X
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে রোহিঙ্গা রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ২৩:২৯

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তীব্র মতভেদের মধ্যে রোহিঙ্গাবিষয়ক একটি রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে সোমবার (১২ জুলাই) জেনেভায় মানবাধিকার কাউন্সিলে গৃহীত হয়েছে। এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ ফোরামে রোহিঙ্গাবিষয়ক কোনও রেজুলেশন সবার সম্মতিতে গৃহীত হলো। এমনকি ২০১৭ সালে যখন রোহিঙ্গাদের ওপর চরম নির্যাতন চলছিল তখনও রোহিঙ্গাদের পক্ষে কোনও রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়নি।

গত এক মাসের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে নিবিড় ও সুদীর্ঘ আপস-আলোচনা পর এটি সম্ভব হয়। কূটনীতির বিচারে এটি একটি বড় অর্জন। কারণ, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে প্রথম থেকেই প্রস্তাবের বিভিন্ন বিষয়ে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রবল মতভেদ ছিল।

একদিকে ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র ইরান, মিশর ও অন্যান্যরা মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রেজুলেশনে কোনও কিছু অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধী ছিল। অন্যদিকে ইউরোপিয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো রাজনৈতিক পরিস্থিতির উল্লেখ না থাকলে অ্যাবস্টেইন (ভোটদানে বিরত থাকা) করার হুমকি দেয়। এখানেই শেষ নয়; তৃতীয় পক্ষ চীন ও রাশিয়ার মতো বড় শক্তি যেকোনও ধরনের রোহিঙ্গা রেজুলেশন সবসময় বিরোধিতা করে আসছে।

জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) এর সব সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক রেজুলেশনটি পেশ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সব পক্ষকে একমত করানোর জন্য প্রথম থেকেই সব স্তরে সব ধরনের চেষ্টা করেছি। অবশেষে কোনও রাষ্ট্রই এই রেজুলেশনের বিরোধিতা করেনি, যেটি বাংলাদেশের কূটনীতির একটি বড় অর্জন।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে আমরা ওআইসি রাষ্ট্রগুলোকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি, এই রেজুলেশনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বাস্তবতা থাকতে হবে। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোকে মানবাধিকারের বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত হওয়ার অনুরোধ করেছি।’

চীন ও রাশিয়া কেন রেজুলেশন মেনে নিলো জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি একাধিকবার তাদের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে দেখা করেছি। আমার অন্য সহকর্মীরা তাদের স্তরে যোগাযোগ রেখেছে। শেষ পর্যন্ত তারা কোনও বিরোধিতা করেনি।’

প্রস্তাবটির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জাতিসংঘের আলোচ্য সূচিতে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি সক্রিয় আলোচনায় রাখা প্রয়োজন।’ কেবল মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব সম্প্রদায়ের রোহিঙ্গাদের প্রতি মনোযোগ হারানো উচিত হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে নিজেদের আবাসস্থলে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দৃশ্যমান ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। 

কী আছে রেজুলেশনে

জেনেভা দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রস্তাবটিতে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদান করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। এছাড়া, তাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া পর্যন্ত এ গুরুভার বহনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

গৃহীত এ প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সব প্রকার নির্যাতন, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনা এবং তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকেও সমর্থন জানানো হয়। এছাড়া, প্রস্তাবটিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চলমান সব প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে এ রূপ পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এখতিয়ারের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রস্তাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশন’ এর সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া, এ প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ’ বিষয়ে মানবাধিকার পরিষদে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। 

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৩৯

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে যুক্তরাজ্য।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক ঘোষণায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে এম্বার লিস্টে দেওয়া হচ্ছে।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হবে। এর আগে কেউ যদি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে সফর করে তবে রেড লিস্ট অনুযায়ী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

এর আগে, করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গত ২ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো যুক্তরাজ্য।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলো যুক্তরাজ্য

/এসএসজেড/এমএস/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ফিরেছেন বিমানের ১২৪ যাত্রী 

ভারত থেকে ফিরেছেন বিমানের ১২৪ যাত্রী 

যুক্তরাজ্যের রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা: ২০ দেশের ওপর থেকে বিধি নিষেধ প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা: ২০ দেশের ওপর থেকে বিধি নিষেধ প্রত্যাহার

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০১

আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে কাজ করতে বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোকে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী সব অংশীজনের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

আজ ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডাকা ‘মেজর ইকোনমিক ফোরাম অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সম্মেলনে আগে ধারণ করা ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ফোরামের বিবেচনার জন্য ছয় দফা প্রস্তাব রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে প্রধান কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার লক্ষ্যে তাদের কার্বন নির্গমন হ্রাস করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, জলবায়ু তহবিলের জন্য উন্নত দেশগুলোর বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্গীকার পূরণ এবং অভিযোজন ও প্রশমনের মধ্যে ৫০:৫০ বিতরণ করতে হবে।

তৃতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি সবচেয়ে কার্যকর জ্বালানি সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তার চতুর্থ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উত্তরণের ক্ষেত্রে, জাতি-রাষ্ট্রগুলোর সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন অগ্রাধিকারগুলোর হিসাব নেওয়া এবং তাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লোকসান ও ক্ষতির বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী তার পঞ্চম প্রস্তাবে বলেছেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা ও খরার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনের দায়িত্ব সব দেশকে ভাগ করে নেওয়া দরকার।

তিনি আগামী নভেম্বরে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিতব্য কপ-২৬ সম্মেলনে দৃঢ় ও তাৎপর্যপূর্ণ ফলাফল কামনা করেন এবং এ লক্ষ্যে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা ও খরার প্রভাব ছাড়াও ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা জোরপূর্বক মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে বাংলাদেশ গুরুতর জলবায়ু প্রভাবের সম্মুখীন হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন প্রচেষ্টায় তার সরকারকে অগ্রণী উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রতি একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও হালনাগাদকৃত এনডিসি জমা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সর্বাধিক বিস্তৃত অভ্যন্তরীণ সৌরশক্তি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে, যা জলবায়ু ঝুঁকি থেকে জলবায়ু সহিষ্ণুতা এবং তা থেকে জলবায়ু সমৃদ্ধি পর্যন্ত একটি যাত্রা।

জলবায়ু ঝুঁকি ফোরাম (সিভিএফ) এবং ভি-২০’র সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপ্টেশনের দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমেও বাংলাদেশ সেরা অনুশীলন ভাগ করে নেয়।

সূত্র: বাসস

/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও 'বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে' ঘোষণা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৪

জাতিসংঘে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের দিন ২৫ সেপ্টেম্বরকে এবারও ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বারের মতো এই দিবস উদযাপিত হতে যাচ্ছে।

গত ২১ জানুয়ারি সিনেটর স্টেভেস্কি বিলটি নিউ ইয়র্ক স্টেটের আইন পরিষদে উত্থাপন করেন। ২৬ জানুয়ারি সর্বসম্মতভাবে বিলটি পাস হয়। এটির সিনেট রেজ্যুলেশন নম্বর জে-০০১৯৭। নিউ ইয়র্ক স্টেট সেক্রেটারি আলেন্ড্রো এন পলিনো গত ১৪ মার্চ স্টেট গভর্নর স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্রের কপি ২০ জানুয়ারি বিতরণ করেছেন।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ছিল নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশন। অধিবেশন কক্ষে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রনায়ক ও সরকারপ্রধানরা। অধিবেশনে সভাপতির আসনে আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রামের নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা। তিনি 'বাঙালি জাতির মহান নেতা' হিসেবে পরিচিতি দিয়ে বক্তৃতা মঞ্চে আহ্বান করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

বাঙালির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু আরোহণ করলেন বক্তৃতা মঞ্চে। প্রথম এশীয় নেতা, যিনি এই অধিবেশনে সবার আগে ভাষণ দেবেন। দৃপ্ত পায়ে বক্তৃতা মঞ্চে উঠে ডায়াসের সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শুরু করেন মাতৃভাষা বাংলায়। যে ভাষার জন্য ঢাকার রাজপথে বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল, সেই ভাষায় প্রথম ভাষণ দেন জাতিসংঘে।এভাবে বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে আবার ঠাঁই করে দিলেন। এর আগে ১৯১৩ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী জেনেছিল বাংলা ভাষার অমর আবেদন। এর ষাট বছর পর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে উচ্চারণ করলেন বিশ্বসভায় বাংলা ভাষার অমর শব্দগুচ্ছ।

সূত্র: বিএসএস। 

/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

আটকে পড়া বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু

আটকে পড়া বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু

ভারত-পাকিস্তান চুক্তি: যা বললেন বঙ্গবন্ধু

ভারত-পাকিস্তান চুক্তি: যা বললেন বঙ্গবন্ধু

ফিনল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৮

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যাওয়ার পথে ফিনল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় তিনি ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। 

ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। 

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য উল্লেখ করেছেন।
 
একদিন ফিনল্যান্ডে অবস্থান শেষে রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় হেলসিংকির ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটে  (বিজি-১৯০২) নিউ ইয়র্কে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। 

সেদিন নিউ ইয়র্ক সময় বিকাল ৬টায় জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে  আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তার সফরকালীন আবাসস্থল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেসে যাবেন।

 করোনা মহামারির ১৯ মাস পর এই প্রথম কোনও বিদেশ সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

/ইএইচএস/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও 'বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে' ঘোষণা

বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও 'বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে' ঘোষণা

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৪

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতি, লুটপাট ও অপচয়ের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘সমাজে দুর্নীতি আছে, এটি নিয়ে আমরা চিন্তিত। অসহিষ্ণুতা নয়, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি হ্রাস করা হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্র্যাসি’র ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায় ডিবেট ফর ডেমোক্র্যাসি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বস্তরের দুর্নীতির প্রতিকার করা জরুরি। হাইটেক পার্কে যেসব ব্যত্যয় ঘটেছে তা দূরীকরণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উচ্চশিক্ষার প্রসারে সরকার আন্তরিক এবং সে জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, যেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অটোমেশন বা যান্ত্রিকীকরণ প্রক্রিয়ায় পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্র্যাসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘বাংলাদেশও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পথচলা শুরু করেছে। কিন্তু দ্রুতগতির চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে বাংলাদেশ কতখানি যুক্ত হতে পারছে সেটি হচ্ছে আলোচনার বিষয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মেশিন টু মেশিন যোগাযোগ, বিগ ডাটা, রিয়েল টাইম ডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আধুনিক রোবটিক্স, ন্যানো টেকনোলজি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, থ্রিডি প্রিন্টিং, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ইত্যাদি বিষয় চলে আসে। কিন্তু এগুলোর কোনোটিতেই এখনও আমরা আশানুরূপ অবস্থান তৈরি করতে পারিনি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে যুক্ত হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ইন্টারনেট সুবিধা। অথচ ইন্টারনেট গতিতে সুদান, লিবিয়া, সিরিয়া, সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, উগান্ডার মতো দেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম। ইন্টারনেট গতিতে বাংলাদেশের পিছনে রয়েছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনিজুয়েলা। তবে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে অনলাইন সেবা চালু হয়েছে। চালু হয়েছে ৯৯৯ ও ৩৩৩-এর মতো জরুরি সেবা কার্যক্রম, মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স, অনলাইন মার্কেটিং ইত্যাদি কার্যক্রম।’

অনুষ্ঠানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ১০টি সুপারিশ করা হয়। নিম্নে এগুলো উল্লেখ করা হলো:

১। মোবাইল কোম্পানিগুলো প্রতি জিবিতে ৩০০ গুণ মুনাফা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই সারাদেশে সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করা।

২। প্রথাগত শিক্ষার বাইরে বৃত্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা। 

৩। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে বিভিন্ন সেক্টরের ওপর যে প্রভাব পড়বে তা নিরূপণ করে নিরসনের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা।

৪। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর না করে রফতানিমুখী শিল্পসহ অন্যান্য সেক্টরে উৎপাদন বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা।

৫। সৃজনশীল ও বুদ্ধিভিত্তিক চর্চার সুযোগ বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অধিক হারে গবেষণার সুযোগ প্রদান করা।

৬। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন সমস্যাকে প্রযুক্তি ও বুদ্ধিভিত্তিক উপায়ে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া। 

৭। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো।

৮। হাইটেক পার্কসমূহে যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৯। প্রযুক্তিতে দক্ষ-অদক্ষ মানুষের মধ্যে সমাজে যেন বৈষম্য তৈরি করতে না পারে তা বিবেচনায় অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা।

১০। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে কর্মসংকোচনের যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে তা নিরসনে ক্রান্তিকালীন কর্মসূচি গ্রহণ করা।

প্রতিযোগিতায় নর্দার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির বিতার্কিকরা চ্যাম্পিয়ন হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

 

/আরটি/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

যা আছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

সর্বশেষ

আবারও আইসিইউতে পেলে

আবারও আইসিইউতে পেলে

হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আবারও থানায় ইভ্যালির রাসেল

হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আবারও থানায় ইভ্যালির রাসেল

অভিনেত্রী রিমি করিমের কণ্ঠ পুরুষের মতো!

অভিনেত্রী রিমি করিমের কণ্ঠ পুরুষের মতো!

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল

© 2021 Bangla Tribune