X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

না ফেরার দেশে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৭

ইংল্যান্ডের সোনালী প্রজন্মের সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন প্রজন্মের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন। ৮১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সেই জিমি গ্রিভস।

১৯৬৬ বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার সাবেক ক্লাব টটেনহাম।  তারা বিবৃতিতে বলেছে, ‘জিমি গ্রিভসের মৃত্যুর খবরে আমরা ভীষণভাবে ব্যথিত। তিনি শুধু টটেনহামের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাই ছিলেন না। দেশের অন্যতম সেরা গোলদাতাও ছিলেন। তিনি নিজ বাড়িতে সকাল বেলায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’

গ্রিভস এমনভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যা তাকে প্রজন্মের সেরা গোলদাতার খ্যাতি এনে দেয়। স্পারদের সঙ্গী হওয়ার আগে চেলসিতে ১৬৯ ম্যাচে ১৩২ গোল আছে তার। এর পর তো টটেনহামের লিজেন্ডই হয়ে গেছেন। ক্লাবটিতে ৩৭৯ ম্যাচে তার গোল ২৬৬টি। যা ক্লাবটির সর্বকালের সেরা। ইংল্যান্ডের হয়ে ৫৭ ম্যাচেও তার গোল ৪৪টি। তার মাঝে রয়েছে ৬টি হ্যাটট্রিক।   

/এফআইআর/  

সম্পর্কিত

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

ম্যারাডোনা কাপে খেলবে বার্সা-বোকা

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

বাংলাদেশ দলে জায়গা পেলেন কাতার প্রবাসী নবাব

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

১০ জন নিয়ে ড্র করলো পিএসজি

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৩৭

রান ১০০ পেরোবে কিনা, এই সংশয়ও জন্মেছিল। নাসুম আহমেদের ‘ক্যামিও’ পারফরম্যা্ন্সে মোটামুটি একটা স্কোর তবু হলো। ১২৪ রানের পুঁজি নিয়ে অন্তত লড়াই তো করা সম্ভব। কিন্তু কীসের কী, কোনও সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ। ইংলিশ ব্যাটারদের কাছে, বিশেষ করে জেসন রয়ের দাপটে অসহায় আত্মসমর্পণ মাহমুদউল্লাহদের। হেসেখেলে ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড।

আজ (বুধবার) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়ের ঝড়ো হাফসেঞ্চু্রিতে ২ উইকেট হারিয়ে ১৪.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত ইংলিশদের। ফলে সুপার টুয়েলভে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হারলো বাংলাদেশ। তাতে সেমিফাইনালের আশা কমে গেলো আরেকটু।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় স্কোর গড়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ক্যাচ মিসে হাতছাড়া হয়েছে ম্যাচ। ইংল্যান্ড ম্যাচ ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চে, অথচ সামান্য প্রতিরোধও গড়া যায়নি। প্রথমে ব্যাটিং ব্যর্থতা, এরপর বোলারদের হতাশা। অল্প পুঁজি নিয়ে বোলিংয়ে দুর্দান্ত কিছুর প্রয়োজন থাকলেও কিছুই করতে পারেননি সাকিব-মোস্তাফিজরা। তাদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে রয় খেলেন ৩৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা এই ওপেনার ঝড়ো ইনিংসটি সাজান ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায়। শরিফুল ইসলামের বলে নাসুম আহমেদের হাতে যখন তিনি ধরা পড়লেন, ইংল্যান্ডের জয় তখন সময়ের ব্যাপার।

সহজ লক্ষ্যে ইংল্যান্ডকে দারুণ শুরু এনে দেন রয় ও জস বাটলার। অস্বস্তি বাড়তে থাকা বাংলাদেশ দলে খানিক সময়ের জন্য স্বস্তি ফেরে নাসুমের বলে। বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি বাঁহাতি স্পিনার। তার বলেই ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাংলাদেশ।

সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম সাফল্য পাচ্ছিলেন না। ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটিও এগিয়ে চলছিল। এরপর বোলিংয়ে এলেন নাসুম। এসেই ফেরালেন বাটলারকে। এই ইংলিশ হার্ডহিটার ব্যাটারকে এক্সটা কাভারে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। ফেরার আগে ১৮ বলে ১ চার ও সমান ছক্কায় ১৮ রান করে যান বাটলার।

ইংলিশ উইকেটকিপার আউট হলেন বটে কিন্তু অস্বস্তি কাটলো না। ইংল্যান্ডের অন্য ব্যাটাররা সুযোগই দিচ্ছিলেন না। তাই জয়ের পথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলে ইংলিশরা। এরই একফাঁকে রয় ফিরে যান। তাতে অবশ্য কোনও প্রভাব পড়ে না ইংল্যান্ড ক্যাম্পে। দলের সহজ জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়ে যান ডেভিড মালান ও জনি বেয়ারস্টো। মালান ২৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ২৮ রানে। আর বেয়ারস্টো ৪ বলে ১ বাউন্ডারিতে অপরাজিত থাকেন ৮ রানে।

ইংল্যান্ডের হারানো ২ উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন নাসুম ও শরিফুল। নাসুম ৩ ওভারে খরচ করেন ২৬ রান। শরিফুল ৩.৩ ওভারে দেন ২৬ রান। উইকেটহীন সাকিব ৩ ওভারে দিয়েছেন ২৪ রান। মোস্তাফিজ ৩ ওভারে ২৩ রানে উইকেটশূন্য। আর মেহেদী হাসান ২ ওভারেই খরচ করেছেন ২১ রান।

টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এই ম্যাচ দিয়েই প্রথমবার সাক্ষাৎ। আবুধাবির ম্যাচটিতে ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতায় লড়াই করার মতো স্কোর পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে নাসুমের ছোট কিন্তু কার্যকারী ইনিংসে মোটামুটি একটা লক্ষ্য দাঁড় করায় মাহমুদউল্লাহরা।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি এমন ছিল যে, ৯৮ রানেই পড়ে যায় ৭ উইকেট! সেখান থেকে স্কোর ১২৪ পর্যন্ত গিয়েছে আদিল রশিদের ১৯তম ওভারে নাসুম ১৭ রান নিলে। তার মাঝে ছিল দুটি ছয় ও এক চার। আবুধাবিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ রান ছিল কেবল মুশফিকের। ৩০ বলে করেন ২৯ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৪ বলে করেছেন ১৯ রান।

নাসুমও করেছেন ১৯*। ৯ বলে অপরাজিত ইনিংসটি তিনি সাজান ১ চার ও ২ ছক্কায়। নুরুল হাসান সোহান ১৬ ও মেহেদীর ১৯ ছাড়া বাকিরা দুই অঙ্কের ঘরে যেতে ব্যর্থ। আবারও হতাশায় ডুবিয়েছেন লিটন দাস (৯)। রান পাননি নাঈম (৫), সাকিব (৪) ও আফিফ হোসেন (৫)।

/কেআর/

সম্পর্কিত

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫০

জস বাটলার আউট হলেন বটে কিন্তু অস্বস্তি কাটলো না। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা সুযোগই দিচ্ছেন না বাংলাদেশকে। তাই জয়ের পথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে ইংলিশরা। সমান্তরালে হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

আজ (বুধবার) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করেছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড হারিয়েছে বাটলারের উইকেট। স্কোর ১২ ওভারে ১ উইকেটে ১০৪ রান।

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

স্কোর বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাই বোলিংয়ে শুরুটা ভালো হওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জস বাটলার সুবিধাই করতে দিচ্ছিলেন না। অবশেষে স্বস্তি ফেরালেন নাসুম আহমেদ। বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি বাঁহাতি স্পিনার।

সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম সাফল্য পাননি। ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারছিলেন না তারা। এরপর বোলিংয়ে এলেন নাসুম। এসেই ফেরালেন বাটলারকে। এই ইংলিশ হার্ডহিটার ব্যাটারকে এক্সটা কাভারে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। ফেরার আগে ১৮ বলে ১ চার ও সমান ছক্কায় ১৮ রান করে যান বাটলার।

বাংলাদেশের ১২৪

টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়েই প্রথমবার সাক্ষাৎ। আবুধাবির এই ম্যাচে ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে নাসুম আহমেদের ছোট কিন্তু কার্যকারী ইনিংসে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পেয়েছে মাহমুদউল্লাহরা। ৯ উইকেট হারিয়ে করেছে ১২৪ রান।   

অথচ টপের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি এমন ছিল ৯৮ রানেই পড়ে যায় ৭ উইকেট! সেখান থেকে স্কোরবোর্ড চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায় আদিল রশিদের ১৯তম ওভারে নাসুম আহমেদ ১৭ রান নিলে। তার মাঝে ছিল দুটি ছয় ও এক চার। আবুধাবিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ রান ছিল কেবল মুশফিকের। ৩০ বলে করেন ২৯ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৪ বলে ১৯ রান করেছেন।

/কেআর/

সম্পর্কিত

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫৯

স্কোর বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাই বোলিংয়ে শুরুটা ভালো হওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জস বাটলার সুবিধাই করতে দিচ্ছিলেন না। অবশেষে স্বস্তি ফেরালেন নাসুম আহমেদ। বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি বাঁহাতি স্পিনার।

আজ (বুধবার) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করেছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড হারিয়েছে প্রথম উইকেট। স্কোর ৮ ওভারে ১ উইকেটে ৭৫ রান।

সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম সাফল্য পাননি। ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারছিলেন না তারা। এরপর বোলিংয়ে এলেন নাসুম। এসেই ফেরালেন বাটলারকে। এই ইংলিশ হার্ডহিটার ব্যাটারকে এক্সটা কাভারে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। ফেরার আগে ১৮ বলে ১ চার ও সমান ছক্কায় ১৮ রান করে যান বাটলার।

বাংলাদেশের ১২৪

টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়েই প্রথমবার সাক্ষাৎ। আবুধাবির এই ম্যাচে ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে নাসুম আহমেদের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহরা। ৯ উইকেট হারিয়ে করেছেন ১২৪ রান।   

অথচ টপের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি এমন ছিল, ৯৮ রানেই পড়ে যায় ৭ উইকেট! সেখান থেকে স্কোরবোর্ড চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায় আদিল রশিদের ১৯তম ওভারে নাসুম আহমেদ ১৭ রান নিলে। তার মাঝে ছিল দুটি ছয় ও এক চার। আবুধাবিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ রান ছিল কেবল মুশফিকের। ৩০ বলে করেন ২৯ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৪ বলে ১৯ রান করেছেন।

/কেআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

নাসুমের কার্যকারিতায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর পেলো বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪২

টি-টোয়েন্টিতে আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেনি বাংলাদেশ। ব্যাটারদের টানা ব্যর্থতায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু নাসুম আহমেদের ছোট কার্যকর ইনিংসে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পেয়েছে মাহমুদউল্লাহর দল। সুপার টুয়েলভে ৯ উইকেট হারিয়ে করেছে ১২৪ রান।    

অথচ টপের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি এমন ছিল ৯৮ রানেই পড়ে যায় ৭ উইকেট! সেখান থেকে স্কোরবোর্ড চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায় নাসুম আহমেদ আদিল রশিদের ১৯তম ওভারে ১৭ রান নিলে। তার মাঝে ছিল দুটি ছয় ও এক চার। আবুধাবিতে ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ রান ছিল কেবল মুশফিকের। ৩০ বলে করেন ২৯ রান। যার সঙ্গী ছিলেন মাহমুদউল্লাহও। ২৪ বলে ১৯ রান করেছেন। 

অথচ উইকেট ভালো বিবেচনায় শুরুতে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত সূচনা তারা পায়নি। উল্টো তিন ওভারের মাঝেই ফিনে যান দুই ওপেনার। টানা ব্যর্থ লিটন আজ সুযোগ পেলেও ভাগ্য ফেরাতে পারেননি। ৯ রানে বিদায় নিয়েছেন তৃতীয় ওভারেই! মঈনের স্পিনে সুইপ করতে গিয়েছিলেন। ব্যাট-বলে সংযোগ না হওয়ায় টপ এজ হয়ে ধরা পড়েন লিভিংস্টোনের হাতে। পরের বলেও সাফল্য পান ইংলিশ অফস্পিনার। তার স্পিনে মিড অনে বাজে শটে ক্যাচ তুলে দেন নাঈম। এই ওপেনার ফিরেছেন ৫ রানে।

চাপে পড়ে যাওয়া এই সময়টায় সাকিবও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। অথচ পাওয়ার প্লের এই সময়টাতেই স্কোরবোর্ড ফুলেফেঁপে ওঠার কথা! এই অলরাউন্ডারকে রশিদের ক্যাচ বানিয়ে রানের রাশ টেনে রাখতে সক্ষম হন ওকস। বাংলাদেশের হতাশার জায়গা হয়ে ওঠা পাওয়ার প্লেতে উঠে ২৭ রান! 

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ মিলে ইনিংস মেরামতে মনোযোগী হয়েছিলেন তারপর। ব্যাটিংটা টি-টোয়েন্টি সুলভ না হলেও ৩৭ রান যোগ করে ধাক্কা সামাল দিতে পেরেছেন। দারুণ সম্ভাবনাময় এই জুটি ভাঙে মুশফিকের বিদায়ে। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার লেগ বিফোরে ফেরেন ৩০ বলে ২৯ রান করে।

চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরের ব্যাটাররাও খেই হারিয়ে বসেন। রানের প্রান্ত বদলে ভুল বোঝাবুঝিতে মাত্র ৫ রান করে ফিরে যান আফিফ। উইকেট পতনের মিছিল তারপরেও অব্যাহত থাকে। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ সঙ্গী হারিয়ে হতোদ্যম হয়ে পড়েছিলেন। লিভিংস্টোনের বলে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরেছেন ১৯ রানে!  তাতে ব্যয় হয়েছে ২৪ বল। 

শেষ দিকে মেহেদী-নুরুল মিলে কার্যকর হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়েছে টাইমাল মিলসের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং! স্কুপ করতে গিয়ে মেহেদী ১১ রানে ফিরেছেন। তবে নাসুমের কার্যকর ব্যাটিংয়ে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি কেউ। তাতেই স্কোরবোর্ড দাঁড়িয়ে যায় বাংলাদেশের। শেষের দুই বলে নুরুল হাসান (১৬) ও মোস্তাফিজ ফিরলে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ।

টাইমাল মিলস ২৭ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৫ রানে দুটি নিয়েছেন লিয়াম লিভিংস্টোন, ১৮ রানে সমসংখ্যক উইকেট নেন মঈন আলীও। ১২ রানে একটি শিকার ক্রিস ওকসের।

/এফআইআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

বাটলার-ঝড় তুলতে দেননি নাসুম

৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ

৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ

৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৩২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে আজ এমন দুটি দল মুখোমুখি। যারা আগে কখনই এই ফরম্যাটে একে অপরের বিপক্ষে খেলেনি। সেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমে ব্যাটিংয়ের শুরুটা বড্ড ম্লান ছিল বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাটিং নিলেও ১৮ ওভারে ১০২ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়েছে তারা। ক্রিজে আছেন নুরুল হাসান (১২) ও নাসুম আহমেদ (৩)।

উইকেট ভালো হওয়াতেই শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু ব্যাট হাতে ব্যাটাররা তার সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন করতে পারেননি! তিন ওভারের মাঝেই ফিরেছেন দুই ওপেনার। টানা ব্যর্থ লিটন আজ সুযোগ পেলেও ভাগ্য ফেরাতে পারেননি। অথচ মঈনের প্রথম ওভারে দুটি চার মেরে ভালো বার্তাই দিচ্ছিলেন। কিন্তু ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকা লিটন সাজঘরে ফেরেন তৃতীয় ওভারেই! মঈনের স্পিনে সুইপ করতে গিয়েছিলেন। ব্যাট-বলে সংযোগ না হওয়ায় টপ এজ হয়ে ধরা পড়েন লিভিংস্টোনের হাতে। পরের বলেও সাফল্য পান ইংলিশ অফস্পিনার। তার স্পিনে মিড অনে বাজে শটে ক্যাচ তুলে দেন নাঈম। এই ওপেনার ফিরেছেন ৫ রানে। লিটন ফেরেন ৯ রানে।  

চাপে পড়ে যাওয়া এই সময়টায় সাকিবও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। অথচ পাওয়ার প্লের এই সময়টাতেই স্কোরবোর্ড ফুলে ফেঁপে ওঠার কথা! এই অলরাউন্ডারকে রশিদের ক্যাচ বানিয়ে রানের রাশ টেনে রাখতে সক্ষম হন ওকস। বাংলাদেশের হতাশার জায়গা হয়ে ওঠা পাওয়ার প্লেতে উঠে ২৭ রান! 

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ মিলে ইনিংস মেরামতে মনোযোগী হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ব্যাটিংটা টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না। এর পরেও ৩৭ রান তুলে শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়েছেন তারা। দারুণ সম্ভাবনাময় এই জুটি ভাঙে মুশফিকের বিদায়ে। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার লেগ বিফোরে ফেরেন ৩০ বলে ২৯ রান করে।

চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরের ব্যাটাররাও খেই হারিয়ে বসেন। রানের প্রান্ত বদলে ভুল বোঝাবুঝিতে মাত্র ৫ রান করেই ফিরে যান আফিফ। উইকেট পতনের মিছিল তারপরেও অব্যাহত থাকে।  অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও সঙ্গী হারা হয়ে হতোদ্যম হয়ে পড়েন। লিভিংস্টোনের বলে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরেছেন ১৯ রানে!  তাতে ব্যয় হয়েছে  ২৪ বল। 

শেষ দিকে মেহেদী-নুরুল মিলে কার্যকরী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়েছে টাইমাল মিলসের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং! স্কুপ করতে গিয়ে এই ব্যাটার ১১ রানে ফিরেছেন ক্যাচ আউটে।    

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

ইংলিশ দাপটে সুযোগই পেলো না বাংলাদেশ

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

হতাশা বাড়ছে মাহমুদউল্লাহদের

quiz
সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune