০

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক জানিয়েছেন , বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা যে ভ্যাকসিনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছি এবং কিনেছি তার সংখ্যা ২১ কোটি। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত ২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছি। সময়মতো পেলে বাংলাদেশ কোনও দেশ থেকে ভ্যাকসিনে পিছিয়ে থাকবে না। যথাসময়ে ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা যাবে।

শনিবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ১ কোটি ডোজ স্পুটনিক ভি,  চীনের সিনোফার্মের ৩ কোটি ডোজ, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি, কোভ্যাক্সের আওতায় ৭ কোটি ও জনসন অ্যান্ড জনসনের ৭ কোটি ডোজ টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২৬ বা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা দেশে আসবে। টিকা সংরক্ষণে ২৬টি কোল্ড ফ্রিজার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনা হয়েছে। এগুলোয় মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে রাখার মতো টিকাও সংরক্ষণ করা যাবে। বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন করে আরও যে টিকা আসবে, সেগুলো সংরক্ষণ করতে কোনও সমস্যা হবে না।

তিনি আরও বলেন, গ্রামে বয়স্ক লোকজনকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। শিক্ষক-ছাত্রদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সম্মুখসারির যোদ্ধা যারা তাদের পরিবারের ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে সেটি দ্রুত চালু হয়ে যাবে বলে আমি আশা করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের তথ্য বলছে যারা ভর্তি হচ্ছে ৯০ শতাংশই ভ্যাকসিন নেয়নি। না নেওয়ার কারণে তারা সংক্রমিত হয়ে অসুস্থ হয়েছে। তাদের মধ্যে গ্রামের মানুষ বেশি। ঢাকায় যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের শতকরা ৭৫ ভাগই প্রত্যন্ত এলাকার। তাদের বেশিরভাগই ভ্যাকসিন নেয়নি এবং বয়স্ক মানুষ। গ্রামের বয়স্ক মানুষদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যদি আমরা ভ্যাকসিন দিতে পারি , তাহলে রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা কমবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম,  বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মুবিন খান ও সাধারণ সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

বয়স ৩০ বছর হলে নেওয়া যাবে টিকা

বয়স ৩০ বছর হলে নেওয়া যাবে টিকা

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৭

চলতি সপ্তাহে ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা কমেছে। আর তাতে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও।

আজ শনিবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা, শনাক্তের সংখ্যা, সুস্থতার সংখ্যা ও মৃত্যু সংখ্যা বিশ্লেষণে এ তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতর জানায়, চলতি সপ্তাহে (১৮ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই) দেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ১১৩টি। আর গত সপ্তাহে (১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই) নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪২৯টি। অর্থ্যাৎ গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষার হার কমেছে ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

সেই সঙ্গে চলতি সপ্তাহে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৯৩৩ জন আর গত সপ্তাহে রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ৮৩ হাজার ৯৬ জন। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে রোগী শনাক্তের হার কমেছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৩৭৭ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত সপ্তাহে মারা গিয়েছিলেন এক হাজার ৪৮০ জন। চলতি সপ্তাহে গত সপ্তাহের তুলনায় মৃত্যুহার কমেছে ছয় দশমিক ৯৬ শতাংশ।

তবে নমুনা পরীক্ষার হার, শনাক্তের হার এবং মৃত্যুহার কমলেও গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে রোগী সুস্থ হয়েছেন বেশি। চলতি সপ্তাহে ৬৫ হাজার ১৭৬ জন সুস্থ হয়েছেন আর গত সপ্তাহে সুস্থ হয়েছিলেন ৫৫ হাজার ২৪ জন। অর্থ্যাৎ, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে সুস্থতার হার বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

/জেএ/ ইউএস/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:০৭

ভারত থেকে ২০০ টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। শনিবার ভারতীয় দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহায়তা হিসেবে ভারত সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রথম আন্তঃসীমান্ত অক্সিজেন এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন ভারত থেকে আগামীকাল (২৫ জুলাই) বেনাপোল পৌঁছাবে।

এর আগে ঈদের দিন বুধবার ভারত থেকে ১৮০ টন তরলীকৃত অক্সিজেন বেনাপোল বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতে একটি গ্রিন করিডোর ব্যবহার করা হয়েছে এই আমদানির জন্য। দুই স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঈদের দিন এই অক্সিজেন বাংলাদেশে এসেছিল।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা আইসিইউ বেড কমে ৪৫

সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা আইসিইউ বেড কমে ৪৫

সর্বশেষ

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

করোনা রোগীদের তথ্য গণমাধ্যমকে না দেওয়ার নির্দেশ

করোনা রোগীদের তথ্য গণমাধ্যমকে না দেওয়ার নির্দেশ

'আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে'

'আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে'

ভালো নেই গার্মেন্ট শ্রমিকরা

মহান মে দিবস আজভালো নেই গার্মেন্ট শ্রমিকরা

তপ্ত ঢাকা, শিগগিরই বৃষ্টির আশা নেই

তপ্ত ঢাকা, শিগগিরই বৃষ্টির আশা নেই

পরীক্ষার দাবি‌তে সড়কে শিক্ষার্থীরা, পুলিশের ধরপাকড়-লাঠিচার্জ

পরীক্ষার দাবি‌তে সড়কে শিক্ষার্থীরা, পুলিশের ধরপাকড়-লাঠিচার্জ

জল্পনার রাতে প্রার্থীদের ঘাম ঝরানো ব্যস্ততা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে সরঞ্জাম

জল্পনার রাতে প্রার্থীদের ঘাম ঝরানো ব্যস্ততা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে সরঞ্জাম

ডিএনসিসিতে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

ডিএনসিসিতে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

বিভিন্ন পৌরসভায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট বর্জন

বিভিন্ন পৌরসভায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট বর্জন

দ্বিতীয় দফার পৌর নির্বাচন: আ. লীগ ৪৫, বিএনপি ৪, স্বতন্ত্র ৮

দ্বিতীয় দফার পৌর নির্বাচন: আ. লীগ ৪৫, বিএনপি ৪, স্বতন্ত্র ৮

হাওরের দিগন্তে অল ওয়েদার সড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

হাওরের দিগন্তে অল ওয়েদার সড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune