X
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৬ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

নাকে নেওয়ার টিকা, ট্রায়ালের আবেদন হচ্ছে বাংলাদেশে

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২১, ০০:০১

এবার আর ইনজেকশন দিয়ে নয়, নাক দিয়ে টেনে নেওয়া যাবে- এধরণের একটি টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আবেদন করা হচ্ছে। এই টিকার সবচেয়ে বড় সুবিধা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি গ্রহণ করতে কোনও টিকা কেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নেই। ঝামেলা থাকবে না টিকা সংরক্ষণেরও, দরকার হবে না বিশেষ সংরক্ষণ বা পরিবহন ব্যবস্থারও।

টিকাটি উদ্ভাবন করেছে সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইউনিভার্সিটি। আর মানবদেহে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য সুইডেনের ইম্যিউন সিস্টেম রেগুলেশন হোল্ডিং এবি বা আইএসআর কন্ট্রাক্ট রির্সাচ অর্গানাইজেশন ( সিআরও) হিসেবে বাংলাদেশে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালস লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করেছে। যদি বাংলাদেশ এই টিকার হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন পায় তাহলে নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ এই টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তালিকাতে থাকবে।

একইসঙ্গে বাংলাদেশে এই টিকা তৈরির জন্য গত ৬ জুলাই বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ইউনিমেডের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করেছে আইএসআর।

আশা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি) আবেদন করা হবে।  

বাংলাদেশ থেকে এই টিকা বিষয়ক প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে জড়িত রয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন-এর সেক্রেটারি জেনারেল ও মুগদা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর। বাংলাদেশে তিনি এ কাজে প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে কাজ করছেন।

বাংলা ট্রিবিউনকে অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, বিশ্বজুড়ে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের নানা টিকা আবিস্কারের চেষ্টা হচ্ছে। আর এর ভেতরেই সুইডেনে একটি ভালো টিকা আবিষ্কার হয়েছে, যেটা ন্যাজাল এবং ওরাল– দুইভাবেই দেওয়া যাবে। প্রাণীদেহে স্টাডিতে এর কার্যকারিতা শতভাগ দেখা যাচ্ছে।

আর এখন যদি নাক দিয়ে গ্রহণ করা যায়- এমন টিকা আবিষ্কার হয়, তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না। যদি এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটা সফলভাবে করা যায় তাহলে টিকার ক্ষেত্রে বিশাল এক পরিবর্তন আসবে।

কেমন হবে এই টিকার ধরণ- জানতে চাইলে অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, এটা পাউডার জাতীয় টিকা হবে, যার কারণে বিশেষ কোনও পরিবহণ বা বিশেষভাবে সংরক্ষণের কোনও বিষয় থাকবে না।

এটা কোনও কোল্ড চেইন বা ফ্রিজে রাখার দরকার নেই জানিয়ে তিনি বলেন, এটিকে সাধারণ তাপমাত্রায় রাখা যাবে এবং যেহেতু নিডেললেস অর্থ্যাৎ, সুঁই লাগে না তাই এটা পুরোপুরি গ্রিন টেকনোলজি। এই টিকা সংরক্ষণ করার জন্য ইলেক্ট্রেসিটি খরচ করতে হবে না, যেমনটা মডার্না বা ফাইজারের ক্ষেত্রে হচ্ছে।

আফ্রিকান দেশ বা অনুন্নত দেশগুলোতে কোল্ড চেইন মেইনটেন করা খুব কঠিন। আর যার কারণে কোল্ড চেইন ঠিকমতো মেনটেইন না করার ফলে অনেক টিকা নষ্ট হয়ে যায়।

কোল্ড চেইন নেই, এটা একটা ব্রেকথ্রু

এই টিকার কার্যকারিতা সর্ম্পকে বলতে গিয়ে অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, টিকাটি নাক দিয়ে নেওয়ার কারণে নাক এবং মুখের মধ্যেই যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে, তেমনি শরীরে ভিতরে যাওয়ার পর শরীরের মধ্যেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে।

ইনজেকশন ফর্মে টিকা এখন যেটা দেওয়া হচ্ছে, সেটায় কেবল শরীরের ভেতরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হচ্ছে- আর এটাই হচ্ছে এই দুই ধরনের টিকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।

তবে গত তিনমাস ধরে কাজ করা হলেও এ বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি আমাদের পক্ষ থেকে। সেটা কেন হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাণীদেহে ট্রায়াল সাকসেসফুল হয়েছে। কিন্তু চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দরকার হিউম্যান ট্রায়ালেও একইরকম ফলাফল পাওয়া। সেটা না হলে এই মুহূর্তে আসলে হৈচৈ করার মতো কিছু বলা যাবে না। তবে তিনি বলেন, কিন্তু তারপরও আমরা আশাবাদী এর ভালো একটা রেজাল্ট হবে।

এখন দরকার ইথিক্যাল ক্লিয়ারেন্স

বাংলাদেশে এই ট্রায়াল করার জন্য বিএমআরসির ইথিক্যাল অ্যাপ্রুভাল দিলে হিউম্যান ট্রায়াল করা সম্ভব হবে, আর হিউম্যান ট্রায়াল করার পর তার রেজাল্ট পেলে একটা ব্রেকথ্রু-যার একটি পার্ট হবে বাংলাদেশ, বলেন অধ্যাপক আহমেদুল কবীর।

তিনি জানান, এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে কাজ করছেন তিনি, সঙ্গে আরও আছেন মেডিসিন বিভাগের আরেক স্বনামধন্য চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ।

আর এজন্য প্রটোকল তৈরির কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রটোকল আমরা তৈরি করেছি। আগামী সপ্তাহে এটা বিএমআরসিতে সাবমিট করব, যদি তাদের অনুমোদন পাই তাহলে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বাংলাদেশে হবে।

আর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম ধাপের কাজ হবে মুগদা মেডিক্যাল কলেজে, সেখানে ১৮০ জন মানুষের উপর এই ট্রায়াল হবে।  “১৮০ জন নিয়েই পরিকল্পনা করা হচ্ছে, এখন ভলান্টিয়ার হিসেবে যারা এই টিকা দিতে রাজী হবেন, শুধু তাদেরকেই নেওয়া হবে”।

এখানে রেন্ডেমাইজ চয়েস হবে-কোনও বাধাধরা মানুষকে দেওয়া হবে না, বলেন অধ্যাপক আহমেদুল কবীর।

/জেএ/এমকে

সম্পর্কিত

এক সপ্তাহে ৪ কোটি শিশু পাবে কৃমির ওষুধ

এক সপ্তাহে ৪ কোটি শিশু পাবে কৃমির ওষুধ

সাড়ে সাত লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

সাড়ে সাত লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

করোনায় মৃত্যুহীন ৫৬ জেলা

করোনায় মৃত্যুহীন ৫৬ জেলা

ডেঙ্গুতে আরও এক মৃত্যু  

ডেঙ্গুতে আরও এক মৃত্যু  

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

করোনার মহামারিতে মক্কা মুকাররমার পবিত্র মসজিদুল হারামে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল। গত রবিবার (১৭ অক্টোবর) সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারও করা হয়। এখন স্বাভাবিকভাবেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে মসজিদে নববীতেও।

দীর্ঘদিন পর আপন চেহারায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে কিছু নতুনত্বও এসেছে। মুসল্লিদের তিলাওয়াত ও অধ্যায়নের জন্য স্থাপিত মসজিদের বুকসেলফ ও বইয়ের তাকগুলো সাজানো হয়েছে নতুন সাজে। সংযোজিত হয়েছে বিভিন্ন ভাষার নতুন বই ও পবিত্র কোরআনের তরজমার প্রতিলিপি। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের তিলাওয়াতের জন্য তাকগুলোতে রাখা হয়েছে ব্রেইল বর্ণমালার পবিত্র কোরআনের বেশকিছু প্রতিলিপি। মহৎ কাজটি করেছে সৌদি আরবের সর্ববৃহৎ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কিং ফাহাদ কোরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স।

এ প্রসঙ্গে মসজিদুল হারামের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কোরআনস অ্যান্ড বুকস’-এর প্রধান পরিচালক গাজি বিন ফাহাদ আজ জিবইয়ানি জানান, ‘মসজিদে ব্রেইল বর্ণমালার কোরআন শরিফ সরবরাহ করা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের তিলাওয়াতের সুবিধার্থে এর ব্যবস্থা করেছি আমরা।’

পবিত্র হজ ও ওমরাহকারী দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সময়টা যেন সুন্দরভাবে কাটে সেদিকে লক্ষ্য রেখে দুই মসজিদটির পরিচালনা পর্ষদ এই আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।

 

তথ্যসূত্র: আল মুওআতিন আরবি

/এফএ/

সম্পর্কিত

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

‘বিচার বিলম্ব হওয়ায় মৌলবাদী শক্তি সাহস পাচ্ছে’

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় অভিযোগ গঠন পেছালো

হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি

৮০ কোটি টাকায় যেভাবে বদলে যাবে ধূপখোলা মাঠ

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

আমূল বদলে যাবে রাজধানীর পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠ। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা মাঠটি নিয়ে বড় মাপের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এটিকে উন্নত বিশ্বের বড় মাঠ ও পার্কের আদলে গড়ে তোলার চিন্তা আছে প্রতিষ্ঠানটির। এরই মধ্যে নকশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে নির্মাণকাজও। এক বছরের মধ্যে যা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৩০ হাজার ২১০ বর্গমিটার আয়তনের মাঠটিকে কয়েকটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। মাঠে ফুটবল খেলার সব আয়োজনের পাশাপাশি বহুমুখী ভবন, বিনোদন কর্নার, বাস্কেটবল ও ব্যাডমিন্টন কোর্ট, নেট ক্রিকেট, ওয়াকওয়ে, কফি হাউস, ফুড কোর্ট, গ্রিন জোন, বাগান, ওয়াটার বডি, এলইডি লাইটিং, পার্কিং জোনসহ আরও কিছু আধুনিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা।

ডিএসসিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাঠের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা ৩৯৪টি দোকান এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে। এর জন্য মাঠের এক পাশে প্রায় ৬২ শতাংশ জমিতে পাঁচতলা মার্কেট বানানো হবে। একপাশে থাকবে কফি হাউজ। মাঠ রক্ষণাবেক্ষণেই ব্যয় করা হবে ওটার আয়।

নিরাপত্তায় থাকবেন আনসার বা নিরাপত্তাকর্মীরা। মাঠ পরিচালনায় স্থানীয়দের সমন্বয়ে কমিটি থাকবে। চারপাশে থাকবে সুউচ্চ লোহার নেট। ভেতরে বোনা হবে সবুজ ঘাস।

মাঠের নকশায় ২৮ হাজার ৭১৮ বর্গফুট ওয়াকওয়ে রাখা হয়েছে হাঁটার জন্য। বসার জন্য মার্বেল টাইলসের বেঞ্চ থাকবে। সেটাকে ঘিরে থাকবে ফুল ও ফলের গাছ। ওয়াকওয়ের নিচে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে থাকবে গভীর ড্রেন। জমা হওয়া পানি ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে মাঠের ঘাসে চলে যাবে।

মাঠে প্রবেশের জন্য প্রায় তিন হাজার ৭৬২ বর্গফুটের তিনটি গেট থাকবে। সাত হাজার ৭৩০ বর্গফুটের একটি বাস্কেটবল কোর্ট ও ৩৩ হাজার ৪৬৩ বর্গফুটের সবুজ এলাকা থাকবে। দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে শিশুদের প্লে-জোনের জন্য রাখা হয়েছে ২৬ হাজার ১৪৫ বর্গফুট জায়গা। এ ছাড়া মার্কেটের বেজমেন্টে ৫৮টি এবং মাঠের কিছু নির্দিষ্ট স্থানে ৩১টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে।

মাঠটির তিনটি ভাগ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ, ইস্ট এন্ড ক্লাব খেলার মাঠ ও আরেকটি অংশ সবার জন্য উন্মুক্ত। তিনটি অংশের প্রতিটিই আকারে ফুটবল মাঠের সমান। নতুন পরিকল্পনায় মাঠের তিনটি অংশ এক করা হবে। এতে ধূপখোলা হয়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মাঠের চেয়েও বড়। এমনটাই জানালো ডিএসসিসি।

সরেজমিন দেখা গেছে, ধূপখোলা মাঠটি এখন নানামুখী দখলের শিকার। খোলা মাঠটিতে এখনও মাদকসেবীদের আনাগোনা দেখা যায়। জনসাধারণের জন্য রাখা অংশটি গাড়ি রাখার গ্যারেজ হিসেবে ভাড়া দেওয়া হতো। প্রধান তিনটি ফটকের দুটিই ভাঙা। চারপাশের গ্যালারি ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। গ্যালারির ছাদে খোলা স্থানে মলত্যাগও করছে অনেকে। চারপাশে বেশ কয়েক বছর ধরে বসেছে অবৈধ বাজার ও দোকানপাট। সেখান থেকে আসা আবর্জনাও মাঠে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। কোথাও আবার নির্মাণসামগ্রীও রাখা।

মাঠের অপর অংশ ‘ইস্ট এন্ড ক্লাবের খেলার মাঠ’ নামে পরিচিত। স্থানীয়রা জানান, এখানে খেলার টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন তা হচ্ছে না। কোরবানির ঈদে বসতো পশুর হাট, শীতের মৌসুমে মেলা। অনেক সময় বিয়ে-গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানও হতে দেখা গেছে। কিছু অংশ ব্যবহার করা হতো গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। তবে এসব অপসারণ করে সেখানে এখন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। মার্কেট নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে।

জানতে চাইলে ডিএসসিসির অঞ্চল-৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জয় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধূপখোলা মাঠটি দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে ছিল। মাঠটিকে বিশ্বমানের করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চারপাশে থাকা দোকানগুলোকে পাঁচতলা ভবনে নিয়ে আসা হবে।’

এদিকে, ডিএসসিসির মাঠটি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, মাঠটি ১৯৮৪ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মাঠের কিছু অংশ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে মৌখিকভাবে অনুমতি দিয়েছিলেন। তখন থেকে মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয়টির। তবে সিটি করপোরেশন বলছে, মাঠটির প্রকৃত মালিক সিটি করপোরেশন। মাঠের উন্নয়নের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এটি ব্যবহার করতে পারবে।

এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘এই মাঠ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

 
/এফএ/

সম্পর্কিত

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২২:০২

তিন কন্যা সন্তানের জিম্মা চেয়ে জাপানি মা ডা. এরিকো নাকানো ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক ওই শিশুদের বাবা ইমরান শরীফের দায়ের করা পৃথক রিটের শুনানির জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। একইদিন উভয়পক্ষকে লিখিতভাবে তাদের যুক্তিতর্ক আদালতে দাখিল করতে বলেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে শিশুদের বাবার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। অন্যদিকে জাপানি মায়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে দুই মেয়েকে হাইকোর্টে হাজির করাতে রিট করেছিলেন জাপান থেকে আসা ডা. এরিকো নাকানো। ওই রিটের প্রেক্ষিতে দুই মেয়েকে হাজিরের পর এখন গুলশানের একটি ভাড়া বাসায় দিন ও রাত হিসাব করে এরিকো ও ইমরান শরীফ মেয়েদের দেখাশোনা করছেন।

গত ১৯ আগস্ট শরীফ ইমরানের জিম্মায় থাকা দুই শিশু সন্তানকে ৩১ আগস্ট হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত। শিশুদের মা জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এসব আদেশ দেন।

পরে দুই শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে তাদের মা পৃথক মামলা দায়ের করলে শিশুদের উদ্ধার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এরপর তাদেরকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছিলো।

এরপর শরীফ ইমরানের জিম্মা থেকে দুই শিশু সন্তানকে সিআইডি কর্তৃক উদ্ধারের পর গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে উন্নত পরিবেশে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তাদের মা ও বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাবা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন বলেও আদালত সময় বেধে দিয়েছিলেন। এছাড়াও ৩১ আগস্ট শিশুদেরকে হাইকোর্টে হাজির করতে এবং এ সময়ের মধ্যে আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের বিষয়টি সমাধান করতে ভূমিকা রাখার প্রচেষ্টা চালাতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশি বাবা ও জাপানি মায়ের দুই শিশুকে তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিবর্তে গুলশানস্থ বাসায় একসঙ্গে ১৫ দিন বসবাস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকার সমাজ সেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক পদের একজনকে বিষয়টি তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ডিএমপি কমিশনারকে তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।

ওই সময়ের মধ্যে তাদেরকে বিষয়টির সুরাহা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন আদালত। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় দুপক্ষের আইনজীবীদের আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে এ বিষয়ে কোন সুরাহা না হওয়ায় মামলাটি পুনরায় শুনানিতে ওঠে।

এদিকে জাপানে থাকা তার তৃতীয় ছোট কন্যাকে হাজির করানোর ও দেখা করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক আরেকটি রিট দায়ের করেন শিশুদের বাবা ইমরান শরীফ।

/বিআই/এমএস/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে: মেয়র আতিক

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫০

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত উত্তরা আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে প্রণোদনা সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে, এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে, প্রতিষ্ঠা করতে হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

ডিএনসিসি মেয়র প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে উত্তরা আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে ভালবাসার প্রণোদনা হিসেবে ৭ লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেন।

এই প্রণোদনায় ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ২ লাখ টাকা, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আফসার উদ্দিন ১ লাখ টাকা, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. ইসহাক মিয়া ১ লাখ টাকা, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জয়নাল আবেদীন ৫০ হাজার টাকা, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জাইদুল ইসলাম মোল্লা ৫০ হাজার টাকা, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডিএম শামীম ৫০ হাজার টাকা এবং ১, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হাছিনা বারী চৌধুরী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

/এসএস/এমএস/

সম্পর্কিত

ভবনে ৬ মাসের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক না বসালে ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

ভবনে ৬ মাসের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক না বসালে ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

রূপনগর খাল পুনরুদ্ধারে ডিএনসিসির অভিযান

রূপনগর খাল পুনরুদ্ধারে ডিএনসিসির অভিযান

‘নতুন ওয়ার্ডে একটি করে রাস্তা নির্মাণ শুরু ২০ নভেম্বর’ 

‘নতুন ওয়ার্ডে একটি করে রাস্তা নির্মাণ শুরু ২০ নভেম্বর’ 

ডিএনসিসি এলাকায় ১১ মামলায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসি এলাকায় ১১ মামলায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা

সাম্প্রদায়িক হামলাকারীদের আইনি সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান সুপ্রিম কোর্ট বারের

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৭

দেশব্যাপী মন্দির, হিন্দুদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও নাশকতায় জড়িতদের আইনি সহায়তা না দিতে আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতারা।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের সামনে “সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই” দাবিতে এক সম্প্রীতি সমাবেশে বক্তারা এ আহ্বান জানান। সমাবেশটির আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে চলমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একইসঙ্গে তাদের মদতদাতা স্বাধীনতাবিরোধী ধর্মান্ধ জামাত-শিবির ও তাদের দোসর ‑ যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় এনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন জোরদার করতে হবে। আইনজীবীসহ সকল ধর্ম, বর্ণ, পেশার বিবেকবান মানুষ, আলেম-ওলামাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রেখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হবে। এছাড়াও সকল ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে ভূমিকা রাখা এবং ভবিষ্যতে এরূপ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সচেতন সব নাগরিককে সজাগ থাকার জন্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।

পাশাপাশি সমাবেশ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য জোর দাবি জানানো হয়।

বক্তারা দেশব্যাপী মন্দির, হিন্দুদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর অগ্নিসংযোগ ও নাশকতায় জড়িতদের আইনি সহায়তা প্রদান না করা এবং চলমান সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য সারা দেশের আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানান।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল বিদেশে অবস্থান করেও চলমান পরিস্থিতির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন এবং সমাবেশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করছেন বলে সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিক উল্যা তার বক্তব্যে জানান।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন দেশের বাইরে অবস্থান করায় ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিক উল্যা।

এসময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন - সমিতির ট্রেজারার অ্যাডভোকেট ড. ইকবাল করিম, সদস্য মাহফুজুর রহমান রোমান, এ.বি.এম. শিবলী সাদেকীন, মিন্টু কুমার মণ্ডল, ব্যারিস্টার মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, সাবেক সম্পাদক ড. মো. মোমতাজউদ্দিন আহমেদ মেহেদী, সাবেক সহসম্পাদক মো. মোতাহার হোসেন সাজু, আইনজীবী নেতা অ্যাডভোকেট আবদুন নুর দুলাল, অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক, বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাষ, প্রবীর রঞ্জন হালদার, জয়া ভট্টাচার্য, চিত্রা রায়, জেসমিন সুলতানা, জগলুল কবীর প্রমুখ।

/বিআই/এমএস/

সম্পর্কিত

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

জাপানি শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়ের টানাপড়েন: উভয়পক্ষের রিটের শুনানি ২৮ অক্টোবর

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

৬ মাস পাওনা টাকা চাইতে পারবেন না ইভ্যালির গ্রাহকরা: হাইকোর্ট

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

যৌনকর্মীদের খুনের নেপথ্যে তাদের ‘বাবুরা’

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

মণ্ডপে হামলার উসকানিদাতা মাওলানা রহিম বিপ্লবী গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

এক সপ্তাহে ৪ কোটি শিশু পাবে কৃমির ওষুধ

এক সপ্তাহে ৪ কোটি শিশু পাবে কৃমির ওষুধ

সাড়ে সাত লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

সাড়ে সাত লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

করোনায় মৃত্যুহীন ৫৬ জেলা

করোনায় মৃত্যুহীন ৫৬ জেলা

ডেঙ্গুতে আরও এক মৃত্যু  

ডেঙ্গুতে আরও এক মৃত্যু  

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় বারডেমের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নবায়ন  

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় বারডেমের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নবায়ন  

৩৪ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কে, ২৮ জেলায় শূন্য

৩৪ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কে, ২৮ জেলায় শূন্য

১৮ মাস পর শনাক্ত ২৫০-এর নিচে

১৮ মাস পর শনাক্ত ২৫০-এর নিচে

চিকিৎসকসহ ৯৪৪৭ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

চিকিৎসকসহ ৯৪৪৭ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

একদিনে ১১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

একদিনে ১১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

৩৭ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কে, ২৩ জেলায় শূন্য

৩৭ জেলায় শনাক্ত এক অঙ্কে, ২৩ জেলায় শূন্য

সর্বশেষ

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনছে পুলিশ 

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

৮০ কোটি টাকায় যেভাবে বদলে যাবে ধূপখোলা মাঠ

৮০ কোটি টাকায় যেভাবে বদলে যাবে ধূপখোলা মাঠ

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

রেসিপি : কোরিয়ান বুলগগি

রেসিপি : কোরিয়ান বুলগগি

© 2021 Bangla Tribune