X
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বাল্যবিয়ে পড়াতে কাজিদের যত কারসাজি

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৮

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের খুদিরকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের পূর্ব দই খাওয়ার চর গ্রামের ২০ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে। সহপাঠী ও প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলাচ্ছলে পুতুলের বিয়ে দেওয়া কিংবা ভাঙা তৈজসের টুকরো দিয়ে বাড়ির আঙিনায় দাগ কেটে কুত কুত খেলার বয়সে বাল্যবিয়ে নামক অভিশাপের বলি হয় সে। ওই শিশুকন্যাটির জন্য স্বামী-সংসার যে সুখানুভূতি নয় বরং আতঙ্কের—সেটা বিবেচনায় নেয়নি কোনও পক্ষই। পরিণতি— দু’বছরের মাথায় বিবাহ বিচ্ছেদ।

‘আমার বিয়ে নিজের ইচ্ছায় হয় নাই। আমি ও আমার ভাই বিয়েতে রাজি ছিলাম না। মা আর দুলাভাইয়ের চাপে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় আমার বিয়ে হয়। আমি বুঝেছি, বাল্যবিয়ে হলে মেয়েরা কোনও দিন সুখী হতে পারে না’— বাল্যবিয়ের শিকার শিশুটি এভাবেই নিজের ভাগ্য বিড়ম্বনার গল্প জানায়। বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও সহসাই আর বিয়ের পিড়িতে বসতে রাজি নয় সে।

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এই ছাত্রী লেখাপড়া শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে নামক শব্দটি আর মুখে নিতেও নারাজ সে।

‘আমি এখন আর বিয়ে করতে চাই না। পড়াশুনা করতে চাই। উপযুক্ত বয়স হলে বিয়ের কথা ভাববো’- জানায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

কিন্তু অত অল্প বয়সে কীভাবে বিয়ে হলো, রেজিস্ট্রি হয়েছিল- এমন প্রশ্নে সম্মতির ইশারা দেয় ভুক্তভোগী মেয়েটি। জানায়, জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বয়স বাড়িয়ে কাবিন হয়। তার জন্ম সাল ২০০৭ হলেও কাবিনে জন্মসাল ২০০৩ দেখিয়ে ১২ বছর বয়সেই তার বিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

কী ছিল ওই ছাত্রীর বিয়ের কাবিননামায়?

কাবিননামা চাইলে মেয়েটির মা ঘর থেকে একটি কপি নিয়ে আসেন। হাতে নিয়ে দেখতেই চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা। জন্মসাল, বয়স এবং জন্ম নিবন্ধন নাম্বার পরিবর্তন করে কাবিন করা হয়েছে। দেনমোহর ১ লাখ টাকা ধার্য করে ৯৮ হাজার ৩শ’ টাকা বাকি রাখা হয়েছে।  ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর চেহারায় শিশু বয়সের স্পষ্টতা থাকার পরও বিয়ে নিবন্ধন করেছেন স্থানীয় কাজি মাওলানা মো. মকিবুর রহমান।

এমন গল্প কুড়িগ্রামের সব উপজেলার পাড়ায়-মহল্লায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেশিরভাগ বাল্যবিয়ের আইনগত বৈধতা থাকছে না। ফলে নারী নির্যাতন আর বিবাহ বিচ্ছেদের মতো ঘটনায় আইনগত কোনও প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী এসব স্কুলছাত্রী।

যেভাবে সম্পন্ন হচ্ছে বাল্যবিয়ে

বাল্যবিয়ের শিকার স্কুলছাত্রী, তাদের পরিবার, বিয়েতে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কাজিদের সঙ্গে কথা বলে জেলায় বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার বেশ কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে জানা গেছে। কারও ভুয়া জন্ম-নিবন্ধন সনদে নকল নিবন্ধন বইয়ে বিয়ে ‘রেজিস্ট্রি’ হচ্ছে আবার কারও নিবন্ধন ছাড়াই বিয়ে হচ্ছে।

জেলার সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের বাল্যবিয়ের শিকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৫) জানায়, তার বিয়েতে কাজি এসেছিলেন এবং সে কাবিনে স্বাক্ষরও করেছিল। তবে বিয়েতে যে কাজি উপস্থিত ছিলেন তাকে সে চেনে না।

ওই ইউনিয়নের কাজি রফিকুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নিজ ইউনিয়নে বাল্যবিয়ের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি বাল্যবিয়ে পড়াই না। গোপনে এবং অনেক সময় অন্য এলাকায় নিয়ে এসব বিয়ে পড়ানো হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব বিয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই হয়।’

আর বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজি মাওলানা মো. মকিবুর রহমান বলেন, ‘২০১৯ সালের ঘটনা আমার মনে পড়ছে না। যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এমনটা আর হবে না। সম্প্রতি আমরা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে শপথও করেছি।’

তবে সদর উপজেলার এক কাজি নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, জেলার প্রত্যেক কাজির কাছে সরকারি ভলিউমের হুবহু নকল আরও একটি ভলিউম থাকে। বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে কাজিরা ওই নকল ভলিউম নিয়ে বিয়ে বাড়িতে যান এবং সেই ভলিউমে বিয়ে নিবন্ধন করেন। কনে ও বর পক্ষকে দেখানোর জন্য এসব ভলিউমে বিয়ে নিবন্ধন করা হলেও প্রচলিত আইনে এসব বিয়ের কোনও বৈধতা থাকে না। মেয়ের বয়স ১৮ পূর্ণ হলে কাজিরা হাল তারিখে মূল ভলিউমে এসব বিয়ে নিবন্ধন করেন।

‘বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে কাজিরা অনেক সময় নিজে উপস্থিত না হয়ে তাদের প্রতিনিধি (ছায়া কাজি) পাঠিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করেন। বয়স কম হওয়ায় সরকারি ভলিউমে এসব বিয়ে নিবন্ধন না করে নকল ভলিউমে এসব বিয়ে নিবন্ধন করা হয়। ফলে বাল্যবিয়ের শিকার এসব মেয়েদের দাম্পত্য জীবনের আইনত কোনও বৈধতা নেই।’- যোগ করেন ওই কাজি।

নকল ভলিউম প্রসঙ্গে ওই কাজি বলেন, ‘অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে আমিও বাল্যবিয়ে পড়াতে বাধ্য হই। আমার নিজের কাছে ভলিউম নেই। তবে ভলিউমের পৃষ্ঠার হুবহু কিছু পৃষ্ঠা রয়েছে। বাল্যবিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে এসব পৃষ্ঠায় বিয়ে নিবন্ধন করা হয়। পরে বয়স পূর্ণ হলে মূল ভলিউমে কাবিন সম্পন্ন করা হয়।’

এলাকায় বাল্যবিয়েতে উপস্থিত থাকেন এমন কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রশাসনের নজর এড়ানোর জন্য অনেক সময় এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নের কাজির কাছে গিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে কনেকে বাড়িতে রেখে তার অভিভাবকসহ বরকে কাজির কাছে নিয়ে গিয়ে বিয়ে নিবন্ধন করা হয়। বর ও কনে পক্ষকে হুবহু নকল ভলিউমে বিয়ে নিবন্ধন দেখানো হয়। যে কাবিনের নকল কাজিরা কোনও পক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন না। মেয়ের বয়স ১৮ পূর্ণ হলে মূল ভলিউমে বিয়ে নিবন্ধন করে কাবিনের নকল দেওয়া হয়।

 মাঠ প্রশাসনও জানে কীভাবে বাল্য বিয়ে হচ্ছে

করোনাকালীন সময় জেলায় বাল্যবিয়ে বেড়ে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে তারা অবগত হলেও করোনাকালীন সময়ে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সময়মত বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার খবর না পাওয়ায় এসব বিয়ের বেশিরভাগই ঠেকানো সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরে তাসনিম (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, ‘প্রত্যেক ইউনিয়নে কাজি এবং ইমামের বিকল্প লোক আছেন। অনেক সময় কাজিরা বাল্যবিয়েতে না গিয়েও অন্যদের দিয়ে বিয়েগুলো পড়াচ্ছে। যেগুলোর বেশিরভাগের বৈধ কোনও নিবন্ধন হয় না।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘কাজিদের নিয়ে আমরা মত বিনিময় করছি। তাদের শপথও করানো হচ্ছে। ছায়া কাজিদের (কাজিদের সহকারী) তথ্য সংগ্রহ করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনও কাজি বাল্যবিয়ে রেজিস্ট্রির দায় স্বীকার করতে চান না। তারা একে অন্যের ওপর দায় চাপিয়ে দেন।’

চরাঞ্চলের অভিভাবকদের মধ্যে সন্তানদের বাল্যবিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বেশি এবং এসব বিয়ে নিবন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কাজিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে যাওয়ায় এখন বিয়ের প্রবণতা কমবে বলে আশা করছি। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমরা সকল পর্যায়ের কমিটিগুলোকে সক্রিয় করে এটি কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি।’

/এমআর/

সম্পর্কিত

১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে মা-ছেলেসহ ৩ জন নিহত

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৯

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ট্রাকচাপায় মা-ছেলে এবং বাস-ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুটি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরও আট জন। রবিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে দিকে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের নলকা মোড় এলাকায় এবং ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের খালকুলা ৫নং সেতু এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

ট্রাকচাপায় নিহত দুজন হলেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাসিমপুর মহল্লার নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪৫) এবং তার ছেলে নয়ন (২২)।  অপর দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদ জানান, রবিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কামারখন্দ উপজেলার নলকা সেতু এলাকায় ব্যাটারিচালিত একটি অটোভ্যান রাস্তা পার হওয়ার সময় বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক অটোভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মনোয়ারা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে নয়ন (২২) নিহত হন। আহত হয় মেয়ে ইসরাত জাহান। খবর পেয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল্লাহেল বাকী জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী দেশ ট্রাভেলসের একটি বাসের সঙ্গে রাস্তা মেরামতের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক্টরের মহাসড়কের খালকুলা ৫নং সেতু এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রাক্টরে থাকা এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এবং বাসের কমপক্ষে সাত যাত্রী আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

মাধবপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪

মাধবপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

প্রকল্প ছাড়াই টাকা উত্তোলন

১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৭

প্রকল্প গ্রহণ না করেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের উত্তোলনকৃত সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন। 

শোকজ নোটিশের পর উন্নয়ন প্রকল্পে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে এই টাকা জমা করা হয়। এ ছাড়া আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার টাকাও জমা করা হয়। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান স্বাধীন তার শোকেজের জবাবে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। 

রবিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোকসানা বেগম। তিনি বলেন, শোকজের লিখিত জবাব বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) আমার দফতরে জমা দেওয়া হয়। শোকজ জবাব গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগমের দফতরে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া উত্তোলন করা সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ও আয়করের আড়াই লাখ টাকা জমা দিয়েছেন চেয়ারম্যান।

শোকজের নোটিশ পাওয়ার পর গত ৩ অক্টোবর ভ্যাট-আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার ৯২৩ টাকা জমা ও ৬ অক্টোবর সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভূমি হস্তান্তর বরাদ্দের তুলে নেওয়া সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পরিষদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করে পরিষদের সচিব মো. নুরজামান মিয়া বলেন, ‘সোনালী ব্যাংক সাদুল্লাপুর শাখার হিসাব নম্বরে এসব টাকা জমার রশিদ এবং ট্রেজারি চালানের কপি ইউএনওসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। লিখিত জবাবে চেয়ারম্যান অভিযোগের ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন। 

সচিব আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টিউবওয়েল, স্প্রে মেশিন বিতরণ ও কালভার্টসহ উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজগুলোও হচ্ছে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের টাকায়। এ কারণে জমা দেওয়ার ওই টাকা আবারও তুলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
 
গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান স্বাধীনের লিখিত জবাব ইউএনও’র মাধ্যমে আমার কাছে পাঠানো হয়েছে। তার জবাব পর্যালোচনাসহ সরেজমিনে অভিযোগগুলো তদন্ত করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

প্রকল্প ছাড়াই টাকা তুলে নেওয়ার খবর প্রকাশের পর জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিক ফেসবুক লাইভে এসে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান স্বাধীন নিজের দোষ আড়ালে নির্বাচনি প্রতিপক্ষ প্রার্থীসহ স্থানীয় দুই সংবাদকর্মীকে নিয়ে মিথ্যাচার করেন।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে নথিপত্র যাচাই ও ব্যাংক হিসাবে প্রকল্প গ্রহণ ছাড়াই সাড়ে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা না দেওয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। 

এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকে ২৯ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগম।

/এএম/

সম্পর্কিত

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৪

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকা থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন (৩৮) ওরফে নওশাদ নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সানারপাড় রানা সিএনজি পাম্পের সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

দুবাই প্রবাসী নওশাদের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মাত্র দু’দিন আগে তিনি দুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন। মহাসড়কের পাশে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘লাশের পকেটে পাওয়া মোবাইল ফোন দিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পরিচয় জানা গেছে। লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। অথবা কোনও যানবাহনের সঙ্গে আঘাত পেয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৪

গাজীপুরের শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজের (বর্তমানে শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ) অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ পদ ফিরে পেতে নিম্ন আদালতে মামলা দায়েরের ১১ বছর পর পক্ষে রায় পেয়েছেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত তার পক্ষে ওই রায় দেন। রবিবার মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে, ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ তথা কলেজের পক্ষ থেকে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে একটি আপিল মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে। ফলে উচ্চ আদালত আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নিম্ন আদালতের রায়টি অকার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী এমদাদুল হক মাসুম। 

মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ জানান, গাজীপুর আদালতে অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ দেওয়ানি মামলার আইনি লড়াই শেষে প্রায় ১১ বছর পর গাজীপুরের পঞ্চম সিনিয়র জজ আদালত থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বপদে বহালের রায় পান।

বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এমদাদুল হক মাসুম বলেন, ‘মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ থাকাকালে ২০০৯-এর ২৮ মার্চ কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের ১৪ মাস পর ২০১০ সালের ৩ মে চাকরি ফিরে পেতে গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন।’ 

রায়ের ব্যাপারে বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, মামলাটির বাদী সরকার, তাই নিম্ন আদালত রায় দিলেও আদালতের জিপির (সরকারি কৌঁসুলি) মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এর আগেই ওই রায়ের বিরুদ্ধে রবিবার গাজীপুর জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ তথা কলেজ পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে। আপিলের কপি শিক্ষা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য তা আমলে নিয়েছেন।  

শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘রায়ের কপি এবং আপিলের কপি দুটোই আমার হাতে এসেছে। ওই শিক্ষকের যোগদানের বিষয়ে শিক্ষা অধিদফতর থেকে কোনও অফিসিয়াল নির্দেশনা পাইনি। এ বিষয়ে আইন কী বলে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’ 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

পাহাড়ে রাস্তা ছাড়াই সেতু, ঘষে তুলে ফেলেছে নির্মাণ ব্যয়

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০০

জনবসতিহীন পাহাড়ের ভেতর সড়ক ছাড়া একটি সেতু নির্মাণ করেছে মিরসরাই উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিসের সড়কের শিমুলতলী ছড়ার ওপর ৩৪ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুর নামফলকে নাম ও দৈর্ঘ্য লেখা থাকলেও কত টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তা ঘঁষে তুলে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সেতুর ব্যয় জানা যায়নি।

জানা গেছে, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হিঙ্গুলী-ফরেস্ট অফিসের সড়কটি ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদীনগর গ্রামে অবস্থিত। সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটারের মধ্যে বসতি থাকলেও শেষাংশে পাহাড়। নেই জনমানব। পাহাড়ের পাদদেশে ধানসহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষাবাদ হয়। প্রায় পাঁচ বছর আগে হওয়া সেতুর পশ্চিম পাশে সড়ক থাকলেও পূর্বপাশে নেই। সরু ছড়া দিয়ে পাহাড়ের ওপর থেকে পানি নামে। পাহাড়ে উৎপাদিত ধান, শাক-সবজি জমির আইল দিয়ে নিয়ে যান কৃষকরা। সড়ক ও জনমানববিহীন স্থানে সেতু হওয়ায় কাজে আসছে না।

হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিসের সড়কের শিমুলতলী ছড়ার ওপর ৩৪ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়

সরেজমিনে দেখা যায়, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়কের ফরেস্ট বিট অফিসের আধা কিলোমিটার পর মেহেদীনগর গ্রামে জনবসতি নেই। সড়কটি যতই পাহাড়ের দিকে গেছে ততই সরু হয়ে গেছে। সেতুর পশ্চিম পাশে সড়ক থাকলেও মাটি দেওয়া হয়নি। সেতুর পূর্বপাশে সড়ক নেই। সড়কবিহীন দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি।

স্থানীয় কৃষক মো. জেবাল হক বলেন, পাহাড়ের ভেতর জনবসতি না থাকলেও প্রায় ৮০ একর জমিতে বোরো ও আমন ধান, রবিশস্য, লেবু চাষ করা হয়। সেতু নির্মাণের প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও সড়ক নির্মাণ হয়নি। যোগাযোগের অসুবিধার কারণে পাহাড়ের ভেতর অনেক জায়গায় চাষাবাদ হচ্ছে না। চাষ করলেও প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ধান, সবজি বারইয়ারহাট পৌর বাজারসহ অন্যান্য বাজারে নেওয়া যায় না। আমরা চাই সেতুর সঙ্গে যেন সড়ক নির্মাণ করা হয়।

২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন হারুন বলেন, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়ক হিঙ্গুলী ইউনিয়নে পড়লেও সেতুর অবস্থান করেরহাট ইউনিয়নে। ওখানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি আমি জানি না। সড়কের বিষয়টি করেরহাট ইউনিয়নের দেখার কথা। সেতুর ফলকে হিঙ্গুলী ইউনিয়ন লেখা থাকলেও এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

সেতুর নামফলকে নাম ও দৈর্ঘ্য লেখা থাকলেও কত টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তা ঘঁষে তুলে ফেলা হয়েছে

১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়ক যেহেতু হিঙ্গুলী ইউনিয়নে; তাই সেতুর অবস্থানও হিঙ্গুলী ইউনিয়নে। ওটি যদি করেরহাট ইউনিয়নে হতো আমি অবশ্যই সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করতাম।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার বলেন, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পাহাড়ের ভেতর জনবসতি না থাকলেও কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আমাদের দায়িত্ব সেতু করা, সড়ক নির্মাণ করা নয়। সড়ক তৈরির কাজ এলজিইডির। সেতু নির্মাণের প্রায় পাঁচ বছর পরও কেন সড়ক হয়নি তা স্থানীয় চেয়ারম্যান জানেন।

সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, ব্যয় কত হয়েছিল তা জানি না। সেতুটি প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। অনেকগুলো ফাইলের মধ্যে এটির ফাইল নিচে চলে গেছে। ফাইল খুঁজে পেতে একটু সময় লাগবে। সেতুর ফলক থেকে ব্যয় ঘঁষে তুলে ফেলার বিষয়টি আমার জানা নেই।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভেতর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রীজ নির্মাণ ও সড়কের সংযোগ না থাকার বিষয়ে আমি খবর নিয়ে বলতে পারবো। 

/এএম/

সম্পর্কিত

রাঙামাটির ১১ ইউপিতে ৩৯৭ জনের মনোনয়ন দাখিল

রাঙামাটির ১১ ইউপিতে ৩৯৭ জনের মনোনয়ন দাখিল

সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়েছেন তিনশ’ পর্যটক

সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়েছেন তিনশ’ পর্যটক

চিৎমরমে চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা: ইউপি নির্বাচন পিছিয়ে তৃতীয় ধাপে

চিৎমরমে চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা: ইউপি নির্বাচন পিছিয়ে তৃতীয় ধাপে

কুমিল্লায় বিশৃঙ্খলার ঘটনায় সাত মামলায় ৮০০ আসামি

কুমিল্লায় বিশৃঙ্খলার ঘটনায় সাত মামলায় ৮০০ আসামি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

প্রকল্প ছাড়াই টাকা উত্তোলন১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

ছবি তোলার কথা বলে প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে কাশবনে ধর্ষণ 

হিলি স্থলবন্দরে ৩ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২৩ কোটি টাকা

হিলি স্থলবন্দরে ৩ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২৩ কোটি টাকা

দিনাজপুরে বজ্রাঘাতে ২ জনের মৃত্যু

দিনাজপুরে বজ্রাঘাতে ২ জনের মৃত্যু

৪২ টাকার নিচে নামছে না পেঁয়াজের দাম

৪২ টাকার নিচে নামছে না পেঁয়াজের দাম

ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্যকে ছুরিকাঘাত

ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্যকে ছুরিকাঘাত

সর্বশেষ

প্রাণঘাতী বন্যায় ভারতে বহু মানুষ নিখোঁজ

প্রাণঘাতী বন্যায় ভারতে বহু মানুষ নিখোঁজ

ফাতির নৈপুণ্যে পিছিয়ে পড়েও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়

ফাতির নৈপুণ্যে পিছিয়ে পড়েও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

© 2021 Bangla Tribune