X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাটের পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুও

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৪
image

সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমাকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হওয়া বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছে আট শতাধিক মানুষ। সম্প্রতি সহিংস হয়ে উঠেছে এই বিক্ষোভ। রাস্তাঘাট ও দোকানে অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি লুটপাটও চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

দুর্নীতি মামলার তদন্তের সময় আদালত অবমাননার দায়ে ১৫ মাসের কারাদণ্ড পাওয়ার পর গত সপ্তাহে পুলিশের কাছে ধরা দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা। এরপরই বিক্ষোভ শুরু করে তার সমর্থকেরা। এই সপ্তাহের শুরুতে সহিংস হয়ে উঠতে শুরু করেছে বিক্ষোভকারীরা। অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি লুটপাটও চালানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ মন্ত্রী ভেকি চেলে সাংবাদিকদের বলেছেন, লুটপাট অব্যাহত থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রির সংকট দেখা দিতে পারে। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোসিভিয়ে মাপিসা-নাকুলা জানিয়েছেন কাওয়াজুলু-নাটাল এবং গাউতেং প্রদেশে এখনও জরুরি অবস্থা ঘোষণার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

কাওয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের প্রিমিয়ার শিহলে জিকালা জানিয়েছেন, সেখানে এখন পর্যন্ত ২৬ জন নিহত হয়েছে। গাউতেং প্রদেশে ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা, বড় সাফল্য বলছে ফ্রান্স

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা করেছে ফ্রান্স

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

রবার্ট মুগাবেকে ঘুষ দেয় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

রবার্ট মুগাবেকে ঘুষ দেয় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

শান্তিপূর্ণ উপায়ে আফগান পরিস্থিতি সামালের তাগিদ ব্রিকস নেতাদের

ব্রিকস সম্মেলনে গুরুত্ব পেলো আফগান পরিস্থিতি

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২০

নতুন অন্তর্বর্তী সরকারে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কথা অস্বীকার করেছেন তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গণি বারাদার। এছাড়া কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সংঘাতে আহত হওয়ার খবরও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আফগান ন্যাশনাল টিভিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মোল্লা বারাদর। এই সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও তালেবানের দোহা কার্যালয়ের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বারাদারের কাছে তার আহত হওয়ার গুজব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এটা কোনওভাবেই সত্য নয়। সকল প্রশংসা আল্লাহর আমি সুস্থ এবং ভালো আছি। সংবাদমাধ্যমে আমাদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের যে দাবি করা হচ্ছে তাও সত্যি নয়।’

মোল্লা বারাদার বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা যে আমাদের মধ্যে প্রচুর দয়া এবং ক্ষমার মনোভাব রয়েছে। আর এটি এমন যে তা কোনও পরিবারের মধ্যেও থাকে না। এছাড়া আমরা বহু বছর ধরে দখলদারিত্ব অবসানের জন্য দুর্ভোগ সহ্য করেছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি। এর কোনওটাই ক্ষমতা কিংবা পদ পাওয়ার জন্য নয়।’

কাবুলের বাইরে একটি সফরে থাকার দাবি করে মোল্লা বারাদার বলেন, যে স্থানে সফর করছিলাম সেখানে সংবাদমাধ্যমের দাবি খণ্ডানোর উপায় ছিলো না। তিনি বলেন, সেকারণে আমরা আফগান জনগণ এবং সব সিনিয়র ও জুনিয়র মুজাহিদিনদের আতঙ্কিত না হতে বলছি, উদ্বিগ্ন হওয়ার আসলে কিছু নেই।’

গত রবিবার কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাবুল সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হলেও ছিলেন না মোল্লা বারাদার। এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম না কাতার থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন। জানতে পারলে আমরা সফর স্থগিত করতাম। আর আমরা সফরে থাকার কারণেই সাক্ষাৎ ঘটেনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সফর থেকে ফেরা সম্ভব ছিলো না। আগে খবর পেলে আমরা অন্য বন্ধুদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতাম।’

তালেবান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোল্লা বারাদার কান্দাহারে গেছেন। সেখানে গ্রুপটির সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বসবাস করেন বলে মনে করা হয়।

/জেজে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২০
তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সম্পর্কিত

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯০০ কোটি ডলার বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২১

আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও নয়শ’ কোটি ডলারের প্রস্তাব করেছে তাইওয়ান। দেশটির নিজস্ব মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪০ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলার। চীনের ‘মারাত্মক হুমকি’র মুখে অস্ত্রের উন্নয়ন ঘটানো অতি জরুরি হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২২ সালে তাইওয়ানের সামরিক ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ৪৭১.৭ তাইওয়ান ডলারের। এর অতিরিক্ত হিসেবেই ওই অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব পার্লামেন্টে অনুমোদিত হতে হবে। পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন-ওয়েন এর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সহজেই এই অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের পর তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘চীনা কমিউনিস্ট জাতীয় প্রতিরক্ষা বাজেটে বিপুল বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে, তাদের সামরিক শক্তি দ্রুত বাড়ছে আর তারা আমাদের সমুদ্র এবং আকাশসীমায় হয়রানি করতে বারবার বিমান এবং জাহাজ পাঠাচ্ছে।’

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘শত্রুর ক্রমাগত হুমকির মুখে দেশের সেনাবাহিনী সক্রিয়ভাবে সামরিক ক্ষমতা অর্জন ও প্রস্তুতিমূলক কাজ করছে আর আধুনিক ও ব্যাপক অস্ত্র উৎপাদন স্বল্প মেয়াদের মধ্যে জরুরি হয়ে পড়েছে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

শুরু হচ্ছে দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত

তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের

তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান পাকিস্তানের

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৩২

তালেবান আকস্মিকভাবে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় বিপদে পড়েছেন শত শত আফগান কূটনীতিক। দূতাবাস সচল রাখার অর্থও যেমন ফুরিয়ে যাচ্ছে তেমনি পরিবারের কাছে ফিরতে পারার আশঙ্কাও রয়েছে। অনেকেই বিদেশে শরণার্থী হিসেবে থেকে যাওয়ার আবেদন করেছেন। তবে তালেবান কর্তৃপক্ষ সব দূতাবাসে চিঠি দিয়ে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আটটি দূতাবাসের কর্মীরা নিজ নিজ দূতাবাসের স্থবিরতা এবং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন। এর মধ্যে কানাডা, জার্মানি ও জাপানের আফগান দূতাবাসের কর্মীরাও রয়েছেন।

বার্লিনের এক দূতাবাস কর্মী বলেন, এখানে আমার সহকর্মী এবং আরও বহু দেশের কর্মীরা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাদের গ্রহণ করার আবেদন করেছেন। তবে তিনি এখনও আবেদন করেননি। কারণ হিসেবে তিনি জানান, এখনও কাবুলে থেকে যাওয়া স্ত্রী ও চার মেয়ের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি আক্ষরিকভাবেই ভিক্ষা চাইছি, আমাকে কূটনীতিক থেকে শরণার্থী করে দিন।’ কাবুলের একটি বাড়িসহ তার কাছে থাকা সবকিছুই বিক্রি করে দিতে পারেন বলেও জানান তিনি।

গত মঙ্গলবার কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, সব আফগান দূতাবাসেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা পাঠিয়েছে তালেবান। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তান আপনাদের জন্য বিনিয়োগ করেছে, আপনারা আফগানিস্তানের সম্পদ।’

এক সিনিয়র আফগান কূটনীতিকের ধারণা বিশ্ব জুড়ে আফগান দূতাবাসে কর্মরত এবং সরাসরি তাদের ওপর নির্ভরশীল রয়েছে প্রায় তিন হাজার। গত ৮ সেপ্টেম্বর আশরাফ গণির উৎখাত হওয়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে দূতাবাসগুলোতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

তবে এসব আহ্বানে মাঠ পর্যায়ের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি উত্তরণের কোনও নির্দেশনা নেই বলে মনে করেন আফগান দূতাবাস কর্মীরা। কানাডায় থাকা এক কর্মী বলেন, ‘অর্থ নেই। এই অবস্থায় কাজ চালানো সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে আমাকে বেতন দেওয়া হচ্ছে না।’

দিল্লির দুই দূতাবাস কর্মীও জানিয়েছেন কার্যক্রম চালানোর মতো অর্থ তাদের নেই। তারা বলছেন, আগের সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় তালেবানের হাতে নিপীড়নের শঙ্কায় দেশে ফিরবেন না তারা। ভারতেই শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

/জেজে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:২৮
ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সম্পর্কিত

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯০০ কোটি ডলার বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৮

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তের বিরুদ্ধে  তদন্ত শুরুর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। তার বিরুদ্ধে ‘মাদক বিরোধী যুদ্ধে’র নামে শত শত মানুষ হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্ত করবে আইসিসি। তদন্ত শুরুর ঘটনাকেই নৈতিক জয় বলে দাবি করেছেন মানবাধিকার কর্মী এবং হতাহতদের পরিবারের সদস্যরা।

হেগ ভিত্তিক আদালতের তরফে বুধবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই অভিযানে শত শত মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরুর যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে। এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট আইনি উপাদানও রয়েছে।

আইসিসির প্রাক-বিচারিক চেম্বার আরও বলেছে, কথিত মাদকবিরোধী যুদ্ধকে বৈধ আইন প্রয়োগকারী অভিযান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আর হত্যাকাণ্ড কোনও ভাবেই বৈধ এবং বৈধ অপারেশনের ফলাফল হিসেবে দেখা যাবে না।

দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর আদেশে স্বাক্ষরকারী বিচারকেরা হলেন পিটার কোভ্যাকস, রেইন আদেলাইডি সোফি আলাপিনি-গানসো এবং মারিয়া দের সোকোরো ফ্লোরস লিয়েরা।

আদালত জানিয়েছে, অন্তত ২০৪ জন আক্রান্তের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা প্রমাণ বিবেচনায় নিয়েছেন বিচারকেরা। এতে দেখা গেছে, বেসামরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপক এবং কাঠামোগত হামলা চালানো হয়েছে।

আইসিসির সাবেক প্রসিকিউটর ফাতহু বেনসুদা ওই তদন্ত শুরুর আবেদন করেন। গত জুনে তিনি অবসর নেন। তার উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রসিকিউটর করিম খান এখন মূল তদন্ত এবং মামলার সম্ভাব্য বিচার তদারকি করবেন।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯০০ কোটি ডলার বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের

তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান পাকিস্তানের

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা, বড় সাফল্য বলছে ফ্রান্স

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৫

গ্রেটার সাহারা অঞ্চলে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস প্রধান আদনান আবু ওয়ালিদ আল-সাহারায়িকে হত্যা করেছে ফ্রান্সের সেনাবাহিনী। মার্কিন সেনা ও বিদেশি ত্রাণকর্মীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় তাকে খোঁজা হচ্ছিলো।

বৃহস্পতিবার ভোরে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রন এক টুইট বার্তায় লেখেন আদনান আবু ওয়ালিদ আল-সাহারায়িকে ‘নিরস্ত্র করেছে ফরাসি সেনাবাহিনী।’ অভিযানের বিস্তারিত আর কোনও কিছু না জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘সাহেল এলাকায় সন্ত্রাসী গ্রুপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটা আরেকটা বড় অর্জন।’

২০২০ সালে ফরাসি ত্রাণ কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছিলো আদনান আবু ওয়ালিদ। এছাড়া ২০১৭ সালে নাইজারে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার ঘটনায় তাকে খোঁজা হচ্ছিলো।

মালি, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো অঞ্চলের জঙ্গি হামলার ঘটনার বেশিরভাগের জন্যই গ্রেটার সাহারা এলাকার আইএসকে দায়ী করা হয়। আদনান আবু ওয়ালিদকে ধরিয়ে দিতে ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।

২০১২ সালে মালির উত্তরাঞ্চল বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ২০১৩ সালে ফ্রান্সের সামরিক হস্তক্ষেপের পর শহর এলাকা ছেড়ে যায় এসব গোষ্ঠী।

/জেজে/

সম্পর্কিত

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হবেন প্যারিসের প্রথম নারী মেয়র

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন প্যারিসের মেয়র

তালেবান সরকারের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই: ফ্রান্স

তালেবান সরকারের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই: ফ্রান্স

গিনিতে অভ্যুত্থান চেষ্টা: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের দাবি

গিনিতে ক্ষমতা দখলের দাবি সেনাদের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা, বড় সাফল্য বলছে ফ্রান্স

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা করেছে ফ্রান্স

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

রবার্ট মুগাবেকে ঘুষ দেয় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

রবার্ট মুগাবেকে ঘুষ দেয় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো

শান্তিপূর্ণ উপায়ে আফগান পরিস্থিতি সামালের তাগিদ ব্রিকস নেতাদের

ব্রিকস সম্মেলনে গুরুত্ব পেলো আফগান পরিস্থিতি

গিনিতে অভ্যুত্থান চেষ্টা: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের দাবি

গিনিতে ক্ষমতা দখলের দাবি সেনাদের

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

হাজার হাজার বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি ইথিওপিয়ার

হাজার হাজার বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি ইথিওপিয়ার

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত

মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো আলজেরিয়া

মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো আলজেরিয়া

সর্বশেষ

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

গৃহহীনদের ঘরের ‘দুর্নীতি তদন্ত’ দুদক বন্ধ করবে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

গৃহহীনদের ঘরের ‘দুর্নীতি তদন্ত’ দুদক বন্ধ করবে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি: তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি: তথ্যমন্ত্রী

মিথিলার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ, মুখ খুলছে ‘অমানুষ’ টিম

মিথিলার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ, মুখ খুলছে ‘অমানুষ’ টিম

© 2021 Bangla Tribune