X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

এমসি কলেজে ধর্ষণ: অধ্যক্ষ-হোস্টেল সুপারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলেন আদালত

আপডেট : ০২ জুন ২০২১, ১৮:০০

সিলেটের এমসি কলেজ হোস্টেলে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জারি করা রুল আংশিক গ্রহণ করে ওই কলেজের অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারকে বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২ জুন) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই ঘটনা অনুসন্ধানে যৌথ কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন আদালত। চার সদস্যের অনুসন্ধান কমিটিতে ছিলেন সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেসা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেম ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন সুলতানা।

পরে ওই কমিটি হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিলেটের এমসি কলেজে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় হোস্টেল সুপার ও প্রহরীদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। তাই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে এমসি কলেজের অধ্যক্ষও কোনোভাবেই ওই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না। ধর্ষণের পেছনে মূলত হোস্টেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়করা, হোস্টেলের মূল গেটের ডে গার্ড, ৫ নম্বর ব্লকের ডে গার্ড ও নাইট গার্ড (নৈশপ্রহরী) এবং ৭ নম্বর ব্লকের ডে গার্ড ও নাইট গার্ডের দায়িত্বে অবহেলা ছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় কলেজ বন্ধ থাকার পরও কয়েকজন ছাত্র ও সাবেক ছাত্র হোস্টেলে অবস্থান করেন। একজন সাবেক ছাত্র ৫ নম্বর ব্লকের হোস্টেল সুপারের বাসভবন দখল করে থাকেন। ওই ছাত্ররা অবৈধভাবে কলেজে হোস্টেলের সিট দখল করে থাকার কারণে এবং সাবেক ছাত্র সাইফুর রহমান কর্তৃক হোস্টেল সুপারের বাসভবন জোরপূর্বক দখল করে থাকার জেরেই ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করার সাহস পান। ফলে ঘটনার তারিখে হোস্টেল ক্যাম্পাসে ওই ঘটনার নেপথ্যে মূলত হোস্টেল সুপারের তদারকির ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলাই দায়ী। প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে কলেজের অধ্যক্ষের ওপরও এ দায়ভার চলে আসে।

পাশাপাশি উক্ত প্রতিবেদনে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ১৫ দফা সুপারিশ করে বলা হয়, কলেজের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের চাহিদার ভিত্তিতে হোস্টেলে আসন নিশ্চিত করতে হবে। অছাত্র বা সাবেক ছাত্রদের হোস্টেলে বসবাস কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন এক তরুণী। এ সময় ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন ছাত্র ওই তরুণীকে স্বামীসহ কলেজ ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। সেদিন রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে ৬ জনকে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলো, এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। এরই মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ওই ঘটনা গণমাধ্যমে আসার পর তা হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন। প্রতিবেদনগুলো আমলে নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারির পাশাপাশি যৌথ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে দেন।

/বিআই/টিটি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

‘গেল ৬ বছরের তুলনায়  সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

‘গেল ৬ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

‘গেল ৬ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯

বিগত ৬ বছরের তুলনায় এবারের ঈদে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি দুটোই বেড়েছে। এবছর ঈদুল আজহায় দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৪০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটেছে। আর এসব দুর্ঘটনায় ২৭৩ জন নিহত এবং ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমিতি। সংস্থাটির হিসাবে- সড়ক, রেলপথ ও নৌপথ মিলে মোট দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৬২টি, আর তাতে নিহত হয়েছেন ২৯৫ জন ও আহত হয়েছেন ৪৮৮ জন। 

আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তন হলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০২১ প্রকাশকালে এই তথ্য তুলে ধরেন। সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার কারণ ও দুর্ঘটনারোধে বেশ কিছু সুপারিশও জানানো হয়েছে। এতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনের কারণে ঈদের সময় মাত্র আটদিন গণপরিবহন চলাচল করে। এর আগে-পরে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে সকল মোটরযান বন্ধ ছিল। তবে জরুরি প্রয়োজনে এসময়ও অনেকেই ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকায় ফিরেছেন। ঈদযাত্রা শুরুর দিন গত ১৪ জুলাই থেকে ঈদের পর ২৮ জুলাই পর্যন্ত তথ্য হিসাব করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, লকডাউনের কারণে মানুষের যাতায়াত সীমিত ছিল। তবে স্বল্পসময়ের জন্য গণপরিবহন চালু করায় সড়কে গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগতযান বিশেষ করে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা-ব্যাটারিচালিত রিকশা, ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানে একসাথে গাদাগাদি করে যাতায়াত করেছে। 

উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ৯টি ঘটনায় ১১ জন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ১৩টি দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত ও ৩৬ জন আহত এবং ২১ জন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা মিলেছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে যৌথভাবে ২৬২টি দুর্ঘটনায় ২৯৫ জন নিহত ও ৪৮৮ জন আহত হয়েছে। তবে ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ার পর ২৫ জুলাই থেকে সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমতে থাকে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৯৩ জন নিহত, ৫৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, নিহতের ৩৪ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং আহতের ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ প্রায়।

এ সময় সড়কে দুর্ঘটনার শিকারদের মধ্যে ৩১টি শিশু ও ৩৮ জন নারী নিহত হয়েছেন। পেশাভিত্তিক হিসাবে ১০৬ জন চালক, ১৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৪ জন পথচারী, ১২ জন শিক্ষার্থী, তিনজন সাংবাদিক, পাঁচজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১২ জন শিক্ষক, ছয়জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে।

এর মধ্যে নিহত হয়েছে দুজন পুলিশ সদস্য, একজন সেনাবাহিনীর সদস্য, একজন বিজিবি সদস্য, ২৭ জন নারী, ১৭টি শিশু, নয়জন শিক্ষার্থী, নয়জন শিক্ষক, ৮৭ জন চালক, ১৬ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৩ জন পথচারী ও তিনজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান- লরি, ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ কার- মাইক্রো-জিপ, ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ নছিমন- করিমন- ট্রাক্টর- লেগুনা- মাহিন্দ্রা, ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ অটোরিকশা, ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা- ইজিবাইক- ভ্যান- সাইকেল ও ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বাস এসব দুর্ঘটনা কবলিত হয়েছে।
 
সংগঠিত দুর্ঘটনার ২৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৪৪ দশমিক ২৫ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে ও ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁছিয়ে এবং ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ ফিডার রোডে এবং ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ রেল ক্রসিং এ সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০ দশমিক ৮৩ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে সংঘটিত হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত ঈদগুলোতে সরকারের নানা মহলের তৎপরতা থাকায় দুর্ঘটনার লাগাম কিছুটা টেনে ধরা সক্ষম হয়েছে। এবছর কঠোর লকডাউন পরে শিথিল করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এবারের ঈদযাত্রায় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি তুলনামূলকভাবে বেড়েছে।

‘সরকার সড়কের অবকাঠামোর উন্নয়নে যতটা মনযোগী সড়ক নিরাপত্তায় ততটা উদাসীন’- এমন অভিযোগ করে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত একযুগে ধারাবাহিকভাবে সড়ক নিরাপত্তায় নানা প্রতিশ্রুতি, নানা চমকপ্রদ বক্তব্য, নানা আশ্বাস, নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনও কিছুই যেন বাস্তবায়নে আলোর মুখ দেখে না। এরই মধ্যে বাস্তবায়নের আগেই সড়ক আইন আরও দুর্বল করার ষড়যন্ত্র চলছে। ফলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।  

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার যেসব কারণ তুলে ধরা হয়েছে-
১. লকডাউনের কারণে এবং স্বল্প সময়ের জন্য গণপরিবহন চালু করার ফলে মহাসড়কে ব্যক্তিগত যানবাহন যেমন প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা-ব্যাটারিচালিত রিকশা, ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া গতিতে যাতায়াত।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মাকিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ঈদে যাতায়াতকারী ব্যক্তিগত যানের চালকদের রাতে এসব জাতীয় সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালানো।
৩. জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টার্নিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকদের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে।
৪. মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে যাত্রীকল্যাণ সমিতির সুপারিশ-
১. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ, যানবাহনের ত্রুটি সারানোর উদ্যোগ গ্রহণ।
৩. ধীরগতির যান ও দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা।
৪. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৫. সড়কে রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৬. সড়ক পরিবহন আইন যথাযতভাবে বাস্তবায়ন করা। ট্রাফিক আইনের অপপ্রয়োগ রোধ করা।
৭. গণপরিবহন বিকশিত করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৮. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।

/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:৪৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সকল ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।  

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছুটি চলাকালে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন শিক্ষার্থীদের মেনে চলতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন।

শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থান করে পাঠ্যবই অধ্যয়ন করার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা নিশ্চিত করবেন।

উল্লেখ্য, দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর গত বছর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করে সরকার। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ছুটি বড়িয়ে ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আবারও ছুটি বাড়ানো হলো ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

/এসএমএ/এমএস/

সম্পর্কিত

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

লকডাউন অমান্য করায় রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৮

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:১০

সম্প্রতি সাতক্ষীরায় বনবিড়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম নামের সেই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৩০ জুলাই) তাকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সদর দফতরের মি‌ডিয়া অ্যান্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং‌ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাতক্ষীরার এক সচেতন নাগরিক অভিযোগ করেন, সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বন্যপ্রাণি হত্যা করে আসছেন। এ বিষয়ে এলাকার মানুষজন তাকে বিভিন্ন সময় নিষেধও করেছে। কিন্তু তিনি কারও কথাই শোনেন না। সর্বশেষ গত ২৬ জুলাই একটি বনবিড়ালকে পিটিয়ে হত্যা করেন। যার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার মথুরেশপুর ইউনিয়নের নিত্যানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ পেয়ে মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করে। বার্তা পেয়ে ওসি কালীগঞ্জ তার একটি টিমকে নিয়োজিত করেন।

পুলিশ জানায়, তৎপরতা বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবশেষে তাকে আটক করে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 

/জেইউ/ইউএস/

সম্পর্কিত

‘গেল ৬ বছরের তুলনায়  সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

‘গেল ৬ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:২৫

রাশিয়া সফর শেষে শুক্রবার (৩০ জুলাই) দেশে ফিরেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল। গত ২৩ জুলাই রাশিয়ার নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিকলাই আনাতোলেভিচ ইয়েভমেনভের আমন্ত্রণে তিনি রাশিয়া সফরে যান।

আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, রাশিয়া সফরকালে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল গত ২৫ জুলাই দেশটির নৌবাহিনীর ৩২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান (325th Russian Naval Anniversary) ও ৫ম নেভাল প্যারেড (5th Naval Parade)-এ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নৌবাহিনী প্রধান উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত নৌবাহিনী প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে তিনি রাশিয়ার নৌ-সদর পরিদর্শনসহ দেশটির নৌবাহিনী প্রধান (Commander-in-Chief) অ্যাডমিরাল নিকলাই আনাতোলেভিচ ইয়েভমেনভের (Admiral Nikolai Anatolyevich Yevmenov) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের নৌপ্রধান পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নৌবাহিনী প্রধান দেশটির নৌ-জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ পরিদর্শন করেন।

রাশিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফর শেষে নৌবাহিনী প্রধান শুক্রবার (৩০ জুলাই) দেশে ফিরে এলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) এবং ঢাকার নৌ-প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে স্বাগত জানান।

 

/জেইউ/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

‘মানবপাচার মামলার প্রসিকিউশনে ত্রুটিগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে’

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠালে হজ-ওমরাহ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালো ব্যাজ পরিধানের নির্দেশ

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

সুন্দরবন যেমন আছে তেমনই থাকতে দিন: সুলতানা কামাল

মাদক ভয়ংকর-৫

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:০০

মাদকাসক্তের সংখ্যা ও বাজার বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে কারবারিরা। তবু থেমে নেই নতুন মাদকের আমদানি। এ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকলো পঞ্চম ও শেষ পর্ব।

মাদক কেনাবেচার বড় বাজার এখন অনলাইন। বাংলাদেশেও দেদার চলছে এ পদ্ধতি। সম্প্রতি এমনই প্রমাণ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বাংলাদেশে ৬০ হাজার কোটি টাকার মাদক বাজার রয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। যে কারণে আন্তর্জাতিক চক্রের নজর এখানে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও জানিয়েছেন, ‘তারা এ ব্যাপারে যথেষ্ট তৎপর।’

বিটকয়েনে অর্থপাচার
গত ৬ জুলাই রাতে রাজধানীর হাতিরঝিলে অভিযান চালিয়ে ‘ম্যাজিক মাশরুম’ ও বিদেশি মদসহ দুই যুবককে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ম্যাজিক মাশরুমের পাঁচটি বার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া নাগিব হাসান অর্নব (২৫) থাকতো কানাডায়। সে এই মাদক বাংলাদেশে নিয়ে আসে। ‘চকোলেট কেক’ হিসেবে কুরিয়ারের মাধ্যমে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে এ মাদক বাংলাদেশে আনে সে। মাদকের টাকা পরিশোধ করতো দেশে অবৈধ ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েনে।

র‌্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীরা এখন বেশ চালাক। তাদের লেনদেনগুলো ধরার সুযোগ কম। নতুন যেসব মাদক পাওয়া গেছে সেগুলো আনা হতো বিদেশ থেকে। বিট কয়েন, পেপালসহ অনলাইন নানা পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে চলতো লেনদেন।’

মাদকের বাজার ৬০ হাজার কোটি টাকা
বাংলাদেশে মাদকের বাজার কত তার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই। তবে মাদকসেবী ও মাদক উদ্ধারের পরিসংখ্যান দিয়ে তা অনুমান করা যায়। দেশের ৭৬ লাখ মাদকসেবী গড়ে দিনে ৩৫০-৪০০ টাকার মাদক সেবন করে। এ ছাড়াও বছরজুড়ে উদ্ধারকৃত মোট মাদকের ৯ গুণ বাজারে আছে বলে বিবেচনা করা হয়।

গবেষক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এমদাদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাদক যা ধরা পড়ে বাজারে তার ৯ গুণ বেশি আছে বলে ধরা হয়। এটাই আন্তর্জাতিক প্যারামিটার।’

এ ছাড়াও পাইকারি ও খুচরা বাজারে ৫-৬ ধাপে মাদক বিক্রি হওয়ার পর সেবীদের হাতে পৌঁছায়। এসব কিছু মাথায় রেখে হিসাব করে বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন দাবি করে বাংলাদেশের মাদকের বাজার প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার।

২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন র‌্যাবের মহাপরিচালক এবং বর্তমানে পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, ‘দেশে ৮০ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। তারা প্রতিদিন প্রায় ২৫০ কোটি টাকা মাদকের পেছনে খরচ করে।’

মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. অরুপ রতন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয় মাদক কেনাবেচায়। বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা চিকিৎসা, পুর্নবাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খরচ, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এসবের ব্যয়।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বার্ষিক যে রিপোর্ট প্রকাশ করে তাতে দেখা গেছে, ২০২০ সালে অধিদফতর, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড সারা দেশে অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৭টি ইয়াবা বড়ি, ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ১৭৭ বোতল ফেনসিডিল, ৫০ হাজার ৭৮ কেজি গাঁজা, প্রায় ৭২ কেজি আফিম এবং প্রায় ৪ কেজি কোকেন উদ্ধার করে।

ওই বছর এসব ঘটনায় ৮৫ হাজার ৭১৮টি মামলায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

/এফএ/
টাইমলাইন: ভয়ংকর মাদক
৩০ জুলাই ২০২১, ১৫:০০
কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়
২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:০০
২৮ জুলাই ২০২১, ১৩:০০
২৬ জুলাই ২০২১, ১৬:০৯

সম্পর্কিত

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সর্বশেষ

‘গেল ৬ বছরের তুলনায়  সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

‘গেল ৬ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

চিপ সংকটে পড়তে পারে ইন্টেল

চিপ সংকটে পড়তে পারে ইন্টেল

আমার সেই কাঙ্ক্ষিত গান এটি: টিনা রাসেল

আমার সেই কাঙ্ক্ষিত গান এটি: টিনা রাসেল

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে লিগ স্থগিত!

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার নির্দেশ

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ৪১৩ গ্রাম প্লাবিত

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘গেল ৬ বছরের তুলনায়  সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

‘গেল ৬ বছরের তুলনায় সড়কে এবার ঈদে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে’

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

মাদক ভয়ংকর-৫কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

একাধিক মামলা হচ্ছে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভির কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযান

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

হেলেনা জাহাঙ্গীর আটক

© 2021 Bangla Tribune