X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

হিলি দিয়ে ভারতফেরতদের ৬ জনের করোনা পজিটিভ

আপডেট : ০৬ জুন ২০২১, ০৯:৩৩

ভারতে গিয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফেরা অব্যাহত রয়েছে। গত ১৮ দিনে এই পথ দিয়ে ফের আসা ১৯৫ জন যাত্রীর মধ্যে ছয় জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার (৫ জুন) রাতে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর-এ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, চিকিৎসা নিতে গিয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে গত ১৯ মে থেকে হিলি স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরা শুরু হয়। এখন পর্যন্ত এই পথ দিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ সর্বমোট ১৯৫ জন দেশে ফিরেছেন।

ভারত থেকে দেশে ফেরা যাত্রীদের ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে ও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষা সম্পূর্ণ করে করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে হচ্ছে। দেশে প্রবেশের পর প্রতিটি যাত্রীকে স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করা ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করে করোনা নেগেটিভ আসলে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলগুলোতে ১৪দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে।

ইউএনও আরও জানান, ভারতফেরতদের মধ্যে অসুস্থ যাত্রীদের বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। আর যাদের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হচ্ছে তাদের দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত এই পথ দিয়ে ১৯৫ জন যাত্রী দেশে ফিরে এসেছেন। এদের মধ্যে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে তিন জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া কোয়ারেন্টিন সম্পূর্ণ করলেও গত এক সপ্তাহের মধ্যে তিন জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ায় তাদেরকেও দিনাজপুর ও রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে ভারতফেরতদের মধ্যে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ায় ও পুনরায় করোনা পরীক্ষা নেগেটিভ হওয়ায় ৬৪ জনকে সনদ দিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

/টিটি/

সম্পর্কিত

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:১১

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর সদরের সাজিপাড়া মহল্লা থেকে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় বাড়ির অন্যকক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় স্বামীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আক্কেলপুর থানার ওসি সাইদুর রহমান। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আক্কেলপুর পৌর সদরের সাজিপাড়া মহল্লার আলী আকবর ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে আলী আকবর স্ত্রী হালিমাকে বাড়ির শয়নকক্ষে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যার পর নিজে বিষপান করেন। এ সময় তাদের সন্তানরা স্বজনদের বাড়িতে ছিল। 

খবর পেয়ে পুলিশ হালিমার মরদেহ উদ্ধার করে। আলী আকবরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারের পর আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিবারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।   

ওসি সাইদুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার অভিযোগে আলী আকবরকে আটকের পর মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু 

খালাস শেষে অক্সিজেন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের পথে শেষ ট্যাংকলরিটি

খালাস শেষে অক্সিজেন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের পথে শেষ ট্যাংকলরিটি

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:০৪

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলায় দিন দিন করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। শনাক্তে রেকর্ড তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে শয্যা পাচ্ছে না রোগীরা। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ছে প্রয়োজনীয় ওষুধের চাহিদা। ওষুধ না পাওয়ায়ায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। 

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মানুষ অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত ওষুধ কেনায় বাজারে হঠাৎ সংকট দেখা দিয়েছে। প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদাও বেড়েছে। এসময় কোম্পানি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধের জোগান দিতে না পারায় সংকট তৈরি হচ্ছে।

কুমিল্লার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরে দেখা যায়, জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড, এইচ প্লাস, নাপা সিরাপ ও জিংক টেবলেটসহ প্যারাসিটামল জাতীয় কয়েকটি ওষুধ কম পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদাপত্র নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরেও ওষুধ না পাচ্ছেন রোগী ও স্বজনরা। চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ না পেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। অপরদিকে, ওষুধের দোকানিরা তাকিয়ে রয়েছেন ওষুধ কোম্পানির এজেন্টদের দিকে।

সরেজমিন দেখা যায়, কিছু দোকানে ওষুধ পাওয়া গেলেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার অনেক দোকানি বেশি দামের আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

কুমিল্লার ঝাউতলা এলাকার বাসিন্দা আসমত উল্লাহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য অসুস্থ। তাদের জন্য নাপা এক্সট্রা কিনতে আসেন নগরীর কান্দিরপাড়ের এবি ফার্মেসিতে। কিন্তু এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ পাননি। 

আসমত উল্লাহ জানান, এর আগে তিনি ওষুধটির জন্য কুমিল্লার পুলিশ লাইন্স ও ঝাউতলা এলাকার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরেছেন। কিন্তু কোথাও নাপা এক্সট্রা পাননি।

নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মইনুল ইসলামের পাঁচ বছর বয়সী ছেলের জ্বর। এ জন্য ওষুধ নিতে বাজারে আসেন। কিন্তু কোনও ফার্মেসিতে ওষুধ না পেয়ে হতাশা হয়ে বাড়ি ফিরে যান। 

ওষুধ সংকটের বিষয়ে কুমিল্লা কান্দিরপাড়ের ড্রাগ হাউসের মালিক গণেশ দত্ত চৌধুরী জানান, চাহিদার তুলনায় কোম্পানিগুলো ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না। বিশেষ করে নাপা ট্যাবলেট, নাপা সিরাপ, এইচ ট্যাবলেট ও এইচ সিরাপসহ প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়ে গেছে। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ‘প্যারাসিটামল’ জাতীয় ওষুধ প্রথম সারির প্রায় সব কোম্পানি সরবরাহ করছে না। ফলে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ওষুধ সংকটের বিষয়ে জানা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে এখনই খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজনের মৃত্যু, জীবিত উদ্ধার ১১

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জ্বর-শ্বাসকষ্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগী

হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগী

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৭

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জন প্রশাসনমন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে (৩০ জুলাই) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি (নম্বর-২৮, তারিখ ৩০/০৭/২১) দায়ের করেন।

এরআগে, রাতে শহরের আখড়া বাজার ব্রিজের পাশে নরসুন্দা নদী সংলগ্ন সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্ত্বরে ম্যুরালটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। 

  পৌরসভার অর্থায়নে স্থাপিত ম্যুরালটি গত বছরের ৩০ নভেম্বর মেয়র মো. পারভেজ মিয়া উদ্বোধন করেন। 

এদিকে ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। 

পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ম্যুরালটি ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

/টিটি/

সম্পর্কিত

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:০৮

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনায় মারা যাওয়া প্রতিটি লাশ বহনের জন্য হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হককে ৩০০ টাকা করে দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে পরিচালক বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বেসরকারি লাশ বহনকারী সাত ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালের অফিস সহকারীর কাছে লাশ বহনকারী জামাল, শামসু, মানিক, হিরা, কামাল, সোহেল, রাজীব, আলাল ও রুবেল মিয়া স্বাক্ষরিত আবেনপত্রটি জমা দেওয়া হয়। 

আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আবেদনকারীরা বিনা বেতনে হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে মারা যাওয়া রোগীদের লাশ বহন করে আসছেন। রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া সেলামি দিয়ে তাদের সংসার চলছিল। করোনাকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতি লাশ বহনের জন্য তাদেরকে এক হাজার করে টাকা দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারণ করে দেন। এভাবেই লাশ বহন করে আসছিলেন তারা। 

তবে রোজার ঈদের আগে তারা লাশ বহনের ১০৩টি স্লিপ জমা দেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হকের কাছে। কিন্তু তিনি প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা করে কেটে রেখে বাকি টাকা তাদের হাতে তুলে দেন। 

এ বিষয়ে লাশ বহনকারী জামাল বলেন, ফরিদ স্যার প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা রেখে দিয়ে আমাদেরকে ৭০০ টাকা করে বুঝিয়ে দেন। টাকা রেখে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন তাকে প্রতি লাশ বাবদ ৩০০ টাকা করে দিতে হবে, তা না হলে কাজ করতে পারবো না। 

ভুক্তভোগী কর্মীরা আবেদনে আরও বলা হয়, মাঝেমধ্যেই ফরিদুল হক হুমকি দিয়ে লাশ বহনকারীদের থেকে জরিমানার নামে এক থেকে তিন হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। জুন মাসের শেষের দিকে প্রতি লাশের জন্য ৩০০ টাকা দিতে অপরাগতা জানানোর পর ১৪৮টি লাশ বহনের স্লিপ জমা দিতে গেলে তিনি ওই স্লিপ জমা নেননি এবং তাদেরকে তাড়িয়ে দেন। পরে জুলাই মাসের ১ তারিখ লাশ প্রতি এক হাজার টাকা আর দেওয়া হবে না, তাদেরকে মাসিক পাঁচ হাজার টাকার বেতনে লাশ বহনের কাজ করতে হবে বলে জানানো হয়। এই কথা শুনে কাজ করবেন না জানিয়ে লাশ ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেন আবেদনকারী সাত ব্যক্তি। এরপরে ওই সাত ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে জুলাই মাসের শুরুতেই ১০ হাজার টাকা বেতনে নতুন ছয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয় লাশ বহনের জন্য।

আবেদনকারীদের কাছে করোনায় মারা যাওয়া ১৪৮ জনের লাশ বহনের স্লিপ এখনও রয়ে গেছে। বর্তমানে বেকার হয়ে অর্থাভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।

লাশবহনকারী শামসু (৭০) বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে হাসপাতালে লাশ বহন করে সংসার চলছে। এর আগে হাসপাতালের কোনও কর্মকর্তা লাশের জন্য টাকা নেননি। কিন্তু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদ স্যার যোগদানের পর থেকেই তিনি নানা অনিয়ম করে আসছেন এবং আমাদের লাশ টানার প্রাপ্য টাকা থেকে ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং এর প্রতিবাদ করায় আমাদেরকে বের করে দিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছেন। বৃদ্ধ বয়সে অন্য আর কী কাজ করে সংসার চলবে, এই নিয়ে রাতে ঘুম হয় না। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। 

লাশ বহনকারী মানিক বলেন, ৩০০ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাদের কাছে থাকা ১৪৮টি লাশ বহনের স্লিপ ফরিদ স্যার জমা নিচ্ছেন না। এই টাকাটা পেলে আমরা স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কয়েকটা দিন ডাল-ভাত খেয়ে কাটাতে পারতাম।

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিট তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদুল হক বলেন, করোনাকালে প্রতি লাশ বহনের জন্য এক হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। প্রতি লাশের জন্য ভ্যাট কেটে ৮০০ টাকা করে জুন পর্যন্ত লাশ বহনকারী ব্যক্তিদের পরিশোধ করা হয়েছে। এরপর আর কোনও স্লিপ তারা জমা দেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে মাসিক ৫০০০ থেকে ৭০০০ টাকা বেতনে নিয়োগের কথা বললে লাশ বহনকারী ব্যক্তিরা রাজি হননি। পরে তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে ছয় জন ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. ওয়ায়েজউদ্দীন ফরাজী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, লাশ বহনকারীদের কাছ থেকে একটি আবেদন জমা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে করোনার প্রতি লাশের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার ৩০০ টাকা নেওয়ার তথ্য জানাজানি হলে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন তারা।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৩:১১

নিম্ন চাপের প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে রয়েছে উপকূলের বাসিন্দারা। রোপা আমনের বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে শতাধিক মাছের ঘের, পুকুর ও ঘরবাড়ি।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিকাল থেকে বুধবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত ৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস। 

টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরার সাত উপজেলার অধিকাংশ অঞ্চল পানিতে ডুবে গেছে। এর মধ্যে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপকূলীয় এলাকার বাঁধ ভাঙার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে আতংকে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়া তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে ভাসছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার নিম্নাঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ভেসে গেছে জমির ফসল, মাছের ঘের ও পুকুর।

বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে উপকূলের বাসিন্দারা

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর, ফিংড়ি, ব্রহ্মরাজপুর, লাবসা, বল্লী ও ঝাউডাঙা ইউনিয়নের বিলগুলোতে সদ্য রোপা আমন ও বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে গেছে। নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। 

সাতক্ষীরা পৌরসভা রাজার বাগান এলাকার আব্দুল জলিল বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে ধানের বীজতলা, পুকুর, খাল-বিল তলিয়ে গেছে। আমার বড় একটি আম গাছ উপড়ে পড়েছে।’

প্রতাপনগরের সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জীবনে শান্তি নেই। কয়দিন আগে ঘূর্ণিঝড়ের ইয়াসের পানি নেমে গেলো।  টানা বৃষ্টিতে পুরো এলাকা আবারও পানিতে একাকার হয়ে গেছে।’
 
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে পুরো ইউনিয়নের মানুষ আবারও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আম্পানের নয় মাস পানিবন্দি ছিল পুরো ইউনিয়নের মানুষ। ইয়াসের পর এখনও কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি। এই বৃষ্টিতে আবারও ক্ষতি হয়ে গেলো। এই এলাকায় মৎস্য ঘের পুকুর ঘর তলিয়ে সব একাকার হয়ে গেছে।’

গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বলেন, বর্ষার পানি পুরো এলাকায় থই থই করছে। মাছের ঘের, পুকুর সব একাকার হয়ে গেছে। আমার ইউনিয়নের চারদিকে নদীতে ভাঙন আতংকে আছি। তিন নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় বাঁধ ঝুকিপূর্ণ। যেকোনও সময় বাঁধ ভেঙে খোলপেটুয়া নদীর পানি প্রবেশ করতে পারে।’

তালা উপজেলার আব্দুল জব্বার বলেন, ‘কপোতাক্ষের বাঁধসহ বিভিন্ন গ্রাম ও বিল পানিতে ডুবে হয়েছে। কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। এসব এলাকার বিলগুলোতে সদ্য রোপা আপন ও বীজ তলার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পানের বরজেরও ক্ষতি হয়েছে।’

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলী নূর খান বাবুল বলেন, পৌরসভার পানি নিষ্কাশন সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতায় নাকাল হচ্ছে বছরের পর বছর। বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরা শহরের পৌরসভার রসুলপুর, মেহেদিবাগ, মধুমল্লারডাঙ্গী, বকচরা, সরদারপাড়া, পলাশপোল, কামাননগর, কামাননগর, পুরাতন রাজারবাগান, বদ্দিপাড়া কলোনি, ঘুড্ডির ডাঙি, পুরাতন সাতক্ষীরা, কাটিয়া মাঠপাড়া, মাছখোলা, ডায়েরবিল ও রথখোলাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। প্লাবিত এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালি ও রমজান নগরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা, মথুরেশপুর ও ভাড়াশিমলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে ডুবে গেছে।

ডুবে গেছে শতাধিক মাছের ঘের, পুকুর ও ঘরবাড়ি

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত মঙ্গলবার বিকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এভাবে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা আছে বলে জানান তিনি। 

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, ভারী বর্ষণে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এক হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আউশ বীজ তলার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির সদ্য রোপা আমন ও সাড়ে ৩০০ হেক্টর সবজি। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হোসেন খান বলেন, টানা বৃষ্টিতে আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর খাজরা ও আনুলিয়া বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার মাছের ঘের। এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনম আবু জর গিফারী বলেন, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছে পড়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ২০ টন চাল দেওয়া হয়েছে। মৎস্য ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ সম্ভব হয়নি।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

১০ মিনিটে ২ ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তি পর্যবেক্ষণে

শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা সভাপতি গ্রেফতার

শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা সভাপতি গ্রেফতার

সর্বশেষ

‘বিশ্বসুন্দরী’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার টানা দু’দিন!

‘বিশ্বসুন্দরী’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার টানা দু’দিন!

প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

কুমিল্লায় প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালকরোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় ১০ মিনিট সময় চাই: আতিকুল ইসলাম

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালকরোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

© 2021 Bangla Tribune