X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ২২:৪৪

দুর্যোগকালীন দ্রুত যাতায়াতের জন্য চট্টগ্রাম, পায়রা ও মোংলা বন্দরের অর্থায়নে এক বা একাধিক ‘হুবার ক্র্যাফ্ট’ এবং হেলিকপ্টার কিনতে চায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। বিআইডব্লিউটিএ এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীন একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ফিজিক্যাল স্টাডিও করিয়েছে। সেই স্টাডি রিপোর্টও জমা হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে। রিপোর্টটি পর্যালোচনার পর ‘হুবার ক্রাফট’ ও ‘হেলিকপ্টার’ কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সেটা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নাকি সিভিল এভিয়েশন বাস্তবায়ন করবে সেই সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে পরে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত মার্চ (২০২১) মাসে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য দ্রুতগামী জল ও আকাশযান হুবার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবে বলা হয়, দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত যাতায়াতের জন্য চট্টগ্রাম, পায়রা এবং মোংলা বন্দরের অর্থায়নে এক বা একাধিক যৌথ ‘হুবার ক্র্যাফ্ট' ফ্লিট-এর ব্যবস্থা এবং হেলিকাপ্টার ক্রয় করা যেতে পারে। একইসঙ্গে সকল বন্দরের মৌলিক কাঠামো একই ধরনের রেখে তিনটি সমুদ্র বন্দরকে সমানভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্যেও বলা হয়। এ প্রস্তাবকে সময়োপযোগী ও ভালো প্রস্তাব বলে মনে করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। কারণ, এতে দুর্যোগের সময়ে উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত যাতায়াত করাসহ অন্যান্য জরুরি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজাহারুল হক প্রধান প্রস্তাব করেন নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে সাত থেকে আট মিটার ড্রাফ্‌টের জাহাজ বন্দরে আসতে পারলেও ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজের বন্দরে আসতে সমস্যা হচ্ছে। মোংলা এবং পায়রা বন্দরে যাতে নির্দিষ্ট ড্রাফটের জাহাজ সব সময় আসতে পারে সেজন্য উভয় বন্দরের জন্য ড্রেজার ক্রয় করতে হবে। তার এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন জাহাজ ক্রয়ের প্রস্তাব যুক্তিযুক্ত। তাছাড়া চট্টগ্রাম, মোংলা এবং পায়রা এই ৩টি বন্দরেরই ‘হুবার ক্র্যাফ্ট' সার্ভিস চালুর ব্যাপারে স্ট্যাডি করা হয়েছে। এটি সুবিধাজনক হবে। তবে এর দাম বেশি পড়বে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি থেকে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে ও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা পেয়েছি। আমাদের বন্দর কর্তৃপক্ষের যারা আছেন, তারা এগুলো বাস্তবায়নের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ‘হুবার ক্রাফট’ কেনার জন্য বিআইডব্লিউটিএ ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীন একটা প্রতিষ্ঠান দিয়ে ফিজিক্যাল স্টাডি শেষ করিয়েছে। তারা একটা রিপোর্টও মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এখন সেই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা হবে যে, এটা আমাদের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন করতে পারবে কিনা।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আলোচনায় আসছে ‘হুবার ক্রাফট আধুনিক যান। এটা পানির ওপর দিয়ে চলে। আবার আকাশেও উড়তে পারে। এটা আবার সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এটা তারাও করতে পারে আবার আমরাও করতে পারি। খুবই ভালো একটা প্রস্তাব পাওয়া গেছে সংসদীয় কমিটির কাছ থেকে। এখন এটা যাদের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত তাদেরই বাস্তবায়ন করা উচিত। যে স্টাডি রিপোর্টটা পাওয়া গেছে সেটার পর্যালোচনা শেষ হলে হয় আমরা বাস্তবায়ন করব। না হয় সিভিল এভিয়েশনকে অনুরোধ করব তারা যেন এটা বাস্তবায়ন করে। আসলেই এটা দরকার। কোস্টাল এরিয়ার জন্য খুব জরুরি। 

 

/জেইউ/এফএএন/

সম্পর্কিত

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৫৩

একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অধিবেশন সমাপ্তি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির আদেশ পড়ে শোনানোর মধ্য দিয়ে অধিবেশনের ইতি টানেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে অধিবেশনে সমাপনী ভাষণ দেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

অধিবেশন সমাপনীর আগে ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণের ভিডিওচিত্র অধিবেশন কক্ষের স্ক্রিনে দেখানো হয়।

গত ১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া অধিবেশন দুইজন সংসদ সদস্য মারা যাওয়ার কারণে দুই দফা মুলতবি করা হয়।

সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুতে প্রথমদিনের বৈঠক এবং হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে পরদিন ২ সেপ্টেম্বরের বৈঠক মুলতবি করা হয়।

টানা ৯ দিন বিরতির পর ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদ বসলেও জাতীয় পার্টির (জাপা) সংরক্ষিত আসনের এমপি অধ্যাপক মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী মারা যাওয়ায় সংসদের রীতি অনুযায়ী এদিন অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। শোক প্রস্তাবের আলোচনার পর মুলতবি হয় সংসদ।

চলতি অধিবেশন মাত্র চার কার্যদিবস চালিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণের কারণে সেটা বাড়াতে হয়।

তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে স্পিকার ৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রিয়া যাওয়ার কর্মসূচি থাকার কারণেই মূলত বিরতি দেওয়া হয়।

এই অধিবেশনে কার্যদিবস ছিলো সাতটি। ৯টি বিল পাস হয়। চারটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তাদের প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করে।

৭১ বিধিতে ৩১টি নোটিস পাওয়া যায়, যার মধ্যে একটিও আলোচনা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট ২৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায় যার মেধ্য তিনি জবাব দেন ১৬টির। অন্যমন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন জমা পড়ে ৫৮৪টি। মন্ত্রীরা ৩৮৯টি প্রশ্নের জবাব দেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মহামারিকালের অন্য অধিবেশনগুলোর মতো এবারও সীমিত সংখ্যক সংসদ সদস্য অংশ নেন। করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট পাওয়া সংসদ সদস্যরাই সংসদের বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। করোনাভাইরাসের কারণে এবার শুক্রবারও জাতীয় সংসদের বৈঠক বসে।

/ইএইচএস/এমএস/

সম্পর্কিত

চন্দ্রিমায় জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে সংসদে বিতর্ক

চন্দ্রিমায় জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে সংসদে বিতর্ক

সমুদ্র আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে

সমুদ্র আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

গৃহহীনদের ঘরের ‘দুর্নীতি তদন্ত’ দুদক বন্ধ করবে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০১

মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের দেওয়া ঘর নিয়ে দুর্নীতি বা অনিয়মের তদন্ত দুর্নীতি দমন কমিশন কেন বন্ধ করেছে সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত বন্ধ করবে কেন। তাদের তো তদন্ত বন্ধ করার কথা না। তদন্ত চালু রাখতে হবে। দেখতে হবে এসব যারা ভাঙলো, তারা কারা; তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল? 

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বলতে গেলে ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত কম করে হলেও ১০ লাখ মানুষকে আমি ঘর তৈরি করে দিয়েছি। এবারের যে ঘটনাটি ঘটেছে এখানে এক সংসদ সদস্য প্রশ্ন তুলেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। এটা আমরা তদন্ত করছি। দেখা হয়েছে ৯টি জায়গায় দুর্নীতি পেয়েছি আর দশ-বারোটি জায়গায় অতিবৃষ্টি হলো, সেই বৃষ্টির কারণে মাটি ধসে ঘর পড়ে গেছে। সেখানে কিন্তু আরও অনেক ঘর ছিল। 

শেখ হাসিনা বলেন, ৩০০টি জায়গায় যেখানে প্রত্যেকটি ঘরের ছবি আমার কাছে আছে। পুরো তদন্ত করে দেখা গেছে, সেখানে দরজা-জানালার ওপর হাতুড়ির আঘাত। ফ্লোরগুলো খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তোলা হয়েছে। আমি আগামীতে সংসদের ছবি দেখাবো। ইটের গাঁথুনির পিলার ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটাতো দুর্নীতির জন্য হয়নি। এটা কারা করলো? তবে হ্যাঁ, কারা করেছে তদন্ত হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু অ্যারেস্ট হয়েছে, অন্যদেরও করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত বন্ধ করবে কেন? তাদের তো তদন্ত বন্ধ করার কথা না। তাদেরকে তদন্ত চালু রাখতে হবে। তদন্ত করে দেখতে হবে সেখানে যারা ভাঙলো তারা কারা। তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, কেন ভাঙলো। সেটা যদি দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করে থাকে তাহলে তাদের তদন্ত করতে হবে। একজন সংসদ সদস্য বললেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন নাকি বলছে আমরা আর তদন্ত করবো কী, প্রধানমন্ত্রী একথা বলেছেন।’ কিন্তু যে ভেঙেছে তার নিশ্চয়ই কোনও উদ্দেশ্য ছিল। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের তো এই কথা বলার কথা না। এই কথা যে কর্মকর্তা বলেছে যদি আমি জানতে পারি তাহলে তার ব্যাপারেও খোঁজ নিতে হবে। আমি দুর্নীতি দমন কমিশনকে বলবো যে ৩০০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রত্যেকটা তদন্ত তাদের করতে হবে এবং রিপোর্ট দিতে হবে। এটাই আমার কথা।

তিনি বলেন, আমরা গরিবকে ঘর করে দেবো; সেখান থেকেও টাকা মেরে খাবে। এখন কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে ঘর করে দিচ্ছি যাতে সহজে কেউ ভাঙতে না পারে।

/ইএইচএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

১২ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

১২ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

এই সংসদে একের পর এক সদস্য হারাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

এই সংসদে একের পর এক সদস্য হারাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী

গাড়ি কেনার টাকা ফেরত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাড়ি কেনার টাকা ফেরত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৪৩

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।

আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখ দণ্ড স্থগিতের সময় শেষ হবে। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই আমাদের কাছে একটি আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। আইন মন্ত্রণালয় যে অভিমত দিয়েছে, সে অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়া কোন পর্যন্ত, আমি না জেনে বলতে পারব না।’

প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বিদেশে যাবেন, সেক্ষেত্রে আজকের দিনটিই আছে ‑ এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষা করুন। ইয়েস, নো ‑ কোনটাই তো আমরা বলতে পারব না। এটা প্রক্রিয়ায় আছে। ’

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দী ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। খালেদা জিয়ার নানা ধরণের শারীরিক জটিলতা রয়েছে। এরমধ্যে গত এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাও নেন তিনি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

ইতোমধ্যে দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

/এসএমএ/এমএস/

সম্পর্কিত

ই-পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ ৬২ হাজার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ই-পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ ৬২ হাজার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত কয়েকজনের ফাঁসির রায় অচিরেই কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত কয়েকজনের ফাঁসির রায় অচিরেই কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু জীবনভর মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু জীবনভর মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৩৪

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করার বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সরকার চাইলে যে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। সাংবাদিক নেতাদের যে ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে সেটি আপনাদের মতো আমিও পত্রিকার পাতায় দেখেছি। আমিও এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এটি কেন হলো সেটি আমারও প্রশ্ন।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি এতে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। যে সকল সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে তাদেরকে আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি এবং চিনি। তাদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কেও আমার জানা আছে। তাদের উদ্বেগের কোনও কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। যাদের ব্যাংক হিসাব চাওয়া হয়েছে তারা হয়তো পরবর্তী সময়ে বুঝতে পারবেন কেনো তাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দেশের মানুষকে ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য করা হয়েছে। কেউ যদি ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি এবং অপদস্থ হয়ে থাকে তাহলে সে  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পাবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নয়নশীল বিশ্বের যেকোনও দেশের চেয়ে অধিক স্বাধীন। দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজন রয়েছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে অনেকের না বলা কথা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সামনে আসে। তবে অনেকেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে কারো কারো ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নষ্ট করেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

/জেডএ/এমএস/

সম্পর্কিত

কোনও আইনেরই যেন অপপ্রয়োগ না হয়: তথ্যমন্ত্রী

কোনও আইনেরই যেন অপপ্রয়োগ না হয়: তথ্যমন্ত্রী

মির্জা ফখরুলকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বললেন তথ্যমন্ত্রী

মির্জা ফখরুলকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বললেন তথ্যমন্ত্রী

১০০ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

১০০ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল বাবর: হাছান মাহমুদ

গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল বাবর: হাছান মাহমুদ

চন্দ্রিমায় জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে সংসদে বিতর্ক

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১৯

চন্দ্রিমা উদ্যানের কবরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের লাশ থাকা-না থাকা নিয়ে সংসদে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির এমপিরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস বিল, ২০২১’ বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হয়। 

বিএনপির সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ইস্যুটি তোলেন। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির এমপিরা বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য দেন। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ জিয়ার লাশ থাকার বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানের প্রস্তাব দেন।

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, সেখানে কোনও লাশ নেই‑ তা ৪০ বছর আগেই প্রমাণিত। একটি বাক্স রয়েছে। তিনি সেটা সরিয়ে ফেলার দাবি তোলেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, লাশ থাকলে তার স্ত্রী-সন্তানকে দেখানো হয়নি কেন? তিনি বলেন, তখন ক্ষমতায় থেকেও বিএনপি লাশ থাকার প্রমাণ দিতে পারেনি। যদি লাশ থেকে থাকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রমাণ দিতে হবে। ভবিষ্যতে সংসদে লাশ নিয়ে কোনও কথা যেন না হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে তিনি দাবি জানান।

বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবে আলোচনাকালে বিএনপির সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানের লাশ সেখানে (চন্দ্রিমা উদ্যান) আছে কি নাই‑সেটা বড় বিষয় নয়। সেখানে যে লাশ নাই, তা আপনারা (আওয়ামী লীগ) কিভাবে জানলেন? এতো বছর ধরে ক্ষমতায় থেকে ‑ এটা নিয়ে আগে কথা বলেন নাই কেন? এখন কেন বলছেন?

জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ইতিহাস বিকৃতি তো বিএনপিও করে। তারা বলে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। এই বিষয়ে আমাদের সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। আর তিনি (জিয়াউর রহমান) বেঁচে থাকতে কখনোই বলতে শুনিনি, দেখিনি যে ‑ উনি নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেছেন। তাদের প্রথমে ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ করতে হবে। তারপর আওয়ামী লীগ যদি ইতিহাস বিকৃতি করে থাকে, সেটা বন্ধের আহ্বান বিএনপি জানাতে পারে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, একজন সাংসদ বলেছেন ‑ সঠিক ইতিহাস আসতে নাকি শতবছর লাগে। মৃত্যুর ৪০ বছর পরে সঠিক ইতিহাস বের হলে সমস্যা কোথায়? জিয়াউর রহমানের লাশ আছে কি নাই ‑ এটা বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণের ব্যবস্থা আছে। আপনারা (বিএনপি) নিরপেক্ষ একটা কমিটি করেন। সরকার সহযোগিতা করবে। সত্য উদ্ঘাটনে ভয়ের কি আছে?

তিনি বলেন, আপনাদের দলের নেত্রীকে বলেন, যদিও তিনি সাজাপ্রাপ্ত। প্রধানমন্ত্রীর অনুকম্পায় সাজা স্থগিত নিয়ে কারাগারের বাইরে বসবাস করছেন। আইনে সুযোগ থাকলে তার নেতৃত্বে কমিটি করেন।

বিএনপির দলীয় সংসদ হারুনুর রশীদ বলেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ তার বক্তব্যে চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের লাশ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ১৯৭৯ সালে সংসদ ছিলো। সেখানে আওয়ামী লীগও ছিলো। মানিক মিয়া এভিনিউতে যে জানাজা হয়েছিলো, তাতে সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। শোক প্রস্তাবের ওপর সংসদে দীর্ঘ আলোচনায় তারা অংশ নিয়েছিলেন। সেগুলো প্রসেডিংসের মধ্যে রয়েছে। আমার কথায় যদি কোনও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় থাকে তা এক্সপাঞ্জ করুন।

তিনি বলেন, কারও যদি অপমৃত্যু হয়। তাহলে তার ময়নাতদন্ত লাগে। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। সামরিক আদালতে বিচারও হয়েছে। এটা অসত্য কিছু নয়। আজকে জেনারেল এরশাদ বেঁচে থাকলে তিনি লজ্জা পেতেন।

বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, আর্কাইভস যদি করতে হয়, তাহলে স্বীকার করতে হবে জিয়াউর রহমান ছিলেন রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বীর উত্তম ছিলেন ‑ এটা স্বীকার করেতে হবে। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। ওনারা ওনাদের কথা বলবেন, আর আমরা আমাদের কথা। এইটুকু ধৈর্য যদি তাদের না থাকে। তাহলে তারা কি ইতিহাস লিখবে? চর্চা করবে? আর্কাইভসে কি জমা করবে – তা ভালো করেই বুঝতে পারছি।

রুমিন বলেন, ইতিহাস সবসময় জয়ীদের হাতে লেখা হয় বলে ‑ আমাদের মতো দেশে প্রকৃত ইতিহাস জানতে শতবছর লাগে। যতদিন পর্যন্ত দলীয় চশমায় ইতিহাস লেখা হয়। তাতে আইন পাশ করে কোনও লাভ হবে না। আজকে ৪০ বছর পরে কেন জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে এই বিতর্ক? সরকারের ব্যর্থতা, ভোট চুরি, গণতন্ত্রহীনতা, লুটপাট থেকে মানুষের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য এই বিতর্ক করা হচ্ছে।

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের শেষের দিকে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সরকার দলীয় সদস্যরা হইচই করেন।                                                                                                     

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, আজ ৪০ বছর পর লাশ নিয়ে লাফালাফি করা হচ্ছে।  সংসদ ভবন এলাকায় জিয়াউর রহমানের লাশ রয়েছে বিএনপির এমপিরা তা সংসদে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সেখানে যে জিয়াউর রহমানের লাশ নেই ‑ সেটা ৪০ বছর আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর তার লাশ পরিবারের কেউ দেখেনি। খালেদা জিয়া দেখেননি। তারেক জিয়া লাশ দেখার জন্য কান্নাকাটিও করেছিল। শাহ আজিজ একটি চালাকি করেছিলো ‘লাশ পাওয়া যাক না যাক একটা বাক্স পাঠিয়ে দাও’। সেই বাক্স পাঠানো হয়েছিল। জনমনে সন্দেহ ছিলো কিসের জানাজা করছি। শুধু বাক্স? নাকি ওখানে জিয়াউর রহমান আছে? 

বিষয়টি নিয়ে তার সংসদে দেওয়া বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সেলিম বলেন, ২০ জুন ১৯৮১ সালে আমি সংসদের নতুন সদস্য। জিয়াউর রহমান তখন মারা গেছেন। বিএনপি তখন ক্ষমতায়। সংসদে আমি সরকারের কাছে এটা জানতে চেয়েছিলাম। এটা প্রসেডিংস এ আছে। আমি সেদিন বলেছিলাম ‑ আপনারা প্রমাণ করেন, ওই বাক্সে কোনও লাশ আছে কিনা। জনমনের সন্দেহের কথা সেদিন সংসদে বলেছিলাম। আমি দুই দিনের মধ্যে লাশের ছবি ছাপিয়ে জনমনের সন্দেহ দূর করতে বলেছিলাম। আর না পারলে জনমনের সন্দেহই প্রমাণিত হবে। আজ ৪০ বছরেও একখানা ছবি দেখাতে পারেননি।

/ইএইচএস/এমএস/

সম্পর্কিত

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

সমুদ্র আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে

সমুদ্র আইন সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল পাস

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

২৪ মে থেকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দাবি

সর্বশেষ

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

শেষ হলো সংসদ অধিবেশন

গৃহহীনদের ঘরের ‘দুর্নীতি তদন্ত’ দুদক বন্ধ করবে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

গৃহহীনদের ঘরের ‘দুর্নীতি তদন্ত’ দুদক বন্ধ করবে কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি: তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি: তথ্যমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune