X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

আফগানদের বিপক্ষে লড়ছে যুবদল

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫০

যুবাদের একমাত্র টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে লড়াই করছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর আফগান যুবারা করেছে ২৮১ রান। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৭০ রানে তৃতীয় দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা। তাদের লিড ৫১ রানের।    

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সকালে আর ৫৫ রান যোগ করতে পারে আফগান যুব দল। বিলাল সৈয়দ আগের দিন ১০১ রানে সেচ্ছায় অবসরে গেলেও মাঠে নেমে আউট হয়েছেন ১১৪ রানে। ততক্ষণে অবশ্য দলের স্কোর বাড়িয়ে নিতে দলকে সঙ্গ দিয়েছেন। দলীয় ২৬৫ রানে তার বিদায়ের পর বাকি সময়টা প্রতিরোধ গড়ে খেলেছেন ফয়সাল খান। ৩৯ রান করা এই ব্যাটসম্যান ফিরলে আফগানরা গুটিয়ে যায় ২৮১ রানে।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ৩টি উইকেট নেন আশরাফুল ইসলাম। দুটি নিয়েছেন আইচ মোল্লা।

দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশ যুব দলের ব্যাটিংয়ের শুরুটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। প্রথম ওভারেই ফিরেছেন ওপেনার ইফতিখার হোসেন। সেই ধাক্কা সামাল দিতে ‍ভূমিকা রাখেন প্রান্তিক নওরোজ ও খালিদ হাসান।

খালিদ ২০ রানে ফিরেছেন। সঙ্গী নওরোজ তুলে নিতে পেরেছেন হাফসেঞ্চুরি। ৭৬ রানে ফিরেছেন তিনি। এরপর শূন্য রানে ফিরে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মাকসুদ। তবে দিনের শেষটা নির্বিঘ্নে পার করে দিয়েছেন অধিনায়ক আইচ মোল্লা (৪০) ও আশরাফুল ইসলাম (১৪)। 

আফগান বোলারদের মধ্যে ২২ রানে দুটি নিয়ে সফল বোলার ছিলেন খারোতে। একটি করে নিয়েছেন বিলাল সামি ও জাহিদুল্লাহ সালিমি।

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে ‘বিশ্বকাপ সেরা’ হওয়ার অপেক্ষায় সাকিব

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে ‘বিশ্বকাপ সেরা’ হওয়ার অপেক্ষায় সাকিব

বিশ্বকাপ উত্তাপের মাঝেই এল ক্লাসিকো মহারণ

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৬

ফুটবলে এই একটি ম্যাচের জন্য কত অপেক্ষা, কত প্রতীক্ষা। শুধু দুই দলের সমর্থকদের জন্য নয়, এই মহারণের অপেক্ষায় থাকে গোটা বিশ্ব। ক্রীড়াঙ্গনের সব দেয়াল ভেঙে একাকার হয়ে যায় বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের এল ক্লাসিকোর উত্তাপ গায়ে মাখতে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ক্রিকেটের এই উত্তাপের মাঝেই আজ (রবিবার) ফুটবলে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল।

বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮-১৫ মিনিটে ন্যু ক্যাম্পের লড়াইয়ে নামছে বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদ। লিওনেল মেসি চলে গেছেন প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ে, অন্যদিকে সের্হিয়ো রামোসও ছেড়ে গেছেন রিয়াল মাদ্রিদ। পেশাদারি ফুটবল দুনিয়া বড্ড অদ্ভূত। যে মেসি ও রামোস ছিলেন একে অন্যের ‘শত্র’, সেই তারাই এখন একদলে! হয়তো একসঙ্গে বসেই দেখবেন বার্সা-রিয়াল মহারণ।

মেসি চলে গেছেন, রামোসও নেই, তাই বলে এল ক্লাসিকোর উত্তাপে কোনও টান পড়ছে না। কারণ দুই দলের লড়াই তো শুধু ফুটবলে নয়, এখানে জাতিগত-রাজনৈতিক ব্যাপারও জড়িত। তাই খেলোয়াড় এখানে মুখ্য নয়, খেলাটাই সবার ওপরে। যে লড়াইয়ে মাদ্রিদের ক্লাব রিয়াল প্রতিনিধিত্ব করে স্পেনের, আর বার্সেলোনা নিজেদের স্বাধীনতার দাবি জানায় বার্সেলোনার ফুটবলের মাধ্যমে। তাই বার্সা-রিয়ালের মহারণ সবসময়ই থাকে উত্তেজনার চাদরে মোড়ানো।

মেসি চলে যাওয়ার পর রীতিমতো ধুঁকছে বার্সেলোনা। ৮ ম্যাচ শেষে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে তারা। রিয়াল মাদ্রিদও সুবিধা করতে পারছে না। সমান ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট তাদের, তবে অবস্থানের দিক থেকে তারা তৃতীয়। ন্যু ক্যাম্প থেকে জিতে ফিরলেই শীর্ষে উঠে যাবে লস ব্লাঙ্কোস। অন্যদিকে বার্সা জিতলে চলে যাবে দ্বিতীয় স্থানে।

রিয়ালের মূল অস্ত্র করিম বেনজেমা। এই মৌসুমের গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন ফরাসি স্ট্রাইকার। সঙ্গে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-রোদ্রিগোর মতো তরুণরা। মাঝমাঠে বিশ্বস্ত লুকা মদরিচ-কাসেমিরোরা। অন্যদিকে বার্সার আক্রমণ সম্পূর্ণ নতুন। মেসি ও আতোঁয়া গ্রিজমান দল ছাড়ার পর এসেছেন মেমফিস ডিপাই-লুক ডি ইয়ংরা। তাদের সঙ্গে আনসু ফাতি ফেরায় আক্রমণে গতি পেয়েছে রোনাল্ড কোম্যানের দলের।

মেসিকে ছাড়া এর আগেও এল ক্লাসিকো খেলেছে বার্সেলোনা। তবে আর্জেন্টাইন তারকা একেবারে ন্যু ক্যাম্প ছাড়ার পর প্রথমবার রিয়ালের বিপক্ষে নামতে যাচ্ছে তারা। এল ক্লাসিকোর সর্বোচ্চ স্কোরারকে ছাড়া কাতালান ক্লাবটি কেমন করে, সেটাই দেখার!

/কেআর/

সম্পর্কিত

আর নয় খণ্ডকালীন, আসছে স্থায়ী ফুটবল কোচ: কাজী নাবিল

আর নয় খণ্ডকালীন, আসছে স্থায়ী ফুটবল কোচ: কাজী নাবিল

প্রবাসী জুলকারনাইনকে নিয়েই উজবেকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

প্রবাসী জুলকারনাইনকে নিয়েই উজবেকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

বাংলাদেশ দলের কোচ হয়েছেন, শুনে তো অবাক লেমস!

বাংলাদেশ দলের কোচ হয়েছেন, শুনে তো অবাক লেমস!

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৫১

সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং পেয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

আজ (রবিবার) শারজার এই ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে একটি পরিবর্তন। তাসকিন আহমেদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন নাসুম আহমেদ। শারজার উইকেট স্পিন সহায়ক, তাই দলে একজন বাড়তি স্পিনার যোগ করার কথা শুনিয়েছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

শ্রীলঙ্কার একাদশেও একটি পরিবর্তন। সাইট স্ট্রেইনের কারণে খেলতে পারছেন না রহস্যময় স্পিনার মাহিশ থিকশানা। তার জায়গায় একাদশে এসেছেন বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্ডো।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান (উইকেটকিপার), শেখ মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: কুশল পেরেরা (উইকেটকিপার), পাথুম নিসানকা, চারিথ আসালঙ্কা, অভিষ্কা ফার্নান্ডো, ভানুকা রাজাপাকসে, দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), চামিকা করুণারত্নে, ভানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুষ্মন্থ চামিরা, লাহিরু কুমারা, বিনুরা ফার্নান্ডো।

/কেআর/

সম্পর্কিত

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫৩

কঠিন সংগ্রাম করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে ওঠা বাংলাদেশের ‘আসল’ লড়াই শুরু হচ্ছে  শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে। আজ (রবিবার) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায় শারজা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দল দুটি। ওয়ার্ম-আপে লঙ্কানদের বিপক্ষে হারলেও সুপার টুয়েলভের ম্যাচে বেশ কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের নাস্তানাবুদ করা সম্ভব।

বাংলাদেশ ছেড়ে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দায়িত্ব নিলেন শ্রীলঙ্কার। তখন থেকেই আসলে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচের উত্তেজনা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। দুই দলের লড়াইয়ে ঝাঁঝ আরও বাড়ে নিদাহাস ট্রফিতে। ভারত আর বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি ট্রফি আয়োজন করেছিল শ্রীলঙ্কা। সেখানেই শ্রীলঙ্কার ২১৪ রান তাড়া করে জিতে যায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমের ৩৫ বলে ৭২ রানের হার না মানা বিধ্বংসী ইনিংসে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ডও গড়ে ফেলে। আজ আবারও সেই শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি। মঞ্চটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। তাই উত্তেজনা-উন্মাদনা আরও বেশি।

শারজায় ম্যাচ বলেই...

ম্যাচটি শারজায় হওয়ায় কারণে বাংলাদেশের ভালো করার সম্ভাবনা অনেক অংশেই বেড়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এখানকার উইকেটের আচরণ মিরপুরের মতোই দেখা গেছে। উইকেটে বল কিছুটা ধীরে আসে, ফলে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে কিছুটা অসুবিধা হলেও বোলারদের জন্য দারুণ সহায়ক উইকেট এটি। বিশেষ করে এই উইকেটে স্পিনারদের রাজত্ব থাকবে। এর মধ্যে ম্যাচটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় বলেও বাড়তি সুবিধা থাকছে। আগের ম্যাচগুলোর মতো সাকিব আল হাসান-শেখ মেহেদী হাসানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে লঙ্কান ব্যাটারদের আটকে রাখা সম্ভব।

শারজার উইকেট মিরপুরের মতো বলেই আত্মবিশ্বাসী প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। সর্বশেষ দুটি সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে স্লো ও টার্নিং উইকেটে বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই তো আত্মবিশ্বাসী ডমিঙ্গো, ‘এই ধরনের কন্ডিশন আমাদের সঙ্গে যায়। শারজার পিচ ঢাকার মতোই। আশা করি, ম্যাচে এটি আমাদের সহায়তা করবে। এখানে বোলারদের জন্য করার মতো অনেক কিছুই থাকবে।’

মোস্তাফিজের উন্নতি

আইপিএলের শেষ দিকের কয়েকটি ম্যাচ থেকেই ফর্মহীনতায় মোস্তাফিজুর রহমান। তবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ভালো বোলিংয়ের পর মনে করা হচ্ছিল, ফর্মেই আছেন তিনি। কিন্তু ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে বোলিং দেখে মোস্তাফিজকে বেশ ক্লান্ত মনে হয়েছে। এ কারণে মূল পর্বে লড়াইয়ের আগে বাংলাদেশের মূল অস্ত্র মোস্তাফিজের ফর্ম নিয়ে কিছুটা চিন্তার মেঘ জন্মেছে। বিশেষ করে, পিএনজির বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ছন্নছাড়া বোলিং করেছেন কাটার মাস্টার। আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এমন কিছু হলে ভুগতে হবে বাংলাদেশকে। যদিও শারজায় খেলা বলেই মোস্তাফিজকে নিয়ে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করাই যায়।

লিটন-মুশফিকের ছন্দে ফেরা জরুরি

লিটন দাসের ফর্মহীনতা দুচিন্তায় ফেলেছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। বেশ কিছু ম্যাচ ধরেই সংগ্রাম করছেন লিটন। এছাড়া দলের ব্যাটিং স্তম্ভ মুশফিকুর রহিমও নেই ফর্মে। স্কটিশদের বিপক্ষে বড় ইনিংস খেললেও তার স্ট্রাইকরেট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওমানের বিপক্ষে আট নম্বরে নেমে ৬ রান করে আউট হন। আর পিএনজির বিপক্ষে ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই দুই ক্রিকেটারের ফর্মে ফেরা জরুরি। মুশফিক চাইলে নিদাহাস ট্রফিতে লঙ্কানদের বিপক্ষে খেলা ৩৫ বলে ৭২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটি থেকে প্রেরণা নিতে পারেন।

মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্স

বড় মঞ্চে মাহমুদউল্লাহর কাছে অধিনায়কোচিত নৈপুণ্য প্রত্যাশা করবে দল। পিএনজির বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বিস্ফোরক ব্যাটিং করে দলের স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে ব্যাটি, বোলিং, ফিল্ডিং ও অধিনায়কত্বে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। পিঠের ব্যথার কারণে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে বোলিং করেননি তিনি। সুপার টুয়েলভে করবেন কিনা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে তার বোলিংও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে লঙ্কানদের বিপক্ষে।

সাকিব-মেহেদীর ধারাবাহিকতা

বিশ্বকাপে মেহেদী হাসান সেভাবে আলোচনায় না এলেও শেষ দুটি ম্যাচে জয়ের পথে তার অবদান অনেক। প্রতিপক্ষের রানের চাকা আটকানোয় মূল ভূমিকা পালন করছেন অফ স্পিনার। ৫ উইকেট নিলেও ওভারপ্রতি ৪.৪১ করে রান দিয়েছেন। শারজার স্পিনিং উইকেটে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবেন, এমটাই মেহেদীর কাছ থেকে আশা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। পাশাপাশি সর্বশেষ দুই জয়ে ব্যাটে-বলে অবদান রাখা সাকিবেরও এই ম্যাচে ছন্দ ধরে রাখা জরুরি।

পাওয়ার প্লের সঠিক ব্যবহার

স্কটল্যান্ড ও ওমানের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে না পারলেও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। প্রথম ম্যাচে ২ উইকেট ২৫ রান, দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেটে ২৯ রান করেছিল বাংলাদেশ দল। তবে পিএনজির বিপক্ষে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান নিয়ে নিজেদের উন্নতি দেখিয়েছিল তারা। পাওয়ার প্লেতে বোলিংয়ে পিএনজির বিপক্ষে ভালো করেছে বাংলাদেশ। এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিং-বোলিংয়ে প্রথম ছয় ওভার ভালো করতে পারলেই ম্যাচে এগিয়ে থাকতে পারবে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

লঙ্কানদের বৈচিত্র্যময় বোলিং সামলানো

শ্রীলঙ্কার শক্তির মূল জায়গাটি হলো তাদের বোলিং। দুই পেসার দুষ্মন্থ চামিরা-লাহিরু কুমারার সঙ্গে মাহিশ থিকশানা ও ভানিন্দু হাসারাঙ্গার ঘূর্ণিতে প্রতি ম্যাচেই তারা প্রতিপক্ষকে বিপদে ফেলেছে। যদিও এই ম্যাচে থিকশানার খেলার সম্ভাবনা কম। তার বদলে দেখা যেতে পারে আকিলা ধনাঞ্জয়াকে। তিনিও বাংলাদেশের জন্য ‘থ্রেট’ হয়ে উঠতে পারেন। সব মিলিয়ে তাই লঙ্কান বোলারদের ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে বাংলাদেশের ব্যাটারদের।

/কেআর/

সম্পর্কিত

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: ৫-১ নাকি ৬-০

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৩

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার ঢেউয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে গোটা ক্রিকেট দুনিয়াই। বিশ্বকাপের সৌজন্যে প্রায় দুই বছর পর ক্রিকেটপ্রেমীরা ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুই দল ২২ গজের লড়াইয়ে নেমেছিল।

বিশ্বকাপ লড়াই মানেই যেন পাকিস্তানের হার, ভারতের উৎসব। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবারের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবক’টিতে হেরেছে পাকিস্তান। ভারত ব্যবধান বাড়িয়ে ৬-০ করবে নাকি পাকিস্তান কমিয়ে ৫-১ করতে পারে, সেটিই দেখার।

আজ (রবিবার) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ২২ গজে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। এশিয়ার দুই ক্রিকেট পরাশক্তি মাঠে নামবে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে। এ লড়াই কেবল মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, ছড়িয়ে পড়ছে দুই দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও। ভারত-পাকিস্তানের পাশাপাশি অন্য দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের চোখও আটকে যাবে টিভি পর্দায়। ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস ও গাজী টিভিতে।

কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে আটবার। ভারত ৬টিতে ও পাকিস্তান মাত্র এক ম্যাচে জিতেছে। ২০১২ সালে বেঙ্গালুরুতে ওই একমাত্র জয়টি পেয়েছিল শহীদর আফ্রিদির নেতৃত্বে। আর বিশ্বমঞ্চে এখন পর্যন্ত অপরাজিত ভারত। পাঁচ ম্যাচের সবক’টি দাপটের সঙ্গে জিতেছে তারা। পরিসংখ্যান বাদেও ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট সংস্করণে বর্তমানে ভারত দলের যে ফর্ম তাতে করে পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখা যাচ্ছে না দুবাইয়ের লড়াইয়ে।

২২ গজের লড়াইয়ের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক পটভূমিও। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক আসর ছাড়া দুই দলের লড়াই দেখার সুযোগ নেই। মূলত রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে কোনও দলই একে অন্যের সঙ্গে খেলছে না।

২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ভারত ‘বোল আউট’-এ জয় পায়। একই আসরে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের ফাইনালেও মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান। ফাইনাল জিতে শিরোপা উদযাপন করে মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। ২০১২ বিশ্বকাপে কলম্বোতে বিরাট কোহলির ৭৮ রানের ওপর ভর করে জিতে যায় ভারত। এরপর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চতুর্থবারের মুখোমুখিতে মিরপুরে সহজেই পাকিস্তানকে হারায় তারা। পরের ম্যাচটি ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। কলকাতা ইডেন গার্ডেনসেও জয় তুলে নেয় ভারত।

ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি, সব জায়গায় কোহলিদের একক আধিপত্য। ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৭-০ ব্যবধানে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এগিয়ে ৫-০ ব্যবধানে। তবে পাকিস্তান পিছিয়ে থাকলেও যে ছেড়ে কথা বলবে না, বলার অপেক্ষা রাখে না। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বলে কথা!

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে ‘বিশ্বকাপ সেরা’ হওয়ার অপেক্ষায় সাকিব

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪২

সাকিব আল হাসান আর রেকর্ড যেন একই সুতোয় গাঁথা। মাঠে নামলেই হয়ে যাচ্ছে রেকর্ড! অসাধারণ, অনবদ্য, অবিশ্বাস্য, অতিমানবীয়- কোনও বিশেষণই এখন আর যথেষ্ট নয় তার জন্য। আজ (রবিবার) আরও একটি রেকর্ডের হাতছানি তার সামনে। ১ উইকেট পেলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড গড়বেন তিনি।

আজ (রবিবার) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। শারজার এই ম্যাচে একবার উইকেট উদযাপন করতে পারলেই রেকর্ডের আনন্দে ভাসবেন সাকিব। এখন যৌথভাবে শীর্ষে আছেন পাকিস্তানি গ্রেট শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে।

এবারের ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশ্বকাপ শুরু করেছিলেন তিনি আফ্রিদির থেকে ৯ উইকেট পিছিয়ে থেকে। ওমানের প্রথম রাউন্ডের তিন ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে ছুঁয়ে ফেলেন সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ককে। এবার তাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে বসার সুযোগ। এই মুহূর্তে সাকিব ও আফ্রিদির উইকেট সংখ্যা ৩৯। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ‍উইকেটশিকারি হতে বাংলাদেশি স্পিনারের চাই একটি উইকেট।

বিশ্বকাপে সাকিবের এই সাফল্যের ধারেকাছে কেউ নেই। কেননা তার নিচে থাকা ছয় বোলারের কেউই আর বিশ্বকাপ খেলছেন না। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা আছেন বেশ নিচের দিকে। কাছাকাছি আছেন ক্যারিবিয়ান দুই ক্রিকেটার ডোয়াইন ব্রাভো ও স্যামুয়েল বদ্রি। ব্রাভো ২৫ উইকেট নিয়ে ৯ নম্বরে আর বদ্রি ২৪ উইকেট নিয়ে আছেন ১০ নম্বরে।

সাকিব ২০০৭ সাল থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব আসরে খেলেছেন। টানা সাত বিশ্বকাপ খেলে ২৮ ম্যাচে ৩৯ উইকেট। তার চেয়ে ৬ ম্যাচ বেশি খেলে আফ্রিদির উইকেটও ৩৯। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিবের সেরা সাফল্য ছিল ২০১৬ সালে। সেবার বাঁহাতি এই স্পিনার পেয়েছিলেন ১০ উইকেট। ২০১৪ সালে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে বাঁহাতি স্পিনার পেয়েছিলেন ৮ উইকেট। এবার আগের সব সাফল্য ছাড়িয়ে যাওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

২০১৯ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ওয়ানডে বিশ্বকাপে স্বপ্নের মতো সময় কাটিয়েছেন সাকিব। ইতিহাসের একমাত্র অলরাউন্ডার হিসেবে একই আসরে ৫০০ রান ও ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন। কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে একই পথে হাঁটছেন। তিন ম্যাচে ইতিমধ্যে শিকার ৯ উইকেট, ব্যাট হাতে করেছেন ১০৮ রান।

বাংলাদেশের দুটি জয়ের পেছনেও রয়েছে তার অবদান। তাই তো ম্যাচসেরার পুরস্কারও তার হাতেই। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে বসেন কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ উইকেটেশিকারির আসনে। ৮৯ টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের এখন ১১৫ উইকেট। এ পথে তিনি পেছনে ফেলেছেন ১০৭ উইকেট থাকা লাসিথ মালিঙ্গাকে।

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাসুম

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

শ্রীলঙ্কাকে হারাতে যা করতে হবে বাংলাদেশকে

quiz
সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune