শেখ হাসিনাকে কথা বলতে দেওয়া দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
০৫ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১৭আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১৭

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছে ঢাকা। বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আত্মগোপনে থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে আজ সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতার অনুমতি দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। ঢাকা গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করে যে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুনর্গঠনে এই ঘটনার সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও এই প্রকাশ্য অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই আলাপচারিতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি মারাত্মক অপমান। ফ্যাসিবাদী শাসন দ্বারা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক লোকদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত তথ্য অস্বীকার করা পলাতক দোষী সাব্যস্ত গণহত্যাকারী হাসিনা এবং তার অপরাধী সহযোগীদের ইতিহাসের জোয়ারকে বিপরীত করার একটি বৃথা প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের জনগণ অতীতে এ ধরনের জঘন্য প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং এখনও করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশের জনগণ দৃঢ় সংকল্প নিয়েছে যে, জাতি আর কখনও ফ্যাসিবাদের অন্ধকার দিনগুলোতে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনও ক্লায়েন্ট রাষ্ট্র হবে না। সাজাপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার মাফিয়া প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের রাজনীতিতে কখনও স্থান পাবে না।

এতে আরও বলা হয়, সার্বভৌম সাম্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও দূরদর্শী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। দুঃখজনকভাবে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে দোষী সাব্যস্ত অপরাধী হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে বারবার অনুরোধ করা হলেও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিপরীতে, যেকোনও অজুহাতে তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলার সুযোগ দেওয়া আমাদের জনগণের অনুভূতির জন্য গভীরভাবে ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিকাশের জন্যও ক্ষতিকর।

/এসও/ইউএস/
সম্পর্কিত
আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ নিয়ে পাকিস্তান হাইকমিশনের ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ভুটানে পেশাদার কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
জাপানে প্রমোদতরিতে থেকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের অন্যরকম অভিজ্ঞতা
জাপানে প্রমোদতরিতে থেকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের অন্যরকম অভিজ্ঞতা
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
দৃষ্টিহীনদের নিয়েই স্পা খুলেছিলেন শ্রিয়া সরন, নেপথ্যের কারণ জানালেন অভিনেত্রী
দৃষ্টিহীনদের নিয়েই স্পা খুলেছিলেন শ্রিয়া সরন, নেপথ্যের কারণ জানালেন অভিনেত্রী
বিমানে হাঁপানির সমস্যা বাড়লে কী করবেন?
বিমানে হাঁপানির সমস্যা বাড়লে কী করবেন?
সর্বাধিক পঠিত
সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হলো টাকা
সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হলো টাকা
আটকের আগে অপ্রতিমকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখেছিল আনাস
আটকের আগে অপ্রতিমকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখেছিল আনাস
অপ্রতিমকে কোথায় কীভাবে ও কেন হত্যা করলো, জানিয়েছে পুলিশ
অপ্রতিমকে কোথায় কীভাবে ও কেন হত্যা করলো, জানিয়েছে পুলিশ
অপ্রতিমের মায়ের আইফোন তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার
অপ্রতিমের মায়ের আইফোন তুহিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার
আ.লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার পর থানার ওসিকে প্রত্যাহার
আ.লীগ নেতার বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার পর থানার ওসিকে প্রত্যাহার