X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

আদালতের বাইরে মীমাংসা, শাস্তি হয় না পাচারকারীদের

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৬

ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে বহু বেকার তরুণ-তরুণীকে বিদেশে পাঠাচ্ছে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। তবে নিজের সর্বস্ব বিক্রি করে বিদেশে গিয়ে সুদিন ফেরানোর স্বপ্ন দেখা তরুণরা হচ্ছেন প্রতারণার শিকার। অনেকে বেঁচে দেশে ফিরতে পারলেও অনেকে হারিয়ে যায় চিরদিনের জন্য। ফেরত আসা ব্যক্তিরা পাচারের কাজে জড়িত দালালদের বিরুদ্ধে মামলা করলেও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত হয় না। মামলার অনেক বাদী আদালতের বাইরে মীমাংসা করে ফেলায় গ্রেফতার হলেও শেষ পর্যন্ত ছুটে যায় পাচার চক্রের সদস্যরা। আর এতে করে লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না। প্রতারক চক্রের নিয়মিত শিকার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণরা।

জানা যায়, ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের ১৭ জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে মানবপাচারে রাজশাহীসহ তিন জেলায় ৪৪টি মামলা হয়। এরমধ্যে ১৮টি মামলা আদালতের বাইরে মীমাংসা হয়েছে। আর গত পাঁচ বছরে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ৬৭০ জন পাচার হওয়ার পরে বিদেশ থেকে ফেরত এসেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৫১২ জন ও ১৫৮ জন নারী।

মানবপাচার অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাজশাহীর সাবেক পিপি (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আঞ্জুমান আরা খাতুন লিপি বলেন, এই সমস্ত মামলাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে ছিল। এই ট্রাইব্যুনালে অনেক মামলা, তাই দেরি হতো। এখন পৃথক ট্রাইব্যুনাল হয়েছে। এতে কমেছে মামলার জট। রাজশাহী আদালতে আসা ৫০টি মামলার সবগুলো পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহী নগরীর মতিহার থানার খড়খড়ি এলাকা থেকে র‌্যাব-৫ রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি দল তিন মানব পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নিশুপাড়ার আবু তাহের ওরফে বাদশা বিন তাহের (৩০), সোন্ধাবাড়ির জিয়াউর রহমান (৩৫) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খাল্লা এলাকার বিল্লাল হোসেন পলাশ (৩৬)। এদের মধ্যে আবু তাহের নিজেকে বিডি ফিড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিল্লাল হোসেন পলাশ জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দেন।

র‌্যাবের দাবি, তারা আন্তঃদেশীয় প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। লোকজনকে ব্যবসা, চাকরি ও বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা করতো তারা। অভিযানে ল্যাপটপ-পেনড্রাইভ ছাড়াও জাল সিল, বিডি ফিড প্রোডাক্ট ক্যাটালগ এবং ফাঁকা চেক উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রতারণার শিকার আল-আমিন বাদী হয়ে নগরীর মতিহার থানায় প্রতারণা ও মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

র‌্যাব জানায়, সংঘবদ্ধ চক্রটি বিভিন্ন কোম্পানির নামে ভুয়া অফিস ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার যুবকদের দেশে-বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিল। চক্রটি ভুয়া অফিস ও ফ্যাক্টরি দেখিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। গ্রেফতাররা নিজেদের বিডি ডিজিটাল ফুড, বিডি ফিড কোম্পানির মালিক ও পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। কিন্তু এই সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
 
ভুক্তভোগীদের বরাত দিয়ে একটি সূত্র জানায়, বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে স্থানীয় পর্যায়ে মানবপাচার চক্র কাজ করছে। একজনকে পাচার করতে পারলে পাচারকারীরা ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পায়। তবে ঢাকায় যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তারা বেশি টাকা পেয়ে থাকে। পাচারকারীচক্র মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে রাজমিস্ত্রি, ওয়েলডিং মিস্ত্রি, গাড়িচালক, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও নারীদের গৃহকর্মী হিসেবে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে সাড়া মিললে তখন সৌদি আরব, ইরাক, কাতার, মালয়েশিয়া, ওমান ও দুবাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চক্রটি ভিসা দেয়, ট্যুরিস্ট, হজ্ব ও ফ্রি ভিসা। যে ভিসার মেয়াদ মাত্র তিন মাস। কেউ কোনোভাবে পাঁচারচক্রের বাইরে পালিয়ে গিয়ে সর্বোচ্চ তিন মাস কোথাও কাজ করতে পারে। এরপরে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে পুলিশ তাকে আটক করে।

রাজশাহীর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সচেতনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহমুদ-উন-নবী বলছেন, রাজশাহীতে গত পাঁচ বছরে নারীর থেকে পুরুষরা বেশি পাচারের শিকার হয়েছেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫-২০২০ সালের (পাঁচ বছর) জানুয়ারি পর্যন্ত ৪২টি মামলা হয়েছে রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায়। পাচারের শিকার হয়ে দেশে ফিরে ৩৭টি মামলা করেছেন পুরুষরা ও পাঁচটি মামলা করেছেন নারীরা। এর মধ্যে ১৮টি মামলা আদালতের বাইরে দুই পক্ষ বসে আপস মীমাংসা করেছে। এই ১৮ মামলায় ১৪ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে জেল হাজতে থাকা অবস্থায় আসামিদের পরিবার ভিক্টিমের সঙ্গে দেন-দরবার করে মীমাংসা করে নেয়। এছাড়া বাকি মামলাগুলো চলমান রয়েছে। কোনোটি তদন্ত পর্যায়ে, কোনোটি আবার চার্জশিট পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, প্রতারক চক্র এলাকাভিত্তিক পাঁচ থেকে সাত জনকে টার্গেট করে। এরপরে বিদেশে পাঠানোর নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কোনও স্বজন বিদেশে আছেন কিংবা বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, তাদেরকে সামনে রেখে পাচার কাজ চালিয়ে যায় পাচারকারীরা। সাধারণ মানুষ যাতে করে তাদের বিশ্বাস করে তাদের প্রতি আস্থাভাজন হয় এ জন্য এই ব্যবস্থা নেয় প্রতারকরা। চক্রটি বিদেশ থাকা স্বজনের মাধ্যমে ভালো বেতনে কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। তারপর প্রতারক চক্র সুবিধামতো দিনে চাকরি-প্রত্যাশীদের ঢাকায় ডেকে নেয়। আগ্রহীদের ট্যুরিস্ট, হজ্ব ও ফ্রি ভিসায় বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। পাচারের বিষয়টি ভুক্তভোগীর এলাকায় জানাজানি হলে চক্রের সদস্যরা দ্রুত এলাকা পরিবর্তন করে বলে এনজিও কর্মীদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

এনজিও সূত্রে জানা গেছে, পাচার চক্রের হাতে থাকা বাংলাদেশিদের বিমান থেকে নামার পরে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাদের ওপর চলে মারপিট ও নির্যাতন। এসময় প্রবাসী ওই বাংলাদেশিকে বাড়িতে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে টাকা চায় চক্রটি। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত দিনের পর দিন না খেতে দিয়ে রাখা হয়। যোগাযোগ করতে দেওয়া হয় না কারও সাথে।

ইরাক থেকে ফেরত আসা বাঘা উপজেলার আবদুর রহিম (ছদ্মনাম) জানান, ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ইরাকে। একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন। মাঝখানে ২ মাস ২০ দিন কেটেছে নির্যাতন ও অনাহারে। ইরাকে মসজিদ ও মাদ্রাসায় ৪০ হাজার টাকা বেতনে চাকরির কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়। তার আগে নন্দনগাছীর ভূগোল নামের এক দালাল তার কাছ থেকে নিয়েছিল চার লাখ টাকা।

আবদুর রহিম আরও বলেন, বিমানে আমাদের সঙ্গ দেয় কয়েকজন দালাল। বিমান থেকে দুবাই নামি। আমাকে যে মানুষটি নিতে আসার কথা ছিল সে আসেনি। তখন যেতে না চাইলে আমাকে মারধর করা হয়। এয়ারপোর্ট থেকে বের করে একটি পাঁচ তলা বাড়িতে আমাদের চার-পাঁচ জনকে আটকে রাখে তারা। 

তিনি বলেন, ইরাকে নিয়ে গিয়ে আমাকে ক্লিনারের কাজে দেওয়া হয়। ঠিকমতো খেতে দিতো না। কাজ ঠিকঠাক না হলে মারধর করতো। অত্যাচর থেকে বাঁচতে একদিন গোপনে পালিয়ে যাই। এয়ারপোর্টে আসলে সেখানে অ্যাম্বাসির স্বাক্ষর না থাকায় আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি বাড়িতে জানালে সুদের উপরে এক লাখ টাকা আমাকে পাঠায়। আমি দেশে ফিরে ওই দালালের বিরুদ্ধে মামলা করি। তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। তবে অভাব-অনটনের কারণে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসা করতে হয়েছে। এছাড়া বেশিরভাগ মানুষকে দেশে ফিরতে মুক্তিপণের টাকা দিতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম বলেন, গত ৫ বছরে রাজশাহী জেলায় হওয়া মামলাগুলোর ১৮টির চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। বাকি মামলাগুলো তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা মানবপাচার রোধে কাজ করছি। প্রয়োজনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

/টিটি/

সম্পর্কিত

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার আসামি গ্রেফতার

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার আসামি গ্রেফতার

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে ২ যাত্রী নিহত

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৪৯

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী মেইল এক্সপ্রেস কমিউটার ট্রেনে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে দুই যাত্রী নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে জয়দেবপুর থেকে গফরগাঁওয়ে যাওয়ার পথে মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনের জিআরপি থানার ওসি মামুন রহমান।

তিনি জানান, বিকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেন সন্ধ্যায় জয়দেবপুর স্টেশন পার হলে গফরগাঁওয়ের মাঝামাঝি স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীদের ছুরিকাঘাত করে ডাকাতরা। এতে তিন জন আহত হন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি জামালপুর স্টেশনে পৌঁছালে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত রুবেল মিয়ার চিকিৎসা চলছে। তার বাড়ি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মাইজপাড়া গ্রামে।

/এএম/

সম্পর্কিত

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

এমপিকে না জানিয়ে সোয়া কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ গ্রেফতার

চুরির সময় দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়ি

চুরির সময় দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়ি

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৮

বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিকরা দেশের সংবাদপত্রের নীতি নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণ করে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেছেন, ‘এটি আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে উদ্যোক্তাদেরকে ৫০ শতাংশের বেশি মালিকানা দেওয়া হয়। ৫১ শতাংশ মালিকানা থাকে সাংবাদিক উদ্যোক্তাদের। এ ধরনের কঠোর নীতিমালায় না গেলে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা পেশাটি সমাজের প্রভাবশালী, অর্থবিত্তশালীদের কাছে আবদ্ধ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংবাদিকদের সহযোগিতা করছেন। এর জন্য যদি সঠিক পলিসি না থাকে, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়াটা কঠিন হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের সম্মাননা জানাতে ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে আমরা যদি একটি সঠিক নীতিমালা করতে পারি, তাহলে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারবো। সারা পৃথিবী যদি সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিতে গণমাধ্যম চালাতে পারে, আমরা পারবো না কেন? এ বিষয়গুলো যদি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছ থেকে আসে তাহলে আমরা কেন এটি অ্যালাউ করবো না।’

নওফেল বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে চিন্তা করতে হবে। কারণ সাংবাদিকতা একটি বিজ্ঞ পেশা। অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিবন্ধিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পেজ খুলে আমি সাংবাদিক হয়ে গেলাম, এ ধরনের যে প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশের পত্রিকাগুলো পুরোপুরি বিজ্ঞাপন নির্ভর। এখানে কোনও সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থা নেই। এই ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে। বাইরের দেশের গণমাধ্যমগুলো সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতিতে চলে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ারও সাবস্ক্রিপশন আছে। সাবস্ক্রিপশন থেকে আয় করা অর্থে সাংবাদিকরা ভালোমানের বেতন পান।’

রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার কারণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সামনে নিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতা কখনও এত বেশি হয়ে যায়, যার কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। সেগুলো নিরসনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উন্নয়ন তখনই হয়, যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ে, জনসেবা নিশ্চিত করতে পারে এবং জবাবদিহিতা সঠিকভাবে হয়। এ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কাজটিই সাংবাদিকরা এগিয়ে নিচ্ছে।’

সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, সিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

সব শিক্ষার্থীর ২ বছরের বেতন মওকুফ করলো বিদ্যালয়টি

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

দুই বছরের কাজ চার বছরেও হয়নি, ৩৪টি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

‘অক্টোবরে রংপুরে থানা-ওয়ার্ড কমিটি গঠনে আ.লীগের বর্ধিত সভা’

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

অক্টোবরে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের থানা এবং ওয়ার্ড কমিটি গঠনের জন্য বর্ধিত সভা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘ওই সভাতেই কমিটি গঠনের তারিখ ঘোষণা হবে।’

একই কথা জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়ার রহমান। তিনি বলেন, ‘এ মাসেই (নভেম্বর) বর্ধিত সভা করার কথা ছিল। পরে সেটা সামনের মাসের প্রথম দিকে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

জানা গেছে, দীর্ঘ আড়াই বছরেও রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের থানা কমিটি গঠিত হয়নি। এদিকে, ৩৩টি ওয়ার্ডের কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হলেও এখনও সম্মেলন বা কাউন্সিল হয়নি। দেড় বছর পর রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। অথচ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেই বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের। ফলে নেতা কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। এ কারণেই কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  

মহানগর আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে থানা কমিটি গঠনের জন্য মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও সেই কার্যক্রম এখন পুরোপুরি বন্ধ। কমিটি না থাকায় দলের কোনও কর্মকাণ্ড নেই। ফলে দলীয় কার্যক্রমে সৃষ্টি হয়েছে চরম স্থবিরতা।

এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও রংপুর মেট্রোপলিটান চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম মিলন বলেন, ‘মহানগরের সব ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। একইভাবে থানা কমিটিও হচ্ছে না। দলকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে এবং নতুন নেতৃত্বের জন্য সম্মেলন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।’

মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট দিলশাদ হোসেন মুকুল বলেন, ‘আমরা থানা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম, কিন্তু করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। থানা কমিটি গঠন এবং মেয়াদ শেষ হওয়া ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা খুবই প্রয়োজন।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

তিস্তায় বিলীনের অপেক্ষায় কমিউনিটি ক্লিনিক

তিস্তায় বিলীনের অপেক্ষায় কমিউনিটি ক্লিনিক

নীলফামারীর ৮৬৩ মণ্ডপে হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

নীলফামারীর ৮৬৩ মণ্ডপে হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ

আ.লীগ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আ.লীগ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

‘জিনের বাদশার’ কথায় ২৮ লাখ টাকা হারালেন প্রবাসী

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৯

সৌদি নাগরিককে দেশে এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ব্যক্তি থানায় মামলা দায়েরের পর বুধবার রাতে চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার ওসি নেজাম উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। গ্রেফতার তিন জনকে আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। গ্রেফতার তিন জন হলেন মো. আব্দুল মান্নান (৫৮), মো. জোবাইর হোসাইন রিজভী (২৩) ও আবু তৈয়ব (৫৮)। 

নেজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ভুক্তভোগী আবুল হাছান দীর্ঘ ২২ বছর সৌদি আরবে থাকার পর দুই বছর আগে দেশে ফেরেন। ছুটি শেষে পুনরায় সৌদি আরবে যেতে চাইলে দেখেন ভিসায় সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ সিল দেওয়া। তিনি সৌদি আরবে যেতে পারেননি। সৌদি নাগরিক আদনান সাঈদ তার টাকা-পয়সা সব নিয়ে ধোঁকা দিয়েছেন। স্ত্রীর গহনা বিক্রি করতে গিয়ে পরিচয়ের পর হাজারী গলির স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী আবুল হাছানকে ঘটনা খুলে বলেন। এরপর তার সমস্যা সমাধানের জন্য জিনের বাদশা পরিচয় দিয়ে মো. আব্দুল মান্নানের কাছে নিয়ে যান হাছান।

মান্নান ধর্মীয় আধ্যাত্মিক শক্তি এবং জিনের মাধ্যমে সৌদি নাগরিক আদনান সাঈদকে বাংলাদেশে এনে দিতে পারবেন বলে জানান। বাংলাদেশে এসে তার সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিয়ে যাবে বলেও জানান। টাকা এবং সৌদি নাগরিককে বাংলাদেশে ফেরত আনতে হলে শুরুতে দুই লাখ টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণ ও যুক্তরাষ্ট্রের এক হাজার টাকার ডলার দাবি করেন মান্নান। পবিত্র কোরআন শরিফ ছুঁয়ে শপথ করে বলায় মান্নানকে মার্চ-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশ নম্বরে ২৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দেন হাছান। এ ঘটনায় হাছান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে ওই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, প্রথমে কোতোয়ালি থানার হাজারী গলি এলাকা থেকে এজাহারনামীয় আবু তৈয়বকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থানার হোয়াক্যাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে আব্দুল মান্নান ও জোবাইর হোসাইন রিজভীকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

/এএম/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

গণমাধ্যম নিয়ে যা বললেন নওফেল

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের আদেশ অবৈধ ঘোষণা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, মারধরের ৮ দিন পর ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪০

টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মারধরের ঘটনায় আহত মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ছাত্রলীগকর্মী মো. সাজিদুল ইসলাম মীম (২২) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মীম উপজেলার ইসমানিরচর গ্রামের আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় হোসেন্দি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লাসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা করেন মীমের বাবা। এর আগে, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার ইসমানিরচর এলাকায় মারধরে গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগের এ কর্মী।

গজারিয়া থানার পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর থানায় মারধরের মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, একই গ্রুপের মধ্যে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। নিহত হওয়ায় মারধরের মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বনভোজনে যাওয়ার জন্য গত ১০ সেপ্টেম্বর সংগ্রাম মোল্লার (২৪) কাছ থেকে ৪০০ টাকা ধার নেন মীম। এ টাকা পরিশোধ নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে মো. আতাউর (২৭), সম্রাট (২২), তুষার (২০), সাব্বির (২২), নিজুম (২২), অপু (২২), মো. আরজু (২০), শুভ (২০) এবং অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাধে মীমের। তারা মীমকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ জানালে সংগ্রাম মোল্লা, আতাউর, সম্রাট, তুষার হাতুড়ি দিয়ে মীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। বাকিরাও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এরপর স্থানীয়রা মীমকে গুরুতর আহত অবস্থায় গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আহমেদ রুবেল জানান, মীম নিহতের ঘটনায় হোসেন্দি ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সাধারণ সংগ্রাম মোল্লাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দলীয়ভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

গাজীপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ

গাজীপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অগ্নিসংযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ৭ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

এক্স-রে মেশিন পলিথিনে মোড়ানো, রোগীরা ছুটছেন এদিক-সেদিক

এক্স-রে মেশিন পলিথিনে মোড়ানো, রোগীরা ছুটছেন এদিক-সেদিক

শাপলা বিক্রির টাকায় চলে সংসার 

শাপলা বিক্রির টাকায় চলে সংসার 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির ৩ শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

হাটে টোল বেশি নেওয়ায় লাখ টাকা জরিমানা

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার আসামি গ্রেফতার

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার আসামি গ্রেফতার

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কৃষকের ঘর ভেঙে ডোবায় ফেলে দিলেন মেম্বার

কৃষকের ঘর ভেঙে ডোবায় ফেলে দিলেন মেম্বার

‘শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়া অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ’

‘শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দেওয়া অর্থনৈতিক সামর্থ্যের প্রমাণ’

বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, গ্রেফতার ৩

বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়ার হুমকি, গ্রেফতার ৩

রামেকের করোনা ইউনিটে ২২ দিনে ১৩৮ জনের মৃত্যু

রামেকের করোনা ইউনিটে ২২ দিনে ১৩৮ জনের মৃত্যু

প্যান্ট-শার্ট-হেলমেট পরে নারীর গরু চুরি

প্যান্ট-শার্ট-হেলমেট পরে নারীর গরু চুরি

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার অভিযোগ

সাবেক প্রধান শিক্ষককে হত্যার অভিযোগ

সর্বশেষ

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

© 2021 Bangla Tribune