X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও বেআইনি দখল ছাড়তে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ

আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, ০৮:০০
(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৩ জুনের ঘটনা।)
১৯৭৩ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিল আদায়, অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে পরিত্যক্ত বাড়ি ও ভুয়া রেশন কার্ড উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কারণ খবর পাওয়া যায়, প্রায় কয়েক কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে আছে এবং প্রায় ১৫ হাজার বাড়ির বেআইনি দখলদারিত্ব রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর গৃহীত ব্যবস্থায় যদি কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া যায় তবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগ করে বা কারফিউ জারি করে ঘরে ঘরে তল্লাশি চালানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে ৩০ জুনের পরবর্তী কারফিউ ও তল্লাশির সুসমন্বিত কর্মপন্থা গ্রহণ কল্পে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়।

টেলিফোন ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বলা হয়, বকেয়া বিল আদায় না হওয়ার জন্য যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। টেলিফোন ব্যবহারকারী এবং বিদ্যুতের বিল পাঠানোর কর্তব্যে যে কর্মকর্তারা অবহেলা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে এসব দাবি আদায়ের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বেআইনি টেলিফোনের মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন বঙ্গবন্ধু। নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতি প্রদত্ত নির্দেশে বলা হয়, জরুরি ভিত্তিতে ৩০ দিনের মধ্যে পরিত্যক্ত বাড়ির দখলদারমুক্ত করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া নির্দেশে বলা হয়, ডিলারদের কাছ থেকে রেশন কার্ড উদ্ধার করতে হবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের লাইসেন্স বাতিল এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব দোকানে রেশন কার্ড পাওয়া যাবে, সেসব দোকান তদারকির দায়িত্বে নিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সমস্ত এলাকার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রযোজ্য হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বেআইনিভাবে লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ভুয়া রেশনকার্ডধারীদের ঠেকাতে বঙ্গবন্ধুর ডাক

যাবতীয় ভুয়া রেশন কার্ড নিকটস্থ রেশন অফিসে ১৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে ও খাদ্য সংক্রান্ত দুর্নীতির কথা রেশন অফিসকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়। এ নিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারে বিবৃতিও ছাপা হয়। তাতে বলা হয়- ‘ভুয়া রেশন কার্ড করবেন না, রেশন নেবার সময় রশিদের সঙ্গে জিনিস মিলিয়ে নিন। মনে রাখবেন ১৫ দিনের মধ্যে কার্ড জমা না দিলে আইন অনুসারে দণ্ড দেওয়া হবে।’

নিম্নমানের কাপড় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এক সরকারি প্রেসনোটে বলা হয়, আমদানি লাইসেন্স-এর অধীনে বেসরকারি খাতে কাপড় আমদানি নিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। এই ধরনের খবর জনসাধারণের মনে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে। তা দূর করার জন্য পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়- ওজিএল-এর অধীনে আমদানি নগদে করতে হবে। সরকার অনুমোদিত ন্যূনতম মানের নমুনা চেয়ে কম মানের কাপড় যেন আমদানি না হতে পারে সে জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। টেক্সটাইল কমিটি ভারতের কাপড় পরীক্ষা করে দেখবে। ভারত সরকারের টেক্সটাইল কমিশনারের দফতরকে যথাযথভাবে পরীক্ষার কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়।

/এফএ/

সম্পর্কিত

বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের প্রতি বঙ্গবন্ধু

বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের প্রতি বঙ্গবন্ধু

বেলগ্রেডে বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ত দিন

বেলগ্রেডে বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ত দিন

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৩৫

বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে মাদকপাচার বন্ধে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের ত্রিদেশীয় বৈঠকটি আটকে আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বৈঠকটি এ বছরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও অন্য দু’দেশের অনাগ্রহের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতায় আসাও বৈঠক না হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভারত ও মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদকপাচার বন্ধে ত্রিদেশীয় একটি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল গত জানুয়ারিতে, যা হওয়ার কথা ছিল জুনের মধ্যেই। কিন্তু এরইমধ্যে করোনার ভয়াবহতায় ভারত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বাংলাদেশেও করোনার মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। তারপরও জুম প্লাটফর্মে হলেও বৈঠকটি করার চেষ্টা চালিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরইমধ্যে মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলে নেওয়ায় বৈঠকের বিষয়টি আরও  পিছিয়ে যায়।

বিভিন্ন ইস্যুতে ঈদুল আজহার কয়েকদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও এ বিভাগের বিভিন্ন অধিদফতরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকেও ত্রিদেশীয় বৈঠকের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে এই  বৈঠকের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পক্ষগুলোর তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে জুম প্লাটফর্মে বৈঠকও করেছেন তারা। এছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সভা হয়েছে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর জুম প্লাটফর্মে। তখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে ইয়াবার সরবরাহ বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হলে, তারা এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।

এছাড়া উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে সুবিধাজনক সময়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠানেরও সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। আর  ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্যোগ নিতে গত জানুয়ারিতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের মাদক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইসরাত চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ত্রিদেশীয় বৈঠকটির এখনও পর্যন্ত কোনও অগ্রগতি নেই। কোভিডের কারণে পার্টনার দেশগুলোর কোনও উদ্যোগ নেই। কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এ বৈঠক কবে হবে বলা যাচ্ছে না।একতরফা তো আমরা কিছু করতে পারি না।

তিনি বলেন,  ‘আমাদের বর্ডারটা আমরা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছি। যাতে পাচারকারীরা কোভিড পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে। টাস্কফোর্সের মাধ্যমে অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ত্রিদেশীয় উদ্যোগ থাকলে ভালো হয়। এ বিষয়ে দেশের ভেতরেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোভিডের অগ্রাধিকারের কারণে অন্য কাজগুলো কিছু ব্যাহত হচ্ছে।’

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে

ভারত-চীন-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোমেন

ভারত-চীন-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোমেন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বকে শক্ত বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বকে শক্ত বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ

জাতিসংঘে নিজের বিপক্ষেই ভোট দিয়েছে মিয়ানমার

জাতিসংঘে নিজের বিপক্ষেই ভোট দিয়েছে মিয়ানমার

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ০০:২৫

ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের দেখভাল করার দায়িত্ব নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে বিভিন্ন শর্তের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে একমত হয়েছে সরকার। কয়েকদফা আলোচনার পর বুধবার বিকালে মিয়ানমার ও জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালকদের সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর আলোচনায় এ মতৈক্য হয় বলে জানিয়েছেন একাধিক সূত্র। সব ঠিক থাকলে আগস্টে সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘের চুক্তি সই হবে এবং সেপ্টেম্বর থেকে দায়িত্ব নিতে পারে বৈশ্বিক সংস্থাটি।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বুধবার (২৮ ‍জুলাই) বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ ছিল। জাতিসংঘের কিছু চাহিদা ছিল। দুটোকে এক ছাদের তলায় আনতে সমস্যা হচ্ছিল। বেশ কয়েক রাউন্ড বৈঠক হয়েছে। অবশেষে আজ মতের মিলে পৌঁছানো গেছে।’

কী বিষয়ে মিল হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যে পলিসির অধীনে জাতিসংঘ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে তাতেই একমত হয়েছে সবাই। জাতিসংঘের বাংলাদেশ অফিস তাদের সদর দফতর থেকে এ সংক্রান্ত অনুমোদন নেবে।’

জাতিসংঘের সঙ্গে মূল আলোচনা করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। তাদেরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সম্মতির বিষয়গুলো জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

আগস্টে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কার্যক্রম শুরুর জন্য জাতিসংঘের কিছু প্রস্তুতির দরকার হতে পারে। সেজন্য আশা করছি সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তারা ভাসানচরে কাজ শুরু করবে।’

কক্সবাজারের মতো করে জাতিসংঘ ভাসানচরে কার্যক্রম পরিচালনা করবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কিছুটা আলাদা হবে। কারণ দুই জায়গার বাস্তবতা আলাদা। কিছু ক্ষেত্রে মিল থাকতে পারে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘কক্সবাজারে একটি বিপর্যস্থ পরিস্থিতির মধ্যে জাতিসংঘকে কাজ শুরু করতে হয়েছিল। কিন্তু এখানে (ভাসানচর) সব ইতিবাচক অবস্থায় আছে। আমি নিশ্চিত এখানে কাজের গুণগতমান অনেক ভালো হবে।’

মিয়ানমার কারিকুলামে শিক্ষা, সীমিত চলাচল, জীবনযাপনের সীমিত সুযোগ, জীবন দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় এই চুক্তিতে থাকবে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

/এফএ/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসি প্রসিকিউটরকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ তথ্যমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসি প্রসিকিউটরকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ তথ্যমন্ত্রীর

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে রোহিঙ্গা রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে রোহিঙ্গা রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত

মিয়ানমারে সেনা সরকার: থমকে আছে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া

মিয়ানমারে সেনা সরকার: থমকে আছে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বকে শক্ত বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পশ্চিমা বিশ্বকে শক্ত বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ

মডার্না ও সিনোফার্মের প্রায় ২ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ২২:৩৭

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৯ ডোজ। এর মধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৮২ লাখ ৭০ হাজার ৪২২ জন এবং টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৩২৭ জন। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার টিকা। বুধবার (২৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বুধবার একদিনে মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩২ জনকে।       

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, বুধবার কোভিশিল্ডের কোনও ডোজ দেওয়া হয়নি। এপর্যন্ত কোভিশিল্ড টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন। আর  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্য থেকে আরও জানা যায়, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছ সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।  

পাশাপাশি বুধবার ফাইজারেরও কোনও ডোজ দেওয়া হয়নি। এখনও পর্যন্ত ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ৫২৩ জনকে।

এছাড়া এ পর্যন্ত সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হয়েছে মোট  ১৮ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫৪ ডোজ। এর মধ্যে  প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৮ লাখ ৫৪ হাজার ৭০১ জনকে। আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ৯৫৩ জনকে।

এ পর্যন্ত মডার্নার টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫৩ ডোজ। এরমধ্যে বুধবার দেওয়া হয়েছে ৬৩ হাজার ৭৩৮ ডোজ।

প্রসঙ্গত, টিকার জন্য এখনও পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ১ কোটি ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ১২৭ জন।

/এসও/এপিএইচ/  

সম্পর্কিত

একদিকে লাশ হয়ে বের হচ্ছে, অপরদিকে রোগী ভর্তি হচ্ছে

একদিকে লাশ হয়ে বের হচ্ছে, অপরদিকে রোগী ভর্তি হচ্ছে

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ছিল বিএনপির আমলেই: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ২১:৪০

বিএনপি'র আমলেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ছিল বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আওয়ামী লীগ সরকার এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ইনস্টিটিউট আয়োজিত সেরা অটোমেটেড আর্থিক প্রতিবেদন পুরস্কার-২০২১ অনুষ্ঠানে অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

‘সরকার দলীয়করণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস-দলাদলির কথা যদি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে যে কী পরিমাণ সন্ত্রাস হয়েছে, তা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মারামারিতে বুয়েট শিক্ষার্থী সনির মৃত্যু,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির নিয়োগ করা ভিসির রাতের বেলা অফিস দখল করা থেকেই বোধগম্য। মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলেছেন, সেগুলো তাদের বেলাতেই প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, গত সাড়ে ১২ বছরে শিক্ষাঙ্গনে সেশনজট অনেক কমে গেছে, একেবারে নেই বললেই চলে আর বিএনপি-জাতীয় পার্টির আমলে চার বছরের কোর্স শেষ করতে সাত বছর লেগে যেতো।


শিক্ষার্থীদের দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, তারা যাতে ঠিক শিক্ষা লাভ করে ঠিক সময়ে বেরিয়ে আসতে পারে সেবিষয়ে সরকার অত্যন্ত যত্নবান এবং এবিষয়ে অনেক সফলতা এসেছে।

এর আগে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস ইনস্টিটিউটের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে অটোমেশন পদ্ধতি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে দেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী সাবেক সিনিয়র সচিব শুভাশিস বোস অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

অ্যামনেস্টির গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

অ্যামনেস্টির গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের বন্ধু সায়মন ড্রিংয়ের প্রয়াণে তথ্যমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশের বন্ধু সায়মন ড্রিংয়ের প্রয়াণে তথ্যমন্ত্রীর শোক

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসি প্রসিকিউটরকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ তথ্যমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসি প্রসিকিউটরকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ তথ্যমন্ত্রীর

চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের সুবিধা পাবেন টিভি শিল্পীরাও: তথ্যমন্ত্রী

চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের সুবিধা পাবেন টিভি শিল্পীরাও: তথ্যমন্ত্রী

একদিকে লাশ হয়ে বের হচ্ছে, অপরদিকে রোগী ভর্তি হচ্ছে

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ২১:৫৭

রাজধানীর হাসপাতালগুলোয় করোনা রোগীর ঠাঁই নেই। একদিক দিয়ে মরদেহ বের করা হচ্ছে, আরেকদিক দিয়ে জরুরি রোগীর ভিড় বাড়ছে। কেউ আবার আইসিইউ না পেয়ে ছুটছেন এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে। কেউ আবার সিট পাওয়ার আসায় অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অপেক্ষা করছেন কেউ রিলিজ নিয়ে বাসায় গেলে সেই সিটটা যদি কপালে জোটে। সেই সঙ্গে আছে স্বজনদের আহাজারি। বুধবার (২৮ জুলাই) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগের সামনে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

ঢামেক হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে বের হচ্ছেন স্বজনরা বুধবার বিকালে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল একটি মরদেহ। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে আছে চারপাশ। যিনি মারা গেছেন, তার নাম স্বপন কুমার সাহা (৮৫)। গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের বাসিন্দা। মৃতের মেয়ে বিউটি সাহা বলেন, ‘আমার বাবা শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। প্রথমে তাকে রাজধানীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে চিকিৎসকরা দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার কথা জানান। তখন তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েক দিন রেখে গতকাল ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করি। এখানে আইসিইউ না পেয়ে তাকে রাখা হয় সিসিইউতে। চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ বুধবার বিকাল তিনটায় বাবার মৃত্যু হয়।’

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি একই সময়ে দেখা হয় মিরপুরের মধ্যপাইকপাড়ার বাসিন্দা সোহেল মিয়ার সঙ্গে। তার স্ত্রী সুমি বেগম (৩০) পাঁচ দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। তার ওপর এখন শুরু হয়েছে শ্বাসকষ্ট। পরে কোনও উপায় না পেয়ে প্রথমে স্থানীয় ডেলটা হাসপাতালে নিয়ে যান সোহেল মিয়া। সেখানে রাখেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে সেখান থেকে টেকনিক্যালস্থ ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে। সেখানেও একই অবস্থা। পরে সেখান থেকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেন স্বামী। সেখান থেকে বিকালে ঢামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়ে আসেন। এখানে চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করানোর পরে ওয়ার্ড বয়রা তাকে অক্সিজেন দিয়ে ওয়ার্ডে নিয়ে যান।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা ইউনুস মিয়া (৬৩)। আজ সকালে তাকে করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা। রোগীর জামাতা মো. ফারুক জানান, এখানে চিকিৎসারত অবস্থায় ছিলেন তিনি। বিকালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার আইসিইউতে নিতে হবে। কিন্তু এখানে আইসিইউ না পেয়ে বিকালে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছেন।

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি করোনা ইউনিটের জরুরি বিভাগে ভর্তির রেজিস্টার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

করোনা ইউনিটের একটি ওয়ার্ডের বয় জানান, তাদের ওখানে কোনও সিট ফাঁকা নেই, কিন্তু রোগীর চাপ খুবই বেশি। তাই হাসপাতাল পরিচালকের নির্দেশে অতিরিক্ত সিট বসিয়ে অনেক রোগী ভর্তি করা হচ্ছে।

একই ইউনিটের আরেকজন নার্স জানিয়েছেন, যেসব রোগীর এক থেকে দুই লিটার অক্সিজেন প্রয়োজন হয়, তাদের সিলিন্ডার দিয়ে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাদের বেশি লাগছে তাদের সেন্ট্রাল অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তারপর যাদের অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যায়, তাদের হাইফ্লো মেশিনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

ঢামেক হাসপাতালে করোনা রোগী নিয়ে ছোটাছুটি ঢামেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, ‘বেশ কিছু দিন ধরে কোনও রকম বেড ফাঁকা থাকছে না। একটি বেড ফাঁকা হতেই আরেকজন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিল ৬৭ জন। বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৫০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।’ রোগীর স্বজনরা আইসিইউ না পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করছেন জানানো হলে তিনি বলেন, ‘এটা এখন সোনার হরিণ। এখানে তো সিরিয়াল লেগেই থাকে। একটি সিট ফাঁকা হতেই সিরিয়াল দেওয়া রোগীদের স্থানান্তরিত করা হয়। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। খারাপ রোগীদের জন্য সিটের বাইরেও অনেক রোগী ভর্তি দিয়েছি। তাদের শেয়ার করেও রাখছি।’

 

/ইউআই/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মডার্না ও সিনোফার্মের প্রায় ২ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

মডার্না ও সিনোফার্মের প্রায় ২ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

একদিনে ঢাকা বিভাগে শনাক্ত ৮২৭১ জন

সর্বশেষ

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের প্রতি বঙ্গবন্ধু

বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের প্রতি বঙ্গবন্ধু

বেলগ্রেডে বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ত দিন

বেলগ্রেডে বঙ্গবন্ধুর ব্যস্ত দিন

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর ১৮ দিনের বিদেশ সফর ২৬ জুলাই

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

তিন ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান বৈঠক শুরু ২৪ জুলাই

তিন ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তান বৈঠক শুরু ২৪ জুলাই

বঙ্গবন্ধুর আসন্ন বেলগ্রেড সফর তাৎপর্যপূর্ণ

বঙ্গবন্ধুর আসন্ন বেলগ্রেড সফর তাৎপর্যপূর্ণ

বাংলাদেশ মুক্তিকামী জনতার পাশে থাকবে: বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ মুক্তিকামী জনতার পাশে থাকবে: বঙ্গবন্ধু

বকেয়া বিল আদায় ও ভুয়া কার্ড উদ্ধারে অভিযান

বকেয়া বিল আদায় ও ভুয়া কার্ড উদ্ধারে অভিযান

বঙ্গবন্ধু বিদেশ যাচ্ছেন শান্তি অভিযানে

বঙ্গবন্ধু বিদেশ যাচ্ছেন শান্তি অভিযানে

ফারাক্কা বাঁধ চালু হবে না

ফারাক্কা বাঁধ চালু হবে না

© 2021 Bangla Tribune