X
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

চালকের আসনে সহকারী, ঈদের দিন সড়কে ঝরলো ৪ প্রাণ 

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২১:২৭

ঈদের দিন দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ চার জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন দুই বাসের অন্তত ৩০ যাত্রী। বুধবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আনজিরন নেছা কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইকরচালি হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এস আই নুরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হিমাচল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চার জন প্রাণ হারান। 

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে ও তারাগঞ্জ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. পলাশ জানান, আহতদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পাঁচ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

হিমাচল পরিবহনের যাত্রী আশরাফ আলী জানান, ঢাকা থেকে বগুড়া আসার পর ফুড ভিলেজে খাওয়া দাওয়া সেরে চালকের বদলে তার সহাকারী গাড়ি চালাচ্ছিল। আমরা বারবার বলার পরেও চালক শোনেনি। বরং তিনি অসুস্থবোধ করছেন বলে জানান। বগুড়া থেকে রংপুর আসার পথে হেলপার বেপরোয়া গাড়ি চালানো শুরু করে। পরে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কাছে হেলপার গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। 

তারাগঞ্জের ইকরচালি হাইওয়ে থানার ওসি এস আই নুরুজ্জামান জানান, দুটি বাসই আটক করা হয়েছে। 

 

/টিটি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:৪৭

করোনা সংক্রমণরোধে সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউনেও বিধিনিষেধ অমান্য করে নৌ পথে উৎসবে মেতে উঠেছে উঠতি বয়সী তরুণরা। এতে স্বাস্থ্যবিধি যেমন উপেক্ষিত হচ্ছে, তেমনই বাড়ছে করোনা ঝুঁকি। এ অবস্থায় নৌ পথেও অভিযানের দাবি তুলেছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা।

জানা গেছে, প্রতিবছর ঈদের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর বিভিন্ন অংশে নৌকায় ডিজে পার্টির আয়োজন করে এক শ্রেণির উঠতি বয়সী তরুণ। এ বছরও চলমান কঠোর লকডাউনে তারা থেমে নেই। কোনও বাধা ছাড়ায় নৌকায় বিশাল বিশাল সাউন্ড বক্সে গান বাজিয়ে বিকট শব্দে আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠছে তারা। এমন চিত্র সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিতাস নদীর দুই প্রান্তে চোখে পড়ে। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্বাংশের তিতাস নদী এবং শহরের দক্ষিণাংশের কাউতলি কুরুলিয়া অংশে ডিজে পার্টির তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। 

এদিকে একই চিত্র দেখা গেছে নবীনগর উপজেলার তিতাস নদীর রসুলপুর এলাকা এবং একই নদীর বিজয়নগর উপজেলার রামপুর, মনিপুর, দত্তখোলা ও পত্তনে। সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর, ইসলামাবাদ ও আখাউড়া উপজেলার খরমপুর ও শ্যামনগর এলাকাতেও নৌকা ভাড়া করে এমন উৎসব করতে দেখা যায়। প্রতিদিন নদীর বিভিন্ন অংশে ইঞ্জিনচালিত নৌকা যোগে ডিজে পার্টির নামে উঠতি বয়সী তরুণরা গান বাজিয়ে নাচানাচি করে।

শহরের মেট্রো বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. মাসুম মিয়া বলেন, সরকার সবুজ সড়কপথে কঠোরতা দেখালেও নৌ পথে অনেকটা উদাসীন। নৌ পথেও কঠোর হতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষের চলাচল অনেকাংশে বাড়বে। আর এতে করোনা সংক্রমণও বাড়বে।

আরেক ব্যবসায়ীর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঈদ পরবর্তী সময়ে নদীতে এক শ্রেণির উঠতি বয়সের তরুণদের ডিজে পার্টির তৎপরতা বেড়েছে। বর্তমান করোনাকালে সরকারি কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিধিনিষেধ থাকলেও, নৌ পথে এসব তোয়াক্কা করছে না তারা। তাদেরকে জরিমানা পাশাপাশি আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

তিতাস পাড়ের বাসিন্দা কাশিনগর এলাকার নির্মল দাস জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকায় ডিজে পার্টির নামে উঠতি বয়সী তরুণদের লাফালাফি আর বিকট শব্দে আমরা নদীর তীরের বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। তাদেরকে ঠেকাবে কে?

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া  জানান, নৌ পথে ডিজে পার্টির মতো উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড ঠেকাতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে প্রতিটি নৌ পথে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নবীনগরের তিতাস নদীতে ডিজে পার্টি চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। নৌ পথে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেক টিম তৎপর রয়েছে। কাউকেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে নৌ পথে ডিজে পার্টি করতে দেয়া হবে না।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

যশোর জেনারেল হাসপাতালে আরও ৭ মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭


খুলনা বিভাগে দুই দিনের মাথায় করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে ৪৫ জন মারা গেছেন। একই সময় শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ২৭৮ জন। এর আগে ২৪ জুলাই বিভাগে ৩৩ জন মারা গেছেন। 
 
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. ফেরদৌসী আক্তার। এ নিয়ে করোনায় খুলনা বিভাগে মৃত্যুের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুই হাজার ১৭১ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬২ জন।
 
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে খুলনা জেলায় ১১ জন ও শনাক্ত ১৯৭ জন, বাগেরহাটে মারা গেছেন দুই জন ও শনাক্ত ১১৫, সাতক্ষীরায় মারা গেছেন একজন ও শনাক্ত ৬১ জন, যশোরে মৃত্যু ছয় ও শনাক্ত ১৩৬ জন, নড়াইলে মৃত্যু একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত ৩৪ জন, মাগুরায় মৃত্যু তিন জন ও শনাক্ত ৭৪ জন, ঝিনাইদহে মৃত্যু দুই জন ও শনাক্ত ২৭৯ জন, কুষ্টিয়ায় মারা গেছেন ১৫ জন ও শনাক্ত ২৬০ জন, চুয়াডাঙ্গায় একজন মারা গেছেন ও শনাক্ত হয়েছেন ৬৯ জন এবং ‍মেহেরপুরে মৃত্যু তিন জনের ও শনাক্ত ৫৩ জন।



/টিটি/

সম্পর্কিত

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছেছে ভারত থেকে আসা ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন (এলএমও) বহনকারী ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ভারতীয় ট্রেনটির ১০টি কনটেইনারে আসা অক্সিজেন খালাসের পর এই স্টেশন থেকে সড়কপথে ঢাকায় নেওয়া হবে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’। ইতোমধ্যে ঢাকাসহ বেশকিছু স্থান থেকে অক্সিজেনবাহী লরি এসেছে। এগুলোতে খালাস করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল ও স্বাস্থ্য অধিদফতর।  

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন বুঝে নেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া বেগম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সেলস) নুর উর রহমান প্রমুখ।

অক্সিজেন বুঝে নেয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ

লিনডে বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুফিয়া খাতুন জানান, করোনা মোকাবিলায় আমদানিকৃত তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন সড়কপথে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকায় নেওয়া হবে। সেখান থেকে করোনা মোকাবিলায় দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে। এর আগে টাটা দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের অধীনে চক্রধরপুর বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ জানান, করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের সেবার জন্য জরুরিভাবে এ অক্সিজেন লিনডে বাংলাদেশ ভারত থেকে সরকারি সহযোগিতায় আমদানি করা হয়েছে, যা এখান থেকে খালাসের পর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে।

অক্সিজেন নিয়ে এসেছে ভারতীয় ‘অক্সিজেন এক্সপ্রেস’

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইসমাইল হোসেন জানান, ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করা ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন শনিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরে আমদানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১০টি কনটেইনারবাহী অক্সিজেন এক্সপ্রেস রওনা দেয়। আজ সকাল ৭টায় ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফুটবল খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

খুলনার ৪ হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

সৌদি থেকে ফিরে কৃষিকাজ করে মাসে আয় ৩ লাখ

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৮

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে তাকেই বিয়ে করেছেন এক সহকারী শিক্ষিকা। শনিবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলাম সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের মাগন ব্যাপারীর কান্দি গ্রামের আব্দুর রব ব্যাপারীর ছেলে। তিনি তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিয়ের বিষয়টি ওই শিক্ষিকা মোবাইলফোনে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা বিয়ে করেছি। বিয়েতে ছয় লাখ টাকা দেনমোহর ধরা হয়েছে। আর উশুল ধরা হয়েছে এক লাখ টাকা। আমি প্রধান শিক্ষককে বিয়ে করে খুশি হয়েছি।  

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির, স্থানীয় আজহারুল গাজী, ইউসুফ মোল্লা, নাজমুল বালা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক আযহারুলের প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে উকিল বাবা হন স্থানীয় আজাহার গাজী।

এরআগে বিকালে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই সহকারী শিক্ষিকা। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে ওই সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের সম্পর্ক চলে আসছে। গত ২২ জুলাই বাড়ি ফাঁকা থাকায় প্রধান শিক্ষক আযহারুল ওই শিক্ষিকাকে মোবাইলফোনে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আযহারুলের কথামতো রাত ১০টার দিকে ওই শিক্ষিকা সেখানে যান। তখন বিয়ের কথা বলে ওই শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেন আযহারুল। তবে ওই শিক্ষিকা বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ি থেকে যেতে অস্বীকৃতি জানালে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শিক্ষিকাকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে শিক্ষিকাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ওই প্রধান শিক্ষক ও তার আত্মীয়রা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ওই ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হবে।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, শনিবার বিকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক সহকারী শিক্ষিকা। পরে শিক্ষিকাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখন শুনলাম তারা নাকি বিয়ে করে ফেলেছেন।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৩:১৯

দিনাজপুরের হিলিতে লকডাউনের কারণে পাইকার না আসায় এবং মোকামগুলোতে চামড়ার হাট ঠিকমতো না বসায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। হাজার হাজার চামড়া কিনে তারা বাইরে লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে রেখেছেন। কিন্তু এগুলো সময়মতো বিক্রি করা নিয়ে শঙ্কায় তারা।

হিলির মুন্সিপট্টির চামড়া ব্যবসায়ী আমজাদ মুন্সি ও রকি মুন্সি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রায় সাত হাজার গরুর চামড়া কিনে প্রক্রিয়াজাত করে মজুত করে রেখেছি। গত বছরের চেয়ে লবণের দাম বেশি। এছাড়া শ্রমিকের মজুরিও বেশি হওয়ায় এবার বাড়তি দামে চামড়া কিনে তা সংরক্ষণ করতে বেশি খরচ পড়েছে। সাত হাজার চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতেই আমাদের দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে। কিন্তু ১৪ দিনের লকডাউনের কারণে এখন পর্যন্ত কোনও পাইকার না আসায় চামড়াগুলো বিক্রি করতে পারছি না।’

চামড়ার হাট ঠিকমতো না বসায়  বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা

তারা আরও বলেন, ‘সবাই বলছে, লকডাউন যাক তারপর চামড়া কিনবো। এতে আমরা চামড়া বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গেছি। আর ট্যানারি মালিক যারা রয়েছেন, তারা এখন পর্যন্ত চামড়া কিনতে বের হননি। আমাদের এই অঞ্চলে পলাশবাড়ি ও নাটোরে দুটি চামড়ার হাট হয়। কিন্তু এখনও হাটের অবস্থা খুব ভালো না। কোনও খরিদদার হাটে আসেনি। চামড়াগুলো বিক্রি করতে দেরি হলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।’

এই ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘জায়গা না থাকায় আমাদের চামড়াগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে। একে তো বৈরি আবহাওয়া, তার ওপর যদি বৃষ্টিপাত হলে চামড়া নষ্ট হয়ে আমাদের অনেক লোকসান গুনতে হবে।’

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

সর্বশেষ

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

ধান বেচে ১৯৮টি আবেদন করেছিলেন মনিরুল

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

লকডাউনেও নৌ পথে ডিজে পার্টি

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জাতীয় বায়োটেকনোলজি কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

দাঁড়াতে পারছেন না শুভ, বিছানায় এক সপ্তাহ

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

বাসাবাড়িতে চুরি করতে গৃহকর্মী নিয়োগ!

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আমি নেতা বানাইনি: চুমকি

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম স্টেশনে ভারত থেকে আসা অক্সিজেন

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

এক সেকেন্ডেই ৫০ হাজার মুভি ডাউনলোড

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককেই বিয়ে করলেন সহকারী শিক্ষিকা

লীগ শব্দ জুড়ে দিয়েই আ.লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

লীগ শব্দ জুড়ে দিয়েই আ.লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্তের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

পর্নো ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলেন এই তারকারাও!

পর্নো ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলেন এই তারকারাও!

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

খুলনা বিভাগে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃত্যু

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

পাইকার না আসায় চামড়া নিয়ে বিপাকে হিলির ব্যবসায়ীরা

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

রংপুরে প্রথম ত্বীন চাষ, সাত মাসে লাখ টাকা আয়

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

ময়মনসিংহ মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বাড়লো ২৪ শয্যা

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

এক হাসপাতালেই ১৯ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৭ মৃত্যু

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

শ্রীপুরে আগুনে পুড়লো ৩৬ বসতঘর

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকায় চলছে চুন কারখানা

© 2021 Bangla Tribune