X
রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ক্ষমতায় এলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি মিয়ানমারের ছায়া সরকারের

আপডেট : ০৪ জুন ২০২১, ১২:৩০

যত দিন গড়াচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হচ্ছে দেশটির জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)। গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাত করে ক্ষমতা দখলকারী সেনা সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। জান্তা সরকার উৎখাত করে ক্ষমতায় ফিরতে বৃহস্পতিবার পাঁচটি নীতিকৌশল প্রকাশ করেছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ঐক্য সরকার। এর মধ্যে অন্যতম হলো, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নেওয়া বিপুল সংখ্যাক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে নিরাপদে ফিরিয়ে নিয়ে নাগিরকত্ব স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি।

মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করে সম্প্রতি দেশটির রাজনীতিবিদসহ বেসামরিক নাগরিকদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে জাতীয় ঐক্য সরকার- এনইউজি। এর মধ্যে সু চির রাজনৈতিক দল এনএলডির সদস্যরাও রয়েছেন। তারা নিজেদের মিয়ানমারের বৈধ সরকার হিসেবে দাবি করছে। একই সঙ্গে বিশ্বের দরবারে সমর্থন পাওয়ারও চেষ্টা করছে তারা।

তবে একে সন্ত্রাসী দল অ্যাখা দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক সরকার। এমনকি এই দলের সঙ্গে কেউ প্রকাশ্যে অথবা গোপনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। যদিও সামরিক সরকারের হুমকি উপেক্ষা করেই নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এনইউজি সরকার।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নীতিকৌশলে ১৯৮২ সালের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই আইনের মাধ্যমে দেশটির রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্বের অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে। এনইউজি সরকার বলছে, আইনটি সংশোধন করে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে জন্ম নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের সন্তানকে পূর্ণ নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। বিবৃতিতে রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের নাগরিকদের এনইউজি সরকারের সঙ্গে যুক্ত হতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

বলা হয়েছে, ‘অবৈধ এক নায়কতন্ত্র সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। সেই সঙ্গে আমাদের সঙ্গে অথবা অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে হাত মিলান।’ এনইউজি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক বাহিনীর সহিংসতা ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গত কয়েক দশক ধরে রাখাইনে চলা সহিংসতায় লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হওয়ার বিষয়টি খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারছে জাতীয় ঐক্য সরকার।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে সাড়ে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয়ে রয়েছে। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ মিয়ানমার সরকারকে চাপ দিলেও এ নিয়ে গড়িমসি করে আসছে দেশটি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসিকে (এনএলডি) ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সামরিক বাহিনী। এনএলডির নেত্রী অং সান সু চি ও অন্যান্য নেতাদের গ্রেফতার করে কারাবন্দি করে রেখেছে সামরিক জান্তা। অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গণতন্ত্র পুনর্বহাল ও সু চিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করছে জনতা। প্রথমদিকে সংযম দেখালেও ক্রমেই সহিংসপন্থায় বিক্ষোভ দমন করার চেষ্টা নিয়েছে সামরিক কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্র গুলির হুমকি দিয়েছে তারা। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ বেসামরিক নাগরিক। 

/এলকে/জেজে/

সম্পর্কিত

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৬:৪০

টানা তিন ধরে দাবানলে জ্বলছে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশ। দমকা বাতাস আগুনের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুনে বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত পশু-পাখিও মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির পাঁচটি প্রদেশ ‘দুর্যোগ অঞ্চল’ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া দাবানলে পুড়ে গেছে অনেক ঘর-বাড়ি ও বনভূমি। তবে দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টায় শনিবার পর্যন্ত ৮৮ জায়গার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। দাবানলের ভয়াবহতা থামাতে লড়ছে দেশটির বিভিন্ন জরুরি সংস্থার কর্মীরা। কিছু জায়গার পরিস্থিতি উন্নতি হলেও পুরোপুরি নিন্ত্রেণ আনা যায়নি।

কৃষি ও বনমন্ত্রী বেকির পাকদেমিরলি শনিবার টুইট করেন, এন্টালিয়ার জনপ্রিয় পর্যটক অঞ্চলে তিনটি স্থানের আগুন এখনো সক্রিয় রয়েছে। 

তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে আগুন বিশেষভাবে গুরুতর ছিল। সেখানে প্রবল বাতাস অগ্নি নির্বাপণে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে অনেক অঞ্চল এবং হোটেল খালি করা হয়েছে। পর্যটকদের নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। এদিেক বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত অনেক পশু-পাখি আগুন পুড়ে মারা গেছে। এ সংখ্যা কত এখনও জানা যায়নি।

পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, দাবানলে আমাদের যে মানুষগুলো আহত এবং মৃত্যু হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’।

তুরস্কের ভূম্যধ্যসাগরের উপকূলীয় পাঁচ প্রদেশে দুর্যোগ অঞ্চল ঘোষণা করেন তিনি। দাবানল নিয়ন্ত্রণে ৪৫টি হেলিকপ্টার, ৫৫টি ভারী যানবাহন এবং এক হাজার ৮০টি জলযান কাজ করছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৫:৪৭

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ- এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটি বলছে গত ছয় মাস ধরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আন্দোলনে দমন পীড়ন চালিয়ে আসছে নিরাপত্তা বাহিনী। যা স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।

গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ামারের সু চি সরকারের কাছ থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে নেয় সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে সু চিসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে বন্দি করে। প্রতিবাদে গত ৬ মাস ধরে মিয়ানমারের রাজধানী ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করে আসছেন সাধারণ মানুষ। চলমান আন্দোলন প্রথম থেকেই দমানোর চেষ্টা করে আসছে জান্তা। গণতন্ত্রের দাবি আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামলেই চালানো হচ্ছে নির্যাতন।

এমন পরিস্থিতিকে মানবতাবিরোধী অপরাধ অ্যাখায়িত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। নিউইয়র্ক-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, সামরিক অভুত্থানের বিরুদ্ধে যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। বিরোধীদের গ্রেফতার, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে।

সংগঠনটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডাস বলেন, নাগরিকের ওপর এ ধরনের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।

এদিকে, শনিবারও মান্দালয়ের মোটরবাইকে চড়ে লাল ও সবুজ পতাকা উড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলে নেওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীল গুলিতে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৬ হাজারের বেশি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৪:৩২

উচ্ছেদের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ লাখের বেশি বাসিন্দা। করোনা মহামারিতে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় ভাড়াটে উচ্ছেদ স্থগিতাদেশ স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। ফলে ঘর ছাড়ার ঝুঁকিতে বহু মানুষ।

করোনা মহামারিতে গত বছরের মার্চ থেকে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদের সব প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। করোনায় দুর্দশায় পড়া ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু ভাড়াটে উচ্ছেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগস্টেই বাসা ছাড়তে হবে তাদের।

স্থগিতাদেশ আগামী মধ্য অক্টোবরের পর্যন্ত বাড়ানোর দাবিতে ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল সদস্য কোরি বুশ, আয়ানা প্রেসলি এবং ইলহান ওমর শুক্র থেকে শনিবার ক্যাপিটলের বাইরে অবস্থান করেন।

কোরি বুশ টুইটারে লিখেন, আমরা সিনেট এবং হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করছি। সুতরাং মানুষকে অবশ্যই তাদের বাড়িতে রাখা উচিত। এ বিষয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করতে মার্কিন নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি পরিষধের স্পীকার ন্যান্সি পেলোসিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে সেনেটের ডেমোক্র্যাট শীর্ষ নেতা চাক শুমার প্রতিও আহ্বান জানান। 

ইলান ওমর টুইটে উল্লেখ করেন, ‘অনেক মানুষ ঘর ছাড়ার ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। আমরা তাদের জন্য আছি’।

এর আগে নির্দিষ্ট আইনি প্রস্তাব ছাড়া ভাড়া পরিশোধ করতে না পারা লোকজনকে উচ্ছেদের মেয়াদ আর বর্ধিত না করার কথা জানান মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এমন নির্দেশনার পর উচ্ছেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বর্ধিতের সুযোগ নেই। ফলে কংগ্রেসকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাইয়ের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত কয়েক বহু লোকের ঘরভাড়া বাকি পড়েছে। এই হিসাবে তালিকাভুক্ত ভাড়াটেদের শুধু ধরা হয়েছে। তালিকার বাইরেও রয়েছেন অনেকে। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০২:৩৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন ফরাসিরা। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারের ভাইরাস পাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান লাখ লাখ মানুষ। শনিবারের বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের।

করোনার সংক্রমণ রোধে আগামী ৯ আগস্ট থেকে নতুন আইন জারি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সে। এই আইন অনুসারে যদি কেউ কফি শপ বা রেস্তোরাঁয় যেতে চান, তবে তার অ্যান্টিকরোনাভাইরাস পাশ থাকতে হবে। এ ছাড়া বিমানে ভ্রমণ বা আন্তঃনগর ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে লাগবে এ পাশ। তবে দুই ডোজ টিকা নিলেই পাবেন। কিন্তু এখনও বহু নাগরিক টিকা না পাওয়ায় সরকারের এমন কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শনিবার টানা তৃতীয় সপ্তাহের বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারী।

এ দিনের আন্দোলন গত সপ্তাহের তুলনায় সহিংস রূপ নেয়। রাজধানী প্যারিসের শঁজ এলিজে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ দেখান। ফলে রাজধানী জুড়ে তিন হাজারের মতো নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে নিরাপত্তা সদস্যরা। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন তারা। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামনেও অবস্থান করেন বিক্ষুব্ধরা।

খবরে বলা হয়েছে, অ্যান্টি ভ্যাকসিন পাশ বিরোধী বিক্ষোভে ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় দুই লাখের মতো মানুষ রাস্তায় নামেন। এর মধ্যে ১৪ হাজারের বেশি অবস্থান করেন প্যারিসে। ফ্রান্সে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

ফের বাবা হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০১:০১

ফের বাবা হতে চলছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বরিসের স্ত্রী ক্যারি সায়মন্ডস নিজের ইনস্টাগ্রামে নিশ্চিত করেছেন। আসছে বড়দিনেই দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন এই দম্পতি।

মাস খানেক আগেই গর্ভপাত হয় ক্যারি সায়মন্ডসের। সেবার মন ভেঙে যায় বরিস জনসন ও ক্যারির। খারাপ স্মৃতি পেছনে ফেলে সুখবর নিয়ে এলো জনসন পরিবার। শনিবার নিজের ইনস্টাগ্রামের পাতায় বার্তা দেন ক্যারি।

ক্যারি জানান, ‘বড়দিনেই  ‘রেনবো বেবি’ আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। এরপরই লেখেন, আরও একবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে দারুণ লাগছে। একইসঙ্গে আবার একটু নার্ভাসও অনুভব করছেন।

গত বছরের মে মাসে করোনার সংক্রমণের মধ্যেই সাদামাটাভাবে ওয়েস্টমিনস্টার ক্যাথেড্রালে ঘরোয়া আয়োজনে নিজেদের বিয়েটা সেরে ফেলেন ক্যারি-বরিস। তবে বিয়ের আগেই তাদের ঘরে প্রথম সন্তান ছেলে উইলফ্রেড আসে। যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে ২০০ বছরের মধ্যে ৫৭ বছর বয়সী বরিস জনসনই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি দায়িত্বরত অবস্থায় বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

বরিস জনসন এর আগেও দু’বার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। দ্বিতীয় স্ত্রী আইনজীবী ম্যারিনা হুইলারের ঘরে চার সন্তান আছে। ২০২০ সালে ম্যারিনার সঙ্গে বরিসের বিচ্ছেদ ঘটে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

নি‌র্দোষ প্রমা‌ণিত হলেন এম‌পি আপসানা

নি‌র্দোষ প্রমা‌ণিত হলেন এম‌পি আপসানা

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

ছাতার সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর লড়াই! (ভিডিও)

ছাতার সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর লড়াই! (ভিডিও)

সর্বশেষ

কেন বারবার একই ভুল

কেন বারবার একই ভুল

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

ফের বাবা হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ফের বাবা হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের স্কুলে এনে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ

শিক্ষার্থীদের স্কুলে এনে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ

কারখানা খুলতে মানতে হবে ১৫ শর্ত

কারখানা খুলতে মানতে হবে ১৫ শর্ত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন সু চি

করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন সু চি

মিয়ানমারে শান্তি ফেরাতে নিজেদের অবস্থান জানালো রাশিয়া

মিয়ানমারে শান্তি ফেরাতে নিজেদের অবস্থান জানালো রাশিয়া

শহরে ঢুকে ২৫ জনকে হত্যা করলো মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী

শহরে ঢুকে ২৫ জনকে হত্যা করলো মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী

ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে মিয়ানমারের জান্তা সরকার

ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে মিয়ানমারের জান্তা সরকার

© 2021 Bangla Tribune