X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

কালভার্ট আছে রাস্তা নেই, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৪৩

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বেংনাই উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের কোনও রাস্তা নেই। বিদ্যালয়টিতে শিশুশিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কখনও কলার ভেলায়, কখনও ধানক্ষেতের মাঝ দিয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করেন। প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছর কেটে গেলেও বিদ্যালয়টিতে যাওয়ার রাস্তা পায়নি শিশুরা। এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে, চলাচলের রাস্তার জন্য অনেক জায়গায় ধরনা দিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এজন্য এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দিন দিন কমে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক থেকে প্রায় আড়াই শ’ মিটার দূরে মাঠের ভেতরে বেংনাই উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। স্থানীয়দের উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০১৩ সালে এটি সরকারি হয়। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য ২০১২-১৩ অর্থবছরে দুই লাখ টাকা ব্যয়ে খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল একটি কালভার্ট। কিন্তু, সেটি এখন কোনও কাজেই আসছে না। কালভার্টটির উভয় পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। তাই পানির মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে কালভার্টটি।

স্কুলের সামনের মহাসড়কে দাঁড়াতেই দেখা যায় শিক্ষার্থীরা স্কুল শেষ করে বাড়ি ফিরছে। ফেরার রাস্তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেই পঞ্চম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে ওঠে, ‘এখন তো পানি কমে গেছে, তাই অন্যের জমির আইল ও বাড়ির ওপর দিয়ে যাওয়া যায়। আর কদিন আগে সেই বাড়িগুলো পেরিয়েও যেতে হতো কাদা-পানি মাড়িয়ে। আর বর্ষার সময় তো কলা গাছের ভেলাই একমাত্র ভরসা।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও রাস্তার বিষয় নিয়ে কথা হয় ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক ও সোলাইমান শেখসহ আরও অনেকের সঙ্গে। তারা বলেন, ‘আমরা অনেককে এই বিষয় নিয়ে অনেকবার বলেছি কিন্তু আজও কোনও সমাধান হয়নি। বর্ষায় যখন কলা গাছের ভেলায় এই শিশুরা স্কুলে যায়, আমরা তখন প্রতিটি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকি, না জানি কখন কী খারাপ খবর আসে। এ ছাড়াও শুকনো মৌসুমেও স্কুলে যেতে হয় অনেকের বাড়ির ও জমির ওপর দিয়ে। তখন অনেকের জমির ফসলেরও ক্ষতি হয়। এজন্য অনেকে খারাপ ব্যবহারও করেন।’

রাস্তা না থাকায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দিন দিন কমছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা উম্মে জান্নাতী বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে মোট ১৬৫ জন শিক্ষার্থী আছে জানিয়ে বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দফতরে ধরনা দিয়েছি, দরখাস্ত দিয়েছি, কিন্তু কোনও সমাধান পাইনি। শিশুরা বর্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কলার ভেলায় করে এবং পানি কমলে কাদাপানি পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসে। আর বাকি সময় আসে মানুষজনের বাড়ি ও ক্ষেতের আইল দিয়ে। পাশেই পানির পুকুর আছে। শুকনো মৌসুমেও যদি বাচ্চারা পা পিছলে সেখানে পড়ে যায় তাহলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ আব্দুর রহিম মাস্টার বলেন, ‘ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খুব কষ্ট করে স্কুলে যাতয়াত করে। এখানে একটি রাস্তা বা ফুট ওভারব্রিজ খুবই দরকার। পাশেই একটি ঈদগাহ মাঠ আছে, রাস্তাটি হলে সবার জন্যই খুব উপকার হবে।’

পাঙ্গাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘সেখানে একটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য আমি ২০১২-১৩ অর্থবছরে এডিপির দুই লাখ টাকার একটি কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে দিয়েছিলাম। কিন্তু ঠিকাদার তখন কাজ শেষ না করেই অফিস থেকে বিল তুলে নেন। আমি জানি না কীভাবে তারা বিল পেলো। আমি চেষ্টা করবো সামনে কোনও প্রকল্প আসলে সেটি দিয়ে শিশুদের জন্য একটি রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়ার।’

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি নিজেও বিষয়টি দেখেছি। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে সরকারি হয়। কিন্তু আজ অবধি রাস্তা না হওয়াটা খুব দুঃখজনক।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিবুল আলম বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য রাস্তা না থাকলে আমাদের কাছে আবেদন করলে আমরা অবশ্যই সেটি পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেবো।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এক উপজেলায় আ.লীগের ১৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

এক উপজেলায় আ.লীগের ১৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

স্বামীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

স্বামীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

চলনবিলে ফাঁদমুক্ত হলো শতাধিক পাখি

চলনবিলে ফাঁদমুক্ত হলো শতাধিক পাখি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৩৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মায় জেলের জালে ১৬ কেজি ওজনের কাতলা মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি ১৭০০ টাকা কেজি দরে ২৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকালে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ইসহাক হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

জানা গেছে, হালদার মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ে আসলে ১ হাজার ৬৫০ টাকা কেজি দরে ২৬ হাজার ৪০০ টাকায় কিনে নেন শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের মালিক সম্রাট শাহজাহান শেখ। পরে সম্রাট ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৭০০ টাকা কেজি দরে মাছটি ২৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন।

জেলে ইসহাক হালদার বলেন, গত ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল। সোমবার মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ায় দল নিয়ে পদ্মায় ইলিশ ধরতে বের হয়েছিলাম। কিন্তু ইলিশ না পেয়ে ১৭ কেজি ওজনের বড় কাতলা পেয়েছি।

মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, মাছটি উন্মুক্ত নিলামে ১ হাজার ৬৫০ টাকা কেজি দরে ২৬ হাজার ৪০০ টাকাই কিনি। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ২৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করি।

রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, বর্তমানে পদ্মায় ইলিশের আকাল থাকলেও জেলেদের জালে বড় বড় রুই, কাতলা, চিতল, বোয়াল ও পাঙাশসহ বিভিন্ন মাছ পাওয়া যাচ্ছে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফের পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফের পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু

ডোবার পানিতে ঠান্ডা হতো মিষ্টির ছানা

ডোবার পানিতে ঠান্ডা হতো মিষ্টির ছানা

চাপাতি দিয়ে প্রেমিকাকে কোপানোর অভিযোগ

চাপাতি দিয়ে প্রেমিকাকে কোপানোর অভিযোগ

হেফাজতের হরতালে সহিংসতার মামলায় কাউন্সিলর গ্রেফতার

হেফাজতের হরতালে সহিংসতার মামলায় কাউন্সিলর গ্রেফতার

দুবলার চরে যাচ্ছেন জেলেরা 

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৩১

নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে দুবলার চরের শুটকি মৌসুমের শুরু। উপকূলের জেলেপল্লিগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। সাগরে যেতে যে যার মতো প্রস্তুত করছেন জাল, দড়ি, নৌকা-ট্রলার। কেউ কেউ গড়ছেন নতুন ট্রলার, আবার কেউ পুরাতনটিকে মেরামত করে নিয়েছেন। সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকে চলে এসেছেন মোংলা ও পশুর নদীতে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বনবিভাগের পাস নিয়েই তারা রওনা হচ্ছেন সাগর পাড়ের দুবলার চরে। সাগরে এখন আর দস্যুদের উৎপাত না থাকলেও ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই দুবলায় যাত্রা শুরু করেছেন জেলেরা।

বঙ্গোপসাগর পাড়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে ১ নভেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শুটকি মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করবেন জেলেরা। টানা পাঁচ মাস সেখানে থাকতে হবে জেলেদের। তাই সাগর পাড়ে গড়তে হবে অস্থায়ী থাকার ঘর, মাছ শুকানোর চাতাল ও মাচা। সেসব তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে না সুন্দরবনের কোনও গাছপালা-লতাপাতা। তাই বনবিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী চরের উদ্দেশে যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া জেলেরা তাদের ট্রলারে করে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। আর এ সব প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগেরহাটসহ উপকূলের কয়েক জেলার জেলে-মহাজনেরা। যাওয়ার পথে সুন্দরবনের কোনও নদী-খালে প্রবেশ ও অবস্থান করতে পারবেন না সমুদ্রগামী এ জেলেরা। এছাড়া দুবলার চরে অবস্থানকালে সাগর ছাড়া সুন্দরবনের খালে প্রবেশ ও সেখানে মাছ ধরতেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। 

জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির মোংলা শাখার সভাপতি বিদ্যুৎ মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল শেখ বলেন, এবার দুবলার চরে শুটকি করতে মোংলার আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ ট্রলারে জেলেরা যাচ্ছেন। ওই সব ট্রলারে জেলেরা এখান থেকে সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন। 

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, শুটকি মৌসুমকে ঘিরে এবারও উপকূলের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০ হাজার জেলে সমবেত হবেন দুবলার চরে। আর এ মৌসুমেও দুবলার চরের যাচ্ছে প্রায় দেড় হাজার মাছ ধরার ট্রলার। ট্রলার নিয়ে গভীর সাগর থেকে আহরিত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বাছাই করে শুটকি করবেন তারা। এ বছরও চরে জেলেদের থাকা ও শুটকি সংরক্ষণের জন্য ঘর এবং ডিপো স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। দুবলার চরে জেলেদের নিরাপত্তায় বনবিভাগের পাশাপাশি থাকবে র‌্যাব ও কোস্ট গার্ডের টহল।

তিনি আরও বলেন, গত শুটকির মৌসুমে দুবলার চর থেকে বনবিভাগের রাজস্ব আদায় হয়েছিল তিন কোটি ২২ লাখ টাকা। এবারও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সমপরিমাণ কিংবা তার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের নেতা কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনে এখন আর দস্যুতার ভয় নেই। তাই অনেকটা স্বস্তি নিয়েই সাগরে যাচ্ছেন জেলেরা। আবহাওয়া ভালো থাকলে লাভের পাল্লা ভারী করেই মৌসুম শেষে বাড়িতে ফিরতে পারবেন উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার এ জেলে-বহাদ্দাররা।

 

/টিটি/

সম্পর্কিত

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো চালকদের 

দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেলো চালকদের 

পুকুরে ভেসে উঠলো বাবা-মা-মেয়ের লাশ

পুকুরে ভেসে উঠলো বাবা-মা-মেয়ের লাশ

মুহিবুল্লাহ হত্যা: তিন আসামি ২ দিনের রিমান্ডে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৩:২৮

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের শীর্ষনেতা মো. মুহিবুল্লাহকে হত্যায় অংশ নেওয়া তিন জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাং হেলাল উদ্দিনের আদালত এই আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিন জানান, গত শনিবার ভোরে মুহিবুল্লাহ কিলিং স্কোয়াডের সদস্যসহ চার জনকে আটক করে। সেখান থেকে কিলিং স্কোয়াডের টপ-৫ এর একজন আজিজুল হক হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মুহিবুল্লাহকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের শীর্ষ নেতারা

অপর তিন জন কুতুপালং ক্যাম্প-১ এর ডি ৮ ব্লকের আব্দুল মাবুদের ছেলে মোহাম্মদ রশিদ প্রকাশ মুরশিদ আমিন, একই ক্যাম্পের বি ব্লকের ফজল হকের ছেলে মোহাম্মদ আনাছ ও নুর ইসলামের ছেলে নুর মোহাম্মদ। তাদেরকে সোমবার আদালতে পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। পরে আজ রিমান্ড আবেদন শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২ মিনিটেই শেষ মুহিবুল্লাহ কিলিং মিশন, অংশ নেয় ১৯ জন

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট-ওয়েস্ট (ডি ব্লকে) নিজ অফিসে অবস্থান করছিলেন মুহিবুল্লাহ। এ সময় তাকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকধারীরা। এখন পর্যন্ত এ হত্যা মামলায় নয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তার মধ্যে মোহাম্মদ ইলিয়াছ নামে একজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

নিজ ঘরে পড়েছিল বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ

নিজ ঘরে পড়েছিল বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ

সিনহা হত্যা মামলা: ষষ্ঠ দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু 

সিনহা হত্যা মামলা: ষষ্ঠ দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু 

১৫০ কোটি টাকার ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের পিলারে ফাটল

১৫০ কোটি টাকার ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের পিলারে ফাটল

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফের পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৫

পদ্মা নদীতে স্রোতের বেগ কিছুটা কমায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে আবারও পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরীক্ষামূলক ফেরিটি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, ফেরি কুঞ্জলতা সফলভাবে নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাওয়া-আসার পর ফেরি চলাচলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কর্তৃপক্ষ।

ফেরি কুঞ্জলতা সকালে ছয়টি ছোট গাড়ি ও ৩০টি মোটরসাইকেল নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে গিয়েছে। তবে, এখনও শিমুলিয়া ঘাটে ফিরে আসেনি বলে জানান তিনি।

পদ্মা নদীতে স্রোতের বেগ বাড়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে গত ১১ অক্টোবর থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ আছে। এর আগে জুলাই ও আগস্টে চারটি ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়ার পর ১৮ আগস্ট থেকেঅনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। ৪৭ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে দিনে ৫টি ফেরি চলাচল শুরু হয়েছিল।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

ডোবার পানিতে ঠান্ডা হতো মিষ্টির ছানা

ডোবার পানিতে ঠান্ডা হতো মিষ্টির ছানা

চাপাতি দিয়ে প্রেমিকাকে কোপানোর অভিযোগ

চাপাতি দিয়ে প্রেমিকাকে কোপানোর অভিযোগ

হেফাজতের হরতালে সহিংসতার মামলায় কাউন্সিলর গ্রেফতার

হেফাজতের হরতালে সহিংসতার মামলায় কাউন্সিলর গ্রেফতার

নিজ ঘরে পড়েছিল বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩২

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় জবা খাতুন নামে (৭০) এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের চাঁন্দলা গ্রামে উত্তরপাড়ায় বসতঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জবা খাতুন ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের স্ত্রী।

জবা খাতুনের মেয়ের জামাই শাহ আলম জানান, দুই দিন আগে আমাদের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আসেন। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় আমার শ্যালক মোবাইল ফোনে জানান, তাকে জবাই করে হত্যা করেছে ডাকাতরা। খরর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।

নিহতের দেবর অলি উল্লাহ বলেন, সকালে জবা খাতুনের পুত্রবধূ ঘরে নাস্তা দিতে গিয়ে রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়েছিল। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। জবা খাতুন অসুস্থ ছিলেন।

নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের বলেন, নিজ ঘরে বৃদ্ধা একাই ছিলেন। গলা ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর দরজা-জানালা খোলা ছিল। দুর্বৃত্তরা কিছু ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেছে এমন আলামত পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে কোনও এক সময় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ডাকাতি নাকি অন্যকিছু তা তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

মুহিবুল্লাহ হত্যা: তিন আসামি ২ দিনের রিমান্ডে

মুহিবুল্লাহ হত্যা: তিন আসামি ২ দিনের রিমান্ডে

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

বাড়ির পাশে ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

সিনহা হত্যা মামলা: ষষ্ঠ দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু 

সিনহা হত্যা মামলা: ষষ্ঠ দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু 

১৫০ কোটি টাকার ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের পিলারে ফাটল

১৫০ কোটি টাকার ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের পিলারে ফাটল

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এক উপজেলায় আ.লীগের ১৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

এক উপজেলায় আ.লীগের ১৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

স্বামীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

স্বামীকে নির্যাতনের অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

চলনবিলে ফাঁদমুক্ত হলো শতাধিক পাখি

চলনবিলে ফাঁদমুক্ত হলো শতাধিক পাখি

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুশূন্য রামেকের করোনা ইউনিট

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুশূন্য রামেকের করোনা ইউনিট

কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো সেনা সদস্যের

ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো সেনা সদস্যের

অবরুদ্ধ রাখার পর শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাড়ি পৌঁছে দিলেন শিক্ষার্থীরা

অবরুদ্ধ রাখার পর শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাড়ি পৌঁছে দিলেন শিক্ষার্থীরা

‘চুল কেটে দেওয়া’ শিক্ষিকাকে বহিষ্কার না করায় শিক্ষার্থীর বিষপান

‘চুল কেটে দেওয়া’ শিক্ষিকাকে বহিষ্কার না করায় শিক্ষার্থীর বিষপান

ট্রাকচাপায় বিমানবাহিনীর সদস্যসহ নিহত ২

ট্রাকচাপায় বিমানবাহিনীর সদস্যসহ নিহত ২

সর্বশেষ

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

ক্যাবল টিভি খাতে নীতিমালা প্রণয়নে ফিড অপারেটরদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

‘যেকোনও ইস্যুকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিতর্কিত করাই বিএনপির কাজ’

‘যেকোনও ইস্যুকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিতর্কিত করাই বিএনপির কাজ’

ভালোবাসার মানুষের জন্য রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন জাপানের রাজকন্যা

ভালোবাসার মানুষের জন্য রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন জাপানের রাজকন্যা

দুবলার চরে যাচ্ছেন জেলেরা 

দুবলার চরে যাচ্ছেন জেলেরা 

© 2021 Bangla Tribune