X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহই এখন মূল লক্ষ্য’

আপডেট : ১২ জুন ২০২১, ১৬:২৪

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিল্পের প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য বিদ্যুৎ ও গ্যাসে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী শনিবার (১২ জুন) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়ন ও বাজেট ২০২১-২২ বাজেট’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন।

এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন’র সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম তামিম, এনবি আর’র সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ–নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান মনসুর, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম খান ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার আব্দুস সালেক সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহর একা ৪৬ ভাগ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। বিদ্যুৎ ব্যবহার সুষম করতে হলে দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোতে নির্দিষ্ট স্থানে দ্রুত শিল্পায়ন করা প্রয়োজন। নির্দিষ্ট স্থানে শিল্প-কারখানা স্থাপিত হলে সিস্টেম লস কমবে। উন্নত দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসছে। বাংলাদেশও জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে পর্যালোচনা করছে। আগামীতে গ্যাস বা বিদ্যুৎ আমদানিতে অপরচুনিটি কস্ট খোঁজা হবে।

তিনি আরও বলেন, মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কাজে পেশাদারিত্ব না থাকলে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব না।

মূল প্রবন্ধে মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বঙ্গবন্ধুর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার কন্যা সেটিই বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। সবার জন্য বিদ্যুতের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিকল্পনা করা হয়েছে সাসটেইনেবল এনার্জি কীভাবে পাবো, সেটাই এখন মূল আলোচনার বিষয়। সরবরাহ মান উন্নত করা নিয়ে আমরা কাজ করছি। ৯৯.৫ ভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ দিয়েছি। আগে আমরা এক ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করতাম। এখন আমরা মিক্স ফুয়েল দিয়ে কাজ করছি। পাশের দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনছি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মতো চাহিদা রয়েছে। তাও এখন শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ দিয়ে আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে। সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নেমে এসেছে। গ্রিড সাবস্টেশন ২৬ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতা আছে কিন্তু সব জায়গায় বিদ্যুৎ দেওয়া যাচ্ছে না। এইখানে আমরা মনোযোগ দিচ্ছি। ২০২৪ সাল নাগাদ এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবো আশা করি।

তিনি প্রাথমিক জ্বালানির সহজ লভ্যতা, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ভূমির প্রাপ্যতা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, সক্ষমতার সদ্ব্যবহার, অফ-গ্রিড অঞ্চলে বিদ্যুতায়ন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনার অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে তার উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, এবার বাজেটে বিদ্যুৎ খাতের ৯৮ প্রকল্প ছিল, ২৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৭০ ভাগ শেষ করেছি, জুনের শেষ সবটা ব্যবহার করতে পারবো বলে আশা করছি। তিনি বলেন, আগামী বাজেটে ৭৫টি প্রকল্প নিয়েছি।

সালেক সুফি বলেন, দেশের গ্যাসের প্রতি আমাদের নজির দেওয়া দরকার। আমরা বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারি। আন্ডারগ্রাউন্ড নিয়ে গেলে কিন্তু ফাইবার অপটিক দিয়ে সাসটেইনেবল করতে হবে। জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন নিয়ে নতুন করে চিন্তা করা যেতে পারে।

ঢাকা চেম্বারের আবুল কাসেম খান বলেন, আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাস থাকবে না ভবিষ্যতে। বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। অনশোর অফশোর অনুসন্ধান এবারে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কয়লার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে জলবায়ু ইস্যু নিয়ে আসছি। অথচ বিশ্ব কয়লা দিয়ে যারা দূষণের প্রথম দিকে কাজ করছে তাদের তালিকার আশপাশেও নেই বাংলাদেশ। ফলে কয়লা দিয়ে ভাবা উচিত।

ড. আহসান মনসুর বলেন, আমাদের তুলনায় ভারত, নেপালের মাথাপিছু জ্বালানি ব্যবহার বেশি। আমরা তো এখন অনেক এগিয়ে তাহলে এইখানে আমরা কেন পিছিয়ে। তাদের আয় কম হলেও মাথাপিছু জ্বালানি ব্যবহার বেশি কীভাবে হয়। যদিও বিশ্ব এখন কয়লা থেকে সরে আসছে। তারপরও এখনপি কয়লা থেলে সরে আসার দরকার নেই বরং এর পাশাপাশি সোলার পাওয়ারকে গুরুত্ব দেওয়া, আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করার বিষয়টিও আমাদের ভাবতে হবে।

ড. আব্দুল মজিদ বলেন, চলমান প্রকল্পগুলোতে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ যাচ্ছে ঠিক কিন্তু তা যাচ্ছে সোলার, আইপিএস, জেনারেটর দিয়ে। গ্রিডের বিদ্যুৎ কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন থাকছে না। সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

ম. তামিম বলেন, আমরা আগামী কয়েক বছর কয়লা ব্যবহার করতে পারবো। কিন্তু তাই বলে বিকল্প চিন্তা করতে হবে। এখনো কার্বন আমাদের ভূমিকা না থাকলেও যে আমাদের কয়লাই ব্যবহার করতে হবে সেটা ভাবার কোনও কারণ নেই। তাই এমন জ্বালানিই ব্যবহার করতে হবে যা পরিবেশবান্ধবও হবে।

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান বলেন, গভীর সাগর থেকে পাইপলাইনে গ্যাস তুলে আনার চেয়ে এলএনজি আমদানি করা অনেক কম খরচ ও ঝুঁকিও কম। সোলারের ক্ষেত্রে জমি সংকট এবং বায়ু বিদ্যুৎ’র ক্ষেত্রে বাতাসের গতি একটা বড় বিষয়। আর কোনও নিশ্চয়তা বাংলাদেশে নেই। এই কারণে মিশ্র জ্বালানিতে আমাদের যেতেই হবে। এলএনজি, সিএনজির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সঙ্গে এফিশিয়েন্সি বাড়াতে হবে, অপচয় কমাতে হবে।

 

/এসএনএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

নতুন মুদ্রানীতি গতানুগতিক ধারার: ঢাকা চেম্বার

নতুন মুদ্রানীতি গতানুগতিক ধারার: ঢাকা চেম্বার

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১৪:০৪

আগামীকাল শনি (৩১ জুলাই) ও বুধবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রামের কিছু ব্যাংক শাখা খোলা থাকবে। এসব শাখায় সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত লেনদেন চলবে। বাংলাদেশ ব্যাংক  বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। এদিন সাধারণত ব্যাংক বন্ধ থাকে। আর করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চলমান কঠোর বিধিনিষেধের আওতায় বুধবার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানি ও রফতানিবাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখার জন্য এই দুই দিন খোলা থাকবে মূলত আগ্রবাদ ও খাতুনগঞ্জ এলাকার বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখাগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আমদানি-রফতানি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ও সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাস্থবিধি মেনে এসব শাখা খোলা রাখতে হবে। বেলা ৩টা পর্যন্ত লেনদেন চললেও আনুষঙ্গিক কাজের জন্য শাখাগুলো খোলা থাকবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এক সিদ্ধান্তে জানায়, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আগামী রবিবার (১ আগস্ট) ও বুধবার (৪ জুলাই) দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। 

/জিএম/ইউএস/

সম্পর্কিত

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ১০:৩০

রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করছে বাংলাদেশ। এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রও। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের জ্বালানি সম্পদ ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব, রাষ্ট্রদূত ভার্জিনিয়া ই পামার এ আগ্রহের কথা জানান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে রাষ্ট্রদূত পামার দুদেশের জ্বালানি সহযোগিতা সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করার বিষয়ে তার সরকারের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনকে বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের জ্বালানি নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত পামার বাংলাদেশে দশটি কয়লা চালিত পাওয়ার প্ল্যান্ট বাতিল করার সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এসময় ড. তৌফিক-ই-ইলাহী বিভিন্ন মার্কিন প্রস্তাবের প্রশংসা করে বাংলাদেশের মতো দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে দুই দেশের যৌথ গবেষণা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সঞ্চয় ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ মডিউলার রিঅ্যাকটর প্রকল্প গ্রহণের উপর জোর দেন। জ্বালানি উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত পামারের সাথে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাব্যতা নিয়েও আলোচনা করেন এবং বলেন যে, এই অঞ্চলের দেশগুলির জ্বালানিশক্তি ভাগাভাগি করে প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে সহযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনও পদক্ষেপকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।

এদিকে মার্কিন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পৃথক এক আলোচনায় ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বেসরকারি খাতকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘এনার্জি গোলটেবিল’ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি একথা বলেন।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর পর এটি ছিল উক্ত কাউন্সিলের প্রথম ইন-পারসন সভা। উপদেষ্টা তার বক্তব্যে দেশে তেল এবং গ্যাস অনুসন্ধানে, বিশেষ করে অফশোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে তাদের উৎসাহিত করেন।

উপদেষ্টা নিরবচ্ছিন্ন এবং সাশ্রয়ী মূল্যের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের গবেষণা ও উন্নয়নে মার্কিন বেসরকারি খাতের সাথে অংশীদার হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

তিনি মার্কিন সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ মডিউলার রিঅ্যাক্টরের সম্ভাবনা অনুসন্ধান করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ তার প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল এবং ভুটানের সাথে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বিতরণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এবং মার্কিন সংস্থাগুলো সেখানে বিনিয়োগের সুযোগগুলো অনুসন্ধান করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র -বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নিশা বিসওয়াল গোলটেবিলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদা পূরণে দু'দেশের জ্বালানি অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিতে তার সংস্থার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশের সাথে জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য বিজনেস কাউন্সিলের আসন্ন ‘এনার্জি টাস্কফোর্স’ একটি জ্ঞান-ভিত্তি তৈরি করতে সক্ষম হবে বলে উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

এই গোলটেবিল আলোচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম, শেভরন, চেনিয়ার, এক্সিলারেট এনার্জি, এক্সনমোবিল, জিই পাওয়ার, সানএডিসনসহ বেশ কয়েকটি মার্কিন সংস্থার সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট লেভেলের কর্মকর্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র চেম্বার, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

জমি স্বল্পতায় সৌরবিদ্যুতের বড় প্রকল্প নেওয়া যাচ্ছে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

জমি স্বল্পতায় সৌরবিদ্যুতের বড় প্রকল্প নেওয়া যাচ্ছে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে’

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে’

নতুন মুদ্রানীতি গতানুগতিক ধারার: ঢাকা চেম্বার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:০৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ২০২১-২২ অর্থবছরের  মুদ্রানীতিকে গতানুগতিক ধারার বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতির বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করে সংগঠনটি। 

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ডিসিসিআই জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত মুদ্রানীতি কিছুটা গতানুগতিক ও ধারাবাহিক। এ নীতিতে বেসরকারি খাতকে উজ্জীবিত করতে উদ্ভাবনী কোনও পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায় না। যদিও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যকার সমন্বয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাদের কার্যক্রমের নজরদারি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে নতুন মুদ্রানীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। 

সংবাদ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২২ সাল নাগাদ সরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩২.৬ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ধরা হয়েছে ১৪.৮ শতাংশ, যা কিছুটা আশাবাদী। কোভিডের কারণে আশানুরূপ বিনিয়োগ হচ্ছে না বিধায় ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদি সামগ্রিক অর্থনীতি এবং বেসরকারি খাত ঘুরে দাঁড়াতে না পারে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত নাও হতে পারে।
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিনিয়োগের রিটার্ন অথবা সঞ্চয়পত্র, পোস্টাল সেভিংস এবং পেনশনার সেভিংস সার্টিফিকেট প্রভৃতির ক্ষেত্রে প্রদেয় সুদের হার যৌক্তিক হারে ব্যাংকিং ইনস্ট্রুমেন্ট যেমন : এফডিআরের ন্যায় ব্যাংক প্রদত্ত সুদের হারের সঙ্গে বা বন্ডের রিটার্নের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কিছুটা কমানো যেতে পারে। তবে এ বিষয়ক কোনও নির্দেশনা মুদ্রানীতিতে প্রতীয়মান হয়নি বলে মনে করে ডিসিসিআই।

ঢাকা চেম্বার বলছে, সিএমএসএমই খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে আর্থিক প্রণোদনাসহ অনেক ধরনের নীতি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু ঘোষিত মুদ্রানীতিতে প্রদত্ত সুবিধাদি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা বা রোডম্যাপ প্রদান করা হয়নি। ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের বিষয়টি তেমন উদ্বেগজনক নয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে টাকার মানের এ হার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারের কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:৫৬

বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রা ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’র মালিকানা, সংরক্ষণ বা লেনদেন অবৈধ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু তাই নয়, আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে বিটকয়েনসহ ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন বা সহায়তা প্রদান এবং এর প্রচার থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’ হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া এক ধরনের মুদ্রা। বর্তমানে আট হাজারের বেশি এ ধরনের মুদ্রা রয়েছে। তবে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিটকয়েন। এছাড়া ইথেরিয়াম, রিপল, লিটকয়েন ব্যবহার হচ্ছে বেশি।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ‘সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ভার্চুয়াল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়ে প্রকাশিত রিপোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে। একটি নির্দিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার গোপনীয় ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পত্রের মাধ্যমে প্রেরিত মতামতের অংশবিশেষ কোনও কোনও গণমাধ্যমে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে যা কোনওক্রমেই সাধারণভাবে প্রচারযোগ্য নয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং ইন্টারনেট থেকে জানা যায়, অনলাইনভিত্তিক ভার্চুয়াল মুদ্রার (বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, রিপল, লিটকয়) বিনিময় বা লেনদেন হচ্ছে। এসব ভার্চুয়াল মুদ্রা কোনও দেশের বৈধ কর্তৃপক্ষ দ্বারা ইস্যুকৃত বৈধ মুদ্রা নয়। তাই এর বিপরীতে কোনও আর্থিক দাবিও স্বীকৃত নয়। এসব মুদ্রায় লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্য কোনও নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত নয়। অনলাইনে নামবিহীন বা ছদ্মনামীয় প্রতিসঙ্গীর সঙ্গে ভার্চুয়াল মুদ্রায় এসব লেনদেন মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।’

‘কোনও বৈধ সংস্থার স্বীকৃত না হওয়ায় গ্রাহকরা ভার্চুয়াল মুদ্রার সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। এ অবস্থায়, আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে বিটকয়েনের ন্যায় ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।’ 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘কোনও ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত নয়। সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে যে কোনও ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রায় (যেমন বিটকয়েন, ইথারিয়াম, রিপল ইত্যাদি) লেনদেন অথবা এরূপ কার্যে সহায়তা প্রদান ও এ সংক্রান্ত প্রচারণা হতে বিরত থাকতে সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় নির্দেশ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ২২:৫২

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকায় ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আগামী রবি ও বুধবার (১ ও ৪ আগস্ট) বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ ও ৪ আগস্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২, ৩ ও ৫ আগস্ট (সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে এসব প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে।

এর আগে ১৪ জুলাই জারি করা সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমা গ্রহণসহ জরুরি কাজ করা যাবে।  অফিস খোলা রাখার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সেবাদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা যাবে। বিধিনিষেধ চলাকালে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে। 

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ 

সর্বশেষ

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

ট্রেনে তৃতীয় ধাপে ২০০ মে. টন অক্সিজেন দেশে পৌঁছেছে

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

পেটের চর্বি কমাতে যা খাবেন

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বন্ধু দিবসে নকশীকাঁথার নতুন গান

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

বনবিড়াল পিটিয়ে হত্যাকারী সেই ব্যক্তি আটক

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

রাশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন নৌবাহিনী প্রধান

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

ডোবায় মিললো শিশুর হাত-পা বাঁধা লাশ 

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

‘লকডাউন কনটিনিউ’র সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

মাদক ভয়ংকর-৫কারবারিরা লেনদেন করছে ভার্চুয়াল মুদ্রায়

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

চট্টগ্রামে শনি ও বুধবারও ব্যাংক খোলা

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

নতুন মুদ্রানীতি গতানুগতিক ধারার: ঢাকা চেম্বার

নতুন মুদ্রানীতি গতানুগতিক ধারার: ঢাকা চেম্বার

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

রবিবার ও বুধবার  আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে

© 2021 Bangla Tribune