X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

মাওলানা কাসেমী নেই বলেই সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ১৫:৫২

২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম একাংশের জোটত্যাগের প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জমিয়তের যিনি মহাসচিব ছিলেন, মাওলানা কাসেমী সাহেব, অত্যন্ত শ্রদ্ধার মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবেই শ্রদ্ধা করতাম। সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক বলতে যা বুঝায়, তা তিনি ছিলেন এবং বড় আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন। উনি মারা যাওয়াতেই এই সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছে। এটার ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।

আজ রবিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো জানাতে আজ তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে সাংবাদিকরা জমিয়তের জোটত্যাগের বিষয়টি উত্থাপন করার পর মির্জা ফখরুল বিস্তারিত কথা বলেন।

গত ১৪ জুলাই বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ত্যাগের কারণ হিসেবে জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, আলেমদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ না করা, জমিয়তের প্রয়াত মহাসচিব নূর হোসেন কাসেমীর মৃত্যুতে বিএনপির পক্ষ থেকে সমবেদনা না জানানো এবং তার জানাজায় শরিক না হওয়া প্রভৃতি কারণে তারা জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সেদিনই (১৪ জুলাই) আমাকে এক সাংবাদিক ফোন করেছিলেন। আমি বলেছিলাম, এটা তো হচ্ছে রাজনীতি। রাজনীতি ভাঙাগড়ার খেলা। কখনো একুল ভাঙে, ওকূল গড়ে- এরকম চলে। মূল বিষয়টা সেটা না। বিষয়টা হচ্ছে, তারা চলে যাবেন, সরকারের চাপে, মামলা মোকাদ্দমা, প্রচণ্ডরকমের চাপ, তারওপর অনেকের চাকরি চলে যাবে। বেশিরভাগই তারা মাদ্রাসায় চাকরি করেন। তারা তো যেতেই পারেন। তারা রাজনীতিতে টিকতে পারছেন না, যেতেই পারেন। কিন্তু যাওয়ার সময় সত্য কথাগুলো বলে যাওয়াই ভালো। অযথা অন্যদের দোষারোপ করে তারা একটা নজির সৃষ্টি করতে চান, এটা ঠিক না।’ বিএনপির সঙ্গে জমিয়ত একাংশের কখনওই কোনও সমস্যা হয়নি বলেও দাবি করেন বিএনপির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২০ দলীয় জোটের যে ঘোষণাপত্র তখন (গঠনের সময়, ২০১২ সালে) ছিল- তাতে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জোট এবং ওই আন্দোলনের পরই নির্বাচনে যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে কিন্তু শরিক যে কোনও দল তার নিজস্ব রাজনীতি করবে, নিজেদের কথা বলবে, সেখানে আরেকটি রাজনৈতিক দলের মত চাপানোর কোনও ব্যাপার নেই। প্রশ্নও উঠতে পারে না। সেখানে তারা যে কথাগুলো বলেছেন, একটাও সত্য নয়, একেবারেই সত্য নয়।

মাওলানা কাসেমীর মৃত্যুর সময় নিজে অসুস্থ ছিলেন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা জানেন, সেসময় আমি বিদেশে চিকিৎসা নিতে চলে যাই। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গেই আমি স্টেটমেন্টস দিয়েছি, শোকবাণী দিয়েছি। পরবর্তীকালে ২৬ মার্চকে কেন্দ্র করে যতগুলো সমস্যা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির সফরকে কেন্দ্র করে, মামলা-মোকদ্দমা, হামলা, হয়রানি হয়েছে, সব সময়ই আমি বিবৃতি দিয়েছি। প্রেস কনফারেন্সে আমি কথা বলেছি। এগুলোর ওপর স্পেশাল প্রেস কনফারেন্স করেছি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা...আমিই সবচেয়ে আগে বিবৃতি দিয়েছি আলেম-ওলামার বিষয়ে। এটা তারা কীভাবে বললেন, কেন বললেন, আমি জানি না (হেসে)। তারা সত্য কথা বলেননি। মানুষ আশা করে আলেম-ওলামারা সত্য কথা বলবেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানুষের সেই আস্থা এখন থাকবে কিনা, আমি জানি না। সত্য কথা না বললে থাকার কথা নয়।’

জমিয়তের শরিয়া প্রসঙ্গে অভিযোগ নিয়ে বিএনপির মহাসচিব ব্যাখ্যা করেন, ‘আর শরিয়া আইনের ব্যাপারটা তো আমাদের দলের কোথাও নাই। শরিয়া আইন করতে চাইলে ওনারা করুক। আমাদের দলে বলা আছে, পরিষ্কারভাবে- যে আমরা শরীয়াবিরোধী কোনও আইন পাস করবো না। আমাদের সরকার যখন ছিল, আমরা তো করিনি। ফলে, আমরা শরিয়া আইনের বিরোধী, এসব বলা মানেই ব্যক্তিগত আক্রমণ করা।’

‘আমি মনে করি, ওনারা ভালো কাজ করেননি। এই সমস্ত ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে তারা দূরে সরে আসবেন। রাজনীতিতে তারা টিকতে পারছেন না, বিরোধী রাজনীতিতে উনারা টিকতে পারছেন না, সে কারণে উনারা চলে গেছেন। সে কথা বলে দিলেই হয়, যে সরকারের প্রচন্ড চাপে আমরা টিকতে পারছি না’ যোগ করেন ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলীয় ঘোষণাপত্র অনুযায়ী রাজনীতি করছি। ২০ দলীয় জোটও সেভাবেই রাজনীতি করছে। পারস্পরিক আস্থা আমাদের চমৎকার আছে।’

আরও পড়ুন:
ভাঙা-গড়ার খেলাই তো রাজনীতি: মির্জা ফখরুল
করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন হেফাজতের মহাসচিব
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ছাড়লো জমিয়ত

/এসটিএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:০০

২০০৪ সালের শেষদিকে ১৪ দলীয় জোট গঠন করা হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে ২৩ দফার ভিত্তিতে গঠিত জোটের নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। আদর্শিক এই জোট ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে একসঙ্গে অংশ নেয়। দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায়ও রাখা হয় জোট নেতাদের। সর্বশেষ জোট নেতাদের বাইরে রেখে সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ, জাসদ-ইনু, ন্যাপ (মোজাফফর) এবং বাম জোট ১১ দল মিলে এ জোট গঠন হয়। ১১ দলে আছে- সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, সাম্যবাদী দল, বাসদ (খালেকুজ্জামান), বাসদ (মাহবুব), গণতন্ত্রী পার্টি, গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি ও শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল।

এদের মধ্যে সিপিবি, বাসদ, (খালেকুজ্জামান) ও নির্মল সেনের শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল শুরু থেকে ১১ দলের সঙ্গে থাকলেও ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়নি। গণফোরামও জোট থেকে বেরিয়ে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় তারা।

এদিকে বাসদ (মাহবুব) জোটের শুরু থেকেই নিষ্ক্রিয় ছিল। দলটির প্রধান নেতা আ ফ ম মাহবুবুল হক ২০০৪ সাল থেকে কানাডায় চলে গেলে দলের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালে কানাডায় মারা যান মাহাবুবুল হক। এ সময়ে একাধিক খণ্ডে ভাগ হয় দলটি। বর্তমানে রেজাউর রশীদের নেতৃত্বে বাসদের একটি অংশ ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তরিকত ফেডারেশন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৪ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়। অপরদিকে জাসদ ইনু ভেঙে বাংলাদেশ জাসদ (আম্বিয়া) গঠন হয়। বর্তমানে জাসদের দুই অংশই ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে একসঙ্গে ভোট করলেও ক্ষমতার অংশীদার করা হয়নি। এরপর ১৪ দলের শরিক দলগুলোর ভেতর দূরত্ব বেড়ে যায়।

আওয়ামী লীগ নেতারা এই দূরত্বকে ক্ষমতার অংশীদার থাকা না থাকার দূরত্ব বলে মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজি জাফরউল্যাহ বলেন, এই দূরত্ব মূলত ক্ষমতাকেন্দ্রীক।

জোটের শরিক নেতাদের অভিযোগ, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ নেই বললেই চলে। করোনা মহামারি মোকাবেলায়ও জোটগত কোনও কর্মকাণ্ড নেই। মোটকথা ভালোমন্দ কিছুতেই যোগাযোগ হয় না। অথচ আগে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

শরিক নেতারা বলেন, দূরত্ব এমন পর্যায়ে গেছে যে, ঈদ, পূজা-পার্বণে সামান্য শুভেচ্ছা বিনিময়ও হয় না।

তাদের দাবি, ১৪ দল এখন অতীত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটা অকার্যকর।

তবে আওয়ামী লীগ বলছে জোটে দূরত্ব নেই। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই বলেই মনে হচ্ছে দূরত্ব আছে। জোটের সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জোট অটুট আছে।

জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে ১৪ দলীয় জোট হয়েছে, সেসব পূরণে আরও সময় দরকার। তাই জোট সক্রিয় রাখাই বাঞ্ছনীয়। এ জন্য আওয়ামী লীগকে আরও সক্রিয় হওয়া উচিত। জোট নেতাদের ভেতর মনোমালিন্য রয়েছে। আলোচনা করে এর সমাধান করা উচিত।’

ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন আমরা কি আর অ্যাকটিভ হবো না? জবাবে আমি বলেছিলাম আমরা অ্যাকটিভই আছি। যাদের হওয়ার কথা তারা নেই।’

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘আন্দোলনের সময় জোটের দরকার হয় বেশি। তখন ছোট-বড় দলের প্রশ্ন আসে না। জোটের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা সময়ই বলে দেবে।’

গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জোটের কর্মকাণ্ড এখন ইস্যুভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনায় সীমাবদ্ধ। ২৩ দফার বিষয়ে আওয়ামী লীগের কোনও নজর নেই। এখন হয়তো আওয়ামী লীগ ভাবছে বাকিটা পথ তারা একাই এগোবে।’

কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্ম আহবায়ক অসীত বরণ রায় বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। তাই ১৪ দলের প্রয়োজনীয়তাও শেষ হয়নি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৩:০৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার প্রতি অধিকতর মানবিক আচরণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার মামলা ও চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা এক ধরনের রহস্যময় আচরণ করছেন। তার মুক্তি ও চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতি করতেই তারা বেশি আগ্রহী।’ বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা নিজ নিজ পদ রক্ষার জন্য দাবার গুটি বানাবেন আর দায় চাপাবেন সরকারের ওপর, তা হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বয়সের কথা বিবেচনায় ঘরে চিকিৎসার সুযোগ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিএনপি নেতাদের শেখ হাসিনার মহানুভবতার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌজন্যতা নেই বলেই পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে বিএনপি।’ সরকারের উদাসীনতা ও অযোগ্যতায় দেশের মানুষ নাকি কষ্টে আছে—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আসলে দেশের জনগণ নয়, বিএনপিই তাদের ব্যর্থ রাজনীতি ঢাকতে জনগণের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের পরীক্ষিত নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসী নেতৃত্বে দেশের জনগণ ভালো আছে। দেশের মানুষ ভালো আছে বলেই বিএনপির গায়ে জ্বালা বাড়ে।’ ’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন ও আন্দোলনে বারবার পরাজিত বিএনপি নেতারা এখন মিডিয়ায় বক্তব্য বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা নেই বলেই এখন তারা এটা সেটা বলে মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে, কর্মীদের চাঙা রাখার জন্য।’ দেশে গণতন্ত্র নেই—মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র একটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। রাতারাতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না; বরং বিএনপিই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পদে পদে বাধা দিচ্ছে। তারপরও চড়াই উতরাই অতিক্রম করে গণতন্ত্র এগিয়ে যাচ্ছে।’

তিমি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এ দেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়। দেশ স্বাধীন হয়। এ দেশের সব অর্জন এবং মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা।’

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়; বরং বিএনপিই এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ প্রদর্শক বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদের দিনেও বিএনপি নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে গিয়ে মিথ্যাচার করছেন। তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাকি নির্বাসনে!’ 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, তারেক রহমান একজন দণ্ডিত আসামি। যদি নির্বাসনে মনে করেন তাহলে তিনি দেশে কেন ফিরে আসছেন না? তারেক রহমান নির্বাসনে নাকি মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করেছেন, তা কি বিএনপি নেতারা ভুলে গেছেন?’

দেশে জেল জুলুমের ভয় করলে রাজনীতি করছেন কেন? কেন তারেক রহমান নির্বাসনে গেলেন মুচলেকা দিয়ে, এসব প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘জনগণকে বোকা বানানোর দিন এখন আর নেই।’

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

বিএনপি-জোট ছেড়ে আসা জমিয়তের নেতারা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৯

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের রাতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে বুধবার রাত আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য।

বৈঠকশেষে বেরিয়ে আসছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। ছবি: চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং

এদিন রাত পৌনে দশটার দিকে বেরিয়ে আসেন বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা। এরপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে যেন সকলেই স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক চলেন এই আহবান জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কেমন?

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরবর্তী গত ১৯ জুলাই টিকা নেওয়ার পর একটু জ্বর এসেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।’

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিএনপিপ্রধানের সঙ্গে ঈদশুভেচ্ছা বিনিময়ে বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও ম্যাডামের চিকিৎসক ও ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে এসে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল

/এসটিএস/এমএস/

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে ফিরোজায় বিএনপি নেতারা

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২১:৩১

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় গেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য। বুধবার (২১ জুলাই) রাত আটটার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কয়েকজন সেখানে প্রবেশ করেন।

বুধবার রাত সোয়া আটটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান। 

সাক্ষাৎ শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

এর আগে, বুধবার দুপুরে স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন।

/এসটিএস/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান খালেদা জিয়ার

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

হোয়াটস অ্যাপ ও জুমে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২০:৩৫

করোনা মহামারির সময়ে যোগাযোগের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। এক্ষেত্রে অনেকের সাথে একসাথে যোগাযোগ করতে হোয়াটস অ্যাপ ও জুম অ্যাপস বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদদের জন্য গেল ঈদগুলো ছিল পীড়াদায়ক। এবারের ঈদও কষ্টে কেটেছে  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের। ঈদ উদযাপন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, জনগণের পাশে থাকা, জনগণের জন্য কাজ করা, জনগণের সঙ্গে মেশা রাজনীতিক নেতাদের একমাত্র কাজ। করোনা মহামারির কারণে সেই সুযোগ থেকে  ঈদে বঞ্চিত হচ্ছেন নেতারা। করতে হচ্ছে উল্টো কাজ। দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হচ্ছে নেতাকর্মীদের সঙ্গে। জনগণের সঙ্গে  দূরত্ব রেখে চলা রাজনীতিকদের জন্য পীড়াদায়ক। সবাইকে সুস্থ রাখতে বাধ্য হয়েই সামাজিক দূরত্ব রেখে চলতে হলেও হোয়াটস অ্যাপ, মোবাইল ফোন ও জুম মিটিংয়ে চলছে আওয়ামী লীগ নেতাদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়।  ঈদের দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসব মাধ্যমে ব্যস্ত রয়েছেন নেতারা।

ঈদের নামাজ শেষ করে প্রায় সারাদিনই নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুম মিটিংয়ে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। শুধু নেতাকর্মীই নয়, করোনা মহামারিতে জনগণের পাশে দাঁড়ানো স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন, তাদের উৎসাহ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, হোয়াটস অ্যাপ, মোবাইল ফোন ও জুম মিটিং করে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। তিনি বলেন, করোনা মহামারিতে এলাকায় যারা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের সঙ্গে জুম মিটিং করে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। কুষ্টিয়া মেডিকেল ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন জুম মিটিংয়ে। এছাড়া দলের সহকর্মীদের সঙ্গেও হোয়াটস অ্যাপে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বলে জানান হানিফ। তিনি ঈদ করেছেন ঢাকায়।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের জন্য জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ভীষণ পীড়াদায়ক।  ঈদ আনন্দের তবে সশরীরে জনগণের পাশে থাকতে না পারার একধরণের কষ্ট তো রয়েছেই। তবুও মানুষকে সুস্থ রাখতে শারীরিক দূরত্ব রেখে ঈদ উদযাপন করেছি। তবে মানসিক দূরত্ব ছিল না। বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে কাছেই থেকেছি।

আওয়ামী লীগের অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, করোনা মহামারির কারণে শারীরিক দূরত্ব মেনে ঈদ উদযাপন করেছি। তবে হোয়াটস অ্যাপ, মোবাইল ফোন ও জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কাছেই ছিলাম সারাদিন। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এছাড়া ম্যাসেজের মাধ্যমেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। দীপু মনিও ঢাকায় ঈদ করেছেন। তিনি জানান, এমনিতেও ঈদের দিন আমি এলাকায়  থাকি না। কারণ, আমি এলাকায় থাকলে নেতাকর্মীরা পরিবারের সঙ্গে ঈদ না করে আমাকে সময় দেন। তাই আমি ঈদের দিনটা ওদের পরিবারের জন্য রাখতে চাই। তবে সচরাচর ঈদের পরেরদিন এলাকায় যাই। কিন্তু করোনার কারণে এবার এলাকায় যাচ্ছি না।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, আমি ঈদ করেছি আমার এলাকা জয়পুরহাটে। নামাজ পড়েছি  ক্ষেতলাল সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এছাড়াও মোবাইল ফোন, হোয়াটস অ্যাপে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, নেতাকর্মীর সঙ্গে সশরীরে মিশতে না পারা রাজনীতিবিদদের জন্য খুব কষ্টের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি আমাদের বাধ্য করেছে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে। আমরা সচেতন ও সতর্ক না হলে আমাদের যারা ফলো করে তারাও সচেতন হবে না। বাধ্য হয়ে মানুষের কল্যাণেই জনগণ থেকে দূরে থেকে ঈদ উদযাপন করেছি ঠিকই কিন্তু মোবাইল ফোন, হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি।

আওয়ামী লীগের অপর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরীরও ঈদ কেটেছে ঢাকায়। তবে ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার এলাকায় ২৩টা ইউনিয়নে সাধ্যমত ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে এলাকায় ঈদ উদযাপন করতে যাইনি। তবে মোবাইল  ফোনে এলাকার সকলের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। অডিও ও ভিডিও রেকর্ডের মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। করোনা মহামারির আগের ঈদগুলোতে গণভবন ফটক ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য সকাল থেকেই উন্মুক্ত থাকতো। করোনা মহামারির কারণে এই নিয়ে গত চারটি ঈদে প্রধানমন্ত্রী অডিও ও ভিডিও বার্তায় দলের নেতাকর্মী ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। করোনা পরিস্থিতিতে দলের নেতারাও সরাসরি দলীয় সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানানো থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। কেন্দ্রীয় নেতারা শেখ হাসিনার মোবাইল ফোন ও হোয়াটস অ্যাপ নাম্বারে ম্যাসেজ পাঠিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও  হোয়াটস অ্যাপ ও মোবাইল ফোনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

/এমএস/

সম্পর্কিত

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

আ. লীগ বলছে জোট অটুট, শরিকরা বলছে অকার্যকর

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

‘খালেদা জিয়ার মুক্তি-চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি আগ্রহী বিএনপি নেতারা’

ঈদে ঢাকাতেই থাকছেন বেশিরভাগ আ.লীগ নেতা

ঈদে ঢাকাতেই থাকছেন বেশিরভাগ আ.লীগ নেতা

টিকা নেওয়ায় খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন ওবায়দুল কাদের

টিকা নেওয়ায় খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন ওবায়দুল কাদের

সম্পর্কিত

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কবেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কবেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল

‘পার্টিকুলার একটা ডেটে কেউ জন্ম নিতে পারবে না বলে দিলেই হয়’

‘পার্টিকুলার একটা ডেটে কেউ জন্ম নিতে পারবে না বলে দিলেই হয়’

খালেদা জিয়া বারবার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়া বারবার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

আন্দোলনের আগে দলের গ্রুপিং দূর করতে হবে: মির্জা ফখরুল

আন্দোলনের আগে দলের গ্রুপিং দূর করতে হবে: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন শুরু করতে হবে: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন শুরু করতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির ওপর জুলুম করা সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচি: মির্জা ফখরুল

আসলাম ও নিপুণের মুক্তি দাবিবিএনপির ওপর জুলুম করা সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচি: মির্জা ফখরুল

আ. লীগ ও করোনা এই দুই শত্রু সব তছনছ করে দিচ্ছে: ফখরুল

আ. লীগ ও করোনা এই দুই শত্রু সব তছনছ করে দিচ্ছে: ফখরুল

অর্থমন্ত্রী ব্যবসা বোঝেন, অর্থনীতি কতটা বোঝেন: মির্জা ফখরুল

অর্থমন্ত্রী ব্যবসা বোঝেন, অর্থনীতি কতটা বোঝেন: মির্জা ফখরুল

সর্বশেষ

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

তাজা মাছ চেনার পাঁচ টিপস

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ১৪০ ফিলিস্তিনি

ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ১৪০ ফিলিস্তিনি

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

হাইতির নিহত প্রেসিডেন্টের শেষকৃত্যেও গুলির শব্দ

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

ক্ষমা চাইলেন সেই জার্মান সাংবাদিক

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা 

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে মৃত বেড়ে ১১০

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

লকডাউনে বগুড়া থেকে হিলিতে চকলেট কিনতে যাওয়ায় জরিমানা

শেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

স্মরণে ফকির আলমগীরশেষ জন্মদিনে যে কথা দিয়েছিলেন অসহায়দের...

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

শনিবার তালতলা কবরস্থানে সমাহিত হবেন ফকির আলমগীর

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গরু বিক্রির ১৫ লাখ টাকা লুট

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শালীনতা বিবর্জিত: মির্জা ফখরুল

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

মন্ত্রণালয়গুলোর মাঝে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ বিএনপির

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

শি ইজ ফিলিং বেটার: খালেদা জিয়া সম্পর্কে মির্জা ফখরুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কবেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কবেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল: মির্জা ফখরুল

‘পার্টিকুলার একটা ডেটে কেউ জন্ম নিতে পারবে না বলে দিলেই হয়’

‘পার্টিকুলার একটা ডেটে কেউ জন্ম নিতে পারবে না বলে দিলেই হয়’

খালেদা জিয়া বারবার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়া বারবার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

আন্দোলনের আগে দলের গ্রুপিং দূর করতে হবে: মির্জা ফখরুল

আন্দোলনের আগে দলের গ্রুপিং দূর করতে হবে: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন শুরু করতে হবে: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন শুরু করতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির ওপর জুলুম করা সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচি: মির্জা ফখরুল

আসলাম ও নিপুণের মুক্তি দাবিবিএনপির ওপর জুলুম করা সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচি: মির্জা ফখরুল

© 2021 Bangla Tribune