X
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

রক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দের আদেশ স্থগিত

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৬

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের জন্য রক্ষিত বনভূমির ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দের আদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই বরাদ্দের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিঞা ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী মনিরুজ্জামান কবির।

শুনানিতে রিটকারী আইনজীবী আদালতকে বলেন, ৭০০ একর বনভূমির মালিক বন বিভাগ। সেই বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এ ভূমি বরাদ্দ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও এই বনভূমির মালিক ভূমি মন্ত্রণালয় নয়। পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা রক্ষার জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় রয়েছে। সেখানে সরকারের একটি বিভাগ ৭০০ একর বনভূমি ধ্বংস করে সেখানে প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণের জন্য এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে। যদি এখানে অ্যাকাডেমি করা হয়, তাহলে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় নেমে আসবে।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৭০০ একর বনভূমি প্রশাসন অ্যাকাডেমির জন্য বরাদ্ধ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি নির্মাণ করতে ‘রক্ষিত বনভূমির’ ৭০০ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন ঝিলংজা বনভূমির ওই এলাকা প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন। বন বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির আপত্তি উপেক্ষা করে ভূমি মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ দিয়েছে। বন বিভাগের দাবি, এই জমি তাদের।

কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই জমি বরাদ্দ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এ বনভূমিতে কোনও ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা নিষেধ। এ কারণে বন বিভাগ থেকে ‘এই ভূমি বন্দোবস্তযোগ্য নয়’ উল্লেখ করে বিভিন্ন দফতরে চিঠি দেওয়া হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দপত্রে দেশের অন্যতম জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ বনভূমিকে অকৃষি খাসজমি হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় বলেছে, বরাদ্দ দেওয়া জমির ৪০০ একর পাহাড় ও ৩০০ একর ছড়া বা ঝরনা। তারা জমির মূল্য ধরেছে ৪ হাজার ৮০৩ কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা। কিন্তু অ্যাকাডেমির জন্য প্রতীকী মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র এক লাখ টাকা।

১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ সরকার এটিকে রক্ষিত বন ঘোষণা করে। বন বিভাগ এত বছর ধরে এটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে। বিপন্ন এশীয় বন্য হাতিসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্য প্রাণীর নিরাপদ বসতি এই ঝিলংজা বনভূমি। বন আইন অনুযায়ী, পাহাড় ও ছড়াসমৃদ্ধ এই বনভূমির ইজারা দেওয়া বা না দেওয়ার এখতিয়ার কেবল বন বিভাগের।

বন বিভাগ ভূমি মন্ত্রণালয়কে লেখা তাদের চিঠিতে বলেছে, ১৯৯০ সালে জারি করা ভূমি মন্ত্রণালয়েরই একটি পরিপত্রে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড় ও পাহাড়ের ঢাল বন্দোবস্তযোগ্য নয় এবং ওই জমি মূলত বন বিভাগ বনায়নের জন্য ব্যবহার করবে। বন আইন অনুযায়ী, এ ধরনের রক্ষিত বনে কোনও ধরনের স্থাপনা করা নিষিদ্ধ।

পরে প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ মো. মনিরুজ্জামান কবির। সেই রিটের শুনানি নিয়ে রুলসহ আদেশ দিলেন হাইকোর্ট।

/বিআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৮

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৩ জন আর ১ জন করে চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। বাকি চার বিভাগ অর্থাৎ রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কারণে কারও মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহের পাশাপাশি খুলনা বিভাগেও মারা যাননি কেউ। ১৫ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১৬ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসাবে মৃত্যুহীন বিভাগের তালিকা থেকে খুলনা বাদ পড়লো। 

চলতি বছরের মার্চ মাসের পর থেকে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ক্রমে বাড়তে থাকে। করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের দাপটে জুলাই মাসে দৈনিক মৃত্যু দুইশ’র ঘর ছাড়িয়ে যায়। গত আগস্টের দুই দিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়। তবে কিছুদিন ধরে সংক্রমণের হার কমে আসার সঙ্গে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে।

ডেল্টার তাণ্ডবের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো তিন বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। সেদিন ২৪ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছিল, দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল ও ময়মনসিংহে গত ২৪ ঘণ্টায় কারও মৃত্যু হয়নি।

এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিভাগ করোনায় মৃত্যুহীন থাকছে। তিন বিভাগ থেকে মৃত্যুহীন বিভাগের তালিকা বেড়ে চার সংখ্যায় উন্নীত হয় গত ২৯ সেপ্টেম্বর। সেদিন ১৭ জনের মৃত্যুর কথা জানায় অধিদফতর। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবার চার মাস পর মৃতের সংখ্যা নেমে আসে ২০-এর নিচে। একইসঙ্গে বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। এভাবে এখন প্রতিদিনই এক বা একাধিক বিভাগে মৃত্যুহীন দিন দেখা যাচ্ছে।

দেশে সরকারি হিসাবে করোনায় মারা গেছেন ২৭ হাজার ৭৫২ জন।

/জেএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৪৫

২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি নিতে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরির চিঠিতে দুই সেমিস্টারে ভর্তির শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইউজিসি। এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এতদিন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন সেমিস্টারে ভর্তি হয়েছে শিক্ষার্থীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কোর্স খোলার ক্ষেত্রে কোনও আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির শর্ত ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘ইউনিক স্টুডেন্ট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর’ তৈরির চিঠিতে। যদিও নতুন কোর্স খোলার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে কিনা তা চিঠিতে উল্লেখ নেই। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে স্বাভাবিকভাবে তিন সেমিস্টার চালু আছে, কোথাও চার সেমিস্টারও চালু আছে। সেখানে একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ক চিঠিতে অন্য একটি বিষয় যুক্ত করে বলা হলো, ‘২০২১ সালের পর দুই সেমিস্টার ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি হলে কমিশনের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।’

জানা গেছে, শিক্ষাক্রম পরিচালনার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। আলোচনা ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য, ‘কোনও সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা অর্জন সম্ভব হয় না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যলয়গুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য নতুনভাবে অপকৌশল শুরু করেছে ইউজিসি।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা বলছেন, ‘দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যকাডেমিক বিষয় অনুমোদন দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির শর্তারোপ আইনের ব্যত্যয়, যা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর অযথা চাপ সৃষ্টির জন্য করা হয়েছে।’

সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরির জন্য গত ৯ আগস্ট দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের চিঠি দেয় ইউজিসি।

শিক্ষার্থী পরিচিতি নম্বর তৈরির চিঠির একাংশে লেখা হয়েছে, ‘যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে তিন সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছিল সেগুলোতে দুই সেমিস্টার ছাড়া কোনও সেমিস্টার থাকলে সেটির কোড হবে ৩। তবে কোনোক্রমেই ২০২১ সালের পর বছরে দুই সেমিস্টার ছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তি কমিশনের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।’

ইউজিসি’র নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়ার বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন। তার মন্তব্য, ‘যারা নতুন বিষয় খুলতে চাচ্ছে তাদের এই শর্ত দিয়ে দিচ্ছে, যা আইনের মধ্যে পড়ে না। এ নিয়ে আমরা কথা বলবো।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘দুই সেমিস্টারে ভর্তি করানোর পর কোনও শিক্ষার্থী যদি অকৃতকার্য হয় বা সেমিস্টার চালিয়ে নিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে তখন ওই শিক্ষার্থী তিন সেমিস্টারে ভর্তি হবে।’

/এসএমএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

খাদ্যে ভেজাল বন্ধে বৈষম্য ছাড়াই আইন প্রয়োগের সুপারিশ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৭

তৈরি পোশাক শিল্পের পর কৃষি পণ্য খাতকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় রফতানির খাত হিসেবে দেখছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে খাদ্যে বিষ বা ভেজাল রোধে সরকারের প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ ১১ দফা সুপারিশ জানিয়েছে সংগঠনটি থেকে। 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে পবা আয়োজিত বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উপলক্ষে এক সেমিনার থেকে এসব সুপারিশ জানানো হয়।

সেমিনারে লিখিত বক্তব্যে সেন্টার ফর ইনডিজিনিয়াস নলেজের (বারসিক) সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে ছোট ও দুর্যোগপূর্ণ দেশ হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধান, মাছ ও সবজি উৎপাদনে এগিয়ে চলেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে বিগত চার বছরে বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য রফতানি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে, খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশানোর সঙ্গে জড়িত এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদিযুক্ত ও ভেজাল খাদ্য বিক্রয়কারীদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান অব্যাহত রাখা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থের আমদানিকারক ও ব্যবহারকারী এবং লেবেল ছাড়া বা ভুয়া লেবেলের অধীন কীটনাশক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে কৃষক, উৎপাদনকারী ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের রাসায়নিক দ্রব্যাদি, কীটনাশক, ভেজাল মিশ্রণের ক্ষতিকর দিক এবং আইনে বর্ণিত দণ্ড তুলে ধরে সচেতন করাসহ ১১ দফা দাবি করেন।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী  আব্দুস সোবাহান, নাসফের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ, বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস প্রমুখ।

/জেডএ/এমআর/

সম্পর্কিত

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবি

খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবি

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবি

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১৫

'খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’  দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবিতে মানব বন্ধন করেছে কয়েকটি সংগঠন। শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্বখাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি করেন তারা।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহায়তায় সবার জন্য ‘উন্নত উৎপাদন, উন্নত পুষ্টি, উন্নত পরিবেশ ও উন্নত জীবন’ এই স্লোগানে পালিত বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল মানববন্ধন করে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভার্চুয়াল মানববন্ধনে অংশ নিয়ে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ নিজেদের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ), বাংলাদেশ পাবলিক হেলথ নিউট্রিশন অ্যাসোসিয়েশন, ফুড অর্গানাইজেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন, শ্রেণি-পেশা-বয়সের মানুষ।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের অধ্যাপক ডা.সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে। ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার এর অন্যতম কারণ। তাই হৃদরোগ ঝুঁকি কমাতে খাদ্যে ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের বিকল্প নেই।

প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, আমরা জেনেছি ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালাটি প্রয়োজনীয় ভেটিং শেষে এখন চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে সকলের জন্য ট্রান্সফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে।

উল্লেখ্য, খাদ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাটের উপস্থিতি হৃদরোগ এবং হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ায়। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করেন। ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

খাদ্যে ভেজাল বন্ধে বৈষম্য ছাড়াই আইন প্রয়োগের সুপারিশ

খাদ্যে ভেজাল বন্ধে বৈষম্য ছাড়াই আইন প্রয়োগের সুপারিশ

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

ঢাকার ফুটপাতে খাবার থাকে না ঢাকা (ফটো স্টোরি)

ঢাকার ফুটপাতে খাবার থাকে না ঢাকা (ফটো স্টোরি)

‘ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং থাকলে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত’

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৭:০০

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, যেসব ভবনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে, সেসব ভবন মালিকদেরকে ১০ শতাংশ হোল্ডিং কর রেয়াত দেওয়া হবে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত ‘পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেক্টরে ৫০ বছরের অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেক্টরে বাংলাদেশ গত ৫০ বছরে যথেষ্ট অগ্রগতি ও সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত ৬৩টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৪৮টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর অধিকাংশ বাসাবাড়ি এমনকি অভিজাত এলাকার ভবনগুলোতেও কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় জলাশয়ের পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানকল্পে সুপরিকল্পিত একাধিক জলাধার প্রয়োজন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কল্যাণপুর জলাধারের জন্য নির্ধারিত ১৭৩ একর জমির মধ্যে মাত্র ৩ একর জমিতে জলাধার রয়েছে আর বাকি ১৭০ একর জমিই অবৈধ দখলদারদের দখলে রয়েছে। তাই সবাই মিলে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএসসিসির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বক্তৃতা করেন।

/এসএস/এমআর/

সম্পর্কিত

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

হানিফ ফ্লাইওভারে বাস উল্টে দুই কাবাডি খেলোয়াড় আহত

‘দোলায় চড়ে’ দুর্গার বিদায় (ফটোস্টোরি)

‘দোলায় চড়ে’ দুর্গার বিদায় (ফটোস্টোরি)

যাত্রাবাড়ীতে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

শান্তি-সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা মসজিদে

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

জানুয়ারি থেকে দুই সেমিস্টারে ভর্তি নিতে ইউজিসির নতুন কৌশল

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

আইস ধরা পড়লে দাম নেয় না মিয়ানমারের সরবরাহকারীরা

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট সংকটে চালু হয় না আইসিইউ

যাত্রাবাড়ীতে ৫ কেজি আইসসহ দু’জন গ্রেফতার

যাত্রাবাড়ীতে ৫ কেজি আইসসহ দু’জন গ্রেফতার

আরও নাশকতার আশঙ্কায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আরও নাশকতার আশঙ্কায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

এটা কেমন সেবা?

এটা কেমন সেবা?

তুরস্কের গেদিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ স্টাডিজ ও রিসার্চ সেন্টার

তুরস্কের গেদিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ স্টাডিজ ও রিসার্চ সেন্টার

এবার ৫ বিভাগে মৃত্যু নেই

এবার ৫ বিভাগে মৃত্যু নেই

সর্বশেষ

বিশ্বকাপে অনন্য এক রেকর্ডের সামনে সাকিব

বিশ্বকাপে অনন্য এক রেকর্ডের সামনে সাকিব

পাকিস্তান এয়ারলাইনকে নিষিদ্ধের হুমকি তালেবানের

পাকিস্তান এয়ারলাইনকে নিষিদ্ধের হুমকি তালেবানের

খুলছে হাবিপ্রবির হল, থাকছে না গণরুম

খুলছে হাবিপ্রবির হল, থাকছে না গণরুম

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ফের ৪ বিভাগে মৃত্যু নেই

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে সিঙ্গাপুর প্রবাসীর আত্মহত্যা

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে সিঙ্গাপুর প্রবাসীর আত্মহত্যা

© 2021 Bangla Tribune