X
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

ধ্বংসের পথে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪১

প্রতিষ্ঠাতা পদ নিয়ে টানাটানি, অনিয়ম-দুর্নীতি ও করোনায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধসহ নানা কারণে ধ্বংসের পথে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। দীর্ঘদিন দুই পক্ষের চলমান মামলায় আইনি জটিলতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ কার্যক্রমে অচল অবস্থা দেখা দিয়েছে। এ জন্য স্টুডেন্ট ফোরামের ব্যানারে ২০ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ২০১৩ সালে জেলা শহরের কলাতলী মোড়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে গড়ে উঠে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। লায়ন মুজিবুর রহমানকে প্রতিষ্ঠাতা ও সালাহ উদ্দিন আহমদকে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান করে ১০ সদস্যের ট্রাস্ট বোর্ড নিয়ে শুরু থেকে ভালোই চলছিল শিক্ষা কার্যক্রম। এক বছর আগে থেকে প্রতিষ্ঠাতা পদ নিয়ে শুরু হয় টানাটানি। 

ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা লায়ন মুজিবুর রহমানকে বাদ দিয়ে ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহমদ নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করেন। লায়ন মুজিবুর রহমান সালাহ উদ্দিন আহমদকে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মেনে নিলেও প্রতিষ্ঠাতা মানতে রাজি নন। ইউনিভার্সিটি এক বছর আগে থেকে দখলে নেন সালাহ উদ্দিন আহমদ।

এ নিয়ে একে-অপরের সঙ্গে মামলায় জড়িয়ে পড়েন। এসব মামলা জটিলতায় স্থবির হয়ে পড়ে শিক্ষা কার্যক্রম। ১২০০ শিক্ষার্থী নিয়ে চালু হওয়া ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০০ জনে নেমে আসে। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় স্টুডেন্ট ফোরামের ব্যানারে শিক্ষার্থীরা ২০ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন।

স্টুডেন্ট ফোরামের দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ, স্থায়ী ক্যাম্পাস, উন্নত ক্লাসরুম, যোগ্যতাসম্পন্ন রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও ডিন, পর্যাপ্ত মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, নিজস্ব লাইব্রেরি ও কার্যকর ওয়েবসাইট, হিসাবরক্ষণ বিভাগকে পুনর্বিন্যাস, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেমিস্টার সম্পন্ন, জরিমানা ও সেমিস্টার ফি’র জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম, ট্রাস্টি বোর্ড ও প্রশাসনের দ্বন্দ্ব থেকে শিক্ষা কার্যক্রম মুক্ত রাখা, নিরপেক্ষ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিশ্চিতকরণ, একাডেমিক ক্যালেন্ডার, কমন রুম ল্যাব সুবিধা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় দিবস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষা সফর ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট এবং কর্মশালার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ, প্রতিষ্ঠিত এবং সক্রিয় ক্লাবসমূহকে প্রণোদনা ও অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ, ক্যানটিন সুবিধা নিশ্চিতকরণ, মানসম্মত শৌচাগার নিশ্চিতকরণ, বহিরাগতদের বিচরণ বন্ধ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের দ্বন্দ্বের নিরসন।

এ বিষয়ে স্টুডেন্ট ফোরামের মুখপাত্র আরিফ সাঈদ বলেন, প্রত্যেক সেমিস্টার (ছয় মাস) থেকে প্রায়ই আড়াই কোটি টাকা আয় করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অথচ আমাদের নেই মানসম্মত শৌচাগার। নামেই ইউনিভার্সিটি। বিষয়গুলো নিয়ে আমরা অনেকবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। বারবার আশ্বাস দিয়েছে তারা। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।

জানতে চাইলে ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা দাবিদার লায়ন মুজিবুর রহমান বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়া কক্সবাজার জেলাকে এগিয়ে নিতে ইউনিভার্সিটিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১০ সদস্য বিশিষ্ট ট্র্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়। পরে ট্রাস্ট গঠন সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সালাহ উদ্দিন আহমদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টের চেয়ারম্যান করা হয় বিনা অর্থে। আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ২১ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসিকে মতামত দেওয়ার জন্য চিঠি দেয়। সেই অনুযায়ী একই বছরের ২৬ জুন ইউজিসির তদন্ত টিম সরেজমিন পরিদর্শনে আসে। এ সময় আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমাকে প্রতিষ্ঠাতা, নিজেকে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং বাকি আট সদস্যকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন সালাহ উদ্দিন। তদন্ত টিমের পরামর্শ মোতাবেক ২৭ জুন সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আমাদের ট্রাস্ট দলিল রেজিস্ট্রেশন করি এবং তদন্ত টিমের কাছে জমা দিই। প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আমার স্বাক্ষরে দলিল সম্পাদিত হয় এবং গ্রহীতা হিসেবে সালাহ উদ্দিনসহ ১০ জন সদস্য স্বাক্ষর করেন। পরে তদন্ত টিম তথ্য-উপাত্ত বিবেচনা করে একই বছরের ৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠায়। সুপারিশের ভিত্তিতে আমাকে প্রতিষ্ঠাতা নির্ধারণ করে ১৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ৬ অক্টোবর ইউজিসি কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অনুমোদন দেয়।’

মজিবুর রহমান বলেন, ‘এরই মধ্যে সালাহ উদ্দিন আরেকটি ভুয়া ট্রাস্ট দলিলের মাধ্যমে নিবন্ধনের জন্য ছাড়পত্র নিয়ে সাবমিট করেন। ইতোমধ্যে আমরা বিষয়টি নিয়ে রেজিস্ট্রারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি এবং আদালতে মামলা করেছি। চট্টগ্রামের ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালত ইতোমধ্যে সালাহ উদ্দিনের করা ভুয়া ট্রাস্ট দলিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে জবাব চেয়েছেন। জবাব না দেওয়া পর্যন্ত ট্রাস্টের সব কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্টুডেন্ট ফোরাম

তবে সালাহ উদ্দিন আহমদ নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে বলেন, ‘আমিই কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা। ইউনিভার্সিটির আবেদনকারী। ২০১৩ সালের ১২ মে আমাকে প্রতিষ্ঠাতা করে দলিল করা হয়। আবেদনে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সরকারের বরাবর অঙ্গীকারনামা প্রদানকারীও আমি। ২০১৩ সালের ২ মে অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয়। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের আবেদনকারী হিসেবে আমি আবেদনে স্বাক্ষর করি এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথম প্রস্তাবিত উপাচার্য শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারকে নিয়োগ দিই আমি। তারা আমার বরাবরে যোগদানের সম্মতিপত্র দেন। একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভবনের ভাড়া চুক্তি সম্পাদন করি। গত বছর লক্ষ্য করি, বেসরকারি ইউনিভার্সিটির সাময়িক অনুমতি প্রাপ্তির আবেদন ফরমের ৩ নম্বর ক্রমিকে প্রতিষ্ঠাতার নাম ও ঠিকানার অংশ পাল্টে আমার স্থলে মুজিবুর রহমানের নাম ও ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ১০ সদস্যদের নাম ও ঠিকানার জায়গায় মো. মুজিবুর রহমানের পরিবারের নয় সদস্যের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে।’

মুজিবুর রহমান দুর্নীতিবাজ এবং ইউজিসির চিঠির কথা উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ফাউন্ডার হিসেবে শুরু থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন মুজিবুর রহমান। ১২০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি বছর সাত কোটি টাকা আয় হয়। প্রতিদিন ব্যাংকে জমাকৃত টাকাগুলো সন্ধ্যায় নামে-বেনামে চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করেন মুজিবুর ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসাব পরিচালনাকারী আব্দুর সরুর। দুই জন মিলে ব্যাংক শূন্য করে বিশ্ববিদ্যালয় দেউলিয়া বানিয়ে দিয়েছেন। পরে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত বছর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। যা এখনও চলমান।’

এদিকে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মানববন্ধন করেছে স্টুডেন্ট ফোরাম। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম নিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। করোনা সংক্রমণের দেড় বছরে অনলাইন ক্লাস নেয়নি। কিন্তু কোর্স ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের টাকা আত্মসাৎ করছে কর্তৃপক্ষ। ইউনিভার্সিটিতে এখনও ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়মিত ট্রেজারার নেই। গত আট বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস গড়তে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

/এএম/

সম্পর্কিত

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০৮

বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কমপক্ষে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে হোসাইন হায়দার আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কমপক্ষে শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী হোসাইন হায়দার আলী। সেই টাকা পরিশোধ না করে চট্টগ্রাম ছেড়ে ঢাকায় যান। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি বানিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঋণ পরিশোধ না করায় আদালতে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলা হয়। এসব মামলায় কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর অবস্থান শনাক্ত করে শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করি। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

গ্রেফতার হোসাইন হায়দার আলী চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েত বাজার জুবলী রোডের মেসার্স জুবলী ট্রেডার্সের মালিক। বাসা ছিল নগরীর কোতোয়ালি থানার লাভ লেনের আবেদিন কলোনিতে। ঋণ নেওয়ার পর সেগুলো পরিশোধ না করে ১০ বছর আগে ২০১২ সালে ঢাকায় গিয়ে আত্মগোপন করেন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০২

বান্দরবানের চন্দ্রঘোনা সড়কের আমবাগান এলাকায় একটি যাত্রীবাহী চাঁদের গাড়িতে ৪০ থেকে ৫০ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে জনসংহ‌তি স‌মি‌তির (জেএসএস মূল) সন্ত্রাসীরা। এতে তিন জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে বান্দরবানের কুহালং ইউনিয়নে ঘটনাটি ঘটে।

আহত তিন জন হলেন- ওয়াইনু মারমা (২৪), মেহাই চিং মারমা (১৮) ও ইয়াইচং মারমা (১৮)।

বান্দরবান সেনা জো‌ন জানিয়েছে, রাজস্থলী থে‌কে এক‌টি চাঁদের গাড়ি নি‌য়ে বান্দরবা‌নের রুমার বগা ‌লে‌কে ১৯ জনের এক‌টি দল বেড়া‌তে যায়। বিকা‌লে তারা রাজস্থলী‌তে ফেরার প‌থে রাঙ্গামাটি বান্দরবান সড়কের গলাচিপা নামক স্থানে পৌঁছালে জনসংহ‌তি স‌মি‌তির (জেএসএস মূল) সন্ত্রাসীরা গা‌ড়ি‌টি লক্ষ‌্য ক‌রে অতর্কিত গু‌লি চালায়। এ সময় ৪০ থেকে ৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গাড়িতে অবস্থানরত তিন তরুণী আহত হন। প‌রে সেনাবা‌হিনী আহত‌দের উদ্ধার ক‌রে বাঙ্গালহালিয়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এছাড়াও অন্যান্য যাত্রীদের অন্য একটি গাড়িতে করে গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে।

সেনাবা‌হিনীর ম‌তে, সাধারণ মানুষের মনে ভীতি সৃষ্টির জন্য জেএসএসের (সন্তু) সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থ‌লে সেনাবাহিনীর টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে ব‌লেও জানায় সেনাবা‌হিনী।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বান্দরবান থেকে একটি চাঁদের গাড়ি চন্দ্রঘোনা সড়ক দিয়ে আমবাগান এলাকা পার হওয়ার সময় হঠাৎ পাহাড় থেকে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। এ ঘটনায় গাড়ির চাকায় গুলি লাগলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এ হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহতকে উদ্ধার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে বাঙ্গালহালিয়া ও চন্দ্রঘোনার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩২

কক্সবাজার শহর ও পৌরসভার অলিগলির সড়ক, উপ-সড়কগুলোতে চলছে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি। এসব সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না। ফলে শহরের পথচারী ও বাসিন্দাদের কোথাও পা ফেলার জায়গা নেই। বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল। একটু বৃষ্টি হলেই জমছে কাদাপানি। খানাখন্দে গাড়ির চাকা আটকে ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্বাস্থ্যকর শহর নামে খ্যাত জেলায় এখন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। শুধু বর্ষা মৌসুম নয়, শুষ্ক মৌসুমেও শহরের প্রধান সড়ক, উপ-সড়কসহ অলিগলি সব রাস্তার অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। সড়কের সবখানে ভাঙা, গর্ত ও হাঁটু ও কাদাপানি। এসব পানি সড়কে জমে একাকার। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পৌরবাসীসহ পর্যটকরা।
 
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) পৌর শহরের প্রধান সড়ক উন্নয়নের নামে খোঁড়াখুঁড়ি করে ৩-৪ ফুট গভীর গর্ত করেছে। পাঁচ কিলোমিটারের পুরোনো সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শহরের বাইরের ভারী যানবাহন এই সড়ক দিয়ে ঢুকতে পারে না। সড়কের বেহাল দশার কারণে মানুষের হাঁটাচলা বন্ধ হয়ে গেছে। 

সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলায় দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না

শহরের হাসপাতাল সড়কের ব্যবসায়ী আবুল কাশেম নির্মাণাধীন সড়কের তিন ফুট গভীর গর্তে পড়ে পা ভেঙে তিন মাস ধরে শয্যাশায়ী। তিনি বলেন, সড়কের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে শহরবাসী অপরাধ করেছে, তাই যন্ত্রণা দেওয়া হচ্ছে। সড়কের কোথাও পা রাখার জায়গা নেই। এমন উন্নয়নকাজ কোথাও দেখিনি। আগে দেখেছি, সড়কের একপাশ খালি রেখে অন্যপাশে উন্নয়ন কাজ করা হতো। এখন দেখছি, পুরো সড়ক খুঁড়ে ফেলা হয়েছে।

একই কথা বলেছেন শহরের বাজারঘাটা এলাকার ব্যবসায়ী পারভেজ আলম। তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে শহরের প্রধান সড়কের সবকটি এলাকা খুঁড়ে ফেলেছে। কিন্তু খোঁড়ার পর মেরামত করা হয় না। যতটুকু কাজ করবে, ততটুক না খুঁড়ে পুরো সড়ক খুঁড়ে ফেলায় বেকায়দায় পড়েছে মানুষ। পুরো সড়কে দেখা দিয়েছে অচল অবস্থা। 

এদিকে, গত দেড় বছর আগে থেকে পৌরসভা সড়ক নির্মাণের কাজ করছে। কিন্তু কাজই শেষ হচ্ছে না তাদের। একসঙ্গে শহরের ২৯টি সড়ক-উপ-সড়ক ভেঙে ড্রেনের কাজ শুরু করেছে তারা। দেড় বছরেও সব ড্রেনের কাজ শেষ করতে পারেনি। ফলে প্রত্যেক সড়ক-উপ-সড়ক অকেজো হয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল অনুপযোগী।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আলম বলেন, পৌরসভা দেড় বছর আগে ২৯টি সড়ক, উপ-সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করে। ২৯টি সড়কের ৩২ কিলোমিটার কাজ এখনও শেষ হয়নি। এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের মিউনিসিপ্যাল গভর্নরের সার্ভিসেস প্রকল্প (এমডিএসপি) ও ইউজিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কাজের ব্যয় প্রকল্প ধরা হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পৌর শহরে বড় ধরনের কোনও বাজেট কিংবা প্রকল্প নিয়ে সড়কের উন্নয়নকাজ করা হয়নি। স্বাধীনতা পরবর্তী ৫০ বছর ধরে পৌরবাসী সড়ক নিয়ে দুর্ভোগে ছিলেন। এখন পুরো শহরের সব সড়কের পরিকল্পিত উন্নয়নকাজ চলছে। সড়ক উন্নয়নকাজ করতে গিয়ে বর্তমানে কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে পৌরবাসীর। এই কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। 

খানাখন্দে গাড়ির চাকা আটকে ঘটছে দুর্ঘটনা

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, শহরের প্রধান সড়কটি অনেক পুরোনো। সড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। তাই শহরের প্রধান সড়কের জিরো পয়েন্ট হলিডে মোড় থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত প্রশস্ত করে ফোরলেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। সড়কের উন্নয়র প্রকল্প হচ্ছে ২৯৪ কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। 

তিনি বলেন, সড়ক উন্নয়নকাজ করতে গিয়ে সাময়িক চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। কিন্তু কাজ সম্পন্ন হলে যানজট নিরসনের পাশাপাশি পর্যটন শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

গত ৯ জুন কক্সবাজারের হোটেল শৈবালে এক কর্মশালায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী কক্সবাজার শহরের সড়কের দুরবস্থা দেখে বলেছেন, পর্যটন শহরের রাস্তার এমন অবস্থা ভাবা যায় না। বিমান বন্দর থেকে যাওয়ার পথে সড়কের এমন করুণ দশা দেশের কোথাও নেই। এমন সড়ক দেখে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে যেন বিরূপ ধারণা না হয়, সে জন্য দ্রুত সড়ক উন্নয়ন করতে হবে। 

/এএম/

সম্পর্কিত

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩২

দিনাজপুরের হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে রাজস্ব কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম নামের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও সিপাহি হরিদাশ আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার রেলগেট বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। সৈয়দপুরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ছেলে অসুস্থ থাকায় আজ সন্ধ্যায় কাজ শেষে হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা দেন রাজস্ব কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে একই মোটরসাইকেলে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম ও সিপাহি হরিদাশ ওঠেন। পথে ফুলবাড়ি রেলগেট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই শাহাদৎ হোসেনের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাকি দুইজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফুলবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, পাথরবাহী ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিচে পড়ে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ট্রাকচালক রাজিউর রহমানকে আটক করা হয়েছে। ফুলবাড়ী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

কুড়িগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ২

কুড়িগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ২

ফেসবুক লাইভে গাঁজা সেবন, যুবককে খুঁজছে পুলিশ

ফেসবুক লাইভে গাঁজা সেবন, যুবককে খুঁজছে পুলিশ

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২১

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা রিয়াজুল হক জোদ্দারকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, তাকে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গত শুক্রবার লালমনিহাট সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় রিয়াজুল হক জোদ্দারকে লালমনিরহাট থেকে গ্রেফতার করে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ। শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ।

আটক রিয়াজুল হক জোদ্দার উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের চর কড়াইবরিশাল এলাকার মৃত ফুলগনির ছেলে। তিনি চিলমারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।

পুলিশ আরও জানায়, গত ২৫ জুলাই নৌকায় তুলে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারী বাদী মামলা রুজু করলে দীর্ঘদিন এজাহারভুক্ত আসামি পলাতক থাকার পর গতকাল গ্রেফতার করা হয়।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ৩ জন, ট্রাকের ধাক্কায় রাজস্ব কর্মকর্তা নিহত

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

কুড়িগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ২

কুড়িগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ২

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

যাত্রীবাহী গাড়িটিতে সন্ত্রাসীদের ৪০-৫০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

কক্সবাজারে বছরজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি, দুর্ভোগের শেষ নেই

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

গার্মেন্টসকর্মীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক ৬

গার্মেন্টসকর্মীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক ৬

খুতবার আজান নিয়ে সংঘর্ষে নিহত: যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

খুতবার আজান নিয়ে সংঘর্ষে নিহত: যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সৈকতে বেড়াতে আসা ৬ বন্ধুর মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার

সৈকতে বেড়াতে আসা ৬ বন্ধুর মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

আফগান মেয়েদের স্কুল থেকে বাদ দেওয়া উচিত না: ইউনিসেফ

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

পুতিনের সঙ্গে বসছেন এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মগোপনের ১০ বছর পর গ্রেফতার

চবিতে দুই শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

চবিতে দুই শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

© 2021 Bangla Tribune