X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

এবারের গণটিকা কর্মসূচিতে প্রাধান্য পাচ্ছেন যারা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:১৫

আগামী মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দেশে একদিনের জন্য শুরু হচ্ছে গণটিকাদান কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচিতে ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি জানান, এ দিনের টিকাদান কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবেন, বয়োজ্যেষ্ঠরা। বিশেষ করে যাদের বয়স ৫০ বছরের বেশি। সেইসঙ্গে অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছেন নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী নাগরিকরা।  

‘তাদের প্রাধান্য দিয়ে এবারের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে’, যোগ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২৮ তারিখ সকাল থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি চলবে। এবারে গণটিকাদান কর্মসূচির ওইদিন ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার টার্গেট ধরা হয়েছে। এই টার্গেট পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে টিকা দেওয়া হবে।

এবারের টিকাদান কর্মসূচিকে ‘গ্রাম-গঞ্জ’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকে বয়স্ক রয়েছেন, হার্ড টু রিচ এলাকায়- যারা সবসময় টিকাদান কেন্দ্রে আসতেও পারেন না, তাদের জন্য এবারের টিকাদান কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার থাকবে।

পরিকল্পনার বিস্তারিত জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনেকেই টিকা নিতে নিবন্ধন করে অপেক্ষায় আছেন মাসের পর মাস; তারা টিকাদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে টিকা নিতে পারবেন কিনা প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা অনেকদিন নিবন্ধন করেছেন কিন্তু টিকা পাননি এবং অপেক্ষায় আছেন, তাদের অবশ্যই আমরা অগ্রাধিকার দেব। আপনারা জানেন, প্রথমদিকে নিবন্ধন একেবারে অনেক বেশি হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে আমাদের একটি জট তৈরি হয়েছিল। কোনও কোনও দিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের নিবন্ধন হয়েছিল। এখন আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা আছে, আর জট থাকবে না।

সেই সঙ্গে নিবন্ধন না করে কেবল জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে এলেও টিকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

/জেএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

৫৬ জেলা মৃত্যুহীন

৫৬ জেলা মৃত্যুহীন

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০৯

রফতানি বাড়াতে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‌‘নতুন নতুন আরও কী কী পণ্য আমরা উৎপাদন করতে পারি এবং রফতানি করতে পারি সে বিষয়ে গবেষণা করে বের করতে হবে। কোন কোন দেশে কী কী পণ্যের চাহিদা রয়েছে সেটা অনুধাবন করে সেই পণ্য যেন আমরা উৎপাদন করতে পারি সেটাও বিবেচনা করতে হবে।’

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ এর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই সামিটে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

সামিটে বেসরকারি খাতের উদ্যাক্তাদের নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও রফতানির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান আছে বিশেষ করে বেসরকারি খাত, আমি তাদের অনুরোধ করবো, এই বিষয়টার দিকে আপনারা বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন। কারণ আমাদের রফতানি পণ্যের সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের চাহিদা থাকে। বাংলাদেশ এমন একটা দেশ আমরা ইচ্ছা করলে সব কিছুই করতে পারি। এই আত্মবিশ্বাস আমার আছে, যেটা জাতির পিতা বলে গেছেন।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি আশা করি, এই সম্মেলনের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্যে দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এ সব খাতের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের নব নব দ্বার উন্মোচিত হবে, রফতানি বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বব্যাপী আজকে যে ক্ষতি হচ্ছে, বাংলাদেশ যাতে তার থেকে মুক্তি পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে শুরু থেকেই আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কাজেই আমরা বিশ্বে প্রথম শতবর্ষের বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ বাস্তবায়ন শুরু করেছি। আমাদের আগামী প্রজন্ম অর্থাৎ প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন একটা সুন্দর-নিরাপদ-উন্নত জীবন পায়, সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এই ব-দ্বীপটাকে উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে জাতির পিতার স্বপ্নের আত্মমর্যাদাশীল, উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অনেক পণ্য রয়েছে আমরা ইতোমধ্যে রফতানি করছি। সাত দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আমাদের দেশের ৯টি খাত, যেমন: অবকাঠামো, তথ্য-প্রযুক্তি, চামড়া, ওষুধ, স্বয়ংক্রিয় ক্ষুদ্র প্রকৌশল, কৃষি পণ্য, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, পাট, বস্ত্র ও শিল্পসহ অতিচাহিদা সম্পন্ন ভোগ্য পণ্যসহ ক্ষুদ্র ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। যা আমি মনে করি অত্যন্ত সময়োপযোগী।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে সুযোগ সৃষ্টি করছি। কারণ বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানটা কিন্তু বিবেচনা করলে যারা বিনিয়োগ করতে আসবেন তারা শুধু বাংলাদেশ পাবেন না, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে তাদের একটা সুযোগ থাকবে এই বাজারগুলো ধরার এবং রফতানি করার। বাংলাদেশ সারা প্রাচ্য-প্রশ্চাত্য একটা ব্রিজ হিসেবে গড়ে উঠবে ভবিষ্যতে। যেটা আমাদের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের আরও প্রসার ঘটতে সহায়তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ করে যাচ্ছি দেশের উন্নয়নের জন্য। যদিও করোনায় আমাদের অগ্রগতিটা থেমে গেলো। যদি করোনা মহামারিটা না হতো তাহলে হয়তো আমরা আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতাম। করোনা মহামারি মোকাবিলায় আমার দেশের মানুষের যাতে কষ্ট না হয় বা ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে থমকে না যায়, এ জন্য প্রায় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। এমনকি যাতে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারেন, আবার মানুষও যেন না খেয়ে কষ্ট না পায় সেদিকে লক্ষ্য আমরা রেখেছি। এখন আমরা টিকা দেওয়াও শুরু করেছি। মানুষকে সুরক্ষা দেওয়াটা আমাদের কর্তব্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। শুধু তাৎক্ষণিক কী করা সেটা নয়। সরকার গঠনের পর থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল আশু করণীয় কী, মধ্য মেয়াদি পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কজ করা। সেভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি বলেই আজকে আমাদের এ সাফল্য এসেছে। আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা রূপকল্প-২০২১ প্রণয়ন করেছিলাম ২০১০-২০২১। আর এখন আমরা করেছি রূপকল্প-২০৪১ অর্থাৎ ২০২১ থেকে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে? কীভাবে আমরা উন্নত করবো। এরই ভিত্তিতে আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি দেশকে।’

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আমরা একটা আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলছি। যাতে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোও সেটা ব্যবহারে সক্ষম হয়। আমাদের চট্টগ্রাম পোর্টকে উন্নত করছি, মোংলা পোর্ট এবং নতুন একটা পোর্ট করেছি পায়রা পোর্ট। সেটাও গভীর সমুদ্র বন্দর হিসেবে ভবিষ্যতে গড়ে উঠবে।’

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৭

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চোখের চিকিৎসার জন্য ১৫ দিনের জার্মানি ও যুক্তরাজ্য (ইউকে) সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। রাষ্ট্রপতি ও তার সফর সঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আজ মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

 রাষ্ট্রপতির ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মুন্সী জালাল উদ্দিন বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, ডিপলোমেটিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচারি, ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটেনের হাইকমিশনার রবার্ট চাটার্টন ডিকসন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান, সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (অপারেশন), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান।

এরআগে, রাষ্ট্রপ্রধান গতকাল বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে (লন্ডন সময়) ঢাকার উদ্দেশে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীন ও লন্ডনে বাংলাদেশ মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান।

এর আগে, ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি ও তার স্ত্রী রাশিদা খানম এবং অন্যান্য সফরসঙ্গী জার্মানির রাজধানী বার্লিনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। তিনি ১৯ অক্টোবর বার্লিন থেকে লন্ডন পৌঁছান।

৭৭ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতি হামিদ দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় ভুগছেন। জাতীয় সংসদের (সংসদ) স্পিকার থাকাকালীন থেকে তিনি লন্ডন ও জার্মানিতে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে আসছেন।

/ইউএস/

সম্পর্কিত

গাফফার চৌধুরীর খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

গাফফার চৌধুরীর খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহকে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মুসলিম উম্মাহকে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: রাষ্ট্রপতি 

কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: রাষ্ট্রপতি 

ভোক্তার আস্থা অর্জনে বিএসটিআইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: রাষ্ট্রপতি

ভোক্তার আস্থা অর্জনে বিএসটিআইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: রাষ্ট্রপতি

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৬ অক্টোবরের ঘটনা।)

 

কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কঠিন দিনগুলোকে সহজ ও মাধুর্যময় করে তোলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

বাণীতে তিনি বলেন, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সংযমের মাস রমজান প্রায় শেষ হয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের দুয়ারে খুশির ঈদ হাজির হয়েছে। সব রকম অভাব, দুঃখ-কষ্ট, দুর্দশা সত্ত্বেও আমাদের এই উৎসব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, এদিন উপলক্ষে আমি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে দেশবাসীকে এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের মোবারকবাদ জানাই। বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, আজ আমাদের মনে রাখতে হবে জাতি পুনর্গঠনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছার সংক্ষিপ্ত কোনও সড়ক নেই।

বঙ্গবন্ধু বলেন, ইপ্সিত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সমাজের প্রতি মানুষকে কঠোরতম পরিশ্রম করতে হবে। কঠোর পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য শান্তি অত্যাবশ্যক। দেশের সর্বত্র এবং সমাজের সর্বস্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য দেশবাসীকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা বলিষ্ঠভাবে পালন করতে হবে। নিশ্চিত সম্ভাবনাকে যারা কৃত্রিম সংকটে আবদ্ধ করতে চায় সেসব নগণ্যসংখ্যক চরিত্রগুলোকে অবিলম্বে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু বলেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের কঠিন দিনগুলোকে সহজ করে ঈদের খুশি নিয়ে আনতে হবে। বাংলার ঘরে ঘরে সেই অবশ্যম্ভাবী সাফল্যের প্রতীক্ষায় আমি দেশবাসীর ওপর ভরসা করে আছি। ইনশাআল্লাহ জয় আমাদের হবেই।

দৈনিক বাংলা, ২৭ অক্টোবর ১৯৭৩

ঈদ উপলক্ষে চারশ’ বন্দির মুক্তি

১৯৭৩ সালে ঈদ উপলক্ষে চারশ’ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এদিন দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে এদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান ২৫৮ জন। এদের অধিকাংশই হানাদার বাহিনীর রাজাকার হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী কাজ করে জেলে গিয়েছিলেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের পাঁচ জন হানাদার আমলে তথাকথিত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এমপি ও এমএনএ হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সেই বছর মে মাসে যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন, সেই কাঠামোর মধ্য দিয়ে এরা মুক্তি পান।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ২৫৮ জন বন্দির মুক্তিদানকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মালেক উকিল উপস্থিত ছিলেন। বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বন্দিরা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিতে দিতে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।

ডেইলি অবজারভার, ২৭ অক্টোবর ১৯৭৩

মার্কিন সতর্কতা অব্যাহত

সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি প্রধান ব্রেজনেভ বলেন, ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর বলছে, আমেরিকান সশস্ত্রবাহিনীগুলোর প্রতি প্রদত্ত সতর্ক থাকার আদেশ এখনও বলবৎ রয়েছে।

এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে নিরাপত্তা পরিষদে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বৃহৎ শক্তির বাইরে কতগুলো দেশের সেনা সদস্য পাঠানোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, যুদ্ধবিরতি না মানলে ইসরায়েলকে মারাত্মক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো। তিনি বলেন, এর আগের দিন সকালে তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনের একটি চিঠি পেয়েছেন। তাতে সোভিয়েত কী করতে চায় সেটা লেখা ছিল।

মস্কোর খবরে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অপ্রত্যাশিত অবনতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টি প্রধান মস্কোতে শান্তির শক্তিগুলোর বিশ্ব কংগ্রেসে পূর্ব নির্ধারিত বক্তৃতাদান থেকে বিরত থাকেন।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

প্রাথমিক শিক্ষায় ৩৯ কোটি টাকা সহায়তা দিচ্ছে জাপান

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০৪

বাংলাদেশকে ৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছে জাপান সরকার। দুদেশের সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় এই সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ। সোমবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ চুক্তি সই হয়।

ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

ইআরডি জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, সব শিশুর শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, আইসিটি শিক্ষার মানোন্নয়নের মতো বিষয়গুলো পিইডিপি-৪-এ স্থান পেয়েছে। পিইডিপি-৪-এর আওতায় এক লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন হবে। গুরুত্ব পাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিও।

ইআরডি আরও জানিয়েছে, ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত। কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শুরু হয়েছে পিইডিপি-৪। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ২৫ হাজার ৫৯১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর বাইরে ১২ হাজার ৮০৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পাওয়া যাবে বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে।

এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা, ইউনিসেফ ও ইউএসএইড প্রকল্পে অর্থায়ন করবে। এরই ধারাবাহিকতায় জাপান অর্থায়ন করছে। 

উল্লেখ্য, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত নানা উন্নয়ন খাতে বাংলাদেশকে ১৬ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ও অনুদান দিয়েছে জাপান সরকার। বাংলাদেশের পাশে দাড়াতে মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নেও সহায়তা দিচ্ছে জাপান।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি

চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৪

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২০’-এর হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ। সে অনুযায়ী এখন পর্যন্ত জনসংখ্যার ২৪ দশমিক ০২ শতাংশ মানুষ এক ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করেছেন জনসংখ্যার ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে এ পর্যন্ত মোট টিকা এসেছে ৭ কোটি ৭০ লাখ ৭২ হাজার ৪২০ ডোজ। এরমধ্যে ৬ কোটি ১৪ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে টিকা মজুত আছে এক কোটি ৫৫ লাখ ৮২ হাজার ৬৬৭ ডোজ। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি ৬ লাখ ২৭ হাজার ৬৮৮ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২ কোটি ৮ লাখ ৬২ হাজার ৬৫ জন। আর  সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪৩ ডোজ টিকা। 

এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকা, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার টিকা।

সারাদেশে এখন পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৭ জন।

 

 

/এসও/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

কঠোর শ্রমে কঠিন দিনগুলো অতিক্রম করতে হবে: বঙ্গবন্ধু

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

টিকা নিলে কোয়ারেন্টিন লাগবে না থাইল্যান্ডে

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

আইনজীবী পেলেন সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত বাশার, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

জনসংখ্যার ২৪ শতাংশ এক ডোজের আওতায়

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

টিকা নিয়ে দেশে এলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না

৫৬ জেলা মৃত্যুহীন

৫৬ জেলা মৃত্যুহীন

মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

সেরামকে নতুন অর্ডার দেবে না সরকার

সেরামকে নতুন অর্ডার দেবে না সরকার

বকেয়া ২ কোটি টিকা কবে পাবে বাংলাদেশ?

বকেয়া ২ কোটি টিকা কবে পাবে বাংলাদেশ?

সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বৃহস্পতিবার

সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বৃহস্পতিবার

শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ

চৌমুহনীতে হামলা: বিএনপি নেতাসহ গ্রেফতার ৮

চৌমুহনীতে হামলা: বিএনপি নেতাসহ গ্রেফতার ৮

আফগানিস্তান ইস্যুতে সিরিজ বৈঠকে অংশ নেবে রাশিয়া

আফগানিস্তান ইস্যুতে সিরিজ বৈঠকে অংশ নেবে রাশিয়া

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

ফ্রি ফায়ার গেমসের পক্ষে লড়তে পারবে না সিঙ্গাপুরের গ্যারিনা

ফ্রি ফায়ার গেমসের পক্ষে লড়তে পারবে না সিঙ্গাপুরের গ্যারিনা

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

© 2021 Bangla Tribune